Rajib Basak.

Rajib Basak. Professional Magic Entertainer of Bangladesh

28/05/2026

আজকের এটিএন বাংলা'র
ঈদ আয়োজনে।।
www.magicianofbangladesh.com
#রাজীববসাক

27/05/2026
আজ সকালে জাদু প্রদর্শন করলাম ঢাকার গুলশান - তেজগাঁও লিংক রোডস্থ "আলোকি কনভেনশন সেন্টার" এ, দেশের সবচাইতে জনপ্রিয় শিশু কি...
24/05/2026

আজ সকালে জাদু প্রদর্শন করলাম ঢাকার গুলশান - তেজগাঁও লিংক রোডস্থ "আলোকি কনভেনশন সেন্টার" এ, দেশের সবচাইতে জনপ্রিয় শিশু কিশোর মাসিক "কিশোর আলো" আয়োজিত "কিআ কার্নিভ্যাল ২০২৬" আয়োজনে।
ছবি ঋণ # আবদুল ইলা (ক্যামেরার জাদুকর)
www.magicianofbangladesh.com
#রাজীববসাক

গান কথামালা আর ম্যাজিক নিয়ে সবার সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে আমিও থাকছিকিআ কার্নিভ্যাল ২০২৬ এ।।www.magicianofbangladesh...
18/05/2026

গান কথামালা আর ম্যাজিক নিয়ে
সবার সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে আমিও থাকছি
কিআ কার্নিভ্যাল ২০২৬ এ।।
www.magicianofbangladesh.com
#রাজীববসাক

ঢাকার বিভিন্ন এরিয়ার রাস্তায় ট্রাফিক আইন মানাতে এআই ক্যামেরা লাগিয়েছিল পুলিশেরা।এই ক্যামেরাগুলো সাধারণত বাইরের দেশের রাস...
17/05/2026

ঢাকার বিভিন্ন এরিয়ার রাস্তায় ট্রাফিক আইন মানাতে এআই ক্যামেরা লাগিয়েছিল পুলিশেরা।

এই ক্যামেরাগুলো সাধারণত বাইরের দেশের রাস্তায় লাগানো থাকে। ট্রাফিক আইন মানাতে ক্যামেরাগুলো বেশ কাজেও দেয়।

তাই বাংলাদেশের রাস্তায় দূ'র্ঘ'ট'না কমাতে ট্রাফিক পুলিশরাও কয়েকটা রোডে ক্যামেরাগুলো লাগিয়েছিল।

এই ক্যামেরাগুলো এতটাই দক্ষ যে কোন গাড়িচালক হেলমেট না পড়লে কিংবা কোন ট্রাফিক আইন অমান্য করলে ক্যামেরাটা সাথে সাথে সেই গাড়ির নাম্বার প্লেটের ছবি তুলে ফেলবে।

তারপর সেই গাড়ি যার নামে নিবন্ধন করা সেই মালিকের মোবাইল নাম্বারে জরিমানার মেসেজ নোটিশ আকারে পাঠিয়ে দিবে।

যে গাড়িচালক আইন অমান্য করেছিল সে হয়তো মনের খুশিতে মজমাস্তি করেই বাসায় যাবে, কিন্তু বাসায় যাওয়ার আগেই জরিমানার নোটিশ মোবাইলে চলে যাবে। কি নিয়ম ভঙ্গ করেছে চাইলে সেটার ভিডিও ও সে দেখতে পারবে।

ট্রাফিক আইন অমান্য করার কারণে গাড়িচালককে এই মামলাটা যদি পুলিশ দিতো তাহলে পুলিশ হয়তো ঘু'ষ খেয়ে ছে'ড়ে দিতে পারতো। অথবা কোন রাজনৈতিক নেতা কিংবা সহসভাপতি কল দিলে বাধ্য হয়েই ছে'ড়ে দিতে হতো।

কিন্তু এআই ক্যামেরার কারণে সেটা আর পারবে না।

এই জরিমানাটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরিশোধ করতেই হবে। না করলে আরও বেশি জরিমানা জমতে থাকবে।

এভাবে প্রতিটা ড্রাইভারের ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২ পয়েন্ট করে থাকবে। আইন ভা'ঙ'তে ভা'ঙ'তে যদি ১২ পয়েন্ট শে'ষ করে ফেলে তাহলে তার লাইসেন্সটাও বাতিল হয়ে যাবে।

