Rangoli StoryHub

Rangoli StoryHub যেখানে রঙের ছোঁয়ায় গল্পরা কথা বলে। 🎭 Step into a world of timeless tales, folklore, and magic
তাহলে আর দেরি কেন? চলুন, গল্পের জগতে হারিয়ে যাই!

Like & Follow করে পাশে থাকুন। 💜✨

টানা ৩ বছর এক ফোঁটাও বৃষ্টি হয়নি! তারপর একটা মাত্র ব্রত বদলে দিল পুরো রাজ্যের ভাগ্য। কী সেই অলৌকিক গল্প? জানেন কি, কেন আ...
25/07/2026

টানা ৩ বছর এক ফোঁটাও বৃষ্টি হয়নি! তারপর একটা মাত্র ব্রত বদলে দিল পুরো রাজ্যের ভাগ্য। কী সেই অলৌকিক গল্প? জানেন কি, কেন আগামী ৪ মাস কোনো শুভ কাজ বা বিয়ে করা নিষিদ্ধ? এর পেছনে লুকিয়ে আছে কোন অলৌকিক রহস্য?

‘দেবশয়নী' শব্দের অর্থ হলো—'ঈশ্বরের নিদ্রা'। বিশ্বাস করা হয়, এই বিশেষ দিন থেকে ভগবান শ্রী বিষ্ণু ক্ষীরসাগরে শেষনাগের শয্যায় আগামী চার মাসের জন্য যোগনিদ্রায় মগ্ন হন। এই চার মাসের সময়কালকে বলা হয় 'চাতুর্মাস্য'। যেহেতু পালনকর্তা স্বয়ং নিদ্রায় থাকেন, তাই এই চার মাস বিয়ে, পৈতৃক কাজ বা গৃহপ্রবেশের মতো শুভ ও মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান বন্ধ থাকে এবং মানুষ আধ্যাত্মিক সাধনা ও আত্মসংযমে ব্রতী হয়। চার মাস পর কার্তিক মাসের প্রবোধিনী একাদশীতে ভগবান আবার জেগে ওঠেন।

ভবিষ্যোত্তর পুরাণ অনুযায়ী, সত্যযুগে মান্ধাতা নামে এক পরম ধার্মিক ও প্রজাবৎসল রাজা ছিলেন। তাঁর রাজ্যে প্রজারা অত্যন্ত সুখে-শান্তিতে বসবাস করত। কিন্তু একবার এক ভয়ানক পরিস্থিতির সৃষ্টি হলো—রাজ্যে টানা তিন বছর কোনো বৃষ্টিপাত হলো না। চারিদিকে দেখা দিল তীব্র খরা, দুর্ভিক্ষ এবং হাহাকার।

প্রজাদের এই কষ্ট দেখে রাজা মান্ধাতা অত্যন্ত ব্যথিত হলেন। তিনি এর সমাধানের খোঁজে নিজের সৈন্যসামন্ত নিয়ে বনের দিকে রওনা হলেন। বনে ঘুরতে ঘুরতে তিনি পৌঁছালেন মহান ঋষি অঙ্গিরা-র আশ্রমে। রাজা ঋষিকে প্রণাম করে রাজ্যের এই দুর্দশার কথা জানালেন এবং এর থেকে মুক্তির উপায় জানতে চাইলেন।

ঋষি অঙ্গিরা ধ্যানমগ্ন হয়ে রাজাকে বললেন, "হে রাজন! আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী তিথি অত্যন্ত পবিত্র এবং ফলদায়ী। এই একাদশীর নাম দেবশয়নী একাদশী। তুমি সপরিবারে এবং প্রজাদের সাথে নিয়ে পরম ভক্তিভরে এই একাদশী ব্রত পালন করো। এর প্রভাবে তোমার রাজ্যে অবশ্যই বৃষ্টি হবে, খরা দূর হবে এবং প্রজারা আবার সুখ-শান্তি ফিরে পাবে।"

ঋষির পরামর্শ অনুযায়ী রাজা মান্ধাতা রাজ্যে ফিরে এসে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দেবশয়নী একাদশীর উপবাস ও পুজো সম্পন্ন করলেন। ব্রতের পুণ্যপ্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হলো এবং মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হলো। চারিদিক আবার সবুজ হয়ে উঠল, খরা ও দুর্ভিক্ষ দূর হলো এবং পুরো রাজ্য আবার আগের মতো ধন-ধান্যে ভরে উঠল। সেই থেকে সুখ, সমৃদ্ধি এবং ভগবানের কৃপা লাভের উদ্দেশ্যে এই ব্রত পালন করা হয়ে আসছে।

😀

কীভাবে ভগবান বিষ্ণু লাভ করেছিলেন তাঁর পরম অস্ত্র ‘সুদর্শন চক্র’? পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, সুদর্শন চক্র নির্মাণ করেন দেবশ...
23/07/2026

কীভাবে ভগবান বিষ্ণু লাভ করেছিলেন তাঁর পরম অস্ত্র ‘সুদর্শন চক্র’?

পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, সুদর্শন চক্র নির্মাণ করেন দেবশিল্পী বিশ্বকর্মা।
সূর্যদেবের প্রখর তেজ কমানোর সময় বিশ্বকর্মা সেই অতিরিক্ত দীপ্ত অংশ থেকে তৈরি করেন তিনটি ঐশ্বরিক অস্ত্র—
- শিবের ত্রিশূল
- বিষ্ণুর সুদর্শন চক্র
- ইন্দ্রের বজ্র

বিষ্ণুর হাতে কীভাবে এল?
বিশ্বকর্মা এই মহাশক্তিশালী অস্ত্রটি ভগবান বিষ্ণুকে অর্পণ করেন বিশ্বরক্ষার জন্য।
অন্য একটি কাহিনীতে বলা হয়, মহাদেব শিবের তপস্যা করে বিষ্ণু এই চক্র লাভ করেছিলেন।

সুদর্শন চক্রের বিশেষত্ব:
• চোখের পলকের চেয়েও দ্রুতগামী
• লক্ষ্যভেদ করে আবার বিষ্ণুর কাছেই ফিরে আসে
• অধর্ম বিনাশ ও ধর্ম প্রতিষ্ঠার প্রতীক

ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়

21/07/2026

     জানেন কি, বছরের এই ৩ দিন মা কামাখ্যা মন্দিরের দরজা কেন বন্ধ থাকে? এর পেছনের অলৌকিক সত্যটি চমকে দেবে আপনাকে!অম্বুবাচ...
19/07/2026


জানেন কি, বছরের এই ৩ দিন মা কামাখ্যা মন্দিরের দরজা কেন বন্ধ থাকে? এর পেছনের অলৌকিক সত্যটি চমকে দেবে আপনাকে!

অম্বুবাচী মহোৎসব: মাতৃশক্তি ও ধরিত্রীর বন্দনা
সনাতন ধর্মে বিশ্বাস করা হয়, আষাঢ়ের এই বিশেষ সময়ে আমাদের পালনকর্ত্রী ধরিত্রী মাতা ঋতুমতী হন। এই ৩ দিন সৃষ্টির আদি উৎস, নারীশক্তি এবং প্রকৃতির উর্বরতাকে উদযাপনের সময়।

আসামের কামাখ্যা ধাম থেকে শুরু করে বাংলার ঘরে ঘরে—এই দিনগুলিতে সমস্ত মাঙ্গলিক কাজ ও কৃষিকাজ বন্ধ রেখে ধরিত্রী মাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়। আসুন, এই তিথিতে আমরাও প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই এবং কামাখ্যা মায়ের আশীর্বাদ প্রার্থনা করি।

জয় মা কামাখ্যা!

18/07/2026

Do you know about lord jagannath's fever? Stay tuned....

জগন্নাথ মন্দির কীভাবে তৈরি হয়েছিল? প্রচলিত কাহিনী অনুযায়ী, মালব দেশের রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন স্বপ্নে ভগবান বিষ্ণুর দর্শন প...
15/07/2026

জগন্নাথ মন্দির কীভাবে তৈরি হয়েছিল?

