sanku2026

ভোরের আর দেরি নেই শরতের আলো মেখে শ্রাবণটা দূর থেকে দূরে সরে যাচ্ছে সকালের শিউলি পদ্মরা চোখে মুখে সে শোভা মেখে প্রকৃতির ব...
05/10/2026

ভোরের আর দেরি নেই
শরতের আলো মেখে শ্রাবণটা
দূর থেকে দূরে সরে যাচ্ছে
সকালের শিউলি পদ্মরা চোখে মুখে সে শোভা মেখে প্রকৃতির বুকে তা ছড়াচ্ছে
মা আসছে মা আসছে মা আসছে
নতুন কাপড়ের গন্ধে বিকালটা আচ্ছন্ন
চিন্তার ঘরদোর স্থির এক ক্যানভাসে
ঘুমের ঘেরা পেরিয়ে যেনো অশ্বিনী মা আই খোকা আয় খুকি বলে কাছে ডাকছে
মনে মনে বনে বনে ওই আকাশের বুকে পেঁজা সাদা মেঘ গুলো একটু একটু করে দিন দিন কাশবনে নিজেদের লুকাচ্ছে
আরে মা আসছে আসছে প্রিয় আসছে
ওই যে আকাশ পারে নীল পরী অপেক্ষার আঁখি মেলে দাঁড়িয়ে শারদ আলপনার চিত্তে কত না মধুর হাসি হাসছে
ওই আলোর পথেই দেবী লাল পাড় সাদা শাড়ি গায়ে আলতা পায়ে শিশির আয়নায় মুখ তুলে স্ব দল বলে ভালোবাসার রঙে প্রতিটি মনবাগান দাপাচ্ছে
প্রকৃতির প্রভাতী সংগীত দেখো না বন্ধু সেই সুরে ভাসছে
মা আসছে মা আসছে মা আসছে।
জয় মা দুর্গা 🌎🙏🏻

হর হর মহাদেব ছোট গল্প কলমির আছে ধোসেকলমে চঞ্চল মন ✍🏻আমাদের বিধানসভার সবচেয়ে কাছে প্রথম গ্রাম আমাদেরই গ্রামটি একবারে আমা...
03/10/2026

