Vorer batas

Vorer batas Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Vorer batas, Art, .

Lepcha Jagat...
23/07/2025

Lepcha Jagat...

22/08/2024

নারীদের স্বাধীন নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হোক...🙏🏻
কলমে ও কন্ঠে - লজ্জিত এই নাগরিক।

Happy Parents Day...💝
28/07/2024

Happy Parents Day...💝

"ফেলে আসা স্মৃতি আমার বেদনা জাগায়"...!!!ছোটো তে খুব তাড়া লেগেছিলো," বড়ো হওয়ার"!!মনে হচ্ছে একলাফে কতোটা বড়ো হয়ে গেল...
03/11/2021

"ফেলে আসা স্মৃতি আমার বেদনা জাগায়"...!!!

ছোটো তে খুব তাড়া লেগেছিলো," বড়ো হওয়ার"!!
মনে হচ্ছে একলাফে কতোটা বড়ো হয়ে গেলাম। ছেলেবেলা বেশ আনন্দের ছিলো। কেনো তাড়াতাড়ি বড়ো হলাম !! মাঝে মাঝে "সময়" কে দায়ী করতে মন চায় ... কেমন স্বার্থপরের মতো নিজের গতিবেগ এ বয়ে চলে , একটুও অপেক্ষা করেনা কোনো কিছুর জন্য। স্কুল জীবন যে কতো আনন্দের ছিলো, সেটা এখন খুব ভালো ভাবে জানান দেয়। দিনগুলো কতোটা ভালোবাসার ছিলো। সকালে টিউশন পড়ে এসে, ঐ ১০ মিনিট এর মধ্যে ড্রেস পড়ে রেডি হয়ে ছুটতাম ভাত খেয়ে... গিয়েই প্রেয়ার লাইন এ দাড়িয়ে পড়া। তারপর শুরু হতো ক্লাস, একটানা ৪ তে ৩০ অবধি। মাঝে থাকতো টিফিন এর ব্রেক ... সবাই মিলে বান্ধবীদের মধ্যে ভাগ করে, পিছনের বেঞ্চে আয়েস করে বসে টিফিন খাওয়া। আর তারসাথে থাকতো প্রতিদিন এর নতুন নতুন গল্পের টপিক। একে অপরের গল্প শোনার আগ্রহ বেশী ছিলো। তারপর ছুটির ঘণ্টা ঢং.ঢং.. ঢং... ঢং.... ঢং..... ঢং..... শব্দে বেজে উঠতেই তড়িঘড়ি ব্যাগ নিয়ে ছুটতাম সিড়ি বেয়ে। ঠেলাঠেলি করে সবার আগে এসে গেটের কাছে এসে দাঁড়িয়ে থাকতাম , রাখী আন্টির দরজা খোলার অপেক্ষায়।
এবার ফিরে আসা যাক অভিভাবক এর কথায়। আজ সেই মহীয়সী নারীদের অনুপ্রেরণায় ও আশীর্বাদে এই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি মাটি কামড়ে...