বিদেশের মতো এই নিয়মটা মাত্র কয়েক মাস চললেই সব গাঁ'জা'খো'র গাড়ি চালকরা একদম সোজা হয়ে যাবে , রাস্তার দূ'র্ঘ'ট'না'ও কমে যাবে। এমনকি ট্রাফিক পুলিশরাও আর ঘু'ষ খেয়ে নিজেদের পকেট ভারি করতে পারবে না।

এই মহৎ উদ্দেশ্য নিয়েই ট্রাফিক বিভাগের লোকজন বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার এবং বিজয় সরণিসহ ৮ টা জায়গায় এআই ক্যামেরাগুলো লাগিয়েছিল। কিছুদিন পরই আরও ৩০ টা জায়গায় লাগানোর কথা ছিল।

কিন্তু ক্যামেরাগুলো লাগানোর একদিন পরই ৩০০ ফিটসহ কয়েকটা জায়গা থেকেই ক্যামেরাসহ সব যন্ত্রপাতি চু'রি করে নিয়ে গেছে।

একটাবার চিন্তা করুন আমাদের জনগণের ভালোর জন্যে ক্যামেরা লাগানো হয়েছিল অথচ সেই ক্যামেরাই চু'রি করে নিয়ে গেছে।

এখন ট্রাফিক বিভাগের লোকজন চিন্তায় পড়ে গেছে বাকি ক্যামেরাগুলো লাগাবে কিনা। যদি সেগুলোও চু'রি করে নিয়ে যায় তাহলে দেশের কোটি কোটি টাকা লস হয়ে যাবে।

অবস্থাটা এমন যে— ক্যামেরা পাহারা দেয়ার জন্যেই হয়তো একজন পুলিশ নিয়োগ দিতে হবে।

দেশে কোনকিছু হলেই সবসময় আমরা সরকারের সমালোচনা করি, গা'লি দেই, অথচ যখন একটা ভালো উদ্যেগ নেয়া হয়েছে তখন সেই যন্ত্রপাতিই জনগণরা চু'রি করে নিয়ে গেছে।

শত শত খারাপের মধ্যে আপনি জনগণের জন্যে একটু ভালো কিছু করতে চাইবেন কিন্তু পারবেন না কারণ এদেশে শুধু নেতারাই চো'র না, জনগণরাও চো'র।

সুযোগ পেলে এরা ম্যানহোলের ঢাকনা চু'রি করে নেয়, রাস্তার লাইট চু'রি করে নেয়, ক্যামেরা চু'রি করে নেয়। এমনকি ৫০০ টাকার বিনিময়ে নিজের মূল্যবান ভোটটা বিক্রি করে দিতেও দুইবার ভাবে না।

অথচ আমরাই আবার আফসোস করে বলি— আমাদের দেশটা কেন ঠিক হয় না, কেন ইউরোপ-আমেরিকার মতো হয় না?

হবে কিভাবে? এদেশের জনগণরা তো সামান্য কয়টাকার ম্যানহোলের ঢাকনার লো'ভ'ই সামলাতে পারে না।

দেশের এতসব দু'র্নী'তি, রাস্তাঘাটে এ'ক্সি'ডে'ন্টে শতশত মানুষকে ম'র'তে দেখার পর আপনার মনঃক্ষুণ্ণ হয়, ক'ষ্ট পান।

তারপরও আপনি হয়তো মনে মনে সামান্য একটু আশায় থাকেন, ভাবেন— হয়তো এই দেশটা একদিন পরিবর্তন হবে, হয়তো আরেকটু ভালো হবে।

কিন্তু দিনশেষে সে সামান্য আশাটুকুও আর পূরণ হয় না।

কারণ যে দেশের জনগণরাই নিজেদের ভালো চায় না সে দেশ কোনদিন পরিবর্তন হবে না, কোনদিনও না

✍️ Ibrahim Khalil Shawon

-সংগৃহীত।

30/04/2026

সময় থাকতেই নিজে সচেতন হই,
অন্যদেরও সচেতন হতে বলি।।
www.magicianofbangladesh.com

আমার প্রাণের শহর চট্টগ্রাম।দু'দিনের বৃষ্টিতেই দুর্দিন।নেতা আসে, নেতা যায়, তবু্ওকতটা অসহায় এই জনপদ। ছবির কারিগর  #  Moham...
29/04/2026

আমার প্রাণের শহর চট্টগ্রাম।
দু'দিনের বৃষ্টিতেই দুর্দিন।
নেতা আসে, নেতা যায়, তবু্ও
কতটা অসহায় এই জনপদ।
ছবির কারিগর # Mohammed Rubel

