Abrittikar Mainul Azam Chowdhury

Abrittikar Mainul Azam Chowdhury আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে…

19/03/2026

অর্জুন কৃষ্ণচূড়া কথা
-মন্দাক্রান্তা সেন

অর্জুন গাছ একা ছিল ঐ মাঠে
আর্যপুরুষ - আভিজাত্যের দম্ভ
নতজানু হল সব গাছ তার কাছে
এইটুকু শুধু আরম্ভ কাহিনীর ।।

কোথা থেকে এল কৃষ্ণচূড়ার বীজ
যুবতী হল সে কয়েকবছর পরে
সাঁওতালি মেয়ে , খোঁপায় তীব্র লাল
অর্জুন তাকে চাইল আপন করে ।।

নতজানু হবে এমন মেয়ে সে নয়,
বসন্তে সে তো একাই নিজেই সাজে,
আর্যপুরুষে আসক্তি নেই তার
ব্যস্ত আছে সে ফুল ফোটানোর কাজে ।।

খোঁপা থেকে খসে গতরাত্রের ফুল
ঝিরঝিরে পাতা পোশাক বুনেছে তার
অর্জুন, সে যে আর্যপুরুষ ! ভাবে-
সব সুন্দরে একা তার অধিকার ।।

অর্জুনগাছ চেয়ে দেখে দূর থেকে
কৃষ্ণচূড়ার হৃদয় ঝরছে রোজ,
রূপ দেখে তার ধাঁধায় দুখানি চোখ
ভাবে , কবে পাবে ঐ হৃদয়ের খোঁজ ।।

কাহিনি এবার শেষ করি তাড়াতাড়ি
কৃষ্ণচূড়ার জেদখানি বড় বেশি-
অভিমান সেও বিকাবে না কারও কাছে
বরঞ্চ হবে বন্ধু বা প্রতিবেশী ।।

যদিও কাহিনী এমন সহজ নয়
অর্জুনে শুধু বাকল ঝরেছে, ঝরে
সাঁওতালি মেয়ে রক্ত ঝরাতে জানে--
আর্যপুরুষ হার মানে অন্তরে ।।

পরের জন্মে অর্জুনগাছ হয়ে
কৃষ্ণচূড়াকে বন্ধুর মতো দেখো--
আমাকে চিনতে ভুল কর না হে ঋজু,
রক্ত ঝরালে বাকল খসিয়ে ডেকো॥

19/03/2026

অর্জুন কৃষ্ণচূড়া কথা
-মন্দাক্রান্তা সেন

অর্জুন গাছ একা ছিল ঐ মাঠে
আর্যপুরুষ - আভিজাত্যের দম্ভ
নতজানু হল সব গাছ তার কাছে
এইটুকু শুধু আরম্ভ কাহিনীর ।।

কোথা থেকে এল কৃষ্ণচূড়ার বীজ
যুবতী হল সে কয়েকবছর পরে
সাঁওতালি মেয়ে , খোঁপায় তীব্র লাল
অর্জুন তাকে চাইল আপন করে ।।

নতজানু হবে এমন মেয়ে সে নয়,
বসন্তে সে তো একাই নিজেই সাজে,
আর্যপুরুষে আসক্তি নেই তার
ব্যস্ত আছে সে ফুল ফোটানোর কাজে ।।

খোঁপা থেকে খসে গতরাত্রের ফুল
ঝিরঝিরে পাতা পোশাক বুনেছে তার
অর্জুন, সে যে আর্যপুরুষ ! ভাবে-
সব সুন্দরে একা তার অধিকার ।।

অর্জুনগাছ চেয়ে দেখে দূর থেকে
কৃষ্ণচূড়ার হৃদয় ঝরছে রোজ,
রূপ দেখে তার ধাঁধায় দুখানি চোখ
ভাবে , কবে পাবে ঐ হৃদয়ের খোঁজ ।।

কাহিনি এবার শেষ করি তাড়াতাড়ি
কৃষ্ণচূড়ার জেদখানি বড় বেশি-
অভিমান সেও বিকাবে না কারও কাছে
বরঞ্চ হবে বন্ধু বা প্রতিবেশী ।।

