Asif Akbar Fans Club

Asif Akbar Fans Club Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Asif Akbar Fans Club, Chittagong.

01/03/2019

ভালোবাসা মানে নিল প্রজাপ্রতি, ভালোবাসা মানে রুপালি উজান।ভালোবাসা মানে জোছনার গান।ভালোবাসা মানে উশ্ন সুখের বরফ গলা নদী।ভালোবাসা মানে নিল প্রজাপ্রতি, ভালোবাসা মানে রুপালি উজান।ভালোবাসা মানে জোছনার গান।ভালোবাসা মানে উশ্ন সুখের বরফ গলা নদী।

01/03/2019

জীবন হেরে যায় "মৃত্যুর " কাছে। "সুখ" হেরে যায় "দুঃখের" কাছে। "ভালোবাসা" হেরে যায়, "অভিনয়ের" কাছে, আর বন্ধুত্ত হেরে যায়, "অহংকারের" কাছে।

Copy Postকাঁদলেন, কাঁদালেন, চাইলেন ক্ষমা,প্রথম আলো। বিনোদন প্রতিবেদক, ঢাকা২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯,দেড় যুগের সংগীতজীবনে এই আস...
26/02/2019

Copy Post
কাঁদলেন, কাঁদালেন, চাইলেন ক্ষমা,
প্রথম আলো।
বিনোদন প্রতিবেদক, ঢাকা
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯,

