Preventing violence against women & children

Preventing violence against women & children Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Preventing violence against women & children, New York, NY.

06/30/2026
টাকা ধার চেয়ে না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে যান মসজিদের মুয়াজ্জিন মো. মোশারফ হোসেন (৪২), হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন নাজমা আলমকে...
06/30/2026

টাকা ধার চেয়ে না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে যান মসজিদের মুয়াজ্জিন মো. মোশারফ হোসেন (৪২), হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন নাজমা আলমকে (৫১)। এরপর ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট করে নেন। হত্যার আলামত নষ্ট করে চলে যান। পরে এই হত্যার কথা জানাজানি হলে অন্য প্রতিবেশীদের সঙ্গে তিনিও নাজমা আলমের বাড়িতে গিয়ে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেন। গণমাধ্যমে স্বাক্ষাৎকার দিয়ে হত্যাকারীদের খুঁজে বের করার দাবি জানান। এর ১৬ ঘণ্টা পরেই পুলিশি তদন্তে বের হয়ে আসে মোশারফ হোসেনই সেই হত্যাকারী।

ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকায়। মোশারফ হোসেন শহরের বেতকা চার রাস্তা মোড়ের মসজিদের মুয়াজ্জিন।

নাজমা আলমকে হত্যার দায় স্বীকার করে মঙ্গলবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মোশারফ হোসেন। জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন টাঙ্গাইলের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম মাহবুব খান। আদালতে জবানবন্দি গ্রহণের পর রাত আটটায় তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। মোশারফ টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা চার রাস্তা মোড়ের মসজিদের মুয়াজ্জিন।

নাজমা আলম টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার বাসিন্দা শফিউল আলম ওরফে শাহীনের স্ত্রী। পেশায় ভেটেরিনারি চিকিৎসক শফিউল আলম গত রোববার সকাল ৯টার দিকে তাঁর পেশাগত কাজে বাসার বাইরে যান। এ সময় তাঁর স্ত্রী নাজমা আলম বাসায় একা ছিলেন। বেলা সাড়ে ১১টার সময় তাঁদের গৃহকর্মী বাসায় আসেন। গৃহকর্মী নাজমা আলমদের বাসার মূল দরজা চাপানো দেখতে পান। ঘরে ঢুকে সোফার ওপরে হাত বাঁধা রক্তাক্ত ও জ্ঞানহীন অবস্থায় নাজমা আলমকে পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে শফিউল আলম ফিরে আসেন। এ সময় তিনি বুঝতে পারেন তাঁর স্ত্রীর দুই হাতের সোনার বালা, গলায় থাকা মালা এবং কিছু টাকা চুরি হয়ে গেছে। বাসার ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার ডিভিআর (ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ডার) মেশিন নেই, মনিটরটিও ভেঙে নষ্ট করে ফেলা হয়েছে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত শুরু করে। প্রতিবেশীদের সঙ্গে স্থানীয় মসজিদের ইমাম মোশারফ হোসেন এসেও এ ঘটনায় উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেন। সেখানে আসা গণমাধ্যমকর্মীদের ক্যামেরার সামনে বক্তব্য দেন। তিনি হত্যাকারীদের শনাক্ত করে বিচারের দাবি জানান।

