10/07/2026
২৪ এর আগষ্টের বন্যা নিজের চোখে দেখেছি। ২০২৪ সালের আগস্টের বন্যায় সরকারি চূড়ান্ত হিসাবে ৭৪ জন মারা যায়।
দুই বছর পর আবার সেই ভয়াবহ পানি। ঘরে বসে এই বন্যা যতটা ফিল করা হয় সামনা-সামনি এর ভয়াবহতা যে কি তা না দেখলে কেউ বুঝবে না। পানির স্রোত কি ভয়ানক!
২৪ এর বন্যার বাজে অভিজ্ঞতা হলো হাটু সমান পানি থাকতে সবাইকে যখন বাসা ছাড়তে বলা হয় ,কেউ গুরুত্বই দেয় নি ,কোমড় সমানেও না পরবর্তীতে সেই পরিবারকে উদ্ধার করতে গিয়েই উদ্ধারকর্মী মৃত প্রায়।
এবারের বন্যা দেখে আমার সেই পুরানো দিন মনে পরে ট্রমাটাইজ লাগছে । পুরো জাতি মিলে আমরা সেই ক্রাইসিস সামাল দিয়েছিলাম। আবার ও বন্যা। আর কোনো প্রানহানী দেখতে চাই না।
চট্টগ্রামের বাঁশখালী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, পটিয়া, আনোয়ারা, বোয়ালখালী, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, হাটহাজারী ও সীতাকুণ্ড একের পর এক উপজেলা এখন বন্যার কবলে।
বাঁশখালীর অবস্থা এখন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ৯০% পরিবার আক্রান্ত শুনলাম।
বন্যায় জায়গামত পৌঁছাতে পারাই বড় চ্যালেঞ্জ। কারন যতটা পথ যাওয়া যায় ওখানেই ত্রান পৌঁছে কিন্তু ভিতরের দিকের মানুষ আর ত্রান পায় না।
আশা করবো সরকার শুরুতেই দ্রুত পদক্ষেপ নিবে।
ভিডিও টি ২৪ এর আগষ্টের।