দেড় যুগের সংগীতজীবনে এই আসিফকে কেউ দেখেননি। সাধারণত তাঁর অ্যালবাম কিংবা গানের প্রকাশনা অনুষ্ঠান বেশ হই হুল্লোড়, আনন্দ-উল্লাসে কেটে যায়। এবার যোগ হয়েছে কান্না। মঞ্চে আসিফের সেই কান্না ছুঁয়ে যায় মিলনায়তনে বসা দর্শকের হৃদয়। আসিফ যখন মঞ্চ কথা বলতে বলতে কাঁদছিলেন, তখন সামনে বসা অতিথিরাও চোখ মুছেছেন। শুধু তা-ই নয়, সুরকার ও সংগীত পরিচালক ইথুন বাবুর সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হওয়ায় ক্ষমা চান আসিফ। আগত অতিথিদের অনেকেই বলেছেন, এমন আসিফকে তাঁরা আগে কখনো দেখেননি।
দেড় যুগ আগে সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর তাঁর সংগীতজীবনের প্রথম অ্যালবাম ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’ দিয়ে শ্রোতামহলে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পান। ইথুন বাবুর কথা, সুর ও সংগীতে এই অ্যালবাম আসিফের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। প্রথম অ্যালবামের সাফল্যের পর কোনো কারণে তাঁদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। এরপর একসঙ্গে কোনো অ্যালবামে দেখা যায়নি এই দুই তারকাকে। অভিমানের পাহাড় গলে গেছে। ‘চুপচাপ কষ্টগুলো’ শিরোনামের একটি গান দিয়ে আবার ফিরলেন এই দুই তারকা। জানালেন, এখন থেকে তাঁরা দুজন নিয়মিত নতুন গান প্রকাশ করবেন। তাঁদের এই সম্পর্ক আগের মতোই দুর্দান্ত গতিতে এগোতে থাকবে।
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর বিজয়নগরের একটি হোটেলে গানটির প্রকাশনা অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন বরেণ্য সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর, তপন চৌধুরী, খুরশিদ আলমসহ এ প্রজন্মের অনেক তারকা।
দীর্ঘ দেড় যুগ পর ইথুন বাবুর কথা, সুর ও সংগীতে নতুন গান প্রকাশ অনুষ্ঠানে জীবনের প্রথম দিককার অনেক কথা মনে পড়ে যায় আসিফের। কোনো কিছু না ভেবেই সেসব বলেন তিনি। আসিফ বলেন, ‘সাউন্ডের ব্যবসা করব বলে ১৯৯৭ সালের ১৫ অক্টোবর ঢাকায় আসি। কুমিল্লার ইফতেখার আহমেদ পিন্টু ভাই আমাকে নিয়ে যান শওকত আলী ইমন ভাইয়ের কাছে। আমি ওখানে গানের ডেমো ভয়েস দিতাম। আলী আকরাম শুভ ভাইয়ের সঙ্গেও পরিচয় হয় ওখানে। “ক্ষ্যাপা বাসু” সিনেমার একটি গান গাই। এই গান শুনে ইথুন বাবু ভাই আমাকে ডাকলেন। তখন আমি মাস্টার্স পড়ছি। ঢাকা-কুমিল্লা যাওয়া-আসা করি। আমি দুই সন্তানের বাবা। ইথুন বাবু ভাই একদিন আমাকে ডেকে বললেন, “তোকে এমন গান দিলাম, কোনো দিন পেছন ফিরে তাকাতে হবে না।” অসহায় অবস্থায় যখন জাহাজ সমুদ্রে ভাসে, তখন মানুষ বাঁচার জন্য খড়কুটো খোঁজে। আমারও তেমন হয়েছিল। আমি সিদ্ধান্ত ভুল নিইনি। “ও প্রিয়া তুমি কোথায়” গানটি গাইলাম। সেই সময় ইথুন বাবু ভাইয়ের সঙ্গে রাতদিন গান নিয়ে থেকেছি। ঘুম থেকে ওঠাতাম তাঁকে, আবার তাঁকে বাসায় দিয়ে আমি বাসায় ফিরতাম।’