পরে নিহত নারীর স্বামী শফিউল আলম বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পুলিশের একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এবং স্থানীয় তথ্যদাতাদের মাধ্যমে অনুসন্ধান শুরু করেন। তাঁদের সন্দেহ হয় মসজিদের মুয়াজ্জিন মোশারফ হোসেনের প্রতি। গতকাল সোমবার পুলিশ মোশারফ হোসেনকে আটক করে।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে মোশারফ জানান, রোববার সকালে তিনি কিছু টাকা ধার চাইতে যান নাজমা আলমের কাছে; কিন্তু তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। তখন তাঁর হাতে ও গলায় সোনার গয়না দেখতে পান। পরে সেখানে মোশারফ চা পান করেন। পরে হাত ধোঁয়ার উসিলায় বেসিনের কাছে গিয়ে সেখান থেকে হাতুড়ি এনে নাজমা আলমের মাথায় জোরে আঘাত করেন। তখন নাজমা আলম অজ্ঞান হয়ে যান। তাঁর দুই হাতে থাকা দুটি স্বর্ণের বালা, গলায় থাকা একটি স্বর্ণের লকেটযুক্ত চেইন এবং নগদ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে নেন। একপর্যায়ে নাজমা আলম গোঙাতে শুরু করেন। তখন গামছা দিয়ে তাঁর হাত বাঁধেন এবং গলায় রশি পেঁচিয়ে ধরেন।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মোশারফ আরও বলেন, নাজমা আলমকে হত্যার আলামত ধ্বংস করার জন্য তিনি সিসিটিভির ডিভিআর মেশিন খুলে নেন এবং মনিটরটি ভেঙে নষ্ট করেন। তিনি এগুলো ওই এলাকার একটি নালায় ফেলে দেন। মসজিদে তাঁর থাকার জায়গায় গিয়ে রক্ত লেগে থাকা পোশাক ধুয়ে ফেলেন। পরে নাজমা আলমের বাড়িতে গিয়ে অন্যান্য প্রতিবেশীর সঙ্গে মিশে ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করতে থাকেন। গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেন।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদকালে মোশারফ হোসেন আদালতে জবানবন্দি দেওয়ার সম্মতি দেন। মঙ্গলবার তাঁকে টাঙ্গাইল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়।

এ মামলায় পুলিশ শহরের থানা পাড়া এলাকা থেকে সন্তোষ কর্মকার নামের একজন জুয়েলারি ব্যবসায়ীকেও সোমবার গ্রেপ্তার করেন। তাঁর কাছে মোশারফ হোসেন লুট করা স্বর্ণালংকার বিক্রি করেছিলেন। সন্তোষ কর্মকারের কাছ থেকে ওই স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া বিশ্বাস বেতকা চার রাস্তার মোড়ের জামে মসজিদে মোশারফ হোসেনের বালিশের নিচ থেকে ২৬ হাজার ৩২০ টাকা এবং হত্যাকাণ্ডের সময় পড়ে থাকা পায়জামা–পাঞ্জাবি জব্দ করা হয়।💥💥
আশা করি পোস্ট শেয়ার করে পাশে থাকবেন বন্ধুরা # নির্যাতন — feeling crazy.

একজন ইহুদি ভ্রূণ বিশেষজ্ঞ (যিনি একজন ধর্মীয় পণ্ডিতও ছিলেন) খোলাখুলি বলেছিলেন যে, পৃথিবীতে মুসলিম নারীর চেয়ে পবিত্র ও ব...
06/29/2026

একজন ইহুদি ভ্রূণ বিশেষজ্ঞ (যিনি একজন ধর্মীয় পণ্ডিতও ছিলেন) খোলাখুলি বলেছিলেন যে, পৃথিবীতে মুসলিম নারীর চেয়ে পবিত্র ও বিশুদ্ধ নারী অন্য কোন ধর্মে নেই।

একজন ইহুদি ভ্রূণ বিশেষজ্ঞ (যিনি একজন ধর্মীয় পণ্ডিতও ছিলেন) খোলাখুলি বলেছিলেন যে, পৃথিবীতে মুসলিম নারীর চেয়ে পবিত্র ও বিশুদ্ধ নারী অন্য কোন ধর্মে নেই।
পুরো ঘটনাটি ঘটেছিল যখন আলবার্ট আইনস্টাইন ইনস্টিটিউটের (Albert Einstein Institution) সাথে যুক্ত একজন ভ্রূণ বিশেষজ্ঞ, ইহুদি পেশাদার রবার্ট, তাঁর ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেন। যার একমাত্র কারণ ছিল, কুরআনে উল্লেখিত তালাক প্রাপ্তা নারীর ইদ্দতের আদেশ সম্পর্কিত আয়াত এবং ইদ্দতের জন্য তিন মাসের সীমা নির্ধারণের পেছনের রহস্য ও হিকমত সম্পর্কে অবগতি।

