Jummobi

Jummobi Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Jummobi, Cultural Center, Chittagong.

রাষ্ট্রীয় হেফাজতে কারাগারে লাল ত্লেং কিম বম এর মৃত্যুর বিচার, নির্দোষ বম নারী ও শিশুদের মুক্তির দাবীতে চট্টগ্রামে বিক্ষো...
18/05/2025

রাষ্ট্রীয় হেফাজতে কারাগারে লাল ত্লেং কিম বম এর মৃত্যুর বিচার, নির্দোষ বম নারী ও শিশুদের মুক্তির দাবীতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

মে ১৮, ২০২৫ |
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

রাষ্ট্রীয় হেফাজতে কারাগারে লাল ত্লেং কিম বম এর মৃত্যুর বিচার, নির্দোষ বম নারী ও শিশুসহ সকলকে মুক্তির দাবিতে চট্টগ্রামে চেরাগী পাহাড় মোড়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ (পিসিপি), চট্টগ্রাম মহানগর ও আদিবাসী শ্রমজীবী কল্যাণ সমিতির যৌথ উদ্যোগে আজ ১৮ মে ২০২৫ বিকাল ৪:০০ ঘটিকায় সময়ে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভ সমাবেশে আদিবাসী শ্রমজীবী কল্যাণ সমিতি, চট্টগ্রাম মহানগর শাখার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অর্পিন চাকমার সঞ্চালনায় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পিসিপি চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সভাপতি দীপন চাকমা। সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পিসিপি, চট্টগ্রাম মহানগর শাখার অর্থ সম্পাদক ইমরান চাকমা।

সমাবেশে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন আদিবাসী শ্রমজীবী কল্যাণ সমিতি চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সদস্য উজ্জ্বল চাকমা, সহ-সভাপতি জ্ঞান বকুল চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক সুনয় চাকমা প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, রাষ্ট্রীয় হেফাজতে কারগারে লাল ত্লেং কিম বমের মৃত্যু নিঃসন্দেহে রাষ্ট্রের শোষণ-নিপীড়নের একটি উদাহরণ। রাষ্ট্রীয় বাহিনী কর্তৃক অভিযানের নামে নিরপরাধ বম জনগোষ্ঠীর অনেক নারী, শিশু ও সাধারণ ছাত্রকে কারাগারে বন্ধী করা হয়েছে সমাবেশ থেকে তাদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবী জানানো হয়। সরকারকে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করে পাহাড়ে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ আহবান জানানো হয়।

উল্লেখ্য যে, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী অবস্থায় লাল ত্লেং কিম বম (৩০) নামে বম জাতিসত্তার এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৫ মে ২০২৫) সকালে হাসপাতালে নেয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা যায়। সঠিক চিকিৎসার অভাব ও নির্যাতনের কারণে তাঁর এমন মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

লাল ত্লেং কিম বম’র পিতার নাম লামমিন লিয়ান বম। তাঁর বাড়ি বান্দরবানের রুমা উপজেলার বেথেল পাড়ায়।

গত বছর ২ ও ৩ এপ্রিল রুমা ও থানচিতে ব্যাংক ডাকাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে যৌথবাহিনী কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) বিরোধী অভিযানের নামে ৮ এপ্রিল ২০২৪ বেথেল পাড়া থেকে নারীসহ এক সাথে ৪৯ জনকে গ্রেফতার করে, যাদের মধ্যে লাল ত্লেং কিম বম ছিলেন একজন।

অভিযোগ উঠেছে, গ্রেফতারের পর থেকে দীর্ঘ এক বছরের অধিক সময় বিনা বিচারে কারাগারে আটক রেখে বম জাতিসত্তার বন্দীদের ওপর নিপীড়ন চালানো হচ্ছে এবং অসুস্থদের সঠিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে না। যার কারণে লাল ত্লেং কিম বম’র মৃত্যু হয়েছে। তাঁর মাথার এক পাশে আঘাতপ্রাপ্ত রয়েছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।

https://chtvanguard.com/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%97/?fbclid=IwY2xjawKWyKNleHRuA2FlbQIxMQABHhMusDdmjtI_CamBrwcuNfuaRRrUONe45KfWdsf7aLEqJ7zMM2FjJgRbPUzJ_aem_KvYodSjTkZSHUCP5e4msRg

গত বৃহস্পতিবার (১৫ মে ২০২৫) সকালে হাসপাতালে নেয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা যায়.........

