18/07/2026
কবিতা সকলন
বিপ্লব
--------------------------------------------------------------------------
সূচিপত্র
১)বিপ্লব
২)এই সব সুখ জীবনে বারে বারে ফিরে ফিরে আসুক
৩)প্রকৃতির ভাষা
৪)শরতের দেশে
৫)কাজের ভোর
৬)আসবে আবার মা
৭) দাদা
৮) ভাই ফোঁটা
৯) বইমেলা
১০) নমস্কার
--------------------------------------------------------------------------
বিপ্লব
সুজিত মন্ডল
জানি ভয় যদি পাই আমি মৃত্যুকে,
দানবেরা চাইবে কাঁদাতে আমায়, বহু শোকে।
সৎ ভাবনা থাকে বেঁচে চিরদিন,
আন্দোলনই করে প্রমান, নই দূর্বল
আমরা, নই আমরা হীন।
সকল সত্তা চায় শৃঙ্খল মুক্ত হতে,
পিশাচের অধিনে, চায়না থাকতে পরাধীন।
এভাবে একসাথে চালিয়ে গেলে লড়াই,
হিংস্ররা পাবেনা কোথাও ঠাঁই।
সঙ্ঘবদ্ধ থাকলে, পাওয়াযাবে সকল বিচার,
নৃশংস অত্যাচার হবেনা দেখতে বার বার।
সকল ভয়কে রেখে সরিয়ে দূরে,
এসো মেলাই সুর আজ আন্দোলনের সুরে।
এসো মিছিলে সকলে একসাথে পা ফেলি,
হি্ংস্রতায়, দেবনা রক্তে রাঙাতে আর
মাতৃভূমির ধূলি।
--------------------------------------------------------------------------
এই সব সুখ জীবনে বারে বারে ফিরে ফিরে আসুক
সুজিত মন্ডল
জ্যোৎস্নার পুলক ঝরে পাতায় পাতায়
বসন্তের সন্ধ্যায়।
ভেসে আসা কোকিলের সুমধুর কণ্ঠ,
মোহময় করে তোলে এসময়,
কতোদিন পর বক পানকৌড়িদের গাছে গাছে
বসে থাকা দেখতে পাওয়ার সন্ধ্যা আসে,
শ্রাবণের বৃষ্টি ধারার মতো
মিষ্টি জ্যোৎস্নায় মন ভাসে।
সন্ধ্যার জ্যোৎস্নার বন্যায় ভেসে যাওয়ায়
অবিরত কোকিলের কন্ঠের প্লাবন,
সবুজ গাছ গাছালি, কোমল ঘাসের নিস্তব্ধ
মাঠে মাঠে ডেকে আনে মন।
অন্তরের কথা বলা নদী চরে বসে থাকা সঙ্গীরা
গৃহে ফিরে যায়,
প্রতিদিন নির্জনে ওরা, মনের কিছু কথা বলতে চায়।
ঘর বাঁধলে ওরা, নতুন নতুন সঙ্গীরা আবার আসবে,
চিরদিন এভাবেই ওরা প্রাণের ভাষায় ভালবাসবে।
শিমুল পলাস কৃষ্ণচুড়া আছে ফুটে বসন্তের বার্তা দিতে,
বড় মনোহর ওই, লাল রঙ মিশে আকাশের আকাশিতে।
এসময়ে বাতাসে বাতাসে,
বেল জুঁই রজনীগন্ধার সৌরভ থাকে মিশে।
এই সব পাওয়াতেই, আমার অনেক আনন্দ।
কিছু সময় আগেই
বিকেলে লাল রঙ গোলা আকাশে,
সূর্য ডুবে যাচ্ছিল।
পাখিরা ফিরে যাবার পর,
সন্ধ্যার আকাশে হেসে হেসে তারারা দেখা দিল।
এই সব সুখ,
জীবনে বারে বারে ফিরে ফিরে আসুক,
আঙিনায় গভীর স্নিগ্ধতায়, অমনই সন্ধ্যা প্রদীপ জ্বলুক।
--------------------------------------------------------------------------
প্রকৃতির ভাষা
সুজিত মন্ডল
মাটির এই শরীর
মিশে যাবে একদিন ভারতের মাটিতে,
স্বাধীনতার লড়াইয়ের ক্ষেত্র থেকে জীবন চলে যাওয়ার পর।
গৌরব বোধ হয় ভেবে,
ভারত আমার ঘর।
