Robolife Foundation

Robolife Foundation Helping People..

23/05/2026

১৫ কেজির সমান যন্ত্র কাঁধে নিয়ে কাজের আশায় ঘুরছেন রোদে রোদে।😊
বাসা থেকে বের হয়ে হঠাৎ এই লোকটা চোখের সামনে পড়লো,কথা বলে জানতে পারলাম ছেলে মেয়ে তেমন দেখেনা, তাই নিজের খরচ বহন করতে নিজেই এই কষ্টদায়ক কাজটি করে থাকেন। 💔

13/05/2026

কফি বিক্রি করে চালান পড়াশোনার খরচ। 💔

যাদের জন্য জীবনটা উজাড় করে দিয়েছেন,যাদের মুখে হাসি ফোটাতে মাথার ঘাম পায়ে ফেলেছেন,যাদের জন্য রক্তকেও পানি করে দিয়েছেন—শেষ...
29/04/2026

যাদের জন্য জীবনটা উজাড় করে দিয়েছেন,
যাদের মুখে হাসি ফোটাতে মাথার ঘাম পায়ে ফেলেছেন,
যাদের জন্য রক্তকেও পানি করে দিয়েছেন—
শেষ পর্যন্ত তারাই তাকে হাসপাতালের বিছানায় ফেলে রেখে চলে গেছে। 💔

যাদের জন্য নিজের সবটুকু বিলিয়ে দিয়েছিলেন,
যাদের সুখের জন্য নিজের কষ্ট লুকিয়ে রেখেছিলেন—
সবচেয়ে অসহায় মুহূর্তে তারাই তাকে একা করে দিল।

হাসপাতালের সেই নিঃসঙ্গ বিছানা থেকেই শুরু হলো নতুন এক লড়াই—
বেঁচে থাকার লড়াই, মানুষের মাঝে মানুষ খুঁজে পাওয়ার লড়াই।

মা-বাবা অনেক আগেই মারা গেছেন,
একমাত্র ভরসা ছিলেন দাদা—
তিনি-ই দেখাশোনা করতেন, পাশে থাকতেন।
কিন্তু দাদাও মারা যাওয়ার পর
পুরো পৃথিবীতেই তিনি হয়ে গেলেন একেবারে একা…

একদিন কাজ করতে গিয়ে ইলেকট্রিক শকে হারিয়ে ফেলেন দুইটি হাত।
এরপর থেকে পা দিয়েই খাওয়া-দাওয়া,
পা দিয়েই জীবনের প্রতিটি ছোট-বড় কাজ সামলানোর চেষ্টা…
অমানুষিক কষ্ট নিয়েও বেঁচে থাকার সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

কিছুদিন আত্মীয়-স্বজনের বাসায় আশ্রয় নিয়েছিলেন,
কিন্তু ধীরে ধীরে সেখানে তিনি হয়ে গেলেন বোঝা—
খাবার পর্যন্ত বন্ধ হয়ে গেলে,
ক্ষুধার তাড়নায় সেখান থেকেও বের হয়ে যেতে বাধ্য হলেন।

এরপর আশ্রয় নিলেন বন্ধুদের কাছে।
কিছুদিন ভালোই কাটছিল,
কিন্তু সময়ের সাথে বদলে গেল সব—
কথার আঘাতে, অপমানের ভারে
সেই আশ্রয়টুকুও একসময় হারিয়ে গেল।

শেষ চেষ্টা হিসেবে একটি ভাড়া বাসায় উঠলেন—
ভেবেছিলেন হয়তো এবার একটু শান্তি মিলবে।
কিন্তু তার এই অসহায় জীবনটাই
অন্যদের কাছে “সমস্যা” হয়ে দাঁড়াল।
অবশেষে বাড়িওয়ালাও তাকে বের করে দিলেন।

বর্তমানে একটি ছোট্ট ভাড়া ঘরে থাকেন—
মাসে ২৫০০ টাকা ভাড়া দিয়ে কোনোভাবে টিকে আছেন।
অনেক সময় এই ভাড়াটুকু জোগাড় করাও তার জন্য দুঃস্বপ্ন হয়ে যায়,
খাওয়া-দাওয়া তো দূরের কথা।

তাই বেশিরভাগ দিনই তিনি একবেলা খেয়ে থাকেন—
সুযোগ হলে একটু ভাত,
না হলে চা, রুটি, কলা কিংবা বন দিয়েই দিন পার করেন।

আজ তিনি একা—সম্পূর্ণ একা।
বেঁচে থাকার জন্য এখন মানুষের সাহায্যের ওপরই নির্ভর করতে হয়।
গ্রাম থেকে গ্রাম, বাজার থেকে বাজারে ঘুরে
মানুষের কাছে হাত বাড়িয়ে জীবনের সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি বলছিলেন—
“একদিন জ্বর এলে, অসুস্থ হলে পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ নেই…
কাউকে ফোন দিলে আর পাওয়া যায় না,
সবাই নিজের মতো ব্যস্ত।
মাঝে মাঝে মনে হয়—বেঁচে না থেকে মরে গেলে হয়তো ভালো হতো…
আল্লাহ কেন আমাকে এত কঠিন পরীক্ষা দিলেন?”

গতকাল তিনি আমাদের অফিসে এসেছিলেন।
আমরা হয়তো তাকে রোবোটিক হাত দিতে পারব,
নতুন করে বাঁচার সাহস জোগাতে পারব—
কিন্তু যে মানুষগুলো তাকে বারবার ভেঙে দিয়েছে,
সেই ভাঙা বিশ্বাস, সেই গভীর ক্ষত—
সেটা কি কোনোদিন সত্যিই মুছে ফেলা সম্ভব?