চট্টগ্রামের গরু প্রেমীদের সুবিধার্থে চট্টগ্রামের গরুর বাজারের তালিকা দেওয়া হলো :১. বিবিরহাট, শনি ও মঙ্গলবার।৩. হাটহাজার...
27/04/2026

চট্টগ্রামের গরু প্রেমীদের সুবিধার্থে চট্টগ্রামের গরুর বাজারের তালিকা দেওয়া হলো :

১. বিবিরহাট, শনি ও মঙ্গলবার।
৩. হাটহাজারী স্টেশন বাজার, বৃহস্পতিবার।
৪. মিরসরাই মিঠাচরা বাজার, বৃহস্পতিবার।
৫. সীতাকুণ্ড থানার ফকির হাঠ, বুধবার।
৬. রাংগুনিয়া রানীর হাট, শনি মঙ্গলবার ।
৭. রাংগুনিয়া রোয়াজার হাট, সোম শুক্রবার।
৮. রাংগুনিয়া পদুয়া বাজার, প্রতি বৃহস্পতিবার।
৯. বাগিচাহাট,চন্দনাইশ, সোমবার ও শুক্রবার।
১০. থানা হাট, পটিয়া, সোমবার ও শুক্রবার।
১১. কেরানিহাট, রবিবার ও বুধবার।
১২. আনোয়ারা সরকার হাট, সোম শুক্রবার।
১৩. কক্সবাজারের চকরিয়ার ইলিশিয়া হাট, প্রতি রবি ও বৃহস্পতিবার।
১৪. রামদাশ মুন্সির হাট বাঁশখালি, রবি ও বৃহস্পতিবার।
১৫. রাংগুনিয়া রাণি হাট, শনি ও মঙ্গলবার।
১৬. কাওখালি বাজার, বৃহস্পতিবার ও সোমবার (সকাল বেলা)।
১৭. খিরাম বাজার ফটিকছড়ি, রবি ও বৃহস্পতিবার।(ভোর থেকে ১১/১২ টা পর্যন্ত।
১৮. নাজিরহাট বাজার, শনিবার ও মঙ্গলবার।
১৯. মাইনি বাজার রাংগামাটি, শনিবার ভোর বেলা।
২০. শুভলং বাজার রাংগামাটি, শনিবার।
২১. রামগড় বাগান বাজার, শুক্রবার।
২২. গুইমারা বাজার, মঙ্গলবার।
চিকনছড়া বাজার, মঙ্গলবার।
২৩. বান্দরবান লামা বাজার, মঙ্গলবার ও শনিবার।
২৪. চন্দনাইশের বৈলতলী, খোদার হাট, রবিবার ও বুধবার।
২৫.রাউজান নোয়াপাড়া চৌধুরীহাট শুক্রবার ও মঙ্গলবার
২৬.শান্তিরহাট বাজার, রবিবার ও বৃহস্পতিবার।

(সংগৃহিত)

মানুষ নন, তিনি মহামানব। তাঁর পবিত্র পায়ে মাথা ঠেকিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।ব্যতিক্রমী এক মহান মুক্তিযোদ্ধা, অধ্যাপক, মান...
25/04/2026

মানুষ নন, তিনি মহামানব। তাঁর পবিত্র পায়ে মাথা ঠেকিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।

ব্যতিক্রমী এক মহান মুক্তিযোদ্ধা, অধ্যাপক, মানবতাবাদী বুদ্ধিজীবী
ড. মজিবর রহমান দেবদাস।
(১ জানুয়ারি ১৯৩০ ~ ১৮ মে ২০২০)

নাম মজিবর রহমান দেবদাস, নামটি একটু অন্য রকম লাগে? মজিবর রহমান কিন্তু নামের শেষে দেবদাস! রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের সাবেক শিক্ষক।

ঢাকা ভার্সিটিতে স্নাতকোত্তর ও ৬৪ সালে মেলবোর্নে ফলিত গণিতে এমএসসি শেষে ১৯৬৭ সালে রাবিতে সিনিয়র লেকচারার হিসেবে যোগ দেন। ১৯৭১ সালে রাজশাহীসহ সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে হিন্দু সংখ্যালঘুদের উপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতীকী প্রতিবাদে নিজের নাম পাল্টে রাখেন দেবদাস। সেই দুঃসহ সময়ে তাঁর এই নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের জন্য তাঁকে অনেক মূল্য দিতে হয়েছিল।