আল্লাহ তায়ালা কোনো তালাক প্রাপ্তা নারীকে দ্বিতীয় বিয়ের পূর্বে তিন মাসের একটি গ্যাপ রাখতে বলেছেন। তিনি পবিত্র কুরআনে এরশাদ করেন,
وَٱلْمُطَلَّقَٰتُ يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ ثَلَٰثَةَ قُرُوٓءٍۚ
অর্থাৎ 'তালাকপ্রাপ্তা নারীরা তিন মাসিক পর্যন্ত অপেক্ষা করবে' (সূরা আল-বাকারাহ ২২৮:২)
এই আয়াতটি একটি আধুনিক বিজ্ঞান ডিএনএ এর উদ্ভাবনের রাস্তা সুগম করেছে এবং দেখা গেছে যে একজন পুরুষের শুক্রাণুতে থাকা প্রোটিন অন্য পুরুষের থেকে ৬২% পৃথক ও ভিন্ন থাকে।
আর একজন নারীর শরীর একটি কম্পিউটারের মত। যখন একজন পুরুষ তার সাথে ইন্টারকোর্স করে তখন সেই নারীর শরীর সব ব্যাকটেরিয়াকে শোষণ করে এবং তার শরীরে তা ধারণ করে।
অতএব, বিবাহ বিচ্ছেদের পরপরই, যদি একজন মহিলা অন্য পুরুষকে বিয়ে করেন বা একই সাথে বেশ কয়েকজনের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে, তাহলে তার শরীরে বিভিন্ন ধরণের ডিএনএ জমা হয় যা বিপজ্জনক ভাইরাসের রূপ নেয় এবং মারাত্মক রোগ সৃষ্টির কারণ হয়।

বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখে যে, প্রথম মাসিক আসার পর একজন মহিলার শরীর থেকে ৩২% থেকে ৩৫% পর্যন্ত প্রোটিন শেষ হয়ে যায়, এবং দ্বিতীয় মাসিক আসার পর তার শরীর থেকে ৬৭ থেকে ৭২% ডিএনএ ধ্বংস হয়ে যায়। এবং তৃতীয় মাসিকের পর ৯৯.৯% পর্যন্ত প্রোটিন নির্মূল হয়ে যায়। এরপর জরায়ু আগের ডিএনএ থেকে সম্পন্নরূপে পরিষ্কার হয়ে যায় এবং কোন প্রকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই নতুন ডিএনএ গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত থাকে।
একজন গণিকা অনেক পুরুষের সাথে সঙ্গম করে, যার ফলে বিভিন্ন পুরুষের ব্যাকটেরিয়া তার জরায়ুতে প্রবেশ করে এবং বিভিন্ন ধরণের ডিএনএ তার মধ্যে জমা হয়ে সে মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে।

বিধবা মহিলার ক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান হলো, তার ইদ্দত তালাকপ্রাপ্ত মহিলার চেয়ে বেশি অর্থাৎ ৪ মাস ১০ দিন।
এর কারণ হলো দুঃখ ও দুশ্চিন্তার কারণে তার শরীর থেকে প্রাক্তন ডিএনএ দ্রুত শেষ হয় না, এটি শেষ হতে আগের চেয়ে বেশি সময় লাগে, আর এ জন্য মহিলাদের ইদ্দত চার মাস দশ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন,
وَٱلَّذِينَ يُتَوَفَّوْنَ مِنكُمْ وَيَذَرُونَ أَزْوَٰجًا يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًاۖ
অর্থাৎ 'তোমাদের মধ্য হতে যারা স্ত্রীদেরকে রেখে মারা যাবে সে অবস্থায় স্ত্রীরা নিজেদেরকে চার মাস দশ দিন বিরত রাখবে।' (আল-বাকারাহ, ২৩৪)