আসিফ আরও বলেন, ‘ইথুন বাবু ভাই আর আমার রাতজাগা অভ্যাস। একদিন সারা রাত কাজ। হঠাৎ গভীর রাতে আমার স্ত্রীর ফোন, ছোট ছেলে রুদ্র অসুস্থ। অজ্ঞান হয়ে গেছে। বললাম, তুমি তো আছ। কোনোভাবে সামলে নাও প্লিজ। হাসপাতালে নিয়ে যাও। ভোরে কাজ শেষে বাসায় ফিরি। ইথুন বাবু ভাই আমাকে গাড়িতে করে নিয়ে নামিয়ে দেন। আমি চলে যাচ্ছি, এই সময় আবার গাড়ি ঘুরিয়ে এসে বললেন, “তোর মন খারাপ কেন?” ইথুন বাবু ভাই আমাকে ৫০০ টাকা দিলেন। আমার পকেটে ছিল মাত্র ১০ টাকা। ইথুন বাবু ভাই বললেন, তুই রাতে আসবি। তোর টাকা আছে আমার কাছে। রাতে তোর টাকা দেওয়া হবে। ওই ৫০০ টাকায় আমি অ্যাংকর মিনি প্যাক দুধ কিনেছিলাম ২০ টাকা করে। ৬ প্যাকেট দুধ কিনলাম। ৬ প্যাকেট দুধের সঙ্গে ছয়টা চামচ ফ্রি। (এই কথা বলার সময় আসিফ কাঁদতে থাকেন। এমন সময় পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ইথুন বাবু এগিয়ে এসে আসিফের পিঠে হাত রাখেন) আমার বাসার জন্য এক সেট চামচ হলো। এই রকম অসংখ্য গল্প আছে ইথুন বাবু ভাইয়ের সঙ্গে। ইথুন বাবু ভাই মেজাজি মানুষ কিন্তু একদম শিশুর মতো মন। “ও প্রিয়া” যখন রিলিজ হবে, তখন সাউন্ডটেক হঠাৎ করে অ্যালবাম রিলিজ বন্ধ করে দেয়। ঈদে আর রিলিজ হবে না অ্যালবাম। আমার খুব মন খারাপ। আহমেদ রিজভী ভাই বললেন, এখন আইয়ুব বাচ্চু, জেমস, এস ডি রুবেলদের মতো বড় শিল্পীদের অ্যালবাম বের হচ্ছে। তোমার অ্যালবামটি পরে বের হলেই ভালো। কারণ তোমার অ্যালবাম হিট হলেও পুনরায় অর্ডার পাবে না। মন খারাপ আমার। কুমিল্লা চলে গেলাম। সেবার আমি ঈদ করিনি। তবে আমি কিন্তু সামর্থ্যবান পরিবারের সন্তান। নিজের কষ্টগুলো শেয়ার করতে চাইনি।’
আসিফ বলেন, ‘কয়েক দিন পর ঢাকায় এলাম। ইথুন বাবু ভাই আমাকে ডাকলেন। ঢাকা শহরের গুলিস্তান থেকে মিরপুরের বিভিন্ন ফুটপাথে ওষুধ বিক্রেতাদের কাছে ঘুরে ঘুরে অ্যালবাম দিলাম। গান বাজাতে অনুরোধ করলাম। রাজশাহী, রংপুর থেকে শুরু করে সারা বাংলাদেশ ঘুরেছি ইথুন বাবু ভাইয়ের গাড়ি চড়ে। তিন মাস পরে অ্যালবামের ফলাফল পেলাম।’
গায়ক আসিফ আকবরের জীবনের এমন গল্প কাঁদায় উপস্থিত অতিথিদের। থমকে যান মঞ্চে থাকা অতিথিরাও। এমন সময় পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ইথুন বাবু এগিয়ে এসে আসিফের পিঠে হাত রাখেন। ইথুন বাবু বলেন, ‘আমি কিন্তু আগেই বলেছি, আমি তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞ, যাঁরা আমাদের ১৮ বছর সরিয়ে রেখেছিল। এই ভালোবাসার শেষ হয় না। ১৮ বছর পর আমি আমার ছেলেকে পেয়েছি, আমার যুবক ছেলেকে।’
‘চুপচাপ কষ্টগুলো’ শিরোনামের গানটির কথা, সুর ও সংগীত পরিচালনার পাশাপাশি ভিডিওটি পরিচালনা করেছেন ইথুন বাবু। আসিফ আকবরের সঙ্গে গানটিতে মডেল হয়েছেন অর্ণব ও মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশের আলোচিত প্রতিযোগী জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল। ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত আসিফের গানের কোরিওগ্রাফি করেছেন হাবিব।
আসিফ বলেন, ‘আমরা ১৯ বছর পর গানের কারণে একত্র হলাম। আমরা এই সময় কেউ কাদা ছোড়াছুড়ি করিনি। মিডিয়ার একটা অংশও আমাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরির চেষ্টা করেছে। কিন্তু পারেনি। আমি আমার মতো করে ভালো আছি। ইথুন বাবু ভাইয়ের কাছে ক্ষমা চাইছি। আপনি আমাকে ক্ষমা করে দেবেন।’
আসিফ বলেন, ‘আমার কষ্টের জীবন। পরিবার জানে না। পকেটে কোনো টাকা নাই। ঈদের সময় ইথুন বাবু ভাই তাঁর সন্তানদের জন্য কাপড় কিনতেন। সঙ্গে আমার আর আমার সন্তানদের জন্যও কিনতেন। এসব ঋণ শোধ হওয়ার নয়।’