ম্যাম দের ভালোবাসা ছিলো অফুরন্ত, আবার বকুনি টাও ছিলো কম্পালসারি। ওটা না হলে যেন দিনটাই বৃথা কাটতো !! কেননা , কিছুক্ষন পর সেই ম্যাম এর কাছে থেকে আদর টা পাওয়ার মধ্যে অনাবিল সুখ ছিলো। ওনাদের নিয়ে বলা বৃথা চেষ্টা, হয়তো ওনাদের যোগ্য উপমা দেবার সাহস কোনোদিন ও থাকবেনা। তবে হ্যাঁ মানুষগুলোকে দেখলে মাথা টা যেনো নিজে থেকেই ঝুঁকতে চাই পায়ের দিকে। জানিনা আজও অবধি তাদের কতোটা যোগ্য সম্মান দিতে পেরেছি !! তবে অবশ্যই মাতৃসম ভালোবেসেছি। আর সেই ভালোবাসা নিখাদ।
প্রত্যেক টা ক্লাস অ্যাটেন্ড করার মধ্যে আগ্রহ আলাদা ছিলো। আবার কয়েকজন মিলে দু-একটা ক্লাস ফাঁকির মধ্যেই মজাও বেশি ছিলো। যেদিন দেখতাম কেও পড়া করে যায়নি , সেদিন সবাই মিলে বেশ প্ল্যান করে নিতাম ; যাতে ক্লাস টা ফাঁকি যায়। আজকের মতো রেহাই পায়। কোনোদিন ক্লাস রুম ঝাঁট দেওয়ার অজুহাত, আবার কোনো কোনো সময় মাঠ পরিস্কার করার অজুহাত দেখিয়ে বেশ এড়িয়ে যেতাম। তবে যেদিন ধরা পড়তাম সেদিন আর নিস্তার থাকতোনা, কঠিন সাজা পেতাম ।
যেকোনো অনুষ্ঠানে নাম দেওয়া টা ছিল খুব আনন্দের , আগে থেকে একজোট হয়ে দিদি দের নিয়ে মহড়া বসতো টিফিন এর পরেই। হেড ম্যাম এর রুম থেকে হারমোনিয়াম তবলা আনার ধূম বেশীই ছিলো। কোনো কোনো সময় বকুনী খেয়েই ফিরে এসেছি, আবার কিছুক্ষণ পরেই দেখতাম ম্যাম এসেই হাজির। তারপর অনুষ্ঠানের দিনে, সবাই লাল পাড় সাদা শাড়ি পড়ে সাজুগুজু করে স্কুল এ যাওয়া !! সে তো আবেগ ছিলো। হ্যাঁ, তখন এতোটা স্মার্টফোনের চল ছিলোনা ... ছিলোনা এতোটা সেলফির প্রতি অ্যাডিকশন। দিনগুলো বেশীই প্রাণবন্ত ছিলো আমাদের কাছে।
উচ্চমাধ্যমিক এর পরীক্ষা শেষে রেজাল্ট হাতে নিয়ে স্কুল ছেড়ে আসার কষ্ট টা ভাষায় প্রকাশ্যের নয়। থাক স্মৃতিচারণ করে আর মনখারাপ করতে চায়না। আবেগ সামলানো খুব কঠিন ... হয়তো দু গাল বেয়ে ঝড়ে পড়বে।
••এখন ঠিক এই জায়গায় দাঁড়িয়ে মনে হয় সেদিনের কথাগুলো। বেশ ছিলো ঐ ছেলেমানুষী গুলোই। এতোটা চাপ ছিলোনা ক্যারিয়ার নিয়ে, আলাদা করে ভাবতেও হতোনা পরিবারকে নিয়ে। মাথায় এতো দুশ্চিন্তাও কিলবিল করতোনা !!
•••এখন বড়ো হয়ে গেছি...বড্ড বেশী !!