ভারতের আদর্শ স্বাধীনভাবে বাঁচতে শেখায়,
সুস্থভাবে বাঁচার জন্য,
প্রত্যেকটি দিন ঐক্যের বাণী ছড়িয়ে যায়।
দেখি ভুবনে সর্বত্র তার পবিত্র চিত্র
ভাবে আকাশ প্রানের ক্ষুধার কথা,
ঋতুতে ঋতুতে তাই দিয়ে যায় বৃষ্টি।
প্রাণের সুখের জন্য
আকাশ, বাতাস, মৃত্তিকা, রোদ্দুর, জল, সবুজ
মিলে মিশে প্রতিনিয়ত নব নব সৃষ্টি।
প্রাণের জন্য জগতে সর্বত্র গভীর সংঘবদ্ধতা,
ফোটে ফুল, ফলে ফসল,
মাটি থেকে ফোটে মুখে কথা।
ভারত সৃষ্টির, ভারত জ্ঞানের, সংহতির,
ভারত চেতনার আলো,
আনন্দ উৎসাহ উদ্যম সৃষ্টির, ভারত দেখায় পথ।
ভাঙে শৃঙ্খল পরাধীনতার, ভাঙে বন্দির কারাগার,
প্রত্যেকটি দিনের ভাষা, জাগ্রত করে মন,
অবনীতে আলোকিত করে জীবন।
--------------------------------------------------------------------------
শরতের দেশে
সুজিত মন্ডল
বৃষ্টি শেষে শরতের দেশে,
সবুজ তৃণর প্রান্তর পেরিয়ে,
শালুক, কমল ভরা কলমির দিঘীর কাছে যাবো,
আনন্দ হচ্ছে ভাবতে।
প্রিয় কাশফুলে ভরা, আমার খেলার বিসৃত মাঠ,
থাকবে সেজে নতুন ঋতুতে,
আকৃষ্ট করে নীল আকাশে ভেসে ভেসে
থাকা মেঘের বাহার।
উড়ে উড়ে চলেযায় দূরে দূরে
বক শালিখেরা, খুঁজে পেতে দিনের আহার।
মাটির জীবনের ভালবাসার কল্পনায়,
তোমার শরতে কতো সুরে সুরে,
বাজবে আমার মনবীনা।
লাল হয়ে ঝরে থাকা বাদাম পাতার
ফাগুনের পথে, ঝরা শিউলির আহ্বান,
আমার অনেক দিনের চেনা।
সব দিন নিয়ে খেলা আমার,
ভাললাগার জন্য তোমার।
বৃষ্টির প্রকৃতির ছন্দে, জীবন বৃহতে হাসিতে হাসিতে,
গড়েছো আমায় এমন করে,
মাটির অন্তরের গভীর প্রকাশ ভালবাসিতে।
এভাবেই কতো বেলা চলে যায়,
গোধূলিতে তখনও নদীতে মাঝি নৌকায়।
ওই রক্তিম মেঘে মেঘে আগামীর নিশ্চয়তার চিত্র কতো,
মেলে ধরে, সন্ধানী চোখের চাওয়ায়।
বাঁধন যতো যায় ভেসে,
প্রতিটি দিনে,
শত শত পত্রের মতো অনন্ত অঙ্কন পাওয়ায়।
--------------------------------------------------------------------------কাজের ভোর
সুজিত মন্ডল
নিজে ভিজে গেলেও, কোনভাবেই ভিজতে
দেওয়া যাবেনা, খবরের কাগজগুলো।
সারাদিন যদি বৃষ্টি পড়ে,
সারাদিনই ভিজে ভিজে হবে পৌঁছে দিতে, সমস্ত খবরের কাগজগুলো,
যেভাবেই হোক, সংবাদপত্র রাখতে হবে যত্ন করে আগলে।
যাবেনা পড়া আর খবর, যাবেনা পাওয়া পয়সা,
মূল্যবান খবরের কাগজগুলো ভিজেগেলে।
স্টুডেন্ট পারবে দিতে টিউশনের মাইনে,
কারো সংসারের হবে উপকার, অর্থ পেলে।
তাই সারাদিনই ভিজে ভিজে, খবরের কাগজগুলো
তাড়াতাড়ি হবে দিতে বাড়ি বাড়ি।
কোন কোন দিন, বৃষ্টির জল গায়েই যায় শুকিয়ে,
শেষ হয় কাজ, সকল কাগজ ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়ে।
হতেপারে শরীর খারাপ, দীর্ঘ সময় ভিজে থেকে,
এভাবেই সারাজীবন, করেযায় কাজ কতো মানুষ, জীবন বাজি রেখে।
পড়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ খবর, কতো মানুষ সাগ্রহে অপেক্ষা করে থাকে।
এতো যত্নকরে, কষ্ট করে, রাখেন যিনি সংবাদপত্র রক্ষা করে,
দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে দেবার জন্য,
কতো তিনি মহান, দায়িত্ববান।
চিরদিন থাকবে মনে, দেশের লড়াকু, সৎ, সংগ্রামী মনুষের অবদান।
ওই লড়াকু, সংগ্রামী মানুষগুলোকে দেখে,
জীবনযুদ্ধে কতো মানুষ হয় উদ্বুদ্ধ।
আসুক যতোই কষ্ট, দুঃখ জীবনে,
যেতে যেতে এগিয়ে আলোর ঠিকানায়,
সমস্ত প্রতিবন্ধকতার বিরুদ্ধে, আমরণ করেযাবো আমি যুদ্ধ।
যুগের পর যুগ, ক্ষেতে ক্ষেতে,
কৃষকের অমানুষিক পরিশ্রম দেখে, কতো প্রাণ হয় উজ্জীবিত,
দুবেলা অন্নের জন্য, তুচ্ছ ভেবে জীবনকে,
শ্রমিকদের লড়াই দেখে, জীবন সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ,
চির সংগ্রামী শ্রমিকের সন্তান আমি,
সংগ্রামের অভিজ্ঞতা ছাড়া, জীবনে কি আর আছে দামী?
যেতেই হবে এগিয়ে, চমকাক যতোই বিদ্যুৎ,
হোক বৃষ্টি, যাক বয়ে যতোই বাদলের ঝোড়ো হাওয়া,
লড়াই করেই জীবনযুদ্ধে, সংসারে সুখ যাবে পাওয়া।
চলছে এভাবেই সংগ্রাম নিরন্তর,
থাকে সজাগ মন, থাকে সজাগ দুটি আঁখি,
ফুটবে কখন আলো, আসবে কখন কাজের ভোর।
--------------------------------------------------------------------------আসবে আবার মা
সুজিত মন্ডল
প্রতি বছরের মতো এবছরও শঙ্খ বাজিয়ে,
খুব ভোরে দিয়েছে মা ফোঁটা দুয়ারে।
ষষ্ঠীর পুজোয় দেয় মা অঞ্জলী,
দিগন্তে দিগন্তে সেজেছে কাশেরা,
ফুটেছে পুজোর পদ্ম ফুটেছে খুশির শালুক,
শরতের কথা সৌরভে সৌরভে ছড়িয়েছে শিউলি।
বেজেছে ঢাক কাঁসর শঙ্খ, ধূপ ধুনো প্রদীপ জ্বলেছে।
দীপ্ত হয়েছে মন অশুভ নাসিনী মাকে দেখে,
আসবে আবার মা অন্তর বলেছে।
শারদীয়ার আলোয় আলোয় আকাশ বাতাস খুশিতে গেছে ভেসে,
করেছে মুখরিত পৃথিবী মায়ের পজোর পবিত্র মন্ত্র, দেশে দেশে।
নতুন পোষাকে শিশুরা খেলেছে কতো, মায়ের প্রাঙ্গনে,
কচি কচি হাতে করেছে প্রণাম দুর্গা মাকে,
পেয়েছে আনন্দ অনেক মনে মনে।
দিয়েছে সিঁদুর বিজয়াতে একে অপরকে, মুখে শাঁখায় সিঁথিতে,
চিরদিন সিঁদুরে সিঁদুরে হয়ে লাল, থাক অমনই মা বোনেদের কপাল।
হাসিমুখে সবাই করেছে মাকে বরণ,
করেছে মিষ্টি মুখ,
কতো উৎসব এমন করে,
জানিয়েছে আহ্বান সংহতির,
বিশ্ব সংসারে থেকেছে অব্যাহত সুখ।
--------------------------------------------------------------------------
দাদা
সুজিত মন্ডল
চিত্রা ভাবছে এবার পুজোয়
দাদা বাড়িতে আসলে,
সহজে দেবে না যেতে।
না-না অছিলায় অনেকদিন,
রেখেদেবে দাদাকে আঁটকে।
লক্ষীপুজো, ভাইফোঁটার পরে,
দেবে যেতে দাদাকে।
চিত্রা বোঝে, অনেক কাজ দাদার
চাইবে না থাকতে তাই অতোদিন বাড়িতে,
যতোদিন যায় রাখা দাদাকে,
চায় সে চেষ্টা করতে।
ভারি সুন্দর শরতের দিনগুলো,
শিউলির সৌরভে সৌরভে -
ভোরের ফোটে আলো।
ছুটিতে বাড়িতে আসলে দাদা
বাচ্ছদের খেলনা, সবায়ের পোশাক,
কতো কিছু নিয়ে আসে।
লাগে রঙ শালুকে, পদ্মে,
লাগে রঙ আকাশে, কাশে কাশে
ইসারায় ডাক দিয়ে তুলো-রঙা মেঘ,
দুর দেশে কেমন যায় ভেসে ভেসে।
কি কি রান্না করে খাওয়াবে দাদাকে চিত্রা -
অনেক দিন ধরে, মনে মনে ভেবে ফেলেছে,
দাদার জন্য সবাই বাড়ির
অপেক্ষা করে আছে।
--------------------------------------------------------------------------
ভাই ফোঁটা
সুজিত মণ্ডল
ভাই ফোঁটার দিন, নেব ফোঁটা বোনের থেকে,
ফোঁটা দিয়ে বোন কামনা করে মঙ্গল, শুভ, বাজিয়ে শঙ্খ,
তুলেদেয় মিষ্টি মুখে, ভাই ফোঁটার দিনে, নেব ফোঁটা বোনের থেকে।
১
খুশিতে ওঠে ভরে, সুন্দর এই দিনটিকে ঘিরে,
আসি ছুটে বার বার, বোনের কাছে, যেভাবেই থাকি যতদূরে।
থাকি অপেক্ষায় একটি বছর, এই দিনটির জন্য,
ব্যস্ত যতই থাকি কাজে, দিনটি এই ভুলি না কখনো।
২
আমরা ভাই বোনরা মিলে, ভরিয়ে তুলি বাড়ি খুশিতে,
আসুক চিরদিন ফিরে, এই দিনটি বার বার,
ভাই ফোঁটায় খুশিতে উঠুক ভরে ঘর সবার।
চাই এভাবেই, চিরদিন সবাইকে সুখ দিতে।
আমরা ভাই বোনরা মিলে, ভরিয়ে তুলি বাড়ি খুশিতে।
৩
দিয়ে কপালে ফোঁটা, শুভ কামনা করে, জীবনযুদ্ধে
বরণ করে ভাইকে, বোনের অর্পণ বীরের সম্মান।
ধরনী যেমন তার সন্তানকে রাখে আগলে বুকে,
তেমনই বোন চায় দেখতে ভাইকে, সুখে।
দিকে দিকে রয় কেমন হেসে প্রকৃতি, কলকারখানায় কঠোর পরিশ্রম
করা শ্রমিকদের জন্য, সীমান্তে সীমান্তে পাহারায় থাকা সৈনিকদের জন্য,
দোরে দোরে মায়ের আঁচল ধরে ঘোরা, শিশুর জন্য,
দেশে দেশে ফলে, ঘাম, রক্ত, ঝরা পরিশ্রমের ধান।
দিয়ে কপালে ফোঁটা, শুভ কামনা করে, জীবনযুদ্ধে
বরণ করে ভাইকে, বোনের অর্পণ বীরের সম্মান।
এ যে ভাইকে বোনের শ্রদ্ধা, সম্মান, আবাহমান আশীর্বাদ,
এ যেন ফসলের দিনে, কৃষকের মনে আনন্দ অবধি।
ধরনী সন্তানকে লালন পালনের মতো, প্রকৃতির এই অফুরান দান।
--------------------------------------------------------------------------
বইমেলা
সুজিত মণ্ডল
মানবের মহামিলনে জগতে ঐক্য রয়।
মিলে সব, পুস্তকমেলায়, আনন্দ কতো হয়।
করি কামনা, মানবের মহামিলনের আয়োজন।
মনের সাথে, মিলনে মনের, মনের ব্যাপ্ত আকাশে,
পায় নতুন নতুন বন্ধু মন।
করি কামনা, মানবের মহামিলনের আয়োজন।
১
মানবের মহামিলনে, হয় ধন্য জীবন।
পুণ্যভূমে, হয় পুণ্য মন, বিশ্বমানব সমাগমে।
বহে আনন্দধারা, ধরাধামে।
মানবের মহামিলনে, হয় ধন্য জীবন।