21/02/2019

Title: Meghla Mon Artist: Asif Akbar & Belly Lyric & Tune: Shree Pritam Music: JK Album: Meghla Mon Label: ARB Entertainment Direction: Yamin Elan Production...

21/02/2019

আজকে একটা ছেলে এবং একটা মেয়ের সত্তিকারের প্রেমের ঘটনা সংক্ষেপে বলবো আশা করি আপনারা সবাই মতামত দেবেন??
রানা নামে একটি ছেলে চট্টগ্রামে আসে 2010 সালে 6 মাস ছেলেটি একটি development এর চাকরি করে। সে যেখানে চাকরি করতো, তার পাশেই একটা ফ্যামিলি থাকতো। তাদের দুইটা ছেলে ছিল এবং একটা মেয়ে ছিল, প্রথম ছেলেটির নাম ছিল মাফুজ মেয়েটির নাম ছিল রিয়া/মিমি এবং ছোট ছেলেটির নাম ছিল মামুন। তাদের সাথে রানার খুব ভালো সম্পর্ক ছিল এবং রানাকে তারা খুব বিশ্বাস করতো এবং ভালবাসতো। রানা ওখানে আড়াই বছরের মত এ চাকরি করে পরে কোম্পানির কারণে বাড়িতে রাগ করে চলে আসে। তার ছয় মাস পরে রানা আবার চট্টগ্রামে যায় এবং ওই development চাকরি শুরু করে। তার কিছুদিন পরে রানা ওদের বাড়িতে বেড়াতে যায় রানাকে দেখে ওদের বাসায় সবাই খুব খুশি হয়। রানার সাথে কথাবার্তা বলে এবং খাওয়া-দাওয়া করে তখনই বিছানার উপরে দেখেন একটা মোবাইল ফোন। তখন মোবাইল ফোনে রানা তার নাম্বারটা সেভ করে দেয় সে আশা করেছিল কোনদিন না কোনদিন কল বা এসএমএস আসবেই রানার ফোনে। ঠিক তাই হলো কিছুদিন পরে একটা এসএমএস আসে রানার মোবাইলে একটা এসএমএস করে। এভাবে কিছুদিন এসএমএস করে তারপরে রানা কথা বলতে চাই রিয়ার সাথে। ফোনে কিছুদিন কথার চলে পরে রিয়ার মা জেনে যায় এবং রানাকে সে মেনে নেয়। তাহলে তার কোন কথাই নেই দুজনে যখন ভালো লাগে তখন মোবাইলে কথা বল। কিছুদিন পরে রানা ও রিয়া ফয়েজ,লেক দেখা করতে যায়,তারপরে সন্ধায় রিয়ার বাসায় যায়, রিয়ার আম্মু অনেক খুশি হয় রানাকে দেখে এবং অনেক আদর করে রানাকে। এভাবে তাদের সম্পর্ক চলতে থাকে রানা প্রত্যেক শুক্রবারে ওদের বাসায় যেত সারাদিন থাকতো এবং রাতে খাওয়া দাওয়া করে চলে আসতো। রিয়া রানাকে অনেক ভালোবাসতো তাকে ছাড়া আর কিছুই বুঝতো এক কথায় রিয়া রানার জন্য পাগল ছিল। রানাও রিয়াকে একইভাবে ভালোবাসতো তাদের যে সম্পর্ক ছিল সেটা কখনোই ভাঙ্গা সম্ভব ছিল না। রিয়া রানাকে ছাড়া থাকতে পারতো না রানাও রিয়াকে ছাড়া থাকতে পারতো না, তাই রানা ঘনঘন ওদের বাসায় যেত এবং এবং মাঝে মাঝে রিয়ার আম্মু কে বলতো রানাকে আসতে বলো মা। তাদের সম্পর্কটা এতটাই মধুর ছিল যে বাধা দেয়ার মত কেউ ছিল না। রিয়াদের বাসায় যেতে ওদের ফ্যামিলির একজন মেম্বার হিসেবে। ওর আব্বু শুধু জানতো না পড়ে জেনে সব কিছু মেনে নেয় এবং রানকে খুব ভালোবাসে। আর কি বলব রানা রিয়ার জীবন খুব সুন্দর ভাবে চলছিল। প্রত্যেক বছরে তারা প্রেমের জন্মদিন পালন করতো।পরে রানা ভালো একটা কোম্পানিতে চাকরি পাই তাই সবাই আরো অনেক খুশি ছিল। রানার শুক্র-শনি অফিস বন্ধ থাকতো তাই শুক্র শনি রিয়ার বাসায় চলে যেতে। রানা 1 ঈদ বাবা মার সাথে করতো 1 ঈদ রিয়াদের সাথে করতো এবং এক সপ্তাহ থাকতো রিয়াদের সাথে। রানা এবং রিয়ার অনেকবার দৈহিক মিলন ঘটে তার কারণ দুজনে সব সময় এক সঙ্গে থাকতো। সপ্তাহে দুই দিন তারা কাছাকাছি থাকতো তাই কেউ কাউকে ছাড়া থাকতে পারতো না। তাই দৈহিক মিলন টাও বেশি ঘটে যায় রিয়া কোন ভয় পেত না,কারন সে জানতো রানা থাকে বিয়ে করবে এবং রানা জানে রিয়া তাকে বিয়ে করবে। আর রানা রিয়ার অমতের বাইরে কোনকিছুই করতো না, তাই সব কিছুই হয় হিসাবের বাইরে। রিয়ার আত্মীয়-স্বজন সবাই তাদের সম্পর্কের কথা জানতো রানার ফ্যামিলিও সবাই জানতো রানার বাবা এসে রিয়াকে দেখে গিয়েছিল সবাই রাজি ছিল। এভাবে তাদের সম্পর্ক চলে তিন বছর 9 মাস তারপর হঠাৎ তাদের সম্পর্কে ফাটল ধরে। রিয়ার মধ্যে কিছু পরিবর্তন ঘটে কিছু খারাপ মেয়ের পাল্লায় পড়ে রানা ফোন দিলে বলতো তার কাজ আছে, মোবাইলে চার্জ নেই অথবা ঘুম পাইতেছে এরকম ব্যবহার শুরু করে। রানা ওদের বাসায় যায় এবং রিয়াকে মাথায় হাত দিয়ে অনেক বোঝায়, তখন রিয়া বলে আমাকে ফেসবুক একাউন্ট খুলে দিতে হবে। তখন রিয়ার পরীক্ষা চলছিল রানা বলে তোমার পরীক্ষা শেষ হয়ে যাক আমি খুলে দিব। এখন ফেসবুকে চিন্তা মাথায় নিও না তাহলে পরীক্ষা খারাপ হবে। পরে রানা ফোন দিলে একি ব্যবহার করে একদিন রাতে এগারোটার দিকে কল দিলে রিয়া বলে ওর ঘুম পাইতাছে কিন্তু বারোটা 20 মিনিটে রানার ফেসবুকে রিয়া hi দেয়, অন্য কাউকে দিয়ে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে নিয়েছিল। রানার মনটা খুব খারাপ হয়ে যায় কিরে আমি কল দিলে ঘুম পায় আবার ফেসবুক আমি একাউন্ট খুলে দিতে চাইলাম আমার উপর বিশ্বাস রাখতে পারল না এটা ভেবে রানার খুব মন খারাপ হয়ে গেল এবং রিয়ার উপর অভিমান করল। তারপর রানা রিয়াদের বাসায় দেড় মাস মতো যায় না কিন্তু মোবাইলে কথা বলে। একদিন রিয়ার মা ফোন করে রানাকে যেতে বলে এরমধ্যে রিয়ার মা রানা কে গালিগালাজ করে রানা রাগ করে বলে আমি আপনাদের বাসায় যাব না। তারপর রিয়ার আম্মু খুব রেগে যায় এবং রানার কথা আর সহ্য করতে পারে না। এই রাগে রিয়াকে অন্য ছেলের সাথে সম্পর্ক করতে বাধ্য করে তার কারণ রানার নামে অনেক বদনাম করে রিয়ার কাছে যার কারণে রিয়ার মন আরো ভেঙে যায়। শুরু হয়ে যায় অনেক গ্যাঞ্জাম রানার ফোন আর কেউ রিসিভ করেনা। তারপর সবকিছু রিয়ার আব্বুর কাছে খুলে বলে রানা,তখন ওর আব্বু রিয়াকে এবং ওর আম্মুকে অনেক বুঝিয়ে বলেন কিন্তু তাতে কোন লাভ হয় না। রানা রিয়াকে প্রত্যেকদিন 50 থেকে 70 টা এসএমএস করতো এবং কল দিত 100 থেকে 150 বার কোন উত্তর পাই না। আর যদিও ফোনটা রিসিভ হত ওর আম্মু রানাকে অনেক গালিগালাজ করতো। এভাবে কেটে যায় আড়াই মাস। হঠাৎ একদিন রিয়া রানার সাথে কথা বলতে চাই 15-20 দিন কথা বলেছিল এবং রানার বাসায় একদিন এসেছিল তখন মনে হয়েছিল আবার সম্পর্কটা হয়তো ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু এরপরে যেটা হলো সেটা ছিল সবার কল্পনার বাইরে কেউ কখনো সেটা স্বপ্নেও ভাবেনি। তার দুইদিন পরেই ওর আব্বু সকালে ফোন দিয়ে বলে রানা রিয়া সারারাত বাসায় আসেনি। রানার তো মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়লো এটা কিভাবে সম্ভব রানা আর দেরি করেনি সকালে বৃষ্টি হচ্ছিল ঐ বৃষ্টির ভিতর রিয়াকে খুজতে বের হয়। বিয়ার যত বান্ধবী ছিল সবার বাসায় ভিজতে ভিজতে রিয়াকে খুঁজতে যায় কিন্তু কোথাও পাইনি। তিন দিন তিন রাত থাকার পরে রিয়া বাসায় আসে।