***SATYANARAYAN SISKHA NIKETAN GIRL'S HIGH SCHOOL***
(Picture- Collected from Google).

কলমে-© অদিতি মুখার্জ্জী।

সেদিন আচমকাই তুলেছিলাম ছবিটা !! তারপর অতোটা ভেবে দেখিনি যে ছবিটা ফ্রেমবন্দি করা যেতে পারে। একদিন দুপুরে গ্যালারী ঘাটতে ঘ...
15/09/2021

সেদিন আচমকাই তুলেছিলাম ছবিটা !!

তারপর অতোটা ভেবে দেখিনি যে ছবিটা ফ্রেমবন্দি করা যেতে পারে। একদিন দুপুরে গ্যালারী ঘাটতে ঘাটতে ছবিটা চোখে পড়ে। দেখলাম ভালোই এসেছে তো , তাহলে ছবিটা বাঁধাতে দেবো। বাবাকে ছোট্ট একটা সারপ্রাইজ দেওয়া যেতেই পারে।
আসলে সত্যি কথা বলতে কি , বাবা ছবি তুলতে খুব অপছন্দ করে। আমি জোর করে টেনে এনে ছবি তুলি ,তাও খুব বিরক্ত হয়। শেষমেষ তোলার পর ছবিটা দেখি একদম ভালো আসেনি, কেঁপে গেছে নাহলে চোখ বন্ধ হয়ে গেছে l আমি বলে নয় , আজও অবধি যাঁরা ছবি তুলতে চেয়েছে বাবার সাথে তারাও একই কথাই বলেছে।
জানিনা কেন তুলতে চায়না !! উত্তর আমার কাছে অজানা !!
বাবা বরাবর সাধারণ জীবনযাপনে অভ্যস্ত। ছোটো থেকে আজও অবধি আমি এটাই দেখে আসছি। নিজের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসটিও কিনতে দেখিনি। মন চাইলেই কোনোদিনও সবচেয়ে দামী প্যান্ট, জামা টা আমরা বাবাকে পড়াতে পারিনি। যেটুকু না হলেই নয়, সেটুকু নিয়ে চলে। আমি বড়ো হবার পর জেদ ধরে সবকিছু করাই। তাও অনেক বকা ঝকা দিয়ে। ঠাকুমা, মা আজও অবধি যা পারেনি তা কিছুটা হলেও আমার দ্বারা হয়। আমাকে খুব একটা এড়িয়ে যেতে পারেনা। একটু আধটু ভয় পাই, জানে মামন খুব জেদী। যদি রেগে যায় তাহলে ও আবার মুড নিয়ে থাকবে। কথা বলাই বন্ধ করে দেবে । তাই কিছুটা চাপে পড়েও করে।
আসলে সত্যি কি !! কারোর দুর্বলতা কেউ জেনে ফেললে তা খুবই খারাপ। আমি হলাম বাবার দূর্বল জায়গা, আর সেই সুযোগ টা বেশ ভালোই কাজে লাগাই। তবে হ্যাঁ, সেই জায়গায় আঘাত করিনা কখনো বরং "দূর্বলতা" টা ভালো কাজেই ব্যাবহার করা হয়।
যাইহোক এবার আসা যাক মূল কথাতে....
সোমবার সকালে ছবিটি নিয়ে আসি। আপাতত ফ্রিজের উপরে রাখা ছিলো। সন্ধ্যায় বাবা মন্দির থেকে বাড়ি এসে, ফ্রেশ হয়ে বারান্দায় চেয়ার এ বসে বেশ গল্প করছে জেঠুর সাথে। আমি সেই ফাঁকে উঠে এসে ছবিটি নিয়ে গিয়ে বাবার হাতে ধরিয়ে দিলাম। বাবার এক্সপ্রেশন টা ছিল দেখার মতোন। কী অবাক হয়ে দেখছিল !! হাসিটা বাহ্যিক ভাবে প্রকাশ না করলেও , ঠোঁট এর কোণে যে স্পষ্ট সেটা খুব ভালো বুঝতে পারলাম।
আমাকে বলছে, "কখন এসব করলি মামন ? কিছু টের পেলাম না যে! কি যে করিসনা তুই ।"
আবার জেঠু কে বলছে , " এ মেয়ে কখন কি যে করে !! কিন্তু ছবিটা খুব ভালোই এসেছে বল বড়দা ?"

হা হা হা... আমিও বুঝলাম খুব পছন্দ হয়েছে বেটার। কথাবার্তায় স্পষ্ট আনন্দের বহিঃপ্রকাশ।
কিছু চাওয়ার নেই তোমাদের থেকে। এভাবেই যেন ছোটো ছোটো বিষয় গুলোতে তোমাদের আনন্দ দিতে পারি। ছোটো থেকে কস্ট কী জিনিস তা বুঝতে দাওনি আজও অবধি। তোমাকে কোনোদিন ও আমার ভালোবাসার সীমানা বোঝাতে পারবো না বাবা। আমি জানি , আমার প্রবল অভিমানের কান্নার সুর তুমি শুনতে পাও। আমার আনন্দের উল্লাস তুমি বুঝতে পারো। আমার ব্যাথার ছটফটানি তুমি উপলদ্ধি করতে পারো। তোমার জন্য রাজি আছি নিজেকে হারাতেও। তোমাদের সুস্থতা আমার মনের জোর বাড়িয়ে দেয়। তোমাদের অসুস্থতা আমাকে ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দেয়। তোমাদের ভালো থাকা আমাকে স্বর্গ সুখ এনে দেয়।
আমাকে নিয়ে তোমার প্রতিদিন এর স্বপ্ন দেখা একদিন স্বার্থক হবেই হবে। তোমার রক্ত আমার শরীরজুড়ে, তাই তোমার মতোন তীব্র জেদ আমার ও আছে। হার মেনে নুইয়ে যাবার মেয়ে আমি নয়। তোমার মতন সৎ , বড়ো মনের আদর্শ মানুষ খুব কমই দেখেছি। আমি গর্বিত , আমি তোমার কন্যা। আমি তোমার মামন।

আমার চিরসবুজ বাবা হয়েও থেকে যেও।❤️

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Vorer batas posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your establishment to be the top-listed Arts & Entertainment?

Share