পুণ্যভূমে, হয় পুণ্য মন, বিশ্বমানব সমাগমে।
২
বিশ্বসৌভাত্রত্বের বন্ধন, রবে অটুট, আন্তর্জাতিক পুস্তকমেলায় আছ্বানে।
বিশ্ব-শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প, সাংস্কৃতিক, কৃটির সাথে,
থাকে সুদৃঢ় বন্ধন, পুস্তক আদান প্রদানে।
বিশ্বসৌভাত্রত্বের বন্ধন, রবে অটুট, আন্তর্জাতিক পুস্তকমেলায় আহ্বানে।
অক্ষর, শব্দ, বাক্য শিশুর বিকশিতের মতো, চেনায় পৃথিবী।
বিশ্ব-শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প, সাংস্কৃতি, কৃষ্টির সাথে,
থাকে সুদৃঢ় বন্ধ পুস্তক আদান প্রদানে।
বিশ্ব-সৌভাতৃত্বের বন্ধন, রবে অটুট, আন্তর্জাতিক পুস্তকমেলায় আহ্বানে।
অক্ষর, বাক্য, শন্দ, শিশুর বিকশিতর মতো চেনায় পৃথিবী,
কোন অচিন বাউলের সুরের কথা, শোনায় ভালবাসার কবি।
কতো মানুষের সাথে হয় পরিচয়, হঠাৎ বহু দিনের
চেনা, সুজন-সাহিত্যিকের সাথে, পথে দেখা হয়ে যায়।
ফুলের মতো দিন আনন্দের, করে খেলা মনের আভিনায়।
৩
বিবেক হলে জাগ্রত, করি দেশের মঙ্গল, করি দেশের ভালো।
প্রার্থনা আমার, আরো, আরো প্রভু, হৃদয় থেকে পবিত্র
এমনই, অন্তরে আমার, প্রদীপ জ্ঞানের জ্বলো।
বিবেক হলে জাগ্রত, করি দেশের মঙ্গল, করি দেশের ভালো।
৪
পুস্তকের দানে, বৃষ্টির ভুবনে দিগন্ত ভরা সবুজের মতো, হয় জ্ঞানের ব্যাপ্তি।
অম্পৃশ্য পারে না ছুঁতে পবিত্র, ছড়ায় পুস্তক পৃথিবীতে, শিক্ষার মন্ত্র।
হয়েওঠে মানব, সৃষ্টির জ্যোতি।
পুস্তকের দানে, বৃষ্টির ভুবনে দিগন্ত ভরা সবুজের মতো, হয় জ্ঞানের ব্যাপ্তি।
৫
মৃত্তিকার ফুলে, জ্যোৎস্নার খেলা করার ন্যায়,
বর্ণ, শব্দ, বাক্য, ছন্দ করুক খেলা,
জীবনে আমার সমস্ত বেলা।
সহস্র সহস্র বৎসর, হোক আয়োজিত,
আন্তর্জাতিক বিশ্ব-মানব মিলন পুস্তক মেলা।
--------------------------------------------------------------------------
নমস্কার
সুজিত মন্ডল
আপনাদের সবাইকে জানাই নমস্কার,
পারি যেন লিখে য়েতে আমারন সেই গান
য়ে গানে প্রাণ উৎসাহ পায় বাঁচার,
আপনাদের সবাইকে জানাই নমস্কার।
১
সবায়ের সুখে হযে সুখি,
দুঃখে হয়ে দুঃখি
করবো আমরা লড়াই,
বাঁচাবো আমরা বিপদে
সবাই সবায়ের পাশে থেকে।
সবাই থাকুক সুখে
ত্রই প্রার্থনা আমার
আপনাদের সবাইকে জানাই নমস্কার।
২
লিখে য়েতে চাই গান ভালবেসে বৃষ্টিকে,
শিশুর মুখে খেয়ে চুমো
এঁকে যাবো ক্যানভাসে ক্যানভাসে সূর্যের সৃষ্টিকেL
এযে জীবনের গান
এযে লড়াইয়ের গান আমার
আপনাদের সবাইকে জানাই নমস্কার।
৩
বুকের মাঝে আছে জেগে
লড়াইয়ের গান জীবনের,
প্রার্থনা আমার এ গানে
সব জীবন হোক সুখের।
পারি যেন লিখে য়েতে আমারন সেই গান
য়ে গানে প্রাণ উৎসাহ পায় বাঁচার
আপনাদের সবাইকে জানাই নমস্কার।