Bharatiya Kala Vikash Kendra

  • Home
  • Bharatiya Kala Vikash Kendra

Bharatiya Kala Vikash Kendra Cultural Examination Council, under a Govt. Registered National Organisation, empanelled with NITI Aayog & Ministry of Handicrafts, Govt.

of India, mission is to preserve India’s heritage through Affiliation , Examination, Certifications.📞9836491854

আজকের ফেসবুকের ট্রেন্ড আর স্ক্রিন-টাইমের ভিড়ে 'আবৃত্তি প্রতিযোগিতা' কি শুধুই একটা মেডেল বা সার্টিফিকেট জেতার লড়ায়ের নাম?...
22/07/2026

আজকের ফেসবুকের ট্রেন্ড আর স্ক্রিন-টাইমের ভিড়ে 'আবৃত্তি প্রতিযোগিতা' কি শুধুই একটা মেডেল বা সার্টিফিকেট জেতার লড়ায়ের নাম? নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে আরও বড় কোনো শিক্ষা?

অনেকেই মনে করেন, কবিতা আবৃত্তি মানে হয়তো কেবল কয়েকটি লাইন মুখস্থ করে মঞ্চে বলে দেওয়া! কিন্তু আসল বিষয়টি একেবারেই তা নয়। শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিত্ব গঠন ও সার্বিক বিকাশে আবৃত্তি প্রতিযোগিতার ভূমিকা অপরিসীম।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, শিক্ষামূলক দৃষ্টিকোণ থেকে আবৃত্তি প্রতিযোগিতার প্রয়োজনীয়তা ঠিক কতখানি:

১. শুদ্ধ উচ্চারণ ও স্পষ্ট বাচনভঙ্গি
স্পষ্ট ও শুদ্ধ উচ্চারণে কথা বলা একটা বড় গুণ। আবৃত্তি চর্চার মাধ্যমে শব্দের সঠিক উচ্চারণ, কোথায় থামতে হবে (যতিচিহ্ন) এবং কণ্ঠের ওঠানামা শেখা যায়। এটি পরবর্তীতে সুন্দর কথা বলার অভ্যাস গড়ে তোলে।

২. আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি ও মঞ্চভীতি দূরীকরণ
শত শত মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলা বা উপস্থাপনা করা সহজ নয়। আবৃত্তি প্রতিযোগিতা শিশুদের ছোটবেলা থেকেই মঞ্চভীতি কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে এবং তাদের ভেতরের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

৩. শব্দভান্ডার ও সাহিত্যপ্রীতি
প্রতিযোগিতার জন্য নতুন নতুন কবিতা পড়ার প্রয়োজন হয়। এর ফলে শিক্ষার্থীদের শব্দভান্ডার যেমন সমৃদ্ধ হয়, তেমনই রবীন্দ্রনাথ, নজরুল বা জীবনানন্দের মতো কবিদের রচনার সাথে পরিচয় ঘটে। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি একটা স্বাভাবিক টান তৈরি হয়।

৪. আবেগ প্রকাশ ও মানসিক স্বাস্থ্য
কবিতার ভেতরে লুকিয়ে থাকা আনন্দ, দুঃখ, লড়াই বা প্রকৃতির রূপকে কণ্ঠের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে হয়। এটি শিক্ষার্থীদের মনের জমাট বাঁধা অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ করতে শেখায়, যা তাদের মানসিক বিকাশের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।

৫. মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি
একটি পুরো কবিতা মনে রাখা এবং তা আবেগ দিয়ে উপস্থাপন করার জন্য গভীর মনোযোগের প্রয়োজন হয়। নিয়মিত চর্চায় শিক্ষার্থীদের স্মৃতিশক্তি ও পড়াশোনায় মনসংযোগ বাড়ে।

৬. হার-জিত মেনে নেওয়ার মানসিকতা
যেকোনো প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের শেখায় কীভাবে জয়ে নম্র থাকতে হয় এবং পরাজয়ে মন খারাপ না করে নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হয়।

আবৃত্তি প্রতিযোগিতা শুধু বিজয়ী হওয়ার পথ দেখায় না, এটি একজন মানুষকে গুছিয়ে কথা বলতে, চিন্তা করতে এবং নিজের ব্যক্তিত্বকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে। তাই সন্তান বা শিক্ষার্থীদের কেবল পড়ার বইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে কবিতার হাত ধরতে উৎসাহিত করুন!