👉 যদি এই অসহায় মানুষটিকে সাহায্য করতে চান,
দয়া করে নিচের কমেন্টে দেওয়া তথ্য অনুসরণ করুন।

তাই বলি—
ভালোবাসার আগে মানুষটাকে চিনুন,
বিয়ের আগে তার মনটা বুঝুন।
কারণ ভুল মানুষকে বিশ্বাস করলে—
জীবন শুধু ভাঙে না, ধীরে ধীরে নিঃশেষ হয়ে যায়। 💘💔

27/04/2026

কারেন্ট দুর্ঘটনায় দুই হাত চলে যাবার পরে হাসপাতালেই ফেলে রেখে চলে যান স্ত্রী। 💔
উনার পাশে আমরা। 🙏💖

10/02/2026

জন্মগত থেকেই দুটি পা প্যারালাইজড,সেই থেকে নানা অসুবিধার মধ্যে জীবন পার করছেন তিনি।

10/02/2026

ল্যাপটপ পেয়ে খুশি।💖

প্রয়োজনের বাইরেও যাদের থেকে কেনাকাটা করতে স্বচ্ছন্দ্যবোধ করি।❤️
12/01/2026

প্রয়োজনের বাইরেও যাদের থেকে কেনাকাটা করতে স্বচ্ছন্দ্যবোধ করি।❤️

রোবোলাইফ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এবং রোবোলাইফ টেকনোলজিসের অর্থায়নে মোহাম্মদ নাজিম ভাইয়ের জন্য প্রায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার টা...
30/12/2025

রোবোলাইফ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এবং রোবোলাইফ টেকনোলজিসের অর্থায়নে মোহাম্মদ নাজিম ভাইয়ের জন্য প্রায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের একটি রোবটিক হাত সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করার লক্ষ্যে আমরা তাঁর বাসায় রোবটিক হাতটি নিয়ে যাই।

পরবর্তীতে লক্ষ্য করা যায়, সময়ের ব্যবধানে উনার হাত আগের তুলনায় কিছুটা চিকন হয়ে যাওয়ায় রোবটিক হাতটি সঠিকভাবে ফিট হয়নি এবং সে কারণে আমরা তা উনার হাতে সংযুক্ত করতে ব্যর্থ হই।

তবে আমরা উনার কাছে প্রতিশ্রুতি দিই—একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যেকোনো কার্যকর রোবোটিক সমাধানের মাধ্যমে যেন উনি স্বাভাবিকভাবে খাওয়া-দাওয়া করতে পারেন, এমন একটি সিস্টেম আমরা তাঁর জন্য তৈরি করে দেব।

এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য নতুন করে আবার মাপ নেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে আমাদের ল্যাবে কাজ শুরু করা হবে। ✊

সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনাদের সবার পরিচিত ও প্রিয় মুখ কাইয়ুম ভাই—যিনি নিজ উদ্যোগে ও নিজ অর্থায়নে রাস্তায় থাকা অসুস্থ ও অ...
30/12/2025

সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনাদের সবার পরিচিত ও প্রিয় মুখ কাইয়ুম ভাই—যিনি নিজ উদ্যোগে ও নিজ অর্থায়নে রাস্তায় থাকা অসুস্থ ও অবহেলিত প্রাণীদের জন্য ওষুধ ও প্রয়োজনীয় ইনজেকশন দিয়ে যাচ্ছেন, যেন তারা অসুস্থতা কাটিয়ে আবার সুস্থ জীবনে ফিরে যেতে পারে।

এই মানবিক উদ্যোগে অংশ নিতে আমাদের পক্ষ থেকেও প্রাণীদের চিকিৎসার জন্য কিছু ওষুধ কেনার অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়। এমন একজন মানুষ ও সেই নিরীহ প্রাণীগুলোর পাশে দাঁড়াতে পেরে আমরা সত্যিই গর্বিত ও ধন্য।

সৃষ্টিকর্তার প্রার্থনা করি যেন কাইয়ুম ভাইয়ের এই নিঃস্বার্থ কাজ আরও বৃদ্ধি পাই এবং আমরা যেন সবাইকে এমন মানবিক কাজে সবসময় সহযোগিতা করতে পারি। 💖

আপনাদের সহযোগীতায় পাঠানো ১,০৪,১৮৬ এক লক্ষ চার হাজার একশত ছিয়াশি টাকা লিংকনের বাবার কাছে পৌঁছে গেছে।💝রোবোলাইফ ফাউন্ডেশন...
24/09/2025

আপনাদের সহযোগীতায় পাঠানো ১,০৪,১৮৬ এক লক্ষ চার হাজার একশত ছিয়াশি টাকা লিংকনের বাবার কাছে পৌঁছে গেছে।💝

রোবোলাইফ ফাউন্ডেশন এর পক্ষ হতে উক্ত ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও সহপ্রতিষ্ঠার সর্বাত্মক চেষ্টার মাধ্যমে এই ফান্ড সংগ্রহ করা হয়।
লিংকনের জন্য আপনারা যে ভালোবাসা ও সহানুভূতি দেখিয়েছেন,তার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।💝

আপনার চোঁখে অসহায় মানুষদের সহোযোগিতায় এগিয়ে আসুন।

..

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Robolife Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share