এই সত্যের মুখোমুখি হয়ে, একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার যুক্তরাষ্ট্রের দুটি ভিন্ন স্থানে গবেষণা পরিচালনা করেন।
এক. আফ্রিকান বংশোদ্ভূত মুসলমানরা যে মহল্লায় থাকেন, সেই সব নারীর ভ্রূণের মধ্যে মাত্র একজন স্বামীর ডিএনএ পাওয়া গেছে।
দুই. অন্য মহল্লা যেখানে আসল আমেরিকান মহিলারা থাকেন, তাদের ভ্রূণের মধ্যে একাধিক অর্থাৎ দুই বা তিন জনের বেশি পুরুষের ডিএনএ পাওয়া গেছে।
অতঃপর যখন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার তার নিজ স্ত্রীর ভ্রূণ ​​পরীক্ষা করলেন, তখন তিনি একটি মর্মান্তিক সত্য দেখতে পান যে, তার স্ত্রীর মধ্যে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন ডিএনএ আছে। যার অর্থ হলো তার স্ত্রী তার সাথে প্রতারণা করছিল এবং তার তিন সন্তানের মধ্যে কেবল মাত্র একজন ছিল তার নিজ সন্তান, বাকিরা ছিল অন্য পুরুষ থেকে।

ডাক্তার তখন নিশ্চিত হন যে ইসলামই একমাত্র ধর্ম যা নারীদের নিরাপত্তা এবং সমাজের সম্প্রীতির নিশ্চয়তা দেয়। এবং এই বিষয়েও নিশ্চিত হন যে, একমাত্র মুসলিম নারীরাই পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন, বিশুদ্ধ ও সতী।
والله ورسوله اعلم عزوجل وصل الله عليه وسلم
ইসলামে একজন মহিলার জন্য এক‌ই সময়ে একাধিক বিয়ে বা একাধিক স্বামী রাখার অনুমতি দেয়া হয়নি কেন!
অবশেষে বিজ্ঞানও আল কুরআনের বিধানের নির্ভুল ব্যাখ্যা করতে সক্ষম হলো।

লেখকঃ মহিউদ্দিন ওসমানী

এই আয়াতটি একটি আধুনিক বিজ্ঞান ডিএনএ এর উদ্ভাবনের রাস্তা সুগম করেছে এবং দেখা গেছে যে একজন পুরুষের শুক্রাণুতে থাকা প্রোটিন অন্য পুরুষের থেকে ৬২% পৃথক ও ভিন্ন থাকে। আর একজন

প্রবাসী জীবন ও দাম্পত্য সম্পর্ক:-শুধু অর্থ নয়,প্রয়োজন সঙ্গও..._

জীবিকার প্রয়োজনে অসংখ্য মানুষ বছরের পর বছর পরিবার থেকে দূরে, বিদেশে জীবন কাটান। তাদের এই ত্যাগ নিঃসন্দেহে সম্মানের দাবিদার। কিন্তু একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন থেকেই যায়—সংসার কি শুধু অর্থ উপার্জন আর খরচ পাঠানোর মাধ্যমে টিকে থাকে ? নাকি একটি সফল বৈবাহিক জীবনের জন্য স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক উপস্থিতি, ভালোবাসা, সময় ও মানসিক সমর্থনও সমানভাবে জরুরি ? বাস্তবতা হলো, দাম্পত্য সম্পর্ক কেবল আর্থিক দায়িত্বের উপর দাঁড়িয়ে থাকে না; এর সাথে জড়িয়ে থাকে আবেগ, অনুভূতি এবং একে অপরের পাশে থাকার প্রয়োজন।

• ১.দাম্পত্য জীবনে সঙ্গ একটি মৌলিক প্রয়োজন-স্বামী-স্ত্রী একে অপরের পোশাকস্বরূপ। তাদের সম্পর্কের ভিত্তি শুধু দায়িত্ব নয়, বরং সান্নিধ্য, ভালোবাসা ও প্রশান্তি। দীর্ঘ সময় দূরে থাকলে এই স্বাভাবিক চাহিদাগুলো অপূর্ণ থেকে যায়।

• ২.অর্থ জীবনের প্রয়োজন পূরণ করে, অনুভূতির নয়-
টাকা দিয়ে খাবার, পোশাক ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করা যায়, কিন্তু একাকীত্ব দূর করা যায় না। মানসিক কষ্ট, অভিমান বা ভালোবাসার অভাব অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।

• ৩.স্ত্রী শুধু ভরণপোষণের অধিকারী নন-
একজন স্ত্রীর অধিকার শুধু আর্থিক নিরাপত্তা নয়; তিনি স্বামীর ভালোবাসা, সময়, মনোযোগ এবং মানসিক সমর্থনেরও অধিকারী।

• ৪.দীর্ঘ বিচ্ছেদ সম্পর্কের উষ্ণতা কমিয়ে দিতে পারে-বছরের পর বছর দূরে থাকার ফলে অনেক সময় সম্পর্কের আন্তরিকতা কমে যায়। নিয়মিত যোগাযোগ থাকলেও বাস্তব উপস্থিতির বিকল্প তৈরি হয় না।

• ৫.সন্তানদের জন্য বাবার উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ-
সন্তানেরা শুধু অর্থ চায় না; তারা বাবার স্নেহ, শিক্ষা, দিকনির্দেশনা এবং সময় চায়। দীর্ঘ অনুপস্থিতি তাদের মানসিক বিকাশেও প্রভাব ফেলতে পারে।

• ৬.একাকীত্ব মানসিক চাপ বাড়ায়-
বিদেশে থাকা স্বামী যেমন একাকীত্ব অনুভব করেন, তেমনি দেশে থাকা স্ত্রীও মানসিকভাবে নিঃসঙ্গ হয়ে পড়তে পারেন। এই নিঃসঙ্গতা ধীরে ধীরে সম্পর্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

• ৭.সম্পর্ক রক্ষায় নিয়মিত যোগাযোগ জরুরি-দূরে থাকলেও নিয়মিত কথা বলা, খোঁজখবর নেওয়া, অনুভূতি ভাগাভাগি করা এবং একে অপরের জীবনের অংশ হয়ে থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

• ৮.শুধুমাত্র দায়িত্ব পালন নয়, সম্পর্ক লালনও প্রয়োজন-
সংসার শুধু চালিয়ে নেওয়ার বিষয় নয়; এটিকে যত্ন নিতে হয়। যেমন একটি গাছকে বাঁচিয়ে রাখতে নিয়মিত পানি দিতে হয়, তেমনি সম্পর্ককেও সময় ও ভালোবাসা দিতে হয়।

• ৯.স্বামী-স্ত্রী উভয়ের আবেগীয় চাহিদা রয়েছে-শারীরিক, মানসিক ও আবেগীয় চাহিদা মানুষের স্বাভাবিক প্রয়োজন। দীর্ঘদিন এই চাহিদাগুলো উপেক্ষিত হলে তা কষ্ট, হতাশা এবং দূরত্বের কারণ হতে পারে।

• ১০.প্রযুক্তি দূরত্ব কমাতে সাহায্য করে, দূরত্ব দূর করে না-
ভিডিও কল, মেসেজ বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিছুটা স্বস্তি দিলেও বাস্তব উপস্থিতি, একসাথে সময় কাটানো এবং পাশে থাকার অনুভূতির বিকল্প হতে পারে না।

• ১১.প্রবাসী জীবনের পরিকল্পনায় পরিবারকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত-
অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের পাশাপাশি দাম্পত্য সম্পর্ক ও পারিবারিক বন্ধন অটুট রাখার বিষয়েও পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন। দীর্ঘ বিচ্ছেদকে স্বাভাবিক হিসেবে মেনে নেওয়া সবসময় সমাধান নয়।

• ১২.একটি সফল সংসার বহু উপাদানের সমন্বয়-ভালোবাসা, সম্মান, দায়িত্ব, ত্যাগ, সময়, সঙ্গ, বোঝাপড়া এবং পারস্পরিক সহযোগিতা—এসব মিলেই একটি সুখী ও স্থিতিশীল দাম্পত্য জীবন গড়ে ওঠে। শুধু অর্থ তার একটি অংশমাত্র, পুরোটা নয়।
(লেখা: আইন উদ্দিন আইনী)
------ ------