রিয়া চলে যাওয়ার আগে রানা ওর আম্মুর কাছে অনেকবার ক্ষমা চেয়েছে এমনকি তার পা ধরে মাফ চেয়েছিল। রানা বলেছিল আপনি যতক্ষণ আমাকে ক্ষমা না করবেন আমি ততক্ষণ আপনার পা ছাড়বো না। তারপর রিয়া আম্মু রানাকে বলে মাফ করে দিয়েছে কিন্তু আসলে সে মাফ করেছিল না। রিয়ার কাছে রানা অনেক বার ক্ষমা চেয়েছিল। তারপরে রানা জানতে পারে রিয়ার বাসার সামনে একটা ডাইভারের সাথে চলে গিয়েছিল। ড্রাইভারটা নাকি অনেক স্বপ্ন দেখাই ছিল রিয়াকে কিছু গিফট করেছিল ওর মাকে শাড়ি কিনে দিয়েছিল যার জন্য সবাই মিলে পাগল হয়ে গিয়েছিল। আর রানা 4 বছরে যা দিয়েছিল এবং যা করেছিল তাদের জন্য এক নিমেষেই সব ভুলে গেল। রানার সাথে যে রিয়ার 4 বছর সম্পর্ক সেটা ঐ ডাইভার জানতো তারপর এরকম করেছিল। রানা রিয়ার আব্বুকে জিজ্ঞাসা করে এটা কীভাবে সম্ভব হলো রিয়ার আব্বু বলে রানা আমার মাথায় কোন কাজ করছে না। এতে রানা অনেক কষ্ট পাই তারপরও রিয়াকে কল দিতে থাকে তার বিনিময়ে শুধু পাই রিয়া মার গালিগালাজ। 65 বার কল রিসিভ করে রানাকে রিয়ার মা গালিগালাজ করে। মাঝেমধ্যে রিয়া গালিগালাজ মাঝে মাঝে রিয়ার নতুন বয়ফেন্ড গালিগালাজ করতো রানাকে হুমকি দিত। তারপরে রানা আশা ছাড়েনি একটা লক্ষ্য ছিল যে তাদের সম্পর্ক চার বছর এবং সবাই জানাজানি হয়ে গেছিল। আর যেহেতু তাদের অনেকবার দৈহিক মিলন ঘটেছিল এজন্য রানা কখনো চাইনি মেয়েটার জীবন নষ্ট হয়ে যাক। তার কারণ রানা কখনোই তাদের কোন ক্ষতি চাই নি এবং ক্ষতি করার উদ্দেশ্য কখনোই ছিল না। এজন্য শত কষ্ট করে জ্বালা-যন্ত্রণা সহ্য করে তার আশায় এখনো আছে রানা। রানা এখনও মাঝে মধ্যে কল দেয় এসএমএস করে তার বিনিময়ে মাঝেমধ্যে গালিগালাজ শুনে। কিন্তু ওর আব্বু রানার পক্ষে এখনো আছে রানাকে অনেক বিশ্বাস করে এবং ভালবাসে। কিন্তু রিয়ার মা ব্যবহার খুব খারাপ তাই ওর আব্বু কিছু করতে পারেনা। ওর আব্বু ওদের এই সম্পর্ক মেনে নেয়নি ওর আব্বুর কথা আমি রানাকে ছাড়া আর কাউকে জামাই হিসেবে মেনে নিতে পারবো না। তাই রিয়া ও রিয়ার আম্মু আলাদা রান্না করে খাই ওর আব্বা আলাদা রান্না করে খাই। এভাবেই কেটে যাচ্ছে দিন এমনকি ১৬/৬/১৮ ঈদের দিনও দুপুরবেলা রানাকে ফোন দিয়ে অনেক গালিগালাজ করে রিয়া ও তার আম্মু রানার বাবা মার সাথেও খারাপ ব্যবহার করে অনেক। রানাকে রিয়া রিয়ার আম্মু ও তার বয়ফ্রেন্ড তিনজনে মিলে গালিগালাজ করতো রানা একা সেটা সহ্য করতো তার একটাই কারণ ছিল সে রিয়াকে অনেক ভালবাসতো। আর এই মুহূর্তে যে অবস্থায় আছে, এক কথায় মা মেয়ে দুজনেই অনেক লোভে পড়েছিল।রিয়া ও রিয়ার আম্মু ভেবেছিলো ছেলেরা অনেক বড়লোক অনেক কিছু আছে আসলে ছেলেটা যা বলেছিল সবই মিথ্যে ছেলের কোন কিছুই নেই। শুধুমাত্র তাদেরকে ফাঁদে ফেলানোর জন্য ছেলেটা অনেক লোভ দেখিয়ে ছিল। যার ফল আজ ভোগ করতেছে ছেলেরা এখন ডায়রেট বলেছে 2 লাখ টাকা যৌতুক দিতে পারলে বিয়ে হবে না দিতে পারলে হবে না শুধুমাত্র আংটি পরিয়ে আপাতত এভাবে ফেলে রাখছে। 2 লাখ টাকা যৌতুক দেবার মত সামর্থ্য তাদের নেই। রানা এবং রানার ফ্যামিলি থেকে কখনোই তাদের কাছে কোন টাকা বা যৌতুক চাই নাই। আজ ০৮/০১/২০১৯ এভাবেই কেটে যাচ্ছে রানার দিনকাল। আমি সংক্ষেপে কাহিনীটা শেষ করে দিলাম আরো রানার দুঃখের অনেক কাহিনী লিখতে পারলাম না। এবার আপনারাই বলেন এখানে কার কেমন দোষ ছিল। বা যার যা বিবেকে ভালো লাগে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মতামত জানাতে পারেন এতক্ষণ সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ (আল্লাহ হাফেজ)