হর হর মহাদেব
ছোট গল্প
কলমির আছে ধোসে
কলমে চঞ্চল মন ✍🏻
আমাদের বিধানসভার সবচেয়ে কাছে প্রথম গ্রাম আমাদেরই গ্রামটি একবারে আমাদের অঞ্চলের সাথে জুড়েই রয়েছে। আমাদের পর থেকে প্রত্যেকটা গ্রাম চালু হবে।
আমার মনে আছে আমাদের বাজার আমাদের হাট একসঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত বাজারটি ছিল যে যার নিজের বাড়ির নিচে বড় বড় জামাকাপড়ের দোকান সাইকেল গ্যারেজ মুদি দোকান চপ সিঙ্গারা মানে কলকাতায় যা পাওয়া যায় আমাদের ওখানেও ওথায় সব পাওয়া যায়। কিন্তু হাট টা ছিল বোসেদের বোসেরা জমিদার বংশ থেকে বিলং করে অন্তত এক ডের বিঘা জমি জুড়ে জমিটা ওই অঞ্চলের সমস্ত চাষীরা ভোর ভোর আগের দিন বিকালে তুলে রাখা জলে ভিজিয়ে কুয়াশায় রেখে দেওয়া জমি থেকে সবজি তুলে নিয়ে গিয়ে ওখানে কেজি দরে পাইকারি দরে বিক্রি করে। আমরা তখন ছোট ছিলাম এটা ৯৬ এর আশেপাশের ঘটনা ক্লাস ফোর ফাইভে পড়ি, জ্ঞান তো হয়েছে হালকা রাস্তা ও চিনতে পেরে ছি কিভাবে বাবার সাইকেল নিয়ে এক বস্তা সবজি বিক্রি করে বাড়ি ফিরতে হয় কিভাবে বাজারে যেতে হয় কিভাবে বাজারে থেকে জিনিসপত্র কিনতে হয় কোন দোকানে কি পাওয়া যায়। আমার বাবা কাকারা অনেকটা জমিতে চাষ করে আলু সবজি তিসি ধান সব সবকিছুই হয়, আমরা তখন সেইসব জমির ভেতর দু চার কাটা জায়গা জুড়ে আমাদের মনের মতো বাবা কাকাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া এক টুকরো জমি নিয়ে ধনেপাতা পেঁয়াজের পেঁয়াজ কলি বিভিন্ন রকম শাকসবজি সারা শীতকাল জুড়ে আলু জমিগুলোতে বেতো শাক বলে একটা শাক তৈরি হতো। ওটা চাষ করতে হতো না আপনি আপ হতো এখনো হয় তা আগের মত নয় এখন কমে গেছে। তো রাসায়নিক সার তখন গোবর সার ইউজ হতো আমি দেখেছি আমারা সারা বছরের গোবর জমানো গোবর সারা মাঠে ফেলে তাকে মাটির সাথে মেশানো হতো ট্রাক্টর লাঙ্গল দিয়ে চাষ হতো এখন তো শুধু ইউরিয়া ডিএপি এই সবই ব্যবহার হয়। গল্পটা বলার আগে কিছুটা গল্পের চরিত্রকে বিশ্লেষণ করা দরকার আছে আমি মনে করি আমি কি গল্প বলছি
আপনারা কষ্ট করে একটু পড়ে নিন পড়ে নেবেন।
আমরা তখন প্রাইমারি স্কুলে পড়ি ক্লাস ৪কী৫ এরপর হাই স্কুলে যাওয়ার কথা সেই সময়ের ঘটনা।
আমাদের ওখানে পৌষ মেলা গুলো খুব বিখ্যাত নদীর পাড়ে ছোট নদীর পাড়ে বিশাল বিশাল মেলা বসে, ওই মেলাতে অনেক কিছু নতুন নতুন আইটেম খেলনা খাওয়া-দাওয়া অনেক কিছু হয় ওর জন্য। পরিবার তো দেয় দশ-বিশ পঞ্চাশ দেয়। আমরা যদি ওই শীতকালটা একটু কাজ করে নিয়ে যায়। তা আমাদের পকেটে ১০০ ১৫০ টাকাও পর্যন্ত হতে পারে। তখন ৯৬ এ।
তো আমরা ওই দু চার কাটা জমিকে আমাদের মনের মতো ফসল লাগাতাম সেই সব ফসল আর বেতো শাক নিয়ে ভোর ভোর সকাল আটটায় টিউশনি আর ‌স্কুলে যাওয়ার আগে তখন ১১ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত প্রাইমারি স্কুলগুলো চলত বামফ্রন্ট জামানা এখন তো স্কুলে খাওয়া দাওয়া সব কিছু দেয়। আমাদের টাইমে সত্যি কথা বলবো একটা রুটি পায়নি আমরা। সি
সেলেট পেন্সিল আর প্লাস্টিকের ইউরিয়া ডিএপির ব্যাগ আর কিশলয় সহজপাঠ আর বামফ্রন্টের উপপ্রধান পিসিমা এখনো বেঁচে আছে। আমাদের শিক্ষিকা। এত বড় একটা কঞ্চি রাখতো একটু-আধটু ভুল হলেই পিঠে পড়তো। আরে সেই সময়ের ঘটনা গল্পে আসি।
আমি মনে আছে এলমনিয়ামের পাঁচ পয়সা থেকে শুরু দশ পয়সা স্টিলের ২৫ পয়সা গুন্ডার মার্কা আঠানা এক টাকা বড় বড় কয়েন এগুলি ইউজ করেছি।
আমার মত আমার গ্রামের অনেকগুলো ছেলেপুলেই নিজেদের হাত খরচার বা শীতকালীন কিছু ইনকাম নিজেদের মত করার জন্য আগের দিন বিকেল বেলায় এক ঝুড়ি বেতো শাক পিয়াজ কলি আলু শাক কলমি শাক যে যার মত ভ্যারাইটিস শাকসবজি তুলে রাখত। পরের দিন বাবার সাইকেলের পেছনে বেঁধে হাটে একটা বিশাল বড় রক ছিলো বুড়ো শিবের যেটা হাটের ব্যবসায়ীদের মন্দির ভোলে বাবা তার রকে আমরা যত বাচ্চা কমেটি ভোলে বাবার রকে বসে আমরা বিক্রি করতাম ভাগা হিসাবে। মনে আছে বাজারের যত সরকারি চাকরি ব্যাংক হাই স্কুল মাস্টার দোকানদার আমাদের কাছে সকাল সকাল সবজি কিনে নিয়ে বাড়ি ফিরতো । কখনো কখনো পুকুরের ধারের কুলেখাড়া আর একগাদা করে শালুক নল বিক্রি করতাম। আমরা মন্দিরের চাতালে বসে অন্তত ১৫-২০ টাকার ব্যবসা করতাম সকাল সকাল তখন আট আনা প্লেট ঘুগনি পাওয়া যায়। দু টাকায় মুড়ি চপ ঘুগনি খাওয়া যায়।
এবারে বলি, ওই মন্দিরের পাশেই বোসেদের ছোট ছেলে ধনেশ্বর বোস ওরফে ধোসে এই ডাক নামটা হাস্যকর তাই না কিন্তু কত বড় ঘরের ছেলে যার বাবার নিজের হাট যাদের নিজেদের তখনকারের জমিদারি বিশাল ঘেড়াবেড়া পুকুর বাড়ি। এই হাটের প্রত্যেকটা কর ওর বাবা ছোট ছেলে ধোসে আর বুড়ো শিব মন্দির কমিটির হাতে তুলে দিয়ে গেছে তার কারণ এর পরের পরিচ্ছদে
শুভ রাত্রি। হর হর মহাদেব