যদিও কাহিনী এমন সহজ নয়
অর্জুনে শুধু বাকল ঝরেছে, ঝরে
সাঁওতালি মেয়ে রক্ত ঝরাতে জানে-
আর্যপুরুষ হার মানে অন্তরে ।।

পরের জন্মে অর্জুনগাছ হয়ে
কৃষ্ণচূড়াকে বন্ধুর মতো দেখো--
আমাকে চিনতে ভুল কর না হে ঋজু,
রক্ত ঝরালে বাকল খসিয়ে ডেকো॥

আবৃত্তির ক্লাসবিষয়- প্রমিত উচ্চারণ - পর্ব ৩১৩ মার্চ ২০২৬ শুক্রবার বোধন আবৃত্তি স্কুল চট্টগ্রাম
13/03/2026

আবৃত্তির ক্লাস
বিষয়- প্রমিত উচ্চারণ - পর্ব ৩
১৩ মার্চ ২০২৬ শুক্রবার
বোধন আবৃত্তি স্কুল চট্টগ্রাম

 #আবৃত্তির_ক্লাসবিষয়- প্রমিত উচ্চারণ-পর্ব ২২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
27/02/2026

#আবৃত্তির_ক্লাস
বিষয়- প্রমিত উচ্চারণ-পর্ব ২
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

09/12/2025

"আর কখনো হয়নি দেখা, হবেও না"
-সাদাত হোসাইন

আর কখনো হয়নি দেখা, হবেও না।
সেই যে হঠাৎ নদীর ধারে নৌকো এলো,
বাদামি রঙ পালের সাথে তুমুল হাওয়া,
হাওয়ায় সওয়ার ঘোড়ার মতন ঝড়ও এলো।
সেই ঝড়ে আর ঘর ভাঙেনি, কেবল বুকের পাড় ভেঙেছে।
যার ভেঙেছে, জানলো কেবল একলা সে-ই, আর কেউ না।
আকাশ ভেঙে বৃষ্টি এলো গভীর রাতে, দেখলো সবাই।
কিন্তু কারো চোখের কোলে ঝর্ণা নামে রোজ নিশিথে,
দায় পড়েনি, দেখার কারও।

তোমরা কেবল মেঘলা আকাশ, বৃষ্টিটুকুই দেখতে পারো।
বুকেও যে আকাশ থাকে, সেই আকাশেও মেঘ জমে যায়,
উথাল-পাথাল ঝড় নেমে যায়, বেহিসেবি বৃষ্টি নামে,
কেউ দেখে না।

পাড় ভাঙা ওই নদীর দুঃখ সবাই জানে,
কেবল কারো বুকে জমা ঢেউটুকু আর কেউ দেখে না।
আর কখনো হয়নি দেখা, হবেও না। দখিন হাওয়ায় নাও ভেসে যায় তেপান্তরে, তুমিও যাও, অমন ঢেউয়ে নামবো ভেবে হঠাৎ দেখি, সাঁতারটুকুও হয়নি জানা।
সাত সমুদ্র তের নদীর ওপার কোথায়, তোমার ঠিকানা?
আর কখনো হয়নি দেখা, হবেও না।

আমি কেবল শিখেছিলাম ভালোবাসতে,
একশ আকাশ, একশ নদী, অযুত স্বপ্ন বুকে পুষতে।
কেউ বলে নি, আকাশ এবং নদী মানেই তুমুল জলোচ্ছ্বাসের আভাস, সাঁতারটুকুও শিখতে হবে।

নদীর পরে সমুদ্দুরে, নৌকো তোমার জাহাজ হলো,
আমার কেবল সাঁতার শেখার ইচ্ছেটুকুই রয়ে গেলো।
হয়নি শেখা।
সবাই কী আর শিখতে পারে!
এই পৃথিবীর জটিল হিসেব পাশ কাটিয়ে সহজ হয়েও কেউ রয়ে যায়।
না পাওয়াদের দুঃখগুলোও, একলা একা চুপ সয়ে যায়।
হঠাৎ ভীষণ কান্না পেলে, লুকিয়ে ফেলে ঝাপসা দু'চোখ,
বৃষ্টি এলে জলের ভেতর লুকিয়ে ফেলে অশ্রু-অসুখ।
তোমরা কেবল ভালো থেকো, ভালোই থেকো।
আর কখনো হয়নি দেখা, হবেও না,
জেনেও এই অবাক বোকা মানুষটাকে
একটু কেবল মনে রেখো। মনে রেখো।