আপনার সন্তানের বা আপনার নিজের কোনো প্রিয় আবৃত্তি করা কবিতা আছে কি? কমেন্টে জানাতে পারেন! ---- সম্রাট চট্টোপাধ্যায়

#আবৃত্তি #শিক্ষা #বাঙালি_সংস্কৃতি #আবৃত্তি_প্রতিযোগিতা #পাবলিক_স্পিকিং

Today, the Regular Drawing Examination of Bharatiya Kala Vikash Kendra is being conducted successfully at its affiliated...
21/07/2026

Today, the Regular Drawing Examination of Bharatiya Kala Vikash Kendra is being conducted successfully at its affiliated centre, Pencil and Hues Art Classes, Pune, Maharashtra. We are delighted to see our students showcasing their creativity, dedication, and artistic skills with great enthusiasm.

We extend our heartfelt best wishes to all the students appearing for today's examination. May your hard work, confidence, and passion for art lead you to outstanding success.

Wishing every participant a bright and colourful future. All the very best!

ধ্রুপদী সঙ্গীতশিল্পীদের সামাজিক জীবন: সুর সাধনা ও বাস্তবতার এক অনবদ্য ভারসাম্য ধ্রুপদী বা ক্লাসিক্যাল সঙ্গীত আমাদের সংস্...
18/07/2026

ধ্রুপদী সঙ্গীতশিল্পীদের সামাজিক জীবন: সুর সাধনা ও বাস্তবতার এক অনবদ্য ভারসাম্য

ধ্রুপদী বা ক্লাসিক্যাল সঙ্গীত আমাদের সংস্কৃতির এক অমূল্য সম্পদ। একজন ধ্রুপদী সঙ্গীতশিল্পীর মঞ্চের পরিবেশনা যতটা মুগ্ধকর, পর্দার আড়ালের জীবন ঠিক ততটাই নিয়মানুবর্তিতা এবং ত্যাগে ভরা। ভারতীয় কলা বিকাশ কেন্দ্রের আজকের বিশেষ আলোচনায় আমরা আলোকপাত করব এই গুণী শিল্পীদের সামাজিক জীবনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও শিক্ষণীয় দিকের ওপর:

১. রেয়াজের একাকীত্ব বনাম মঞ্চের কোলাহল :
একজন ধ্রুপদী শিল্পীর জীবনের সিংহভাগ সময় কাটে নিভৃতে, কঠোর রেয়াজ বা সুর সাধনার মধ্য দিয়ে। যখন সমাজের সমবয়সী অন্য মানুষেরা উৎসবে বা আড্ডায় মগ্ন থাকেন, তখন একজন শিল্পী নিজেকে একটি বন্ধ ঘরে সুরের সাথে বেঁধে রাখেন। এই দীর্ঘ সময়ের একাকীত্ব ও সাধনার পরেই জন্ম নেয় মঞ্চের সেই অনবদ্য পরিবেশনা, যা হাজারো শ্রোতাকে আপ্লুত করে। তাদের জীবন মূলত এই চরম একাকীত্ব এবং মঞ্চের বিপুল সামাজিকতার এক অদ্ভুত ভারসাম্য।

২. সঙ্গীতকেন্দ্রিক সামাজিক বৃত্ত :
সাধারণত দেখা যায়, শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পীদের সামাজিক যোগাযোগের পরিধি বা ফ্রেন্ড সার্কেল মূলত অন্য শিল্পীদের সাথেই গড়ে ওঠে। দীর্ঘ সময় ধরে একসাথে রিহার্সাল, গুরু-শিষ্য পরম্পরার ঐতিহ্য রক্ষা এবং কনসার্ট ট্যুরের কারণে তাদের মানসিক জগৎটা একই সুতোয় গাঁথা থাকে। ফলে সঙ্গীত জগতের বাইরের মানুষের পক্ষে অনেক সময় তাদের এই কঠোর রুটিন ও জীবনধারা অনুধাবন করা কঠিন হয়ে পড়ে।