প্রচলিত কাহিনী অনুযায়ী, মালব দেশের রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন স্বপ্নে ভগবান বিষ্ণুর দর্শন পান এবং নীলমাধব রূপে তাঁর পূজার কথা জানতে পারেন। এরপর তিনি Jagannath Temple নির্মাণের সংকল্প করেন।

ভগবানের নির্দেশে সমুদ্র থেকে এক অলৌকিক দারু (পবিত্র কাঠ) ভেসে আসে। সেই কাঠ দিয়েই জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রার মূর্তি নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়।

বিশ্বাস করা হয়, স্বয়ং বিশ্বকর্মা বৃদ্ধ কারিগরের রূপে এসে মূর্তি গড়ার দায়িত্ব নেন। তবে তিনি শর্ত দেন—কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেউ দরজা খুলতে পারবে না।

কিন্তু নির্ধারিত সময়ের আগেই রাজা দরজা খুলে ফেলেন। তখন দেখা যায়, মূর্তিগুলি অসম্পূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভগবানের ইচ্ছা হিসেবেই সেই রূপ আজও পূজিত হয়।

জয় জগন্নাথ

14/07/2026

Do you know about Gupt Navratri, which is celebrated secretly?

একটি ভুল, একটি ভয়ংকর অভিশাপ এবং এক পবিত্র ব্রত—এই তিনের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে যোগিনী একাদশীর মাহাত্ম্য।পদ্মপুরাণে বর্ণি...
12/07/2026

একটি ভুল, একটি ভয়ংকর অভিশাপ এবং এক পবিত্র ব্রত—এই তিনের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে যোগিনী একাদশীর মাহাত্ম্য।

পদ্মপুরাণে বর্ণিত একটি কাহিনি অনুযায়ী, কুবেরের উদ্যানের মালি হেমমালি প্রতিদিন মানস সরোবর থেকে ফুল এনে ভগবান শিবের পূজার জন্য দিতেন। একদিন তিনি স্ত্রী বিশালাক্ষীর সঙ্গে সময় কাটাতে গিয়ে নিজের কর্তব্য ভুলে যান।

এতে কুবের অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হয়ে হেমমালিকে কুষ্ঠরোগে আক্রান্ত হওয়ার অভিশাপ দেন। অভিশপ্ত হেমমালি দীর্ঘদিন কষ্ট ভোগ করার পর ঋষি মার্কণ্ডেয়র আশ্রমে পৌঁছান। নিজের ভুল স্বীকার করে মুক্তির পথ জানতে চাইলে ঋষি তাঁকে যোগিনী একাদশী ব্রত পালনের উপদেশ দেন।

হেমমালি নিষ্ঠার সঙ্গে এই ব্রত পালন করেন। এর ফলেই তিনি অভিশাপমুক্ত হন, সুস্থ শরীর ফিরে পান এবং পুনরায় সম্মান ও সুখের জীবন লাভ করেন।

এই ব্রতের মাধ্যমে মানুষকে পাপ, দুঃখ ও অধঃপতন থেকে মুক্তির পথ দেখানো হয়েছে। অনেকের মতে, যে ব্রত মানুষকে আধ্যাত্মিক উন্নতির পথে বা 'যোগ'-এর পথে নিয়ে যায়, সেই কারণেই এর নাম 'যোগিনী একাদশী'। আবার পুরাণে এই নামটি এই নির্দিষ্ট তিথির ঐতিহ্যবাহী নাম হিসেবেই উল্লেখিত।

আজও লক্ষ লক্ষ ভক্ত বিশ্বাস করেন, ভক্তি ও আন্তরিকতার সঙ্গে যোগিনী একাদশী পালন করলে জীবনের নানা বাধা দূর হয় এবং ভগবান বিষ্ণুর আশীর্বাদ লাভ করা যায়।

11/07/2026

যোগিনী একাদশী
কর্তব্য যদি ভুলে যাই, মোহের বাঁধন টানে,
জীবন তখন পথ হারায় দুঃখেরই অজানায়।
ভুলের শেষে অনুতাপের অশ্রু ঝরে নীরবে,
ক্ষমার আলো ফুটে ওঠে ঈশ্বরেরই তীরে।
যোগিনী একাদশী তাই শেখায় নীরব বাণী—
ক্ষমা মেলে সত্য হৃদয়, ভক্তি হলে জানি।
অন্ধকারের শেষ প্রহরে সূর্য ওঠে নতুন,
বিশ্বাস যেথায় অটল থাকে, সেখানেই মঙ্গল গুণ।

Address

Siliguri

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rangoli StoryHub posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share