Bangla Academy Australia

Bangla Academy Australia Bangla Academy Australia
One stop solutions for Bangla/Bengali language, culture and heritage... Bangla Academy Australia is a Sydney based organisation.

Working interstates; promoting and fostering the Bangla/Bengali language, culture and heritage in the hearts and minds of the budding Bangla speakers and people from a non Bangla speaking background. With a continually changing program of education, there is always something new, exciting and inspiring for all age groups to experience at Bangla Academy. Please let us know your interest on
Communit

y Language Schools
Quality in Higher Education
Student Ambassador Leadership Program
My Language My Freedom &
Book distribution of BAA

We encourage our members to volunteer for the following roles:
Sponsor, Writer, Journalist, Photographer, Organizer, Web designer, programmer, artist and Event Manager. Keep in touch with Bangla Academy Australia
www.banglaacademy.com
General Information
You can invite your family and friend to like this page…
For information; email: [email protected]

আলোকিত মানুষ চাই, তিনি বলতেন ‘শেখ হাসিনা’র ‘সুসময়ে’, ঝুঁকি নিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশ চালাতেন। এখন স্যার জ্বলেন না, কেন? ঝ...
23/01/2026

আলোকিত মানুষ চাই, তিনি বলতেন ‘শেখ হাসিনা’র ‘সুসময়ে’, ঝুঁকি নিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশ চালাতেন। এখন স্যার জ্বলেন না, কেন? ঝুঁকি নিতে চান না। শিক্ষা, সংস্কৃতি ধ্বসে জাতির ক্রান্তি লগ্নে তিনি চুপ। বোঝা যায় কে আলোকিত, কে সুবিধাবাদী!

শিক্ষক হতে হলে নৈতিকতা সহ সকল বিষয়ে 💯তে 💯 পাওয়ার যোগ্যতা লাগে। এ কথা সাঈদ স্যারের জানা উচিৎ ছিলো ঢাকা কলেজে বাংলার শিক্ষক হবার আগেই। গত কমপক্ষে ৪৫ বছর ধরে একজন অনৈতিক শিক্ষক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বাংলার শিক্ষাঙ্গনকে কলুষিত করেছেন। তাঁকে অবসরে যাবার বিনীত অনুরোধ করছি।

মনে পড়ছে ‘৮৭ থেকে ‘৮৯ সালের মধ্যে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে ৩ দিন ব্যাপী উচ্চাঙ্গ সংগীতের আসর। প্রতিদিন থাকতো বরেণ্য শিক্ষকদের রাগভিত্তিক পরিবেশনা। ফুরিয়ে গেলো কেনো? কেন বুলবুল একাডেমি বিক্রি হয়ে যায়? কেন ‘বাফা’ ভাড়াটেদের অর্থ আয়ের উৎস হবে? প্রশ্ন উঠতে পারে; বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের কি হবে?

তিনি তাঁর সকল দায়িত্ব ‘ছায়ানট’ এবং ‘উদীচী’কে বুঝিয়ে দিতে পারেন অনায়াসে। বাঙালি জাতি পথ খুঁজে নেবে। কারণ শিক্ষক হতে হলে বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালাতে বাকচাতুর্য নয়, নৈতিকতা, নৈতিক শিক্ষা দরকার সবার আগে। আমার জানামতে ‘ছায়ানট’ এবং ‘উদীচী’ সেই মানের প্রতিষ্ঠান, যারা গড়েছেন লায়েকা বশীর এর মতো শিক্ষক। তাই ধর্মান্ধরা আঘাত হেনেছিলো মানুষ গড়ার আদর্শ এ দু’টি প্রতিষ্ঠানে। এবং শেষে আঘাত এলো এ শিক্ষকের মেধা-মনন বিকাশের পথ বন্ধ করে দিয়ে। প্রথমটি ছিলো মব সন্ত্রাস, দ্বিতীয়টি ব্যার্থ সরকার এবং ধর্মান্ধ শিক্ষা বিভাগের ব্যার্থতা।

অধ্যাপক লায়েকা বশীর প্রশ্নে সারা দেশ যখন উত্তাল, তখন কোথায় শিক্ষক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ? কোথায় বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র? উত্তর জানতে চাই। কেউ বলতে পারেন তিনি একা কি করবেন, আমি বলবো দেশবরেণ্যে শিক্ষক অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদ, শিক্ষক ও বিজ্ঞান লেখক অভিজিৎ রায়, অধ্যাপক অজয় রায়, অধ্যাপক জাফর ইকবাল, অধ্যাপক আবুল বারাকাত, দেশবরেণ্য নাট্যকার, নির্দেশক, অভিনেতা নাট্যজন মামুনুর রশীদ কি প্রতিবাদ করেন নি? সে সময় কোথায় ছিলেন সাইদ স্যার? তাঁর বিরুদ্ধে আমি কি প্রথম লিখছি? শিক্ষক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ একসময় বাংলাদেশে অনেকের জনপ্রিয় শিক্ষক ছিলেন। তবে তিনি তা কাজে লাগিয়ে চট জলদি সরে পড়েছেন। এখন কি আড়াল থেকে তামাশা দেখছেন!?

বাংলাদেশে শিক্ষা, সংস্কৃতির মান ‘০’ থেকেও অনেক নীচে নেমেছে বলে মনে করি। আর শিক্ষকের মান? সে না হয় আপনারা বলুন? বাংলাদেশে বোরখাধারী মেয়েরা নকল করে, প্রক্সি দিয়ে নাকি সেরা ছাত্রী। আর বোরখায় মুখ ঢাকলেও ম্যাডামকে খুব সুন্দর বলে মার্কস বাড়িতে নেয়া ছাত্ররা নাকি সেরা। ওদের নামে জয়জয়কার। সারা বছর শ্রম দিয়ে, নিজ প্রতিভায় উজ্জ্বল হয়েও মেধা তালিকার তলানীতে মানবতার শিক্ষার্থীরা। না, এ বিপর্যয় মেনে নিতে পারছি না। অস্ট্রেলিয়ার ভাষায় এটি সংঘটিত অপরাধ। এর বিচার প্রত্যাশা করছে বাঙালি জাতি।

এক বন্ধু বলেছেন; ❝উনি ভালো মানুষ কিন্তু ভালো জাতের না।❞ বন্ধুটিকে বলেছি; ভালোমানুষ হবার প্রথম শর্ত হওয়া উচিৎ ভালো জাতের হওয়া, নইলে মানুষ তাদের ভন্ড বলে, সাবধানে দুরে থাকে। একজন শিক্ষকের উচিৎ নয় এ রকম চরিত্র নিয়ে শিক্ষক হওয়া। শিক্ষক হতে হলে নৈতিকতা সহ সকল বিষয়ে 💯তে 💯 পাওয়ার যোগ্যতা লাগে। এ কথা সাঈদ স্যারের জানা উচিৎ ছিলো ঢাকা কলেজে বাংলার শিক্ষক হবার আগেই।

অধ্যাপক লায়েকা বশীরের মত আদর্শ শিক্ষক এর প্রতি অবিচারের দাবী আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ এর মুখে শুনতে চেয়েছি। গত দু’বছরে সবকিছু জ্বলেপুড়ে শেষ। বঙ্গবন্ধু্, রবীন্দ্রনাথ, বিদ্যাসাগর, ঢাবি, চবি, সাবি সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠা্ন শেষ। শেষ হলো চারুকলা অনুষদ, বাংলা একাডেমি, শিল্পকলা একাডেমি, জাতীয় জাদুঘর, ধানমন্ডি ৩২ সহ সকল শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিকাশের ক্ষেত্রগুলো। গুঁড়িয়ে দেয়া হলো পুরো দেশের শিল্পাঙ্গনগুলো। প্রথমে লুট করে, পরে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হলো শ্রমিকদেরের আয়ের উৎস ওই কল কারখানা।

পুড়লো ছায়ানট, উদীচী, সহ গোটা বাংলাদেশ। প্রতিবাদ করাতো দুরের কথা, তার টিকিটিও দেখিনি। লায়েকা বশীর একজন আদর্শ মানবই নন। গুণী বাবার মতই সকলগুনে গুনান্বিতা একজন দেশসেবী। তাঁর বাবা ছিলেন কথা সাহিত্যিক, ইতিহাসবিদ, অনুবাদক, এবং বাংলা একাডেমির সাবেক মহা পরিচালক। জন্মেছিলেন ভারতের মুর্শিদাবাদের তালিবপুর গ্রামে। বাংলাদেশকে ভালোবেসে চলে এসেছিলেন। এই কি তার প্রতিদান?

তাঁর কন্যা লায়েকা বশীর একাধারে ছায়ানটের সংগীত শিক্ষক, UAP বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞানের শিক্ষক, একজন সমাজ বিজ্ঞানী, সফল নাট্যকর্মী, সংগঠক, নারীদের এগিয়ে দেবার বিষয়ে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ যাঁর, তাঁর প্রয়োজনে নেই শিক্ষক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ এ আমাকে অবাক করেনি, কারণ তাঁকে সামনে থেকে দেখেছি কি করে স্বার্থবাজ হতে হয়। এ বিষয়ে জাতির জানা দরকার, আগামীতে লেখার ইচ্ছে রইলো। তবে তার আগেই সাঈদ স্যারের পেটোয়া বাহিনী আমার বলার বা লেখার শক্তি থামিয়ে দিলেও আমি অবাক হবো না।

লায়েকা বশীর সম্প্রতি অন্যায় ভাবে বহিস্কৃত হয়েছেন শিক্ষক পদ থেকে। হেনস্তা হয়েছেন, হেনস্তা করেছে তাঁরই ধর্মান্ধ শিক্ষার্থী ফাহমিদা তাবাসসুম, সহ UAP বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থবাদী মহল। দেশের সরকারী শিক্ষা বিভাগ নিরব, শিক্ষা বিষয়ে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ এতো কথা বলেন, আমি জানতে চাই তিনি কবে মুখ খুলবেন? খুব বেশী হারাতে হবে তাঁকে? বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র কি একটি রাজাকারের প্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠেনি। বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র কি জঙ্গি উৎপাদনের কারখানা নয়? জামাত, শিবির, মৌলবাদীদের আখড়া নয়? কি জবাব দেবেন তিনি??

অনলাইনে একটি শব্দেও তাকে পেলাম না। যতবার নাম খুঁজেছি আবদুল্লাহ নামের এক জঙ্গি সন্ত্রাসীর কথা বা লেখা ছবি ভেসে উঠেছে। না শিক্ষক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ কোথাও নেই। অতীতেও তাই হয়েছে। তবে সবকিছু স্বাভাবিক হবার পরে তিনি আবারো গল্পে মেতে উঠেছেন কোন শিক্ষার্থীকে নিয়ে।

দেশজুড়ে এতো কান্না, হাহাকার, মব সন্ত্রাস, হিন্দু নিধন, ঘরবাড়ী লুট আর ধ্বসের পরেও শিক্ষক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ নিরব কেনো? ওয়েব সাইট এখনো বলছে তিনি একজন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক। কোন শিক্ষক সম্পর্কে কটুক্তি করতে চাই না। জানিনা, কোন মহল তাকে খুশী করার জন্য এখনো শিক্ষক বলেন? আমি আবদুল্লাহ আবু সায়ীদকে ঘৃ… করছি।

প্রিয়জন এ আমি আমার নিজের চোখে দেখা অভিজ্ঞতার কথা লিখছি, বলছি, মানে বলার চেষ্টা করছি। আপনারা চাইলে আরো লিখবো। বন্ধু আপনার অভিজ্ঞতার কথা জানাতে ভুলবেন না। আমার প্রত্যাশা সব আঁধার পেরিয়ে, শোষণ, আঘাত সয়ে, শোক ভুলে আবার উঠে দাঁড়াবো আমরা। উঠে দাঁড়াবে বাংলার সকল শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রাণ কেন্দ্রগুলো। ততোদিন পর্যন্ত সকলের মিলিত প্রাণের কলরব উঠুক। একত্রিত হোক আমাদের সংহতি।

আকাশ আনোয়ার । অস্ট্রেলিয়া
#শিক্ষা #লায়েকাবশীর #আবদুল্লাহ #আবুসায়ীদ #লায়েকা

জঙ্গি, সন্ত্রাসীদের ক্রিকেট মাঠ নয়। মাঠে সচেতন মানুষ, তারা বোঝেন; শিক্ষা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ধ্বংস করে কারা? তাদের চাই মস...
23/01/2026

জঙ্গি, সন্ত্রাসীদের ক্রিকেট মাঠ নয়। মাঠে সচেতন মানুষ, তারা বোঝেন; শিক্ষা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ধ্বংস করে কারা? তাদের চাই মসজিদ, মাদ্রাসা যেখানে মানুষ ঠকায় তারা।

শেষ পেরেক ঠুকে দিলো ইসলাম ধর্ম বিষ বাংলাদেশের ক্রিকেটের গায়ে। আইসিসির সভায় শুধুমাত্র পাকিস্তানের ভোট পেল বাংলাদেশ। বিশ্বের ধর্মমুক্ত ক্রিকেটাররা বোকা নয় যে এ ধর্মকে এগিয়ে দেবে। দেশে দেশে ধিক্কারের ইসলাম ধর্ম ছেড়ে আজই বিষমুক্ত হোন, নইলে এ ধর্ম এতো বিষাক্ত যে বাংলাদেশকে মেরে ফেলবে বিষের তান্ডবে। আমরা ধর্মমুক্ত দল গড়ছি, আসুন ধর্মমুক্ত পৃথিবী গড়ি যেখানে হারাবার বদলে বার বার জিতে যাবেন। মানবতার বিকল্প কিছু নেই।

আকাশ আনোয়ার । অস্ট্রেলিয়া
#ক্রিকেট
চিত্রসূত্র: আন্ত:র্যোগ

11/01/2026

অস্ট্রিয়ায় মেয়েদের হিজাব নিষিদ্ধ হলো। ১৪ বছরের কম বয়সী মেয়েদের স্কুলে মাথার স্কার্ফও নিষিদ্ধ হয়েছে ইউরোপের দেশটিতে। অস্ট্রিয়া সরকার নতুন আইন পাস করেছে, যা আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কার্যকর হবে, নূতন বছরের কার্যক্রম হিসেবে। সরকার নিশ্চিত করে বলছে, হিজাব নিষিদ্ধের নতুন আইনটি সাংবিধানিক যা হতে চলেছে চিরস্থায়ী করে।

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি সূত্রে প্রকাশ; আইনপ্রণেতারা বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থনে নতুন আইন পাস করে। ১৪ বছরের কম বয়সী মেয়েদের সকল স্কুলে কোন ইসলামী ঐতিহ্যকে সমর্থন করে মেয়েদের মাথা ঢেকে রাখতে, বোরকা, হিজাব বা স্কার্ফ পরার অনুমতি দেওয়া হবে না। নিয়ম না মানার জন্য ১৫০ থেকে ৮০০ ইউরো যা, ১৭৫-৯৩০ ডলার পর্যন্ত জরিমানা করা হবে।

অস্ট্রিয়ায় মেয়েদের হিজাব নিষিদ্ধ হলে, বাংলায় নয় কেন?? আমি অতিশয় সাধারণ মানুষ, তবে অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষা জগতকে একজন শিক্ষক এবং ৫ টি স্কুল পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক হিসেবে কাছ থেকে দেখছি গত ৩২ বছর ধরে। আমার যে অভিজ্ঞতা, তাই দিয়ে আমার এ পর্যবেক্ষণ। ধর্ম, বিশেষ করে ইসলাম ধর্ম ভারতবর্ষকে ছিঁড়ে খুঁড়ে শেষ করতে চাইছে। আপনি বাংলাদেশ বা ভারতের যেখানেই থাকুন, জেনে রাখুন একমাত্র ধর্মমুক্ত হয়েই বাংলা শুদ্ধ হয়ে উঠতে পারে, কারণ তখন হিন্দু ধর্ম ইসলামকে দোষ দিতে পারবে না, আবার ইসলাম ধর্ম পারবে না ইসলাম ধর্মকে দোষ দিতে।

লেখাটি বিশ্বের সব জায়গায় ছড়িয়ে দিন, আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞানের মানুষ তো বটেই, বিশ্বের বিবেকবান মানুষও বুঝবেন। বিশ্বের মানচিত্রে বাংলা হতে পারে সম্পূর্ণ হিজাবহীন জাতি। আসুন সবাই একবার স্মরণ করি কবিগুরুর সেই লাইন; ❝আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি❞

আকাশ আনোয়ার | অস্ট্রেলিয়া
#অস্ট্রিয়া #অস্ট্রেলিয়া #বাংলাদেশ #ভারত
চিত্রসূত্র: অস্ট্রিয়ায় মেয়েরা

11/01/2026

ব্রিটিশ নাগরিকত্ব হারানোর ঝুঁকিতে প্রায় কোটি মুসলমান। মুসলিমরা হারাতে পারে বিশ্বের যে কোন নেতৃত্ব।

নাগরিক অধিকার স্বার্থে নিয়জিত অলাভজনক প্রতিষ্ঠান রানীমীড ট্রাস্ট এবং আন্তর্জাতিক আইনজীবীদের সংগঠন রিপ্রিভ প্রকাশিত এক গবেষণায় জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের প্রায় ৯০ লক্ষ মুসলিম তাদের নাগরিকত্ব হারাতে পারেন। যে ইংল্যান্ডের জনসংখ্যার প্রায় ১৩ শতাংশ–

প্রতিবেদনে বলছে, দেশটিতে নাগরিকত্বের ক্ষেত্রে জাতিগত শ্রেণিবিন্যাস তৈরি হয়েছে, যেখানে শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশদের মতো মুসলিমদের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব শর্তহীন নয়, বরং শর্তসাপেক্ষ এবং আরোপিত। রিপ্রিভের কর্মকর্তা মায়া ফোয়া বলেন, ‘বিগত সরকার রাজনৈতিক মুনাফার জন্য অবৈধ পথে আসা ব্রিটিশদের নাগরিকত্ব বাতিল করেছে, অন্যদিকে বর্তমান সরকার এ চরম ও গোপনীয় ক্ষমতা বাড়িয়েই চলেছে।’

এটি ব্রিটিশ আইন। যে আইন আমাদের ভারত ও বাংলাদেশে কিছু ক্ষেত্রে এখনো আছে, তবে পালন নেই। আগেই বলেছি নিয়মগুলো পালন করলে সংকট হতো না। তবে মুসলিমরা খুব বেশী বেড়েছে। একটি মিথ্যে্ ধর্ম রাংতায় চকচকে মোড়কে চলবে কেনো? পৃথিবীজুড়ে সব হাহাকার সে তো বেশীর ভাগ মুসলিমরা করছে। এভাবে তাদের হয়তো সরে যেতে হবে যে কোন মানবিক অবস্থান থেকে।

রিপ্রিভ এবং রানীমীডের বিশ্লেষণ বলছে— প্রতি ৫ জন অশ্বেতাঙ্গ মানুষের মধ্যে তিনজন ব্রিটিশ, তারা নাগরিকত্ব হারানোর ঝুঁকিতে আছেন। শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশদের মধ্যে প্রতি ২০ জনের মধ্যে মাত্র ১ জন কোন ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারেন। আমাদের পেজে এক শ্রেণীর ধর্ম ব্যবসায়ী এসে খবরটিকে মিথ্যে প্রমাণের চেষ্টা করছেন, তারা জানেন না ইংল্যান্ড কঠোর আইনের দেশ। মনে পড়ছে বাঙালি বংশোদ্ভূত শামিমা নামের মেয়েটির কথা। মেয়েটি ব্রিটেনে জন্ম, এবং ব্রিটেন এবং বাংলাদেশের নাগরিক। ১৫ মেয়েটি ইসলামী আই এসে যোগ দেয় নিজের অজান্তে, মেয়েটি ব্রিটিশ বা বাংলাদেশের নাগরিকত্ব হারায় ২০১৮, ১৯ সালে। এ পেজে এসে বিকৃত রুচির কিছু মানুষ বিরক্ত করেন, যখন জিজ্ঞেস করি তারা নীরবে সটকে পড়েন। নারীদের বলছি, সাবধানে পা ফেলুন, ইসলাম ধর্ম কোনদিন নারী জাতিকে মানুষের মর্যাদা দেয় নি। যে সব ব্রিটিশ মুসলিম আমার পেজে এসে উঁচু কথা বলার চেষ্টা করছেন, তারা কি করে সিরিয়ার সেই ভুলে যাওয়া নরকগহ্বরকে ভুলে গেলেন যেখানে যুক্তরাজ্যের লক্ষ লক্ষ শিশু, নারী ও সাধারণ মানুষকে মৃত্যুর ঝুঁকিতে এবং মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছিল? ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ ইংল্যান্ডের 'দ্যা ইন্ডিপেন্ডেন্ট' পত্রিকা সে বিষয়ে প্রতিবেদন ছেপেছে।

গবেষকদের মতে, এতে নাগরিকুলের দু’টি আলাদা ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে, মুসলমানদের ব্রিটেনে অন্তর্ভুক্তি এখন প্রশ্নবিদ্ধ, ও শর্তসাপেক্ষ। নাগরিকত্ব বাতিলের ওপর স্থগিতাদেশ, আইন সংস্কার এবং পূর্ব বাতিল নাগরিকত্ব পুনর্বহালের আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল।

যুক্তরাজ্যের কঠোর ও গোপন নাগরিকত্ব বাতিল করার ক্ষমতায় সে দেশের প্রায় ৯০ লক্ষ থেকে ১ কোটি মানুষ, যাদের বড় অংশ মুসলমান এবং তারা অধিকাংশই বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানি। মিলিয়ন, মিলিয়ন মুসলিমরা তাদের নাগরিকত্ব হারাতে পারেন বলে মনে করছি।

লিখছি বন্ধুরা, আসুন মানবিক পৃথিবী গড়ি। ধর্মমুক্ত পৃথিবীর বিকল্প কিছু নেই। শেয়ার করে বন্ধুদের জানিয়ে দিন। সাথে থাকুন, আলো আসবেই...

আকাশ আনোয়ার । অস্ট্রেলিয়া

চিত্রসূত্র: আন্ত:র্যোগ

11/01/2026

বাংলাদেশের বিজয় অর্জনের দু'দিন আগে ১৪ ডিসেম্বর বাঙালি জাতি হারিয়েছিল দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। বুদ্ধিজীবী দিবসে তাঁদের স্মরণ করছি, অশেষ শ্রদ্ধায়, ভালোবাসায়।

প্রসঙ্গত~ এ তালিকা বড় দীর্ঘ, এখানে তাঁদের কয়েকজনকে নিয়ে এ ছবি শেয়ার করেছিলাম বহু বছর আগে, আজও রূপক অর্থেই ছবিটি দিলাম। যারা ছবির অন্তরালে হারিয়ে গেছেন, প্রত্যেকের রক্ত ঘামে গড়া বাংলাদেশ। আমার প্রজন্ম একাত্তরের বন্ধু থেকে শুরু করে বিশ্বের সবার জন্য এ বার্তা, সবার দুঃখ, কষ্টগুলো সহভাগ করে নিলাম।

আকাশ আনোয়ার | অস্ট্রেলিয়া
#বুদ্ধিজীবীদিবস
চিত্রসূত্র: আন্ত:র্যোগ

11/01/2026

আজ ঐতিহাসিক ১৬ই ডিসেম্বর, বাংলাদেশের বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে আমি ছিলাম শিশু, তবে বড় হয়ে উপলব্দি করেছি এতো বড় আনন্দের দিন বাঙালির জীবনে আর কখনো আসেনি। ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ প্রথম বাঙালি জাতি মুক্তির স্বাদ পায়। অথচ আজকের যে চিত্র বর্তমান প্রজন্ম সে বিজয়কে ফিকে করে দিয়ে মৌলবাদের আশ্রয় নিয়েছে। তাই বলে কি ৩০ লক্ষ প্রাণ এবং ২ লক্ষ মা বোনের শঙ্কিত, নিপীড়িত জীবন মিথ্যে হয়ে যাবে? কোন দিন নয়। এ ছবি অনেক কথা বলছে... আসুন ভাবি...

প্রতিপক্ষ
- - - - - -
জীবনের চরম সঙ্কটে একপক্ষ নিজের সব স্বার্থ বিলিয়ে দিয়ে দেশের স্বার্থে কাজ করে। সে পক্ষ সারারাত ধরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গোলার আঘাতে ছিন্নভিন্ন হয়েছে, আবার সীমিত সামর্থ্যে তাদের সে আঘাতে প্রতি আঘাত করে নিরীহ মানুষের ওপর হামলার প্রতিবাদ করেছে রাইফেল হাতে। ঘুমহীন, ক্ষুধার্ত, ক্লান্ত শরীরে নগ্ন পায়ে পথ হাঁটছে, এক বুক ভালোবাসা নিয়ে প্রতীক্ষা করছে কখন বিজয় আসবে?

অন্যপক্ষ সে সময়ে সারা রাত আরামের নিদ্রা শেষে সফেদ শুভ্র পোশাকে মসজিদ পানে আল্লার ইবাদতের উদ্দেশে। সে পক্ষ জাগতিক সব অর্জনের জন্য আল্লাহ্‌কে ধন্যবাদ জানায়। জেগে জেগেই স্বপ্ন দেখে পরকালের ৭০ হুর-পরি, বিলাস বহুল জীবনের। তাদের আর কত পাওয়া হলে ক্ষুধা মিটবে তারা জানেনা।

আজ ১৬ই ডিসেম্বর। একপক্ষের অসীম ত্যাগ তিতিক্ষা আর দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের বিনিয়ে ’৭১ এর এ দিনে বিজয় এসেছিল। আর অন্যপক্ষ, নিজেদের ধন-দৌলত, অর্থ, সম্পদের পাহাড় হাতিয়ে নিয়েছে। এসব কিশোরদের জন্য কিছু করেনি। গড়েছে ধর্মব্যবসার মাদ্রাসা, মসজিদ মক্তবে, যেখানে গত ৫৫ বছর ধরে চলছে এদের বলাৎকার। আর ৭০ হুর-পরীর আশায় দিন গোনা।

ছবিটি এপ্রিল ’৭১ এর। কুষ্টিয়ায় এক মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযোদ্ধারা আজ কচুকাটা হয়ে বাংলা থেকে হারিয়ে গেছেন। যারা চলে গেছেন, যারা এখনো ধুঁকে ধুঁকে বেঁচে আছেন তাদের উদ্দেশে অশেষ শ্রদ্ধা, ভালোবাসা।

এখন মেলবোর্নে ভোর ৪টা, বাংলাদেশে রাত ১১টা, একটু পরে, ১ ঘণ্টা পর রাত ১২টা অতিক্রম করলে বলবো, বিশ্বের সকল বাঙালি বলবে; আজ বাংলাদেশের বিজয় দিবস। ❝এক সাগর রক্তের বিনিময়ে, বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা, আমরা তোমাদের ভুলবো না❞

আকাশ আনোয়ার | অস্ট্রেলিয়া
#বিজয় #স্বাধীনতা

11/01/2026

❝মাননীয় আদালত, আমি সাংবাদিক। আমি ক্ষমতাকে প্রশ্ন করি। দুই যুগ ধরে আমি এটা করে এসেছি। আমার জব (কাজ) কারও কাছে নতজানু হওয়া না। আমাকে যারা নির্দিষ্ট দলের গোলাম বানাতে চায়, এটা তাদের সমস্যা। আমার ফেসবুকে সব বক্তব্য দিই। এখানে অপ্রকাশিত নেই কোনো কিছু। আমি ইউনূসের (প্রধান উপদেষ্টা) বাড়ি আক্রমণের কথা বলেছি। কিন্তু কোন কারণে বলেছি, ৩২–এ আক্রমণ এটা প্রতিহিংসার রাজনীতি। এটা ফিরে আসবে। সেটা বলেছি। জুলাইয়ের স্পিরিট কীভাবে বাড়বে, আমরা সেটা বলেছি। এখানে আমার ভুল কী হয়েছে, আমি জানি না। আমার সঙ্গে কারও যোগসূত্র নেই। ড. ইউনূস যদি চায়, সারা বাংলাদেশকে কারাগার বানাবে, বানাতে পারে।❞
~ সাংবাদিক আনিস আলমগীর

সাংবাদিক আনিস আলমগীর কারাগারে কেন? ইউনূস সাহেব সহ সরকারের কাছে জবাব চাই। আনিস আলমগীর সহ সকল বিবেক ও সাংবাদিকদের বিনা শর্তে সসম্মানে মুক্তি দিন। আজই।

আকাশ আনোয়ার | অস্ট্রেলিয়া
আজ ১৬ই ডিসেম্বর ! বাংলাদেশের বিজয় দিবস !!
#সাংবাদিক #আনিসআলমগীর

11/01/2026

বণ্ডাই সন্ত্রাসী হামলার পর অস্ট্রেলিয়ার জনগণ বুঝিয়ে দিয়েছে তারা এ হত্যাকাণ্ডে সরকারের ওপর ভীষণ বিরক্ত। ভীষণ কষ্ট হচ্ছে আমারও। পরিবারের আরও ১৬ জনকে হারাতে হল এ সমুদ্র সৈকতে। অথচ এর পাশের ব্রণটি সমুদ্র সৈকতে আজ থেকে ৩১ বছর আগে ১৯৯৪ সালে প্রায় মাঝ প্রশান্ত মহাসাগরে ভেসে গিয়েও বেঁচেছিলাম। কিছুটা নিজের সাঁতারের কারণে, অনেকটাই রাডারে দেখে তাৎক্ষনিক নৌকো পাঠানোতে। আমি চলে গেলে কারো সাথেই হয়তো পরিচয় হতো না আর। তেমনি যে ১৬ জন চলে গেলো তাদের কথা ভাবছি। আগামী ৩১ বছর পরে কি কারো মনে কখনো থাকবে? কি মনে হয় বন্ধুরা? ভাবছিলাম এই যে ইচ্ছের বিরুদ্ধে চলে যাওয়া, এর কারণ কিন্তু মানুষের সঙ্কীর্ণতা। কেননা একটা শ্রেণীর লোভের ওপর লোভ। তার আরও চাই।

সে হত্যাকাণ্ড ঘিরে গত কয়েকদিনে কাছের বন্ধুদের সাথে আলাপ করে মনে হল আমরা সবাই এর উত্তর খুঁজছি। বিশেষত সিনেটর পলিন হ্যানসন এর বোরকা প্রতিবাদে সরকার পক্ষের বিরোধিতার একটা ভয়ঙ্কর প্রভাব পড়েছে ধার্মিক কিছু মানুষের, এমনটাই মনে করছে অস্ট্রেলিয়ার জনগণ। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এর কাছে আমার বেশ কিছু প্রশ্ন আছে। তিনি কি ভোটের রাজনীতি করবেন, নাকি জনগণের অধিকার দেখবেন? তিনি কি চান; ক্রমবর্ধমান ইহুদি-বিরোধীতা, নাকি মুসলিম সমর্থন?

অস্ট্রেলিয়ায় ইহুদি সংখ্যা অনেক কম, মাত্র ০.৪% এর মতো। এর একটা বড় কারণ তাদের নিজ নিজ দেশে ইহুদিরা সুখে আছে, এবং মুসলিমদের মত একই মানুষের অনেকগুলো স্ত্রী নেই মানুষ উৎপাদনের অমানবিক কারখানা করেনি এরা অস্ট্রেলিয়ায়। অন্যদিকে মুসলিমদের জনসংখ্যা একই পরিবারে ৩ থেকে ৭, ৮ টি শিশু নিয়ে এরা নিজেদের বল বাড়াতে চাইছে। এতো কিছু করেও এদের জনগণের সংখ্যা ৩% এর মত। বাকী কেউ মুসলিম নয়। অধিকাংশই খ্রিস্টান ধর্ম ছেড়ে মানবতার। এর পরেও মুসলিমরা দিন দিন যেভাবে হিংসা, বিদ্বেষে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে, তাদের দমনে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ...

পুনশ্চ~ এ বিষয়ে আরও জানার চেষ্টা করছি। তবে প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ আজ একটি সম্যক উত্তর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন; ❝আমরা ইহুদি অস্ট্রেলিয়ানদের সাথে ঐক্যবদ্ধ এবং ইহুদি-বিদ্বেষের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমরা কখনই পিছপা হবো না।❞ তাই যেন হয়।

লিখছি বন্ধুরা... সাথে থাকুন

আকাশ আনোয়ার | অস্ট্রেলিয়া

চিত্রসূত্র: আন্ত:র্যোগ

11/01/2026

দার্শনিক আরজ আলী স্মরণ
পাশা ভাইয়ের মুক্তির আন্দোলন
- - - - - - - - - - - - - - - -

বাংলার দার্শনিক আরজ আলী মাতুব্বর এঁর জন্মদিন আজ। আরজ আলী মূলত বস্তুবাদী দর্শনে বিশ্বাসী ছিলেন। ধর্মের অসার বিষয়গুলো নানা প্রশ্নের মধ্যমে তুলে ধরেছিলেন তিনি। অজ্ঞতা, কুসংস্কার ও ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন। তাঁর জন্য রইল অশেষ শ্রদ্ধা, ভালোবাসা।

বাঙালি জাতি তাঁকে স্মরণ করছে অশেষ শ্রদ্ধায়, ভালোবাসায়। আজ থেকে ৩ বছর আগে শিল্পী কামাল পাশা চৌধুরী এঁকেছিলেন আরজ আলী মাতুব্বর এর স্কেচ। পাশা ভাই আজ কারাগারে। স্বৈরাচারী ইউনূস চক্রান্ত করে তাঁকে কারাগারে পাঠিয়েছে, পাশা ভাই ছিলেন আমাদের সহযোগী যোদ্ধা। নিয়মিত সত্য ও সুন্দরের পক্ষে যেমন সংগ্রাম করতেন, তেমনি লিখতেন, আঁকতেন, তিনি জ্বলে উঠতেন মিথ্যে এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে। ইউনূস সরকার মিথ্যে অভিযোগে সত্যকে দমিয়ে রাখতে পাশা ভাইকে আটক করেছে। অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট চারুশিল্পী কামাল পাশা চৌধুরী তো কোন নাশকতা করেননি, নাশকতা করছে জামাত, শিবির, মৌলবাদী মব বাহিনী, তারা কেন কারাগারে নয়? অথচ পাশা ভাইকে নাশকতা মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত গত ৪ আগস্ট, ২০২৫। সেদিনের আঁকা স্কেচটি Bangla Academy International ছাপা হয়েছিল। পাশা ভাইয়ের লেখনিতে আজ সবার সাথে সহভাগ করে নিলাম। সবাই জোর দাবী তুলুন শিল্পী কামাল পাশার মুক্তি চাই, দিতে হবে।
- - - - - - - - - -

❝বলপেন দিয়ে এঁকেছিলাম ছবিটি।
আরজ আলী মাতুব্বর।
দক্ষিণ বাংলার প্রত্যন্ত গ্রামে লাঙ্গল ঠেলতে ঠেলতে দার্শনিক চিন্তা করতেন এই বাঙালি। দশ মাইল পায়ে হেঁটে বই সংগ্রহ করতে যেতেন তিনি।
মূর্খতার জন্মগত সংস্কারকে পরাভূত করে তিনি আবিষ্কার করেছিলেন বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের বিরাজিত পরম সত্যকে। এবং চরম প্রতিকূলতার মাঝেও দীপ্ত সাহসে উচ্চারণ করেছিলেন সেই সত্য।
মহান দার্শনিক এই সাহসী বীরের আজ জন্মদিন।
আন্তরিক শ্রদ্ধা।❞

শিল্পী কামাল পাশা চৌধুরী
ঢাকা, বাংলাদেশ।

আকাশ আনোয়ার | অস্ট্রেলিয়া
#আরজআলীমাতুব্বর #আরজ
চিত্রসূত্র: শিল্পী কামাল পাশা চৌধুরী

11/01/2026

ছায়ানট নয় পুড়ছে আমার হৃদয়। ইসলামী সন্ত্রাসী হামলা এবার দেশের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা ও সংস্কৃতি কেন্দ্রে। একের পর এক হামলার পর এবার ছায়ানটে। ছায়ানট ভবনে হামলা, ভাংচুর, আগুন দেয়া হয়েছে। সকল বাদ্যযন্ত্র ও শিল্প কর্ম হয় ভেঙ্গেছে নয় পুড়েছে। পাশাপাশি ছায়ানটের ৭ তলা ভবনের সকল কক্ষে থাকা কাগজপত্র ছিন্নভিন্ন করেছে সন্ত্রাসীরা। এ কোন বাংলাদেশ?

আগেই বলেছি এদের বিশ্বাস করবেন না। কিন্তু বাংলাদেশে ইসলাম ধর্ম অনুসারীরা আমার ভাষা বুঝতে পারেন না। সে দোষ কি আমার? সিডনির হত্যাকাণ্ডে মন ভালো নেই। ক্ষোভ-বিক্ষোভের মধ্যে বাঙালি সংস্কৃতি চর্চার ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট ভবনে কেন হামলা, ভাঙচুর হবে? কেন আগুন দেয়া হবে? মন চাইছে এখনই যুদ্ধে নামি। আমার ছায়ানট পুড়বে আর আমি গা এলিয়ে দিয়ে বসে ভাববো? তাই লিখতে বসেছি।

❝আমি ছায়ানট❞ ইসলামী সন্ত্রাসীরা ছায়ানটে আগেই সিঁদ কেটেছে। ধারণা ছিল, বলেছিলামও, সন্‌জীদা আপার প্রয়াণের কিছু সপ্তাহ পর ছায়ানটের অনুষ্ঠানের মানে। ওরা চট করে ঢুকে পড়ে। সংগীত দলে দাড়ি, টুপি, হিজাবীকে নেয়া কেন? ছায়ানট আমার প্রেম। সেখানে কোন দেয়াল চাই না, কোন সঙ্কীর্ণতা চাই না।

ছায়ানটের প্রেমে পড়েছি ৩ বার। প্রথমবার ’৯০ এর দশকে ছায়ানটে রমনা বটমূলের অনুষ্ঠান দেখে। দ্বিতীয়বার সিডনিতে যখন আমার সংসার ভাঙল, সন্‌জীদা আপার সাথে কথা বলে ঠিক করলাম ছায়ানটে গান শিখবো, ছায়ানটের উন্নয়নে কাজ করবো। সেই মত ঢাকায় আপার বাসায় গিয়ে ছায়ানটে ভর্তি হবার আয়োজনও করেছি, তবে বাঁধ সেধেছে আমার সিডনির স্কুলগুলো, যারা ছিল আমার সন্তানের মতো। একাকী জীবনের ঘানি টেনে টেনে সে জীবনে স্কুল করা যে কি কষ্টের তা কাউকে বলে বোঝাতে পারবো না। তবুও চালিয়েছি নাজনীন অ্যান্টি, অসংখ্য শিক্ষক, অভিভাবক, এবং ছাত্রছাত্রীদের মুখের দিকে তাকিয়ে।

তৃতীয় বার ছায়ানটের প্রেমে পড়ি এপ্রিল ২০১৯... তখন ছিলাম সিডনিতে। মন ভালো নেই, তবুও জিম করে, দৌড়াদৌড়ি করে, স্কুল চালাই, বাংলাদেশ এবং ভারতে শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করি, হঠাৎ করেই প্রেমে পড়া। এ কৃতিত্ব আমার নয়, আমার এক বন্ধুর। যে বন্ধুকে কোনদিন দেখিনি, আগে কখনো তাঁর নামও শুনিনি, সেই বন্ধুর সাথে কথা হতেই এপ্রিলের শেষ লগ্নে আবারো প্ল্যান করলাম, দু'জন ফোনে কথা বলে ঠিক করলাম আমরা গান করবো, গণসংগীত করবো, ছায়ানট, শান্তি নিকেতন সহ বিশ্বের দেশে দেশে। সে ভাবে নিজেকে তৈরি করছিলাম। কিন্তু কালবৈশাখী ঝড়ে সব ওলট-পালট হয়ে যায়। মে ২০১৯ সে বন্ধুটি সব স্বপ্নকে ধুলায় মিশিয়ে আমাকে ভুলে গেলেন। সে বন্ধুর কথা আজ নাইবা বললাম।

সব শেষে সন্‌জীদা আপার প্রয়াণ, আমার সব স্বপ্নগুলো ফিকে হতে হতে আজও বেঁচে আছে, আমার স্বপ্নগুলো আপা ছাড়া শুধু সেই বন্ধুটি জানতেন। কিন্তু সে বন্ধু কোথায় থাকেন, কী করেন কিছুই জানি না। ২০১৯ থেকে আজ পর্যন্ত হৃদয়ে দগ্ধ হতে হতে আজ শুনলাম আমার ৩ বারের প্রেমের শরীরেও আগুন লেগেছে। গত কয়েকটা মাস ধরে দেখেছি; ছায়ানটের কষ্টের সময়, আমি কী নিয়ে বাঁচবো??

আমার ছায়ানটের শরীরে আগুন লেগেছে। সে আগুনে আজ সারাদিন পুড়ছি, কিছু কথা বলতে পারছি না। কিছু লিখতে পারছি না। কষ্টগুলো রক্তে রক্তে ছড়িয়ে লেগেছে হৃদয়ে। গতকাল বৃহস্পতিবার ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ মধ্যরাতের পর একদল ইসলামী সন্ত্রাসী, বিক্ষোভকারী ধানমন্ডির সাততলা ভবনের বিভিন্ন তলায় গিয়ে প্রতিটি কক্ষে ব্যাপক ভাঙচুর করেছে। আগুন দিয়েছে, সকল বাদ্যযন্ত্র ভেঙ্গে ফেলেছে। দেয়ালে দেয়ালে টানানো শিল্পকর্ম ভাংচুর করেছে। ভাগ্যিস আজ সন্‌জীদা আপা নেই, ওয়াহিদ ভাই নেই।

২০১৯ এর পর থেকে ছায়ানটের অনুষ্ঠান বাদ দেই নি, লাইভ হলেই থাকতাম। ছায়ানটের বন্ধু থেকে শুরু করে সবাইকে দেখে একাকীত্বের মাঝেও প্রাণে পরশ পেতাম। আমার হৃদয় আজ ক্ষত বিক্ষত। শুধু বাংলাদেশ, বা অস্ট্রেলিয়া নয়। প্রায় প্রত্যেক দেশে মুসলিম উগ্রবাদীরা তৎপর, সন্ত্রাসী হামলা করলে, সন্ত্রাসী শব্দটি বাদ দিয়ে নিউজ হচ্ছে, ইসলামীরা যে সন্ত্রাস করছে এ কথা প্রায় কেউ লিখছেন না। তাহলে আমি কেন সংস্কৃতি কর্মী হলাম, কেন সাংবাদিক? কেন সংগীত শিল্পী, বা নাট্য শিল্পী হলাম?

ছায়ানট হামলায় তীব্র নিন্দা জানাই। বিশ্বের সকল দেশ দেশে ইসলামী সন্ত্রাসীদের অপসারণ চাই। আসুন সবাই মিলে ওদের প্রতিহত করি।
শোক আর সমবেদনা জানাবার ভাষা নেই। আমার হৃদয় জ্বলে যাচ্ছে অনুশোচনার অঙ্গারে। মনে পড়ছে ছায়ানটের, নালন্দার বন্ধুদের কথা, ওদের সাথে গেয়েছিলাম; ❝সকাতরে ওই কাঁদিছে সকলে, শোন শোন পিতা। কহো কানে কানে, শোনাও প্রাণে প্রাণে মঙ্গল বারতা...❞

আকাশ আনোয়ার । অস্ট্রেলিয়া
#ছায়ানট #সন্‌জীদা #ওয়াহিদুলহক #সন্ত্রাসী
ছবিতে অগ্নিদগ্ধ লণ্ডভণ্ড ছায়ানট ভবন

11/01/2026

❝আমি হিন্দু হয়ে জন্মগ্রহণ করে কি ভুল করেছি❞ ধর্মের কটূক্তির মিথ্যে অভিযোগে হিন্দু যুবক দিপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যা, মরদেহে আগুন। আজ হিন্দু হবার অপরাধে হত্যা, কাল হয়তো বাংলা বলার অপরাধে। বাংলাদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান হলে সাত খুন মাফ, আর হিন্দু সংখ‍্যালঘু হলে মিথ্যে অভিযোগের তীর আপনার দিকে। পিটিয়ে হত্যা, উলঙ্গ করে ঝুলিয়ে আগুনে ঝলসাবে এটাই আজকের বাংলাদেশ!

❝আমি হিন্দু হয়ে জন্মগ্রহণ করে কি ভুল করেছি❞ মৃত দিপু এ প্রশ্নই হয়তো বারবার করেছে, তবু কেন হত্যাকাণ্ড? ময়মনসিংহের ভালুকায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে পিটিয়ে নিহত শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসের মৃত্যু নিয়ে তার পরিবার কোম্পানির ভূমিকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছে। নিহতের বোন চম্পা দাস বলেন, কারখানা কর্তৃপক্ষই তার ভাইকে কার্যত মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে।

মালিক পক্ষ পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস বিডি লিমিটেডের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা যায় নি, এসব মৃত্যু তাদের ভীত করে না। তবে কারখানার সিকিউরিটি গার্ড ফিরোজ মিয়া বলেছিল, দিপু চন্দ্র দাসকে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছিল, কিন্তু তিনি ক্ষমা চাননি। অন্যায় না করেও কেউ ক্ষমা চায়?

১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ কান্নাজড়িত কণ্ঠে চম্পা বলেন, কারখানায় উৎপাদন বৃদ্ধি নিয়ে শ্রমিক অসন্তোষে মালিকপক্ষের বিরোধ চলছিল সে বিরোধ থেকেই দিপুর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ। তিনি বলেন, তার ভাই বিএ পাস করেছিল, সাধারণ বাটন মোবাইল ব্যবহার করতেন। ধর্ম সম্পর্কে তার যথেষ্ট জ্ঞান ছিল এবং নবী সম্পর্কে কটূক্তি করার মতো মানুষ তিনি নন। কোম্পানি চাইলে তার ভাইকে পুলিশের হাতে দিতে পারতেন। উত্তেজিত জনতার সামনে ছেড়ে দেওয়া কেন? এ কারণে তার নির্মম মৃত্যু হয়েছে।

দিপুর বাবা রবি চন্দ্র দাস বলেন, দিপুই ছিল পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য। কখনো কল্পনাও করেননি তার ছেলেকে এভাবে মারা হবে। ধর্ম নিয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে দেশে আইন রয়েছে, সেই আইনে বিচার হওয়ার কথা ছিল। গরিব বলেই তারা ছেলের জীবন বাঁচাতে পারেননি বলে আক্ষেপ করেন তিনি। দিপুর স্ত্রী মেঘনা রানী বলেন, তার একমাত্র সন্তান এখন বাবা হারা। অভাবের সংসার নিয়ে কোথায় দাঁড়াবেন, তা ভেবেই তিনি দিশেহারা। তিনি রাষ্ট্রের কাছে হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন।

এ মৃত্যু নিয়ে অসংখ্য প্রশ্ন উঠেছে; ❝আজকে দেখছি না সেইসব মানুষগুলোকে যারা অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে হিন্দুদের দোষ খোঁজে আজকে দেখছি না সেই মানুষগুলো যারা মানবতার কথা বলে। যে সমস্ত মানুষরা শুধু চিকেন প্যাটিস বিক্রেতাকে সাপোর্ট করছিল তার আজকে দিপুর পাশে নেই কেন? তাদের কি প্রতিবাদটা শুধুমাত্র তাদের বিষয় মত না হলে করেনা! নাকি দিপু একজন হিন্দু তাই প্রতিবাদ করলে তাদের এজেন্ডা ফুলফিল হবে না!
মানে সম্পূর্ণভাবে বোঝা যাচ্ছে তাদের সম্পূর্ণ প্রতিবাদগুলো এককেন্দ্রিক হয়।। আজ হিন্দু হয়েও কিছু হিন্দুরা একজন হিন্দুর ওপরে অত্যাচারটা যদি কোন ব্যাপার নয় এই ভাবে ভেবে থাকে। তাহলে তাদের বলব আপনাদের হয়তো একটু ডিএনএটা দোষ! SIR নয় DNA টেস্টটা আগে করা দরকার ছিল❞

আকাশ আনোয়ার | অস্ট্রেলিয়া

চিত্রসূত্র: আন্ত:র্যোগ

11/01/2026

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির মূল ক্রীড়নক সন্ত্রাসী হাদিকে চিনে রাখুন বাংলার জনগণ। যারা হাদিকে প্রশংসা করছেন, কী বুঝে করছেন? এ দেশটার আজ আর গর্ব করার মতো কিছু নেই। আজও দেখেছি হিন্দু বাড়ি মাইকে ঘোষণা দিয়ে হানা দিয়ে সব লুট করছে। স্বপ্নগুলো পুড়ে পুঁড়ে যাচ্ছে। স্বৈরাচারী সরকার হাদি’র কাজের মূল্য দিচ্ছে। খুনী ইউনূস সহ সকল জামাত, শিবির, মৌলবাদী, সন্ত্রাসী দল।

কবি নজরুলের পাশে একজন খুনী। জাতীয় কবির পাশে খোড়া হচ্ছে সেই খুনী ওসমান হাদির কবর, অন্যদিকে পুড়ছে দীপু, কেউ দীপুর পরিবারের খোঁজ নেয় নি। প্রধান উপদেষ্টা হাদির পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার কথা বললেও ভাবেনি দীপুর পরিবারের কথা, এ বৈসম্য বলে দেয় কে দেশের ভন্ড রাজা। আজ আমরা সত্যি অসহায়। তবে ইতিহাস ঘুরে আসবে দীপুরাই সম্মানিত হবে একদিন, হাদির কবর ছিঁড়ে খুঁড়ে খাবে শেয়ালে। সেদিন খুব দুরে নয়।

একটা খুনী দুই বাংলার সাম্যের কবি নজরুলের পাশে সমাহিত হবে এ লজ্জা সমগ্র বাঙালি জাতির, মেনে নিতে পারছি না।

আকাশ আনোয়ার । অস্ট্রেলিয়া

Address

Darling Park, 201 Sussex Street
Sydney, NSW
2000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangla Academy Australia posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Bangla Academy Australia:

Featured

Share