21/09/2026
দাদার নিকট আবদার
মা আমায় বলে, তখন তুমিতো ছিলে অনেক ছোট
খুব বেশি কথাও বলা শিখনি
হঠাৎ একদিন তোমার প্রিয় দাদা জান
অনেক বেশি অসুস্থ হয়ে গিয়েছিলেন
তোমার দাদাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময়
তুমি এসে তোমার প্রিয় দাদা জানের দুটি পা বুকে নিয়ে
ছিলে তখন অনেকক্ষণ জড়িয়ে
আর মায়ের কথা শুনে আমি ভাবছি,,
হয়তোবা দাদা জান ফিরবে না আমার ছোট্ট মনে একটু হলেও হয়তো চলে এসেছিল নির্মম বেদনার সুর
এটাই ঘটেছিল শেষমেষ, হাসপাতাল থেকে কি এসেছিল জানেন কি তবে বলছি,,
আমার প্রাণপ্রিয় কলিজার টুকরো
বড়ই আদরের প্রিয় দাদা জানের লাশ
তাইতো তো আমি পা খানি ছিলাম জড়িয়ে আমি কিছুতে নাকি যেতে দিতে চাইনি
অথচ দেখুন এটাই সত্যি দাদা জান
কে নাকি আমি আর জীবিত পাইনি ।
এক্ষুনি কবিতা লিখার সময়ে
চোখের কোণে জমা হচ্ছে কেবল জল আর জল
আর কোনদিনও ফিরবে না হায় তাই বুঝি
পা জড়িয়ে দাদাজানকে দিতে চাইনি আমি বিদায়
মনে মনে বলছিলাম হয়তো প্রিয় দাদা জান কে,,
দাদা ও দাদা না গেলে কি হয় না, আপনার চির বিদায়ে আমি যে শুধুই কাঁদিবো আর কাঁদিবো তখন আমি নাকি
কিছুতেই দাদাজান কে হাসপাতালে যেতে নাই দিব
মায়ের মুখ থেকে দাদাকে নিয়ে আমার জীবনে ঘটে যাওয়া এই বেদনা বিভোর স্মৃতি নিয়ে পুরো শরীর যেন
প্রচন্ড কষ্টময় সে অন্যরকম ভীষণ ভারী
আহারে কাকে দেখাবো বা কিভাবে দেখাবো
আমার অধিক কষ্টের তীব্র আহাজারি।