১৯৭১ সালের ১০ই মে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের প্যাডে লেখা এক ঘোষণায় দেখা যায় মজিবর রহমান তার নাম পাল্টে রেখেছেন দেবদাস।

চিঠিটি নাজিম মাহমুদের আত্মজীবনীমূলক লেখা "যখন ক্রীতদাস"এ লিপিবদ্ধ আছে। নাম পাল্টানোর কারণ হিসেবে পাকিস্তানীদের চূড়ান্ত বর্বর নির্যাতনের মুখে অনেক হিন্দু প্রাণ বাঁচাতে তখন মুসলমান নাম রাখতে বাধ্য হন। এর প্রতিবাদে নিজের মুসলমান নাম পাল্টে 'দেবদাস' রাখেন তিনি। চিঠিটি একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের ভয়াবহ দুঃসাহসের নিদর্শন। মাত্র শ খানেক শব্দের ওই চিঠিতে দেবদাস লিখেছেন "এই বিশ্ববিদ্যালয় এখন আর শিক্ষালয় নেই। এটি সেনাশিবিরে ডিগ্রেডেড হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় যখন জ্ঞান চর্চার পরিবেশ ফিরবে তখন তিনি আবার কাজে যোগ দেবেন।"
এই চিঠির পর তাঁকে ধরে নিয়ে যায় পাকি সেনাদল এবং প্রায় পাঁচ মাস ধরে টর্চার সেলে আটকে অমানুসিক নির্যাতন চালানো হয়। তিনি মারাত্মক শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। নাজিম মাহমুদের ভাষায়-'জ্যান্ত শহীদ'।

দেশ স্বাধীন হবার পর তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিতে চাইলে মানসিক অসুস্থতার অজুহাতে এড়িয়ে যাওয়া হয়। ভয়ংকর কথা হল, স্বাধীন বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে নাম বদলে কাজে যোগ দিতে বলে। কিন্তু তিনি নাম বদলাতে অস্বীকার করেন। উপরন্তু তিনি এফিডেবিট করে চূড়ান্তভাবে নাম বদলে দেবদাস নাম ধারণ করেন তিনি। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁর অস্তিত্বই অস্বীকার করে বসে।
তারা বলে, তাদের গণিতে বিভাগে মজিবর রহমান নামে একজন শিক্ষক ছিলেন। দেবদাস নামে যেহেতু কেউ ছিলেননা সেহেতু সেই নামে কারো যোগ দেবার সুযোগ নেই।

এই ঘটনার পর তিনি জয়পুরহাটে গ্রামের বাড়ি চলে যান।

৪০ বছর মানুষিকভাবে অসুস্থ থেকেও ৯৪ সালে গেম থিওরীতে অবদানের জন্য অর্থনীতি নোবেল জিতেন জন ন্যাশ। রাসেল ক্রো অভিনীত সেই বিখ্যাত মুভি "এ বিউটিফুল মাইন্ড" এ অভিনয় করে আমাদের মন জিতে নেন। নোবেল পাওয়ার স্পিচে দাড়িয়ে বলেন- আই হ্যাভ অলওয়েজ বিলিভড ইন নাম্বারস ইন দ্যা ইক্যুয়েশন এন্ড লজিক দ্যাট লিড টু রিজন.."!
মুজিবর রহমান দেবদাস হলেন আমাদের জন ন্যাশ।

৭১ সালের তাঁর ওই দৃঢ়চেতা ভুমিকার জন্য ২০১৫ সালে সরকার তাঁকে একুশে পদক প্রদাণ করেন।

কিন্তু আমরা কেউ তাঁকে মনে রাখিনি। বরং জীবন ও শিক্ষার মর্যাদার প্রতি এমন কমিটেড একজন মহান মানুষকে সামাজিকভাবে বর্জন করেছি। সমব্যাথী হওয়া দূরের কথা, তাঁকে জোর করে তাড়িয়েছি বিশ্ববিদ্যালয়, সমাজ-সংসার থেকে। তাঁকে আমরা মনেও রাখিনি!
এ দেশ তো আর এমনি এমনি আসেনি!
মজিবর রহমান দেবদাসকে অন্তর থেকে সীমাহীন ভালবাসা ও সশ্রদ্ধ স্যালুট।

(Bokhtiar Rana এর দেয়াল থেকে...
সৌজন্যে ধ্রুব আহসান।)

Address

Garden Enclave, Momin Road
Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rajib Basak. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Rajib Basak.:

Share

Category