monir gamer

monir gamer My name is Md Monirul Islam I like to play a video game
Contact me
Gmail: [email protected]

পুরানো সব দুঃখ, কষ্ট আর গ্লানি মুছে যাক নতুন বছরের আগমনে। নতুন সূর্য বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ আর নতুন সব সম্ভাবনা। সবাইকে জ...
01/01/2026

পুরানো সব দুঃখ, কষ্ট আর গ্লানি মুছে যাক নতুন বছরের আগমনে। নতুন সূর্য বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ আর নতুন সব সম্ভাবনা। সবাইকে জানাই ইংরেজি নববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা! শুভ নববর্ষ ২০২৬

মানুষ মরে যায়, কিন্তু তাঁর কর্ম এবং আদর্শ বেঁচে থাকে অনন্তকাল। আজ আপনি আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু আপনার রেখে যাওয়া প্রতিটি ...
30/12/2025

মানুষ মরে যায়, কিন্তু তাঁর কর্ম এবং আদর্শ বেঁচে থাকে অনন্তকাল। আজ আপনি আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু আপনার রেখে যাওয়া প্রতিটি পদচিহ্ন আমাদের পথ দেখাবে। আপনার মহৎ জীবনের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন ওপারের পৃথিবীতে।

এক শীতের সকালে, যখন সূর্যের আলো গাছের পাতাদের ফাঁক দিয়ে উঁকি দিচ্ছিল, তখন রিয়ার ঘুম ভাঙলো। আজ তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্ব...
29/12/2025

এক শীতের সকালে, যখন সূর্যের আলো গাছের পাতাদের ফাঁক দিয়ে উঁকি দিচ্ছিল, তখন রিয়ার ঘুম ভাঙলো। আজ তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। আজ তার বিয়ে। কিন্তু রিয়ার মনে কোনো আনন্দ নেই, শুধু এক চাপা কষ্ট।

বিয়ের মণ্ডপে বসে সে ভাবছিল তার ফেলে আসা দিনগুলোর কথা। ছোটবেলায় বাবা-মাকে হারানোর পর থেকে তার জীবনটা যেন এক ধূসর ক্যানভাস ছিল। একমাত্র ছোট ভাই রাজুই ছিল তার জীবনের একমাত্র অবলম্বন। রিয়া অনেক কষ্ট করে রাজুকে পড়াশোনা শিখিয়েছে, নিজের সব স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে তাকে বড় করেছে।

রাজুর পড়াশোনা শেষ হলে, সে শহরে একটা ভালো চাকরি পেল। রিয়ার মনে আনন্দ আর ধরে না। কিন্তু সুখ বেশিদিন সইল না। রাজু শহরে গিয়ে বদলে গেল। সে নতুন বন্ধুদের সাথে মিশে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ল। রিয়া অনেক চেষ্টা করেও রাজুকে ফেরাতে পারল না।

আজ রিয়ার বিয়ে হচ্ছে একজন ভালো মানুষের সাথে, যে তাকে ভালোবাসে। কিন্তু তার মন পড়ে আছে রাজুর কাছে। সে জানে না তার ভাই কেমন আছে, কোথায় আছে। বিয়ের পর যখন সে শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছিল, তখন পথের ধারে দেখল এক ভিখারিকে। তার চেহারাটা যেন রাজুর মতোই। রিয়া গাড়ি থামিয়ে দেখতে চাইল, কিন্তু ততক্ষণে গাড়ি অনেক দূরে চলে গেছে।

রিয়ার বুক ফেটে কান্না আসছিল। তার মনে হচ্ছিল সে তার ভাইকে হারিয়েছে চিরদিনের জন্য। তার হাসিখুশি জীবনটা যেন এক নিমেষেই বেদনাদায়ক হয়ে উঠল। সে সারাজীবন এই কষ্ট নিয়ে বাঁচবে।

এক পাহাড়ি গ্রামে আরিয়ান নামে এক ছোট ছেলে থাকত। আরিয়ানের খুব শখ ছিল সে ছবি আঁকবে, কিন্তু তার একটা সমস্যা ছিল—জন্ম থেকেই ত...
28/12/2025

এক পাহাড়ি গ্রামে আরিয়ান নামে এক ছোট ছেলে থাকত। আরিয়ানের খুব শখ ছিল সে ছবি আঁকবে, কিন্তু তার একটা সমস্যা ছিল—জন্ম থেকেই তার ডান হাতটা খুব একটা কাজ করত না। গ্রামের অন্য বাচ্চারা যখন মাঠে খেলত বা স্কুলে সুন্দর করে লিখত, আরিয়ান তখন জানালার পাশে বসে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকত।

একদিন আরিয়ান বনের ধারে বসে ছিল। হঠাৎ দেখল একটা চমৎকার নীল রঙের প্রজাপতি ঝোপের ভেতর আটকে গেছে। প্রজাপতিটার একটা ডানা সামান্য ছেঁড়া, তাই সে উড়তে পারছে না। আরিয়ান খুব সাবধানে তার বাম হাত দিয়ে প্রজাপতিটাকে উদ্ধার করল। সে ভাবল, "এই প্রজাপতিটার ডানা তো ঠিক নেই, ও কি আর কোনোদিন আকাশে উড়তে পারবে?"