৩. উৎসবের দিন ও পেশাদারিত্বের দায়বদ্ধতা :
সাধারণ মানুষের জন্য যা ছুটির দিন বা উৎসবের আনন্দ, একজন পেশাদার সঙ্গীতশিল্পীর জন্য সেটাই বছরের সবচেয়ে ব্যস্ততম সময়। দুর্গাপূজা, দীপাবলি, নববর্ষ বা যেকোনো বড় সাংস্কৃতিক উৎসবে যখন সবাই পরিবার নিয়ে আনন্দ করেন, তখন এই শিল্পীরা দূর-দূরান্তে শ্রোতাদের সুরের আনন্দ দিতে কনসার্টে ব্যস্ত থাকেন। ফলে পারিবারিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা তাদের জন্য অনেক বড় একটি চ্যালেঞ্জ।

৪. ডিজিটাল যুগে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রচার :
বর্তমান সময়ে ধ্রুপদী শিল্পীদের সামাজিক জীবন শুধু মঞ্চের ভেতরেই সীমাবদ্ধ নেই। প্রযুক্তির কল্যাণে সোশ্যাল মিডিয়াকে কাজে লাগিয়ে তারা এখন সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছেন। পর্দার পেছনের কঠোর পরিশ্রম, রাগের পরিচিতি বা শিক্ষণীয় নানা তথ্য শেয়ার করার মাধ্যমে তারা নতুন প্রজন্মের কাছে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতকে আরও সহজপাঠ্য ও আকর্ষণীয় করে তুলছেন।

৫. পারফেকশনিজমের মানসিক চাপ :
ধ্রুপদী সঙ্গীতে সামান্যতম ভুলেরও কোনো স্থান নেই। সুর, তাল ও লয়ের এই নিখুঁত মেলবন্ধন বজায় রাখার তাগিদ তাদের ওপর এক বিশাল মানসিক চাপ সৃষ্টি করে। এই 'পারফেকশনিজমের' কারণে অনেক সময় কনসার্টের আগে তারা সামাজিক মেলামেশা থেকে নিজেদের সম্পূর্ণ গুটিয়ে নেন এবং অন্তর্মুখী হয়ে পড়েন।

উপসংহার:

ধ্রুপদী সঙ্গীতশিল্পীদের সামাজিক জীবন হয়তো সাধারণ মানুষের মতো চটুল বা নিয়মতান্ত্রিক নয়, কিন্তু সংস্কৃতির প্রতি তাদের এই আত্মত্যাগই আমাদের সমাজকে মানসিকভাবে সমৃদ্ধ করে। তাদের এই নীরব সাধনা ও পরিশ্রমকে সম্মান জানানো আমাদের প্রত্যেকের কর্তব্য।

আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্টে আমাদের জানান।

হৃদয়ের আরাধনায় নজরুলের ভক্তিগীতিভক্তিমূলক নজরুলগীতি বাংলা সংগীতের এক অমূল্য সম্পদ। এই গানগুলোর মাধ্যমে কবি কাজী নজরুল ...
13/07/2026

হৃদয়ের আরাধনায় নজরুলের ভক্তিগীতি

ভক্তিমূলক নজরুলগীতি বাংলা সংগীতের এক অমূল্য সম্পদ। এই গানগুলোর মাধ্যমে কবি কাজী নজরুল ইসলাম মানুষের হৃদয়ে ভক্তি, প্রেম, মানবতা এবং ঈশ্বরের প্রতি গভীর বিশ্বাসের আলো জ্বালিয়েছেন। তাঁর ভক্তিমূলক গান কেবল ধর্মীয় