06/29/2026
একজন ইহুদি ভ্রূণ বিশেষজ্ঞ (যিনি একজন ধর্মীয় পণ্ডিতও ছিলেন) খোলাখুলি বলেছিলেন যে, পৃথিবীতে মুসলিম নারীর চেয়ে পবিত্র ও বিশুদ্ধ নারী অন্য কোন ধর্মে নেই।
একজন ইহুদি ভ্রূণ বিশেষজ্ঞ (যিনি একজন ধর্মীয় পণ্ডিতও ছিলেন) খোলাখুলি বলেছিলেন যে, পৃথিবীতে মুসলিম নারীর চেয়ে পবিত্র ও বিশুদ্ধ নারী অন্য কোন ধর্মে নেই।
পুরো ঘটনাটি ঘটেছিল যখন আলবার্ট আইনস্টাইন ইনস্টিটিউটের (Albert Einstein Institution) সাথে যুক্ত একজন ভ্রূণ বিশেষজ্ঞ, ইহুদি পেশাদার রবার্ট, তাঁর ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেন। যার একমাত্র কারণ ছিল, কুরআনে উল্লেখিত তালাক প্রাপ্তা নারীর ইদ্দতের আদেশ সম্পর্কিত আয়াত এবং ইদ্দতের জন্য তিন মাসের সীমা নির্ধারণের পেছনের রহস্য ও হিকমত সম্পর্কে অবগতি।
আল্লাহ তায়ালা কোনো তালাক প্রাপ্তা নারীকে দ্বিতীয় বিয়ের পূর্বে তিন মাসের একটি গ্যাপ রাখতে বলেছেন। তিনি পবিত্র কুরআনে এরশাদ করেন,
وَٱلْمُطَلَّقَٰتُ يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ ثَلَٰثَةَ قُرُوٓءٍۚ
অর্থাৎ 'তালাকপ্রাপ্তা নারীরা তিন মাসিক পর্যন্ত অপেক্ষা করবে' (সূরা আল-বাকারাহ ২২৮:২)
এই আয়াতটি একটি আধুনিক বিজ্ঞান ডিএনএ এর উদ্ভাবনের রাস্তা সুগম করেছে এবং দেখা গেছে যে একজন পুরুষের শুক্রাণুতে থাকা প্রোটিন অন্য পুরুষের থেকে ৬২% পৃথক ও ভিন্ন থাকে।
আর একজন নারীর শরীর একটি কম্পিউটারের মত। যখন একজন পুরুষ তার সাথে ইন্টারকোর্স করে তখন সেই নারীর শরীর সব ব্যাকটেরিয়াকে শোষণ করে এবং তার শরীরে তা ধারণ করে।
অতএব, বিবাহ বিচ্ছেদের পরপরই, যদি একজন মহিলা অন্য পুরুষকে বিয়ে করেন বা একই সাথে বেশ কয়েকজনের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে, তাহলে তার শরীরে বিভিন্ন ধরণের ডিএনএ জমা হয় যা বিপজ্জনক ভাইরাসের রূপ নেয় এবং মারাত্মক রোগ সৃষ্টির কারণ হয়।
বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখে যে, প্রথম মাসিক আসার পর একজন মহিলার শরীর থেকে ৩২% থেকে ৩৫% পর্যন্ত প্রোটিন শেষ হয়ে যায়, এবং দ্বিতীয় মাসিক আসার পর তার শরীর থেকে ৬৭ থেকে ৭২% ডিএনএ ধ্বংস হয়ে যায়। এবং তৃতীয় মাসিকের পর ৯৯.৯% পর্যন্ত প্রোটিন নির্মূল হয়ে যায়। এরপর জরায়ু আগের ডিএনএ থেকে সম্পন্নরূপে পরিষ্কার হয়ে যায় এবং কোন প্রকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই নতুন ডিএনএ গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত থাকে।
একজন গণিকা অনেক পুরুষের সাথে সঙ্গম করে, যার ফলে বিভিন্ন পুরুষের ব্যাকটেরিয়া তার জরায়ুতে প্রবেশ করে এবং বিভিন্ন ধরণের ডিএনএ তার মধ্যে জমা হয়ে সে মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে।
বিধবা মহিলার ক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান হলো, তার ইদ্দত তালাকপ্রাপ্ত মহিলার চেয়ে বেশি অর্থাৎ ৪ মাস ১০ দিন।
এর কারণ হলো দুঃখ ও দুশ্চিন্তার কারণে তার শরীর থেকে প্রাক্তন ডিএনএ দ্রুত শেষ হয় না, এটি শেষ হতে আগের চেয়ে বেশি সময় লাগে, আর এ জন্য মহিলাদের ইদ্দত চার মাস দশ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন,
وَٱلَّذِينَ يُتَوَفَّوْنَ مِنكُمْ وَيَذَرُونَ أَزْوَٰجًا يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًاۖ
অর্থাৎ 'তোমাদের মধ্য হতে যারা স্ত্রীদেরকে রেখে মারা যাবে সে অবস্থায় স্ত্রীরা নিজেদেরকে চার মাস দশ দিন বিরত রাখবে।' (আল-বাকারাহ, ২৩৪)
এই সত্যের মুখোমুখি হয়ে, একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার যুক্তরাষ্ট্রের দুটি ভিন্ন স্থানে গবেষণা পরিচালনা করেন।
এক. আফ্রিকান বংশোদ্ভূত মুসলমানরা যে মহল্লায় থাকেন, সেই সব নারীর ভ্রূণের মধ্যে মাত্র একজন স্বামীর ডিএনএ পাওয়া গেছে।
দুই. অন্য মহল্লা যেখানে আসল আমেরিকান মহিলারা থাকেন, তাদের ভ্রূণের মধ্যে একাধিক অর্থাৎ দুই বা তিন জনের বেশি পুরুষের ডিএনএ পাওয়া গেছে।
অতঃপর যখন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার তার নিজ স্ত্রীর ভ্রূণ পরীক্ষা করলেন, তখন তিনি একটি মর্মান্তিক সত্য দেখতে পান যে, তার স্ত্রীর মধ্যে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন ডিএনএ আছে। যার অর্থ হলো তার স্ত্রী তার সাথে প্রতারণা করছিল এবং তার তিন সন্তানের মধ্যে কেবল মাত্র একজন ছিল তার নিজ সন্তান, বাকিরা ছিল অন্য পুরুষ থেকে।
ডাক্তার তখন নিশ্চিত হন যে ইসলামই একমাত্র ধর্ম যা নারীদের নিরাপত্তা এবং সমাজের সম্প্রীতির নিশ্চয়তা দেয়। এবং এই বিষয়েও নিশ্চিত হন যে, একমাত্র মুসলিম নারীরাই পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন, বিশুদ্ধ ও সতী।
والله ورسوله اعلم عزوجل وصل الله عليه وسلم
ইসলামে একজন মহিলার জন্য একই সময়ে একাধিক বিয়ে বা একাধিক স্বামী রাখার অনুমতি দেয়া হয়নি কেন!
অবশেষে বিজ্ঞানও আল কুরআনের বিধানের নির্ভুল ব্যাখ্যা করতে সক্ষম হলো।
লেখকঃ মহিউদ্দিন ওসমানী
এই আয়াতটি একটি আধুনিক বিজ্ঞান ডিএনএ এর উদ্ভাবনের রাস্তা সুগম করেছে এবং দেখা গেছে যে একজন পুরুষের শুক্রাণুতে থাকা প্রোটিন অন্য পুরুষের থেকে ৬২% পৃথক ও ভিন্ন থাকে। আর একজন
প্রবাসী জীবন ও দাম্পত্য সম্পর্ক:-শুধু অর্থ নয়,প্রয়োজন সঙ্গও..._
জীবিকার প্রয়োজনে অসংখ্য মানুষ বছরের পর বছর পরিবার থেকে দূরে, বিদেশে জীবন কাটান। তাদের এই ত্যাগ নিঃসন্দেহে সম্মানের দাবিদার। কিন্তু একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন থেকেই যায়—সংসার কি শুধু অর্থ উপার্জন আর খরচ পাঠানোর মাধ্যমে টিকে থাকে ? নাকি একটি সফল বৈবাহিক জীবনের জন্য স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক উপস্থিতি, ভালোবাসা, সময় ও মানসিক সমর্থনও সমানভাবে জরুরি ? বাস্তবতা হলো, দাম্পত্য সম্পর্ক কেবল আর্থিক দায়িত্বের উপর দাঁড়িয়ে থাকে না; এর সাথে জড়িয়ে থাকে আবেগ, অনুভূতি এবং একে অপরের পাশে থাকার প্রয়োজন।
• ১.দাম্পত্য জীবনে সঙ্গ একটি মৌলিক প্রয়োজন-স্বামী-স্ত্রী একে অপরের পোশাকস্বরূপ। তাদের সম্পর্কের ভিত্তি শুধু দায়িত্ব নয়, বরং সান্নিধ্য, ভালোবাসা ও প্রশান্তি। দীর্ঘ সময় দূরে থাকলে এই স্বাভাবিক চাহিদাগুলো অপূর্ণ থেকে যায়।
• ২.অর্থ জীবনের প্রয়োজন পূরণ করে, অনুভূতির নয়-
টাকা দিয়ে খাবার, পোশাক ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করা যায়, কিন্তু একাকীত্ব দূর করা যায় না। মানসিক কষ্ট, অভিমান বা ভালোবাসার অভাব অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।
• ৩.স্ত্রী শুধু ভরণপোষণের অধিকারী নন-
একজন স্ত্রীর অধিকার শুধু আর্থিক নিরাপত্তা নয়; তিনি স্বামীর ভালোবাসা, সময়, মনোযোগ এবং মানসিক সমর্থনেরও অধিকারী।
• ৪.দীর্ঘ বিচ্ছেদ সম্পর্কের উষ্ণতা কমিয়ে দিতে পারে-বছরের পর বছর দূরে থাকার ফলে অনেক সময় সম্পর্কের আন্তরিকতা কমে যায়। নিয়মিত যোগাযোগ থাকলেও বাস্তব উপস্থিতির বিকল্প তৈরি হয় না।