( মৃত্যু আসবে যখন তখন...
প্রস্তুতি নিব কখন...?
সজাগ যদি না হয় এখন...?
আসুন আল্লাহকে ভয় করি,সুন্নতী জীবন গড়ি,মৃত্যুকে স্মরণ রেখে পথ চলি...)
_____ ______

{ প্রতিনিয়ত ঈমান আমল সংক্রান্ত দ্বীনি এরকম ভিন্ন ভিন্ন উপকারী পোস্ট পেতে নিচের লিংকে জয়েন থাকুন এবং দ্বীনি দাওয়াতের নিয়তে অন্যদের মাঝে লিংকগুলো ছড়িয়ে দিন। }

▪️আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, কমিউনিটি ও চ্যানেল লিংক-

https://chat.whatsapp.com/I0T4Kth5zSD4baeElhHWkb?s=cl&p=a&ilr=0

https://chat.whatsapp.com/DOuyHyjaqGZIfHsyTGCKGg?s=cl&p=a&mlu=1

https://chat.whatsapp.com/DbwKY2AoLCeICRBYboY2jb?s=cl&p=a&mlu=1

https://chat.whatsapp.com/I0T4Kth5zSD4baeElhHWkb?s=cl&p=a&mlu=1

https://chat.whatsapp.com/ENu7a1JhMeVCHsjNOcFTu8?mode=ems_copy_t

https://whatsapp.com/channel/0029Vb5h90u5Ejxu07mIIK0y

▪️আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপ ও চ্যানেল লিংক-

https://t.me/+NYeNUn0XCp0zZTk1

https://t.me/musalmanbari

আমাদের গ্রুপের নীতি আদর্শ... আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত ও হানাফী মাযহাবের একনিষ্ঠ অনুসারী।

কুমিল্লা চান্দিনায় যা ঘটলো; এটা শুধু একটা ঘটনা না, এটা আমাদের সমাজের লজ্জা, আমাদের নীরবতার ফল।স্বামীর সামনে থেকে একজন স্...
05/07/2026

কুমিল্লা চান্দিনায় যা ঘটলো; এটা শুধু একটা ঘটনা না, এটা আমাদের সমাজের লজ্জা, আমাদের নীরবতার ফল।

স্বামীর সামনে থেকে একজন স্ত্রীকে ছিনিয়ে নিয়ে গণধর্ষণ! এই খবরটা দেখার পরও যদি আমাদের রক্ত না গরম হয়, তাহলে আমরা আসলে বেঁচে আছি কেন?
আজকের এই অপরাধ হঠাৎ করে তৈরি হয়নি। মাদক, বখাটেপনা, বিচারহীনতা আর আমাদের চুপ করে থাকা; এই সবকিছু মিলে আজকের এই নরক তৈরি করেছে।

যে ছেলেরা আজ ধর্ষক, তারা একদিন আমাদের আশেপাশেই বড় হয়েছে! কিন্তু আমরা থামাইনি, আমরা প্রতিবাদ করিনি। সবচেয়ে ভয়ংকর কথা, আজ একজন নারী তার স্বামীর পাশেও নিরাপদ না।

তাহলে এই সমাজে নিরাপত্তা কোথায়?
আর কতদিন আমরা চুপ থাকবো?

আজ যদি প্রতিবাদ না করি, কাল এই ঘটনা আমাদের ঘরেও আসবে। স্পষ্ট কথা; ধর্ষকের কোনো পরিচয় নেই, কোনো দল নেই, ধর্ষক মানেই অপরাধী, মানুষরূপী পশু। তাদের জন্য একটাই বিচার, দৃষ্টান্তমূলক কঠোর শাস্তি।

চান্দিনাকে বাঁচাতে হলে এখনই জেগে উঠতে হবে।
মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে, অপরাধীদের বিরুদ্ধে এক হতে হবে। নীরবতা এখন অপরাধ, প্রতিবাদই একমাত্র পথ।

Address

New York, NY

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Preventing violence against women & children posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share