সেদিন রাতে আরিয়ান স্বপ্ন দেখল, সেই নীল প্রজাপতিটা তার সামনে এসে বলছে, "আরিয়ান, ডানা ভাঙা থাকলেও উড়া যায়, যদি তোমার ইচ্ছাশক্তি আকাশ ছোঁয়ার মতো হয়।"

পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আরিয়ান এক নতুন জেদ অনুভব করল। সে তার বাঁ হাত দিয়েই তুলি ধরার চেষ্টা শুরু করল। প্রথম কয়েকদিন তার হাত কাঁপত, রঙ ছড়িয়ে যেত, একটা সাধারণ বৃত্ত আঁকতেও তার কয়েক ঘণ্টা লেগে যেত। গ্রামের মানুষ বলত, "এসব করে কী হবে? কষ্টই সার।"

কিন্তু আরিয়ান থামেনি। সে মাসের পর মাস অনুশীলন করল। তার একমাত্র লক্ষ্য ছিল সেই নীল প্রজাপতিটার একটা ছবি আঁকা। ধীরে ধীরে তার বাম হাতটা জাদুর মতো কাজ করতে শুরু করল।

বছর দুয়েক পর, শহরে এক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা হলো। সেখানে আরিয়ান তার আঁকা সেই নীল প্রজাপতির ছবিটা পাঠাল। ছবিটা সাধারণ ছিল না; তাতে ফুটে উঠেছিল একটা অদম্য লড়াই আর স্বাধীনতার গল্প। অবাক করার মতো বিষয় হলো, আরিয়ানের সেই ছবিটাই প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করল।

পুরস্কার হাতে নিয়ে আরিয়ান যখন মঞ্চে দাঁড়াল, তখন সে বুঝতে পারল—আসল শক্তি হাতে নয়, মানুষের মনে থাকে। ঠিক যেন সেই নীল প্রজাপতিটার মতো, যে ডানা ছেঁড়া থাকা সত্ত্বেও আকাশ জয়ের স্বপ্ন দেখেছিল।

সূর্য সবেমাত্র তার সোনালী আভা ছড়াতে শুরু করেছে। পূর্বাকাশে হালকা কমলা রঙের আভা, আর নিচে কুয়াশার চাদরে মোড়া এক বিশাল উপত্...
27/12/2025

সূর্য সবেমাত্র তার সোনালী আভা ছড়াতে শুরু করেছে। পূর্বাকাশে হালকা কমলা রঙের আভা, আর নিচে কুয়াশার চাদরে মোড়া এক বিশাল উপত্যকা। উপত্যকার একপাশে খাড়া পাহাড়, যার চূড়াগুলো বরফে ঢাকা। পাহাড়ের গায়ে আঁকাবাঁকা পথে ধীরে ধীরে উঠে যাচ্ছে রুদ্র। তার পিঠে এক বিশাল বোঝা, তাতে ভরা ৫০০টি হাতে গড়া মাটির পুতুল।

রুদ্র একজন পটু কুমোর। তার হাতের জাদু মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখে যে কাউকেই। ছোটবেলা থেকেই সে মাটির সাথে খেলা করে বড় হয়েছে। তার বাবাও ছিলেন একজন দক্ষ কুমোর, কিন্তু বছর দুয়েক আগে এক ভয়াবহ বন্যায় তাদের সব কিছু কেড়ে নেয়। বাবা মারা যান, আর রুদ্র হয়ে পড়ে একা। কিন্তু সে হার মানেনি। বাবার রেখে যাওয়া কয়েকটি সরঞ্জাম আর তার অদম্য ইচ্ছা শক্তিকে পুঁজি করে সে আবার নতুন করে শুরু করে।

এই ৫০০টি পুতুল রুদ্রর জীবনের সবচেয়ে বড় কাজ। পাশের গ্রামের এক ধনাঢ্য ব্যবসায়ী, যিনি প্রতি বছর এক বিশাল মেলায় প্রাচীন শিল্পকর্মের প্রদর্শনী করেন, তিনি রুদ্রকে এই অর্ডারটি দিয়েছেন। এই ৫০০ পুতুল তৈরি করতে রুদ্রকে দিনের পর দিন, রাতের পর রাত পরিশ্রম করতে হয়েছে। তার হাতের চামড়া ফেটে গেছে, চোখে লেগেছে ক্লান্তির ছাপ, কিন্তু সে থামেনি। সে জানত, এই অর্ডারটি তার জীবন বদলে দিতে পারে। এই টাকায় সে শুধু তার পুরনো ঘর মেরামত করবে না, বরং নতুন করে একটি ছোট দোকানও দেবে।

