29/06/2023
এমনেই একটি লিখা আংকেল কে নিয়ে।
উনাকে সালাম দিলে কখনো জবাব শুনতাম না শুধু মাথাটা একটা নিচের দিকে ঝাকি দিতেন ,মানে উনি ওভাবেই সালামের জবাব দিতেন ,ভাবতাম হইতো শেখেননি।চট্টগ্রাম শহরের অভিজাত এলাকায় বড় দালানের মালিক ,ছেলেরা ইউরোপে সেটেল্ড। কোরবানির সময় সবাই উপস্থিত থাকে,বড়ো বড়ো গরু আর জোড়া খাসি জবাই দিতেন।কশাইদের ২গ্রুপ কাজ করে। আংকেল গরু জবাই পর্যন্ত মেইন গেইট খোলা রাখতেন তারপরিই তড়িঘড়ি করেই বন্ধ করে দিতেন।সেই গেইট খোলা হতো বিকেল ৪টাই যেতেন মেয়ের শশুর বাড়ি সাথে দুটো সি এন জি চালিত টেক্সি।উনাকে দেখছি গত ৫বছর এভাবেই দিনটি উদযাপন করেন।কিন্তু এখন আমি দেশের বাইরে তাই তেমন খবরে নেই। বন্ধুর কাছে শুনলাম আংকেল নাকি নরম হয়ে গেছেন হাঁটতে গেলে সাথে একজন লাগে।আর সালাম দিলে নাকি আগের মতো মাথা ঝাকিয়ে জবাবও দিতে পারেনা। হাই প্রেশার আর কোলেস্টেরল এর মতো পেইন নিয়ে চলছেন তার উপর বাইপাস নাকি আঘাত করেছে খুব।সিমীত খাবার খান তেল আর মাংস নাকি খেতে পারছেননা।।।।কিন্তু এবছরো নাকি এলাকায় সবচেয়ে বড় গরু তিনিই আনিয়েছেন রীতি অনুযায়ী তার ছেলেরা এসেছে ঠিক যেভাবে উনি কুরবানী করতেন উনার বড়ো ছেলেও করলো।
মাংস খাওয়ার জন্য পশু জবাই ,লোক দেখানো কুরবানী। বুঝিনা আংকেল এতো মাংস দিয়ে করবে কি উনিতো খেতেই পারেন না রিজিকে না থাকলে কি জোর করে খাওয়া যাই?হইতো উনি উনার বাবা থেকে এভাবেই কুরবানী করা শিখেছেন যেভাবে উনার ছেলে এবছর করলো।
।
কথাগুলো বাস্তবতা থেকে নিয়ে লিখলাম।নিজেকেই নিয়ে ভাবলে কুরবানীর দিন পশু জবাই করা জরুরী নই চাইলে আগেরদিন ও করতে পারেন মাংস খাইতে কি নির্ধারিত দিন লাগে🙂।
Habibs Minhaz
কঠিন কথার জন্য 🙏