• ৫.সন্তানদের জন্য বাবার উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ-
সন্তানেরা শুধু অর্থ চায় না; তারা বাবার স্নেহ, শিক্ষা, দিকনির্দেশনা এবং সময় চায়। দীর্ঘ অনুপস্থিতি তাদের মানসিক বিকাশেও প্রভাব ফেলতে পারে।
• ৬.একাকীত্ব মানসিক চাপ বাড়ায়-
বিদেশে থাকা স্বামী যেমন একাকীত্ব অনুভব করেন, তেমনি দেশে থাকা স্ত্রীও মানসিকভাবে নিঃসঙ্গ হয়ে পড়তে পারেন। এই নিঃসঙ্গতা ধীরে ধীরে সম্পর্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
• ৭.সম্পর্ক রক্ষায় নিয়মিত যোগাযোগ জরুরি-দূরে থাকলেও নিয়মিত কথা বলা, খোঁজখবর নেওয়া, অনুভূতি ভাগাভাগি করা এবং একে অপরের জীবনের অংশ হয়ে থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
• ৮.শুধুমাত্র দায়িত্ব পালন নয়, সম্পর্ক লালনও প্রয়োজন-
সংসার শুধু চালিয়ে নেওয়ার বিষয় নয়; এটিকে যত্ন নিতে হয়। যেমন একটি গাছকে বাঁচিয়ে রাখতে নিয়মিত পানি দিতে হয়, তেমনি সম্পর্ককেও সময় ও ভালোবাসা দিতে হয়।
• ৯.স্বামী-স্ত্রী উভয়ের আবেগীয় চাহিদা রয়েছে-শারীরিক, মানসিক ও আবেগীয় চাহিদা মানুষের স্বাভাবিক প্রয়োজন। দীর্ঘদিন এই চাহিদাগুলো উপেক্ষিত হলে তা কষ্ট, হতাশা এবং দূরত্বের কারণ হতে পারে।
• ১০.প্রযুক্তি দূরত্ব কমাতে সাহায্য করে, দূরত্ব দূর করে না-
ভিডিও কল, মেসেজ বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিছুটা স্বস্তি দিলেও বাস্তব উপস্থিতি, একসাথে সময় কাটানো এবং পাশে থাকার অনুভূতির বিকল্প হতে পারে না।
• ১১.প্রবাসী জীবনের পরিকল্পনায় পরিবারকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত-
অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের পাশাপাশি দাম্পত্য সম্পর্ক ও পারিবারিক বন্ধন অটুট রাখার বিষয়েও পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন। দীর্ঘ বিচ্ছেদকে স্বাভাবিক হিসেবে মেনে নেওয়া সবসময় সমাধান নয়।
• ১২.একটি সফল সংসার বহু উপাদানের সমন্বয়-ভালোবাসা, সম্মান, দায়িত্ব, ত্যাগ, সময়, সঙ্গ, বোঝাপড়া এবং পারস্পরিক সহযোগিতা—এসব মিলেই একটি সুখী ও স্থিতিশীল দাম্পত্য জীবন গড়ে ওঠে। শুধু অর্থ তার একটি অংশমাত্র, পুরোটা নয়।
(লেখা: আইন উদ্দিন আইনী)
------ ------
( মৃত্যু আসবে যখন তখন...
প্রস্তুতি নিব কখন...?
সজাগ যদি না হয় এখন...?
আসুন আল্লাহকে ভয় করি,সুন্নতী জীবন গড়ি,মৃত্যুকে স্মরণ রেখে পথ চলি...)
_____ ______
{ প্রতিনিয়ত ঈমান আমল সংক্রান্ত দ্বীনি এরকম ভিন্ন ভিন্ন উপকারী পোস্ট পেতে নিচের লিংকে জয়েন থাকুন এবং দ্বীনি দাওয়াতের নিয়তে অন্যদের মাঝে লিংকগুলো ছড়িয়ে দিন। }
▪️আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, কমিউনিটি ও চ্যানেল লিংক-
https://chat.whatsapp.com/I0T4Kth5zSD4baeElhHWkb?s=cl&p=a&ilr=0
https://chat.whatsapp.com/DOuyHyjaqGZIfHsyTGCKGg?s=cl&p=a&mlu=1
https://chat.whatsapp.com/DbwKY2AoLCeICRBYboY2jb?s=cl&p=a&mlu=1
https://chat.whatsapp.com/I0T4Kth5zSD4baeElhHWkb?s=cl&p=a&mlu=1
https://chat.whatsapp.com/ENu7a1JhMeVCHsjNOcFTu8?mode=ems_copy_t
https://whatsapp.com/channel/0029Vb5h90u5Ejxu07mIIK0y
▪️আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপ ও চ্যানেল লিংক-
https://t.me/+NYeNUn0XCp0zZTk1
https://t.me/musalmanbari
আমাদের গ্রুপের নীতি আদর্শ... আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত ও হানাফী মাযহাবের একনিষ্ঠ অনুসারী।