নৃশংসতম লংগদু গণহত্যার ৩৬ বছর আজরাঙ্গামাটিমে ৪, ২০২৫ | সিএইচটি ভ্যানগার্ডনৃশংসতম লংগদু গণহত্যার ৩৬ বছর আজ। ১৯৮৯ সালের ৪ঠ...
04/05/2025

নৃশংসতম লংগদু গণহত্যার ৩৬ বছর আজ
রাঙ্গামাটি
মে ৪, ২০২৫ |
সিএইচটি ভ্যানগার্ড

নৃশংসতম লংগদু গণহত্যার ৩৬ বছর আজ। ১৯৮৯ সালের ৪ঠা মে সেটেলার বাঙালী ও রাষ্ট্রীয় বিশেষ বাহিনী মিলে জুম্মদের উপর সংঘটিত করে নৃশংস একটি গণহত্যার। এতে বহু জুম্ম নিহত ও আহত হয়। সেটেলার বাঙ্গালিরা জুম্মদের ঘরবাড়িতে লুটপাট, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে, বৌদ্ধ বিহার ও বৌদ্ধ মূর্তি ধ্বংস এবং খ্রিস্টানদের গীর্জা পুড়িয়ে দেয়।

এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল-এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, ১৯৮৯ সালের ৪ঠা মে বিকাল ৪-৫ টা নাগাদ লংগদু উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ সরকার তার অফিসের কাছে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যাবার আড়াই ঘন্টা পর লংগদুতে পাহাড়ি গ্রামবাসীদের উপর প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু হয়। এই প্রতিশোধমূলক হামলায় কম করে ৩৬ জন নারী-পুরুষ ও শিশু মারা যায়। তবে এর প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা আরো বেশি হতে পারে বলে রিপোর্টে বলা হয়। আর আব্দুর রশিদ সরকারের মৃত্যুর জন্য শান্তিবাহিনীকে দায়ী করা হলেও এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এর কোন কারণ খুঁজে পায়নি বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ্যামনেস্টির ওই রিপোর্টে বলা হয়- “কম করে ৬টি গ্রাম আক্রমণ করা হয়, পাহাড়িদের শত শত ঘরবাড়ি, অসংখ্য বৌদ্ধ মন্দির এবং খ্রিস্টানদের দু’টি গীর্জা জ্বালিয়ে দেয়া হয়। যারা বেঁচে যায় তারা আশ্রয়ের জন্য পাহাড়ে ও জঙ্গলে পালিয়ে যায় এবং তাদের একটা বিরাট অংশ সীমান্ত পার হয়ে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়।”

এ হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদ জানিয়ে ‘৮৯ সালের ৯ মে চাকমা রাজা ব্যারিষ্টার দেবাশীষ রায়, প্রাক্তন সংসদ সদস্য চাইথোয়াই রোয়াজা, প্রাক্তন সংসদ সদস্যা সুদীপ্তা দেওয়ান, প্রেসিডেন্টের সাবেক উপদেষ্টা সুবিমল দেওয়ান, তৎকালীন রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গৌতম দেওয়ান এবং রাঙামাটি সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মায়াধন চাকমাসহ ২২ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করে রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন।