10/11/2025

কতটা বেঁচে থাকা মরে যাওয়া নয়
কতটা দূরে যাওয়া সরে যাওয়া নয়
কতটা রোদ এলে নিকানো উঠোন
ভিজে যাওয়া কান্নার স্মৃতি ভুলে রয়।

কতটা নিরবতা আর ভাষা নয়
কতটা ডুবে যাওয়া পার ভাসা নয়
কতটা প্রেমিক হলে বুকের ভেতর
জেগে ওঠে ডুবোচর, অমোঘ প্রণয়।

কতটা ছুঁয়ে যাওয়া ভালোবাসা নয়
কতটা ভীষণ রাত, আলো-আশা নয়
কতটা আঁধার ঝড়ে বিবাগী নাবিক
জাহাজের মাস্তুলে গুনেছে প্রলয়।

কতটা কাছে থাকা কাছে থাকা নয়
কতটা উধাও হলে পাছে থাকা নয়
কতটা ঘৃণা পুষে একাকী দুপুর
হুহু করা কান্নায় ভালোবাসা হয়।

কতটা বুকের জলে শ্রাবণের মেঘ
চুপিচুপি চোখেদের জলে কথা কয়।

কতটা বেঁচে থাকা মরে যাওয়া নয়
কতটা দূরে যাওয়া সরে যাওয়া নয়
কতটা ছুঁয়ে দিলে বুকের ভেতর
তিরতির কেঁপে ওঠে তৃষিত হৃদয়।
—————————————-
-সাদাত হোসাইন

 #আবৃত্তির_ক্লাসবিষয়- প্রমিত উচ্চারণ-পর্ব ৪৭ নভেম্বর ২০২৫
07/11/2025

#আবৃত্তির_ক্লাস
বিষয়- প্রমিত উচ্চারণ-পর্ব ৪
৭ নভেম্বর ২০২৫

31/10/2025

আমায় তুমি ভুল বুঝো না, ভুল,
আমি তোমার নাকেরই নাকফুল।
আমি তোমার বুকের প্লাবন ঢল,
অভিমানের দৃষ্টি হলেও দিও-
আমিই তোমার চোখের কাজল-জল।

আমায় তুমি ভুল বুঝো না, ভুল,
আমি তোমার হারিয়ে যাওয়া কূল।
আমি তোমার উজান গাঙে তরী,
বৈঠাবিহীন পথ হারালেও জেনো-
আমিই তোমার শূন্য দুহাত ধরি।

আমায় তুমি ভুল বুঝো না, ভুল,
আমি তোমার খোঁপায় গোজা ফুল।
আমি তোমার নাকের নোলক-নথ,
আলতা রাঙা-নুপুর পায়ে এসো,
তাকিয়ে দেখ আমিই তোমার পথ।
——————————
-সাদাত হোসাইন

31/10/2025

প্রেম এখন অনুভূতি নয়, প্রতিযোগিতা

ভালোবাসা মানে এখন — কে বেশি দামি গিফট দিল,
কে বেশি ঘুরল, কে বেশি স্ট্যাটাস দিল।
কেউ বোঝে না — ভালোবাসা মানে পাশে থাকা,
যখন পুরো দুনিয়া মুখ ফিরিয়ে নেয়।

এই সমাজ ভালোবাসার অর্থ বদলে দিয়েছে।
এখন সম্পর্ক শুরু হয় রিয়্যাকশনে,
শেষ হয় ব্লকে।
তবু কোথাও কিছু মানুষ আছে,
যারা ভালোবাসে নিঃস্বার্থভাবে — চুপচাপ, সম্মানের সাথে।
———————-
(সংগৃহিত)