পথে পথে ধুলোয় ধুলোয় পড়ে থাকনা ভালোবাসা সকাল কিংবা ওই গোধুলি আলোয় এ মনের কায়া মেখে তোমার ছায়া তোমার নামের ফেরিওয়াল...
03/10/2026

পথে পথে ধুলোয় ধুলোয় পড়ে থাকনা ভালোবাসা সকাল কিংবা ওই গোধুলি আলোয়
এ মনের কায়া মেখে তোমার ছায়া
তোমার নামের ফেরিওয়ালা কবিতা আমার জানো তো সোনা সেই গানটাই গাই।
তোমায় আমি বড্ড বেশি ভালোবাসি এটুকু বলতে চাই।
আমার ভাবনার ফুলদানির এই রজনীগন্ধা আমার হৃদয়ের রক্ত রাঙ্গা গোলাপ 🌹 তুমি সুগন্ধা
শুধু তোমাকে খুঁজে বেড়ায়
তোমার চোখের কাজল কালোয় অক্ষরগুলো
ওই হৃদয়ের খবর নিতে কবিতা হয়ে যায়।
সব ভুলের দুঃখ ভুলে নতুন সূর্য ওঠার গল্প
পাহাড়ি ঝর্না হয়ে নেমে আসুন এই ভগ্ন জানালায়
মহাদেব আমার কবিতা কেই চাই 🌎🙋🏻🌹

দেব  কি দেব মহাদেব হর হর মহাদেব 🌎🙏🏻
30/09/2026

দেব কি দেব মহাদেব হর হর মহাদেব 🌎🙏🏻

মহাদেব প্রণাম তোমার স্মরণেকারণে অকারণে আর মরণে আর বারনে তবুও প্রণাম চরণে
29/09/2026

মহাদেব প্রণাম তোমার স্মরণে
কারণে অকারণে আর মরণে আর বারনে তবুও প্রণাম চরণে

বন্ধুগণ কেমন আছেন সবাই ভালো আছেন তো রাধে রাধে, হর হর মহাদেব 🌎🙋🏻
25/09/2026

বন্ধুগণ কেমন আছেন সবাই ভালো আছেন তো রাধে রাধে, হর হর মহাদেব 🌎🙋🏻

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when sanku2026 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your establishment to be the top-listed arts & entertainment?

Share