স্মারকলিপিতে তারা এ হত্যাযজ্ঞের ভয়াবহতার বর্ণনা দিয়ে বলেন,- “উপজেলা সদরে সব ধরণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য, লংগদু ইউনিয়ন পরিষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও ৩নং লংগদু মৌজার হেডম্যান অনিল বিহারী চাকমা তার বাসভবনে হামলার শিকার হন। ভাগ্যক্রমে তিনি প্রাণে বেঁচে গেলেও তার স্ত্রী ও প্রতিবেশীদের অনেকে (যারা হেডম্যানের বাসভবনে আশ্রয় নিয়েছিল) এই নির্মম হত্যার শিকার হয়েছেন। হত্যাকারীরা দা, বল্লম ইত্যাদি সহ আগ্নেয়াস্ত্রের দ্বারা, গুলি করে নিরীহ নারী, পুরুষ, শিশু নির্বিশেষে হত্যা করেও ক্ষান্ত হয়নি। মৃতদেহগুলি বাড়ীতে ফেলে তাতে আগুন জ্বালিয়ে দিয়ে পুড়িয়ে ফেলে। অনিল বিহারী চাকমা তার স্ত্রীর মৃতদেহ বাড়ী থেকে বের করে বাড়ীর পাশ্ববর্তী জঙ্গলে সারারাত পাহারা দিয়ে রাখেন। ভোরের দিকে থানায় খবর দিতে এসে পরে উদ্ধার করতে গেলে পরবর্তীতে মৃতদেহের কোন হদিস পাননি। পরিস্থিতির এমন ভয়াবহতায় মৃতদেহগুলি ধর্মীয় বিধিতে পর্যন্ত সৎকার করা সম্ভব হয়নি।”

যে সময় এ গণহত্যা সংঘটিত হয় তখন ছিল স্বৈরাচারী এরশাদের সামরিক শাসনামল। ফলে এ বর্বর হত্যাযজ্ঞের সংবাদ সে সময়কার বাংলাদেশের কোন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়নি। তবে পরবর্তীতে যখন ঘটনাটি প্রচার পায় তখন থেকেই প্রতিবাদ বিক্ষোভ শুরু হয়।

বর্বরতম এই হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে জন্ম লাভ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ। লোমহর্ষক এ গণহত্যার আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানানোর জন্য ঢাকার রাজপথে পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ ১৯৮৯ সালের ২১শে মে মৌন মিছিল সহকারে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে। পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের নেতৃবৃন্দ এ বর্বরতম হত্যাযজ্ঞের তীব্র নিন্দা এবং বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ এবং দোষী ব্যক্তিদের শাস্তি প্রদানসহ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ক্ষতিপূরণ দাবী করে।

হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ৩০ মে ’৮৯ বৌদ্ধ ভিক্ষুরা ঢাকায় মৌন বিক্ষোভ প্রদর্শন করে এবং গণহত্যার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করে।

হত্যাকান্ডের সুদীর্ঘ ৩৪ বছর অতিবাহিত হলেও কোন সরকারই এসব গণহত্যার বিচার করেনি। কোন তদন্তের সঠিক রিপোর্টও পেশ করেনি। পার্বত্য চট্টগ্রামে বাংলাদেশ স্বাধীনের পর হতে সেটেলার বাঙ্গালি ও রাষ্ট্রীয় বাহিনী মিলে জুম্মদের উপর ডজনের অধিক গণহত্যা সংঘটিত করেছে কিন্তু আজ পর্যন্ত কোন গণহত্যার বিচার জুম্ম জনগণ পাইনি।

পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রতিনিয়ত সেটেলার বাঙ্গালি ও রাষ্ট্রীয় বিশেষ বাহিনী কর্তৃক জুম্মদের ভূমি বেদখল, নারী ধর্ষণ, ও বিভিন্ন নিপীড়ন-নির্যাতন চালানো হচ্ছে। বিগত ২০১৭ সালের ২জুন সেই একই লংদুতে সাম্প্রদায়িক হামলা চালিয়ে প্রায় ৩০০ জুম্ম ঘরবাড়ি পুড়িয়ে ছাড়খার করে দেয়া হয় এবং তিনটিলা গ্রামের গুণমালা চাকমা নামের ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধাকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়।

৩৬ জন নারী-পুরুষ ও শিশু মারা যায়। তবে এর প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা আরো বেশি হতে পারে বলে রিপোর্টে বলা হয়............

Address

Chittagong
400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jummobi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share