18/09/2020
প্রিয় নবীর প্রিয় সুন্নতঃ জুমার দিনের সুন্নত ও আদবসমূহ।
১। জুমার দিন গোসল করা। (বুখারী)।
পরিচ্ছন্নতার অংশ হিসাবে সেদিন নখ ও চুল কাটা একটি ভাল কাজ।
২। জুমার সালাতের জন্য সুগন্ধি ব্যবহার করা।(বুখারী)
৩। মিস্ওয়াক করা। (ইবনে মাজাহ, বুখারী)
৪। গায়ে তেল ব্যবহার করা। (বুখারী)
৫। উত্তম পোশাক পরিধান করে জুম’আ আদায় করা।(ইবনে মাজাহ)
৬। মুসুল্লীদের ইমামের দিকে মুখ করে বসা।(তিরমিযী, ইবনে মাজাহ)
৭। মনোযোগ সহ খুৎবা শোনা ও চুপ থাকা- এটা ওয়াজিব। (বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, আহমাদ)
৮। আগে ভাগে মসজিদে যাওয়া। (বুখারী, মুসলিম)
৯। পায়ে হেঁটে মসজিদে গমন। (আবু দাউদ)
১০। জুমার দিন ফজরের নামাজে ১ম রাক’আতে সূরা সাজদা (সূরা নং-৩২) আর ২য় রাকা’আতে সূরা ইনসান (দাহর)(সূরা নং-৭৬) পড়া। (বুখারী, মুসলিমঃ)
১১। সূরা জুমা ও সূরা মুনাফিকুন দিয়ে জুম’আর সালাত আদায় করা। অথবা সূরা আলা ও সূরা গাশিয়া দিয়ে জুমা আদায় করা। (মুসলিম)
১২। জুমার দিন ও জুম’আর রাতে বেশী বেশী দুরুদ পাঠ। (আবু দাউদ)
১৩। এ দিন বেশী বেশী দোয়া করা।। (বুখারী)
১৪। মুসুল্লীদের ফাঁক করে মসজিদে সামনের দিকে এগিয়ে না যাওয়া। (বুখারী)
১৫। মুসুল্লীদের ঘাড় ডিঙ্গিয়ে সামনের কাতারে আগানোর চেষ্টা না করা। (আবু দাউদ)
১৬। কাউকে উঠিয়ে দিয়ে সেখানে বসার চেষ্টা না করা। (বুখারীঃ৯১১, মুসলিম)
১৭। খুৎবা চলাকালীন সময়ে মসজিদে প্রবেশ করলে তখনও দু’রাকা’আত ‘তাহিয়্যাতুল মাসজিদ’ সালাত আদায় করা ছাড়া না বসা। (বুখারী)
১৮। জুমার দিন জুম’আর পূর্বে মসজিদে জিকর বা কোন শিক্ষামুলক হালকা না করা। অর্থাৎ ভাগ ভাগ হয়ে, গোল গোল হয়ে না বসা, যদিও এটা কোন শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান হোক না কেন। (আবু দাউদ)
১৯। কেউ কথা বললে ‘চুপ করুন’ এটুকুও না বলা। (নাসায়ী, বুখারী)
২০। মসজিদে যাওয়ার আগে কাঁচা পেয়াজ, রসুন না খাওয়া ও ধুমপান না করা। (বুখারী)
২১। ঘুমের ভাব বা তন্দ্রাচ্ছন্ন হলে বসার জায়গা বদল করে বসা। (আবু দাউদ)
২২। ইমামের খুৎবা দেওয়া অবস্থায় দুই হাঁটু উঠিয়ে না বসা। (আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)
২৩। খুৎবার সময় ইমামের কাছাকাছি বসা। (আবু দাউদ)
২৪। জুমার দিন সূরা কাহফ পড়া। এতে পাঠকের জন্য আল্লাহ তায়ালা দুই জুম’আর মধ্যবর্তী সময়কে আলোকিত করে দেন।(হাকেম, বায়হাকী)
২৬। উযর ছাড়া একই গ্রাম ও মহল্লায় একাধিক জুম’আ চালু না করা। আর উযর হল এলাকাটি খুব বড় হওয়া, বা প্রচুর জনবসতি থাকা, বা মসজিদ দূরে হওয়া, বা মসজিদে জায়গা না পাওয়া, বা কোন ফিতনা ফাসাদের ভয় থাকা। (মুগনি লিবনি কুদামাঃ ৩/২১২, ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়্যাহঃ ২৪/২০৮)
২৭। ওজু ভেঙ্গে গেলে মসজিদ থেকে বের হয়ে যাওয়া। অতঃপর আবার ওজু করে মসজিদে প্রবেশ করা। (আবু দাউদ)
২৮। সালাতের জন্য কোন একটা জায়গাকে নির্দিষ্ট করে না রাখা, যেখানে যখন জায়গা পাওয়া যায় সেখানেই সালাত আদায় করা (আবু দাউদঃ৮৬২)। অর্থাৎ আগে থেকেই নামাজের বিছানা বিছিয়ে জায়গা দখল করে না রাখা বরং যে আগে আসবে সেই আগে বসবে।
২৯। কোন নামাজীর সামনে দিয়ে না হাঁটা