30/10/2025

কাঁদছিল, কেউ কাঁদছিল
-সৈয়দ শামসুল হক

ভেতরে কেউ কাঁদছিল তখন থেকে কাঁদছিল
সেই তখন থেকে
যখন আমার সাজানো এক ঘর ছিল
যখন তার দরোজা থেকে বিরাট তালা ঝুলছিল
ভেতরে কেউ কাঁদছিল
তখন থেকে যখন থেকে
তোমার মতো কারোর দিকে দেখার দুটো চোখ ছিল
যখন কিছু বলতে গিয়ে
হঠাৎ করে ভয় ছিল
নাম ধরে যে ডাকব তখন
সেই সাহসের টান ছিল
তখন থেকে কাঁদছিল ভেতরে কেউ কাঁদছিল
কানে আমার যাচ্ছিল
বোকা যেমন – সে নিজে নয়
এই রকমই ভাবছিল
ভেতর থেকে ভাবছিল
অন্য কেউ কাঁদছিল
যখন তোমার গাছে গোলাপ ধরছিল
তখন আমার বুকটা ভীষণ কাঁপছিল
যখন তোমার হাতে আমার হাত ছিল
তখন আমার মনটা কেমন করছিল
তখন হঠাৎ সাগর উঠে পাহাড় কিছু ভাঙছিল
চোখের পরে
ঠোঁটের পরে
শূন্যতার হাত ছিল
বুকের পরে স্তব্ধতার ভার ছিল
বেলার আগে বেলা পড়ে যাচ্ছিল
তোমার দেখা পাবো কিনা সেই রকমই ভয় ছিল
ভেবেছিলাম আলাদা কেউ কাঁদছিল
তারপরে যেই এগিয়ে এলে
শূন্যতাকে সরিয়ে দিলে
স্তব্ধতাকে গড়িয়ে দিলে
দরোজা খুলে দেখিয়ে দিলে
আঙ্গুল তুলে দেখিয়ে দিলে
আমার মধ্যে একলা আমি তখন থেকে কাঁদছিল॥

24/10/2025

তোমার জন্য কাঁদলে মন, নাম কী তার?
নিঘুম রাত জাগলে একা, দাম কী তার?
তোমার জন্য শূন্য হলে, দায়টা কার?
অশ্রুজলে ভাসলে একা, যায়টা কার?
তোমার জন্য পথ হারালে, ভাববে কে?
নিখোঁজ খবর আসছে জেনে, কাঁদবে কে?
তোমার জন্য লিখলে চিঠি, পড়বে কে?
'ভাববো না আর' ভেবেও রোজ, লড়বে কে?

তোমার জন্য জ্বর বাঁধালে, মাপবে কে?
খানিক ছুঁয়েই লুকিয়ে একা, কাঁপবে কে?
তোমার জন্য নিঃস্ব হলে, নাম কী তার?
বোকাইতো সে, প্রেমিক বলে, দাম কী তার?
——————————————
-সাদাত হোসাইন

23/10/2025

কখনো কখনো আমার খুব কথা কইতে ইচ্ছে হয়,
কিন্তু মানুষ মেলে না।
জগতে কথা কইবার মানুষের খুব অভাব।

অন্ধকারের মতন গাঢ় এবং গভীর মানুষ
আলোর মতন অকপট ও অপার মানুষ
বৃক্ষের মতন শান্ত , সহজ ও স্থির মানুষ
নদীর মতন জলজ ও গভীর মানুষ।

আমি তাই পথের সঙ্গে কথা কই-
নিজেকে বিছিয়ে দিয়ে সে আলগোছে বুকে পুষে রাখে মমতায়।
অভিযোগ নেই, অনুযোগ নেই- সর্বংসহা মায়ের মতন।
কথা কই অন্ধকার ও আলোর সঙ্গে, নদী ও বৃক্ষের সঙ্গে।
একটা জনমজুড়ে বন্দি পাখির মতো খুঁজে ফিরি ইচ্ছের ডানা মেলে উড়ে চলবার অসীম আকাশ।

আমাদের প্রত্যেকের বুকের ভেতর সংগোপনে থেকে যায় আমাদের ব্যক্তিগত নদী ও বৃক্ষ, আলো ও অন্ধকার, পথ ও আকাশ। আমরা সেই একাকী পথে হেঁটে যেতে যেতে কথা কই। আমাদের সঙ্গী হয় এইসব একাকীত্ব।

কারণ, আমাদের কথা কইবার মানুষ মেলে না,
জগতে কথা কইবার মানুষের খুব অভাব।
——————————————
-সাদাত হোসাইন

Address

Jamal Khan Road
Chittagong
4000

Telephone

+8801819332454

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abrittikar Mainul Azam Chowdhury posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share