08/01/2026
জাতিসংঘ ফেইল মারছে! মানে পৃথিবী তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রায় দারপ্রান্তে।
এদিকে যুক্ত*রাষ্ট্র জাতিসংঘের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাইয়া রাশিয়ার একটা জাহাজ আটক করে রাখছে।
ক্রুদের যুক্ত*রাষ্ট্রে নিয়ে উল্টো বিচারের মুখোমুখি করবে।
কয়দিন আগে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে আমে*রিকা তুলে নিয়ে গেছে।
যেটা পৃথিবীর সমস্ত আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো হইছে।
এদিকে ইরানে বিক্ষোভ চলে যেটা আমে*রিকা-ইসরা*য়েলের পরোক্ষ সহায়তায়।
দুইটা দেশ রেডি যখন হুট করে ইরানে ক্ষমতার পরিবর্তন হবে সাথে সাথে ইস*রায়েল- আমে*রিকা যৌথভাবে ইরানের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় আক্রমণ করে বসবে।
ধারণা করা হচ্ছে সামরিক স্থাপনাসহ ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আক্রমণ চালাতে পারে।
অলরেডি অস্ট্রেলিয়া তাদের নাগরিকদের ইরান থেকে সরিয়ে নিচ্ছে।
রাশিয়াও তাদের নাগরিকদের ইস*রায়েল থেকে ফিরিয়ে নিচ্ছে।
কারণ ইরানে ইস*রায়েল আক্রমণ করলে ইরানও ইসরা*য়েলে পাল্টা আক্রমণ করবে।
একটা বিষয় ক্লিয়ার করি শুনেন!
এক রাষ্ট্র আরেক রাষ্ট্রের কখনো বন্ধু হয় না।
থাকে সাময়িক পাতানো বন্ধুত্ব ,যাদের পিছনে থাকে বৃহৎ স্বার্থ ,যে বন্ধু বিপদে তেমন কাজে আসে না।
যেমন : ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্টের সবচেয়ে ভালো বন্ধু ছিলো পরাশক্তি দুইটা দেশ চীন আর রাশিয়া।
যুদ্ধের আগে তারা এটা দিবে ঐটা দিবে দিনশেষে প্রেসিডেন্টকেই রক্ষা করতে পারে নাই।
আমে*রিকা ইউক্রেনকে সিস্টেমে বলছিলো , সব দিবো তোমরা যুদ্ধ করতে থাকো। দিন শেষে তেমন পাশে নাই!
মানে এখন "জোর যার মুল্লুক তার" এমন নীতি পৃথিবীতে চলে আসছে।
দখলদারিত্ব শীঘ্রই চলে আসতেছে।
খুব সম্ভবত আমে*রিকা শীঘ্রই গ্রীনল্যান্ড দ্বীপ দখলে আগ্রাসন চালাবে।
আজকে তারা ভার*তের উপর ৫০০% শুল্ক আরোপের অনুমতিও দিছে।
পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে তারা আগ্রাসন চালাতে প্রস্তুত।
তবে বাংলাদেশের সবচেয়ে কনসার্নিং বিষয় হচ্ছে।
আমাদের প্রশ্ন করতে হবে।
আমরা কি বিদেশী কোন শুকু*নের থাবা থেকে নিরাপদ? যদি অনিরাপদ থাকেন এখনি ভাবার সময়।
যদি কেউ জোর করে কিছু করতে চায় আমরা কি প্রতিহত করতে পারবো?
সেই শক্তি কি আমাদের আছে?
বিচারহীনতার পৃথিবীতে আমরা কি টিকে থাকতে পারবো?
যুদ্ধ খেলার পৃথিবীতে আমাদের ভূমি কি নিরাপদ?
যদি নিরাপদ না হয়ে থাকে , তাহলে ঘাস খেয়ে অস্ত্র বানাও বাংলাদেশ। হাদি ভাই বলে গেছিলো।
দুই বেলা খাও তাও নিরাপত্তা সর্বোচ্চ নিশ্চিত করো।
১৮ কোটি মানুষকে ছাদ খোলা একটা দেশে নিরাপত্তাহীনতায় রাখাটা আত্মঘাতী সিন্ধান্ত!
সিনা টান দিয়ে চলার সক্ষমতা অর্জন করতেই হবে।
যুদ্ধের এই যুগে যুদ্ধের প্রস্তুতি না নেয়া সবচেয়ে বড় বোকামি।
সামরিক শক্তি বাড়ান, ডিফেন্স সিস্টেম আনেন!
কৌশলগত নিরাপত্তা ডিল করে ফেলেন!
প্রয়োজনে তরুণদের সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে রিজার্ভ ফোর্সের ক্যাপাসিটি বাড়ান।
আধুনিক যুদ্ধবিমান কিনে ফেলেন। বিদেশি দালাল চক্রটারে বিদায় করে দেন।
নিজেরা নিজেরা কামড়াকামড়ি বাদ দেন, চেতনাবাজি বাদ দেন।
যুদ্ধের মাঠে কথা বলে অস্ত্র..এসব চেতনা মেতনা, পাতানো বন্ধুত্ব কোন কাজেই আসবে না।
শুধু দেশের পলিটিক্স নিয়া সবাই পড়ে থাইকেন না প্লিজ! বিশ্বরাজনীতি নিয়াও ভাবেন! ঐক্যবদ্ধ থাকেন।
আর হ্যাঁ অস্ত্র বিদেশ থেকে কিনে কখনো শক্তিশালী হওয়া যায় না।
শক্তিশালী হতে হলে নিজেদের মেধাকে কাজে লাগাতে হবে।
নিজেদের প্রযুক্তিকে ডেভেলপ করতে হবে।
অন্যথায়, শুধুমাত্র অর্থই নষ্ট করা হবে।
আমরা কারো ভূমি চাই না কিন্তু আমাদের এক ইঞ্চি ভূমি কাউকে দিতে চাই না!
বাংলাদেশ দীর্ঘজীবী হোক!!!