21/02/2019
18/02/2019

আকাশের চাঁদ তুমি জমিনের ফুল
তোমার সাথে মিলতে যাওয়া মস্ত বড় ভুল।
আকাশের চাঁদ তুমি জমিনের ফুল
তোমার সাথে মিলতে যাওয়া মস্ত বড় ভুল।
মস্ত বড় ভুল আমার মস্ত বড় ভুল
তোমার সাথে মিলতে যাওয়া মস্ত বড় ভুল।
আকাশের চাঁদ তুমি জমিনের ফুল
তোমার সাথে মিলতে যাওয়া মস্ত বড় ভুল।

আহারে যাদুকন্যা আহারে মধুকন্যা
আকাশের গায়ে লেখা,
লাখো লাখো মন তারাদের নাম॥ (2)
সে তারাদের মধ্যমণি উড়ো চিঠির খাম
আর ভাসাও নদীর কূল।

আহারে যাদুকন্যা আহারে মধুকন্যা
জমিনের ফর্সা বুকে,
কোটি কোটি হৃদয় ভাঙ্গা দাগ॥ (2)
সে হৃদয়ের লিলাবতী নাচাও পঞ্চনাগ
আর ডুবাও প্রেমের কূল।
আকাশের চাঁদ তুমি (ঐ)

18/02/2019

কি ভুল ছিলো বলো ভালোবাসায়
এতোটা কেনো তবে কাঁদালে আমায়,
তুমি ভুলে যেতে পারলেও
আমি আজও ভুলিনি তোমায়,

একা থাকার ব্যথা
সইতে যে পারিনা
কতটা দুঃখ পেয়েছি
তুমি তা জানোনা,
তোমারি কারনে এই দুচোখে
এত বেশি কান্না,,,,

মনে পড়ে স্মৃতি
হারানো দিনের কথা
এ বুকে থাকে জড়িয়ে কত বিষন্তা,
তোমাকে চেয়েছি এই জীবনে
তুমি ফিরে এলেনা,,,,

18/02/2019

ও স্বপ্ন তুমি, সত্যি তুমি, তুমি আমার ভালবাসা, গান কবিতা তুমি সবই তা, তুমি জীবনের আশা, থাকো থাকো পাশাপাশি তোমায় আমি ভালোবাসি, থাকো থাকো পাশাপাশি তোমায় আমি ভালোবাসি,,,,

18/02/2019

ভাল্লাগে তোমার বাড়ির পাশে এলে,
ভাল্লাগে তোমার একটু দেখা পেলে,
ভাল্লাগে তোমার আওয়াজ যদি শুনি,
ভাল্লাগে তোমায় ওগো টুনটুনি,
আজ তুমি নাই তবু খুশিতে ঠ্যালায়, ঘুরতে এসেছি আমি,
যন্ত্রণা পায় তবু খুশিতে ঠ্যালায় ,
প্রেমের জলে নামি,
খুশিতে ঠ্যালায়,,,,

Address

Chittagong
4001

Telephone

01316811516

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Asif Akbar Fans Club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share