পাহাড়ের পথটা খুব দুর্গম। রুদ্র সাবধানে পা ফেলে এগোচ্ছিল। প্রতিটি পদক্ষেপে সে অনুভব করছিল ৫০০টি পুতুলের ওজন, আর তার সাথে মিশে ছিল তার ভবিষ্যৎ জীবনের স্বপ্ন। হঠাৎ এক বাঁকে সে দেখতে পেল একদল ডাকাত। তাদের হাতে ধারালো অস্ত্র, চোখে হিংস্র দৃষ্টি। রুদ্রর বুক ধুক করে উঠল। সে জানত, এই ডাকাত দল এই পথে প্রায়ই পথিকদের লুটপাট করে।

তার মনে এক ভয়ংকর চিন্তা এল – যদি তারা তার পুতুলগুলো ভেঙে দেয়? তার এতদিনের পরিশ্রম, তার ভবিষ্যৎ সব ধুলোয় মিশে যাবে। রুদ্র দ্রুত একটি ঝোপের আড়ালে লুকাল। ডাকাতরা যখন কাছাকাছি এল, তখন রুদ্র তাদের কথা শুনতে পেল। তারা একজন বৃদ্ধ পথিককে ঘিরে ধরেছে, তার সব অর্থ কেড়ে নিচ্ছে।

রুদ্র নিজেকে প্রশ্ন করল, "আমি কি করব? যদি আমি যাই, তাহলে আমার পুতুলগুলো হয়তো নিরাপদ থাকবে না। আর যদি না যাই, তাহলে এই বৃদ্ধ লোকটি হয়তো তার সব কিছু হারাবে।"

তার বাবার কথা মনে পড়ল। বাবা সবসময় বলতেন, "সত্যিকারের শক্তি আসে অন্যের সাহায্যে।"

রুদ্র একটি দীর্ঘশ্বাস ফেলল। সে জানে ঝুঁকিটা অনেক বড়। কিন্তু সে পিছিয়ে থাকতে পারল না। সে ঝোপ থেকে বেরিয়ে এল, তার হাতে একটি লাঠি।

"দাঁড়াও!" রুদ্র চিৎকার করে উঠল।

ডাকাতরা অবাক হয়ে তার দিকে তাকাল। একজন রুদ্রর দিকে তেড়ে এসে বলল, "কে রে তুই? মরতে এসেছিস নাকি?"

রুদ্র ভয়ে কাঁপছিল, কিন্তু সে নিজেকে সামলে নিল। সে লাঠি উঁচিয়ে বলল, "তোমরা এই বৃদ্ধের জিনিস কেড়ে নিতে পারবে না।"

ডাকাতরা হাসতে শুরু করল। তাদের সর্দার বলল, "দেখ, এই ছোট ছেলেটা আমাদের সাথে লড়তে এসেছে।"

রুদ্র কিছু না ভেবেই লাঠি দিয়ে আঘাত করতে শুরু করল। সে জানে সে একা তাদের সাথে পারবে না, কিন্তু সে শুধু সময় কিনতে চাইছে। সে আশা করছিল যে তার চিৎকারে হয়তো অন্য কেউ সাহায্য করতে আসবে।

লড়াই শুরু হল। রুদ্র সাধ্যমতো প্রতিরোধ করছিল। তার পুতুলের বোঝা তার জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়াল। একটি ডাকাত তার পিঠের দিকে আঘাত করল, আর তার কাঁধ থেকে পুতুলের বোঝাটা নিচে পড়ে গেল। মাটির পুতুলগুলো পাথরের উপর পড়ে ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেল।

রুদ্রর চোখে জল চলে এল। তার স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। ডাকাতরা তার এই অবস্থা দেখে হো হো করে হাসছিল।

ঠিক সেই মুহূর্তে, দূর থেকে ঘোড়ার খুরের শব্দ শোনা গেল। গ্রামের পাহারাদাররা চলে এসেছে! ডাকাতরা ভয় পেয়ে দ্রুত পালিয়ে গেল।

পাহারাদাররা এসে রুদ্র এবং বৃদ্ধকে উদ্ধার করল। বৃদ্ধ লোকটি রুদ্রকে ধন্যবাদ জানাল। "তোমার সাহসের জন্য আমি তোমার কাছে ঋণী। তুমি আমার জীবন বাঁচিয়েছ।"

রুদ্র শুধু ভাঙা পুতুলগুলোর দিকে তাকিয়ে রইল। তার চোখে জল, কিন্তু মুখে এক অদ্ভুত তৃপ্তি। সে জানে তার ৫০০টি পুতুল হয়তো নষ্ট হয়ে গেছে, কিন্তু সে একজন মানুষের জীবন বাঁচাতে পেরেছে।

বৃদ্ধ লোকটি রুদ্রর কাঁধে হাত রেখে বলল, "তুমি একজন সত্যিকারের বীর। তোমার এই ক্ষতি আমি পূরণ করে দেব। তুমি আমার সাথে আমার গ্রামে চল। আমি তোমাকে নতুন করে শুরু করার সব ব্যবস্থা করে দেব।"

রুদ্র বৃদ্ধের দিকে তাকাল। তার চোখে তখন আর কষ্টের অশ্রু নেই, বরং এক নতুন আশার আলো। সে বুঝেছিল, ৫০০টি পুতুল হয়তো একটি বড় সংখ্যা, কিন্তু একটি মানুষের জীবন তার চেয়েও অনেক বেশি মূল্যবান। আর এই ৫০০টি পুতুলের মাধ্যমে সে যে মানবিকতার শিক্ষা লাভ করেছে, তা তার জীবনের সেরা অর্জন।

শীতের সকালে পৌষের হিমেল হাওয়ায় জানাই জুম্মা মোবারক। ❄️🕌📅 তারিখ: ২৬ ডিসেম্বর | ১১ পৌষ | ৬ রজব 🕌 বার: শুক্রবারআমাদের প্রতি...
26/12/2025

শীতের সকালে পৌষের হিমেল হাওয়ায় জানাই জুম্মা মোবারক। ❄️🕌

📅 তারিখ: ২৬ ডিসেম্বর | ১১ পৌষ | ৬ রজব 🕌 বার: শুক্রবার

আমাদের প্রতিটি কাজ যেন আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হয়। শুভ কামনা সবার জন্য! 😊

গ্রামের নাম শান্তিনগর হলেও সেখানে এখন শুধু শ্মশানের নীরবতা। আকাশে মেঘ নেই, আছে শুধু তামাটে রঙের এক নিষ্ঠুর সূর্য। গত দুই...
25/12/2025

গ্রামের নাম শান্তিনগর হলেও সেখানে এখন শুধু শ্মশানের নীরবতা। আকাশে মেঘ নেই, আছে শুধু তামাটে রঙের এক নিষ্ঠুর সূর্য। গত দুই বছর বৃষ্টি নামেনি। মাঠের ফাটল ধরা মাটিগুলো যেন হাঁ করা হাড্ডিসার মানুষের মুখ, যারা এক ফোঁটা পানির জন্য হাহাকার করছে।

রহমত মিঞার ঘরে আজ তিনদিন ধরে উনুন জ্বলে না। তার সাত বছরের মেয়ে মরিয়ম দাওয়ায় শুয়ে আছে। মেয়েটার চোখের কোটর বসে গেছে, পেটটা ফুলে উঠেছে অদ্ভূতভাবে। সে আর খাবারের জন্য বায়না ধরে না, শুধু ফ্যালফ্যাল করে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে।

রহমত আজ সকালে শেষ সম্বল পিতলের ঘটিটা নিয়ে বাজারে গিয়েছিল। কিন্তু বাজারে চাল নেই। যাদের কাছে আছে, তারা সোনার দামে বিক্রি করছে। এক মুঠো খুদ কুড়ানোর আশায় সে সারা শহর ঘুরেছে, কিন্তু মানুষের হাহাকার আর লাঠির বাড়ির ভয়ে শূন্য হাতে ফিরে আসতে হয়েছে।

বাড়ির পথে ফেরার সময় সে দেখল রাস্তার ধারে একটা মরা কুকুরের চারধারে কয়েকজন মানুষ কাড়াকাড়ি করছে। দৃশ্যটা দেখে রহমতের গা গুলিয়ে উঠল, কিন্তু পেটের ভেতর জঠরাগ্নি তাকে মনে করিয়ে দিল—ক্ষুধা নীতি-নৈতিকতা চেনে না।

বাড়ি ফিরে রহমত দেখল তার স্ত্রী জোহরা উঠানে বসে এক মুঠো শুকনো কদম পাতা সিদ্ধ করার চেষ্টা করছে।

"মরিয়ম ঘুমিয়েছে?" রহমত ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল।

জোহরা কোনো উত্তর দিল না। শুধু শূন্য দৃষ্টিতে মাটির দিকে তাকিয়ে রইল। রহমত ঘরে গিয়ে মরিয়মের পাশে বসল। তার গায়ে হাত দিতেই সে শিউরে উঠল। শরীরটা বরফের মতো ঠান্ডা। দুর্ভিক্ষ শুধু খাদ্য কেড়ে নেয়নি, জীবনটাও নিঃশব্দে চুরি করে নিয়ে গেছে।

রহমতের চোখে জল এল না। ক্ষুধার জ্বালা আর শোক মিলে মিশে তাকে পাথর করে দিয়েছে। সে শুধু ভাবল, কাল হয়তো তার নিজের শরীরটাও ওই রাস্তার ধারের মরা কুকুরটার মতো পড়ে থাকবে। অথচ দূরে কোথাও কোনো গুদামে হয়তো হাজার হাজার টন চাল পচে নষ্ট হচ্ছে, কিংবা কোনো বিত্তবানের ডাস্টবিনে পড়ে আছে রাতের উচ্ছিষ্ট খাবার।

আকাশে তখনো সূর্যটা জ্বলছে। এই আগুনের নিচে মানবতা আজ কেবল ধুলোবালি। দুর্ভিক্ষ শুধু পেটের ক্ষুধা নয়, এটি একটি সভ্যতার পরাজয়।

আদালতের সেই বিশাল কাঠের দরজার বাইরে যখন মৈত্রেয়ী এসে দাঁড়াল, তখন বিকেলের কড়া রোদ ওর চোখে এসে পড়ছিল। দীর্ঘ পাঁচ বছরের দাম...
25/12/2025

আদালতের সেই বিশাল কাঠের দরজার বাইরে যখন মৈত্রেয়ী এসে দাঁড়াল, তখন বিকেলের কড়া রোদ ওর চোখে এসে পড়ছিল। দীর্ঘ পাঁচ বছরের দাম্পত্য জীবনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে গেছে গত দশ মিনিটে। হাতে ধরা ডিভোর্সের কাগজটা খুব একটা ভারী নয়, কিন্তু মৈত্রেয়ীর মনে হচ্ছিল ওটা যেন কয়েক হাজার টনের পাথরের মতো ওর হাতটাকে নিচের দিকে টেনে ধরছে।

পেছনে দাঁড়িয়ে ওর প্রাক্তন স্বামী আকাশ। বিচ্ছেদের মুহূর্তেও আকাশের চোখে কোনো গ্লানি ছিল না, বরং ছিল এক ধরণের জয়োল্লাস। সে মৈত্রেয়ীর দিকে তাকিয়ে শীতল গলায় বলল, "একলা এই শহরে কদিন টিকতে পারো, সেটাই দেখার বিষয়। ঘরসংসার করা ছাড়া তো আর কিছু শেখোনি।"

মৈত্রেয়ী কোনো উত্তর দেয়নি। উত্তর দেওয়ার শক্তি ওর মাঝে অবশিষ্ট ছিল না।

প্রথম কয়েকটা মাস মৈত্রেয়ীর কেটেছিল এক অন্ধকার ঘরে। সমাজের বাঁকা চাহনি আর চেনা মানুষদের 'আহারে' বলা সমবেদনার চেয়ে একা থাকাটাই ওর কাছে শ্রেয় মনে হচ্ছিল। ছোটবেলার সেই চঞ্চল মেয়েটি, যে ছবি আঁকতে ভালোবাসত, যে সেতারে সুর তুলত—সে যেন আকাশের সাথে সংসার করতে গিয়ে নিজের সবটুকুই বিলিয়ে দিয়েছিল। আকাশ অপছন্দ করত বলে রঙ-তুলি সব অনেক আগেই আলমারির ওপর ধুলো জমা কোণায় ঠাঁই নিয়েছিল।

মৈত্রেয়ীর মা একদিন এসে ওর শিয়রে বসলেন। আলতো করে চুলে হাত বুলিয়ে বললেন, "মৈত্রেয়ী, আকাশ তোকে ফেলে গেছে কারণ সে তোকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছিল না। কিন্তু তুই নিজেকে কেন ফেলে দিচ্ছিস? তুই কি জানিস, হারানো মানেই শেষ হয়ে যাওয়া নয়?"

মায়ের সেই কথাটা মৈত্রেয়ীর বুকে তীরের মতো বিঁধল। সত্যিই তো, যে মানুষটা ওকে সম্মান দেয়নি, তার জন্য চোখের জল ফেলে লাভ কী?

মৈত্রেয়ী ঠিক করল ও আর ফিরবে না। তবে বাবার বাড়িতে বসে থাকাও ওর স্বভাব নয়। জমানো সামান্য কিছু টাকা আর গয়না বিক্রি করে ও শহরের এক কোণায় ছোট্ট একটা ফ্ল্যাট ভাড়া নিল। দেওয়ালে কোনো আভিজাত্য নেই, কিন্তু সেখানে আছে নিজের মতো করে নিঃশ্বাস নেওয়ার স্বাধীনতা।

ওর সবচেয়ে বড় সম্পদ ছিল ওর হাতের কাজ। এক সময় সে নকশি কাঁথা আর কাপড়ের ওপর অসাধারণ সব ডিজাইন করত। মৈত্রেয়ী ঠিক করল, সে একটি অনলাইন বুটিক শুরু করবে। নাম দিল—'অপরাজিতা'।

প্রথম দিকে দিনগুলো খুব কষ্টের ছিল। ভোরবেলা উঠে পাইকারি বাজার থেকে কাপড় কেনা, সারা দিন সেলাইয়ের মেশিনে মাথা নিচু করে কাজ করা, আর মাঝরাত্রে প্যাকেজিং করা। মাঝে মাঝে যখন খুব ক্লান্তি লাগত, তখন আকাশের সেই তাচ্ছিল্য ভরা মুখটা মনে পড়ত। সেই অপমানই যেন ওর শরীরে নতুন করে শক্তির সঞ্চার করত।

ব্যবসা মানেই শুধু লাভ নয়। অনেক সময় অর্ডার আসত না। অনেক ক্রেতা পেমেন্ট করতে দেরি করত। এর মধ্যে পাড়া-প্রতিবেশীদের ফিসফাস তো ছিলই। "ডিভোর্সি মেয়ে একা থাকে, নিশ্চয়ই কোনো গোলমাল আছে"—এমন কথা ওর কানেও আসত। কিন্তু মৈত্রেয়ী শিখে গিয়েছিল কীভাবে কান বন্ধ করে নিজের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে হয়।

একদিন হঠাৎ করেই বড় একটা সুযোগ এল। কলকাতার এক নামী ফ্যাশন ডিজাইনার ওর হাতের কাজ সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখে যোগাযোগ করলেন। তিনি চাইলেন মৈত্রেয়ীর তৈরি নকশা দিয়ে একটি আস্ত কালেকশন তৈরি করতে। মৈত্রেয়ী বুঝল, এটাই ওর জীবনের মোড় ঘোরানোর সময়।

পরের তিন মাস মৈত্রেয়ী নাওয়া-খাওয়া ভুলে গেল। ওর ঘরে এখন আরও তিনজন দুস্থ নারী কাজ করে। যাদের সমাজ ব্রাত্য করে দিয়েছিল, মৈত্রেয়ী তাদেরই নিজের সঙ্গী করে নিল।

এক বছর পর এক বড় ব্যবসায়িক কনফারেন্সে মৈত্রেয়ীর ডাক পড়ল 'সফল নারী উদ্যোক্তা' হিসেবে। সেখানে আমন্ত্রিতদের তালিকায় আকাশও ছিল। আকাশ এখন তার নতুন সঙ্গিনীর সাথে এসেছে, কিন্তু তার চেহারায় সেই আগের জেল্লা নেই। ব্যবসায়িক মন্দায় সে তখন বেশ জর্জরিত।

মৈত্রেয়ী যখন স্টেজে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিচ্ছিল, আকাশের চোখ ওর দিক থেকে সরছিল না। আজ মৈত্রেয়ীর পরনে ওর নিজের ডিজাইন করা একটি নীল জামদানি শাড়ি। ওর চোখে আজ কোনো জল নেই, আছে এক তীব্র আত্মবিশ্বাস।

মৈত্রেয়ী তার বক্তৃতায় বলল, "ডিভোর্স মানে একটা জীবনের সমাপ্তি নয়, বরং একটা ভুল পথ থেকে ফিরে এসে সঠিক পথে হাঁটা। আমাকে বলা হয়েছিল আমি একলা টিকতে পারব না। আজ আমি বুঝতে পেরেছি, একলা চলা মানেই দুর্বলতা নয়, বরং একলা চলাই হলো পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন এবং শক্তিশালী পথ।"

অনুষ্ঠান শেষে আকাশ ভিড় ঠেলে মৈত্রেয়ীর সামনে এসে দাঁড়াল। ম্লান হেসে বলল, "তুমি অনেক বদলে গেছ মৈত্রেয়ী। আমি ভাবতেও পারিনি তুমি এতদূর আসবে।"

মৈত্রেয়ী শান্ত চোখে আকাশের দিকে তাকাল। তারপর ধীরস্থির কণ্ঠে বলল, "তুমি আমায় যে অন্ধকার গর্তে ফেলেছিলে আকাশ, আমি সেখান থেকেই নিজের জন্য আকাশ খুঁজে নিয়েছি। আমার বদলে যাওয়াটা আসলে নিজের কাছে নিজের ফিরে আসা।"

মৈত্রেয়ী এখন আর কারো স্ত্রী পরিচয়ে পরিচিত নয়। সে এখন হাজার হাজার মেয়ের অনুপ্রেরণা। তার ফ্ল্যাটে এখন আর অন্ধকার থাকে না; দেওয়ালে ঝোলানো থাকে তার নিজের আঁকা উজ্জ্বল সব ছবি। সে এখন বোঝে, একটি নারীর জীবনের মূল্য অন্য কেউ নির্ধারণ করতে পারে না। জীবনের ডায়েরির একটা পাতা ছিঁড়ে গেলে পুরো ডায়েরিটা ফেলে দিতে হয় না, বরং নতুন পাতায় নতুন করে গল্প লিখতে হয়।

মানুষের জীবন কখনো কখনো এমন এক বালুকণা হয়ে যায়, যা সময়ের স্রোতে ভেসে বেড়ায় কিন্তু কোথাও থিতু হতে পারে না। নীলাভের জীবনটাও...
25/12/2025

মানুষের জীবন কখনো কখনো এমন এক বালুকণা হয়ে যায়, যা সময়ের স্রোতে ভেসে বেড়ায় কিন্তু কোথাও থিতু হতে পারে না। নীলাভের জীবনটাও ঠিক তেমনই। শহরের এক কোণে ছোট একটা ভাড়া বাসায় সে একা থাকে। তার নিঃসঙ্গতা তাকে কামড়ে ধরে না, বরং নিঃশব্দে গিলে খায়।

নীলাভের প্রতিদিনের রুটিন খুব সাধারণ। সকালে ঘুম থেকে ওঠা, অফিসে যাওয়া, আর সন্ধ্যায় ফিরে আসা। কিন্তু এই সাধারণত্বের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক গভীর হাহাকার। তার ঘরের দেয়ালগুলো যেন তার কান্নার সাক্ষী। আজ থেকে পাঁচ বছর আগে তার জীবন এমন ছিল না। তখন তার জীবনে রোদ ছিল, হাসি ছিল। ছিল মৈত্রেয়ী।

মৈত্রেয়ী ছিল নীলাভের স্ত্রী। তাদের ছোট সংসারে অভাব থাকলেও ভালোবাসার কোনো কমতি ছিল না। কিন্তু ভাগ্য বড় নিষ্ঠুর। এক বর্ষণমুখর সন্ধ্যায় অফিস থেকে ফেরার পথে মৈত্রেয়ী এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়। নীলাভ যখন হাসপাতালে পৌঁছাল, তখন মৈত্রেয়ীর নিথর দেহটা সাদা কাপড়ে ঢাকা। সেই থেকে নীলাভের ভেতরের পৃথিবীটা থমকে গেছে।

মাঝে মাঝে মাঝরাতে নীলাভের ঘুম ভেঙে যায়। সে অনুভব করে মৈত্রেয়ী পাশে শুয়ে আছে। সে হাত বাড়িয়ে মৈত্রেয়ীর অস্তিত্ব খোঁজে, কিন্তু স্পর্শ পায় কেবল শীতল চাদরের। অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে সে বিড়বিড় করে বলে, "কেন গেলে মৈত্রেয়ী? আমাকে সাথে নিলে না কেন?"

দুঃখের একটা অদ্ভুত স্বভাব আছে। এটা মানুষের সাথে মিশে যায়। নীলাভ এখন আর কাঁদে না। তার চোখ শুকিয়ে গেছে অনেক আগে। কিন্তু তার বুকের ভেতরটা সারাক্ষণ ভার হয়ে থাকে। সে যখন রাস্তার মোড়ে কোনো দম্পতিকে হাত ধরে হাঁটতে দেখে, তার বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে ওঠে। মনে হয়, কেউ যেন এক মুঠো লবণ ছিটিয়ে দিয়েছে তার তাজা ক্ষতে।

অফিসে নীলাভ খুব কম কথা বলে। কলিগরা তাকে 'মৌনী বাবা' বলে ডাকে। তারা জানে না যে, যে মানুষটা নিজের ভেতরে একটা আস্ত সমাধিক্ষেত্র বয়ে বেড়ায়, তার মুখে হাসি মানায় না। একদিন তার এক সহকর্মী জিজ্ঞেস করেছিল, "নীলাভ সাহেব, আপনি কখনো বেড়াতে যান না?"

নীলাভ সামান্য হেসে উত্তর দিয়েছিল, "কোথায় যাব? আমার গন্তব্য তো অনেক আগেই হারিয়ে গেছে।"

সহকর্মীটি কথাটার গভীরতা বুঝতে পারেনি। সে হয়তো ভেবেছিল নীলাভ রসিকতা করছে। কিন্তু নীলাভ জানত, তার প্রতিটি দীর্ঘশ্বাস এক একটি না বলা গল্প।

শহরে যখন উৎসব আসে, নীলাভ তখন নিজেকে আরও বেশি গুটিয়ে নেয়। মানুষের আনন্দ তাকে বিদ্ধ করে। দীপাবলির আলো তার চোখের জলকে আরও স্পষ্ট করে তোলে। সে জানালার পাশে বসে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে। ভাবেন, ওই যে দূরের তারাটা, ওটাই কি মৈত্রেয়ী? সে কি দেখতে পাচ্ছে নীলাভ কতটা কষ্টে আছে?

একবার বৃষ্টির দিনে নীলাভ বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল। বৃষ্টির ফোঁটাগুলো যখন তার গায়ে পড়ছিল, তার মনে পড়ল মৈত্রেয়ীর কথা। মৈত্রেয়ী বৃষ্টি খুব ভালোবাসত। সে বৃষ্টিতে ভিজে কাঁপতে কাঁপতে নীলাভকে বলত, "জানো, বৃষ্টির প্রতিটা ফোঁটা এক একটা আশীর্বাদ।"

নীলাভ আজ সেই বৃষ্টির ফোঁটায় কোনো আশীর্বাদ পায় না। সে পায় কেবল বিষাদমাখা শীতলতা। সে বৃষ্টির কাছে মৈত্রেয়ীকে ফিরিয়ে দেওয়ার আকুতি জানায়, কিন্তু প্রকৃতি কেবল নিস্তব্ধতায় উত্তর দেয়।

সময়ের সাথে সাথে মানুষের দুঃখ কমে না, বরং মানুষ সেই দুঃখের সাথে মানিয়ে নিতে শেখে। নীলাভও শিখেছে। সে এখন জানে, এই নিঃসঙ্গতাই তার শেষ ঠিকানা। তার কোনো অভিযোগ নেই, কোনো দাবি নেই। সে শুধু চায় তার এই দীর্ঘশ্বাসের অবসান হোক।

একদিন রাতে নীলাভ আয়নার সামনে দাঁড়াল। দেখল তার চুলে পাক ধরেছে, চোখের নিচে কালচে দাগ। সে নিজেকে চিনতে পারল না। আয়নার প্রতিবিম্বটা যেন এক অন্য মানুষ। যে মানুষটার ভেতরে কোনো প্রাণ নেই, কেবল স্মৃতিরা বাসা বেঁধে আছে।

সে ভাবল, মৃত্যু কি খুব যন্ত্রণার? নাকি এই বেঁচে থাকাটাই আসল যন্ত্রণা? প্রতিদিন তিল তিল করে মরে যাওয়া, আর একবারেই মরে যাওয়ার মধ্যে পার্থক্য কী? নীলাভ ডায়েরিটা হাতে নিল। শেষ পাতায় লিখল—

"দুঃখ কোনো অসুখ নয় যে সেরে যাবে। এটা একটা ছায়া, যা রোদেও থাকে, অন্ধকারেও থাকে। মৈত্রেয়ী, আমি আসছি।"

গল্পের শেষটা হয়তো বিয়োগান্তক, কিন্তু বাস্তব অনেক সময় এর চেয়েও কঠিন হয়। নীলাভের মতো হাজারো মানুষ আমাদের চারপাশে ঘুরে বেড়ায়, যারা হাসির আড়ালে এক সমুদ্র কষ্ট লুকিয়ে রাখে। তাদের চোখের কোণে জমে থাকা জল কেউ দেখে না, তাদের মনের হাহাকার কেউ শোনে না। তারা বেঁচে থাকে কেবল নিঃশ্বাসের প্রয়োজনে, কিন্তু তাদের আত্মা মরে যায় অনেক আগেই।

দুঃখের এই গল্পটা কেবল নীলাভের নয়, এটা সেই সব মানুষের যারা হারানোর বেদনা নিয়ে প্রতিদিন যুদ্ধ করে যাচ্ছে। আর এই যুদ্ধের কোনো পুরস্কার নেই, আছে কেবল এক গভীর নিঃসঙ্গতা।

শুভ সকাল! ☀️ প্রতিটি নতুন দিন এক নতুন আশীর্বাদ, এক নতুন সুযোগ। এই ভোরের স্নিগ্ধতা, পূর্ব দিগন্তে সূর্যের সোনালী আভা আর প...
25/12/2025

শুভ সকাল! ☀️ প্রতিটি নতুন দিন এক নতুন আশীর্বাদ, এক নতুন সুযোগ। এই ভোরের স্নিগ্ধতা, পূর্ব দিগন্তে সূর্যের সোনালী আভা আর পাখির কিচিরমিচির শব্দ—এগুলো প্রকৃতির এক অসাধারণ উপহার, যা আমাদের জীবনকে নতুন করে ভালোবাসতে শেখায়। যখন পৃথিবী গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকে, তখন প্রকৃতি যেন নিজেকে নতুন করে সাজায়, আর ভোরের আলোয় সেই সতেজতা আমাদের মন ও আত্মায় এক নতুন প্রাণ সঞ্চার করে।

শুভ সকাল! ❄️ আজ ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫। বছরের শেষ মুহূর্তগুলো দরজায় কড়া নাড়ছে। ভোরের এই স্নিগ্ধতা আপনার সারাটা দিনকে প্রশান্ত...
24/12/2025

শুভ সকাল! ❄️ আজ ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫। বছরের শেষ মুহূর্তগুলো দরজায় কড়া নাড়ছে। ভোরের এই স্নিগ্ধতা আপনার সারাটা দিনকে প্রশান্তি আর সাফল্যে ভরিয়ে দিক। নতুন এক ভোরে নতুন করে পথচলার আনন্দ নিন। সবাইকে সুপ্রভাত! ☕✨

Address

Chattagram
Chittagong
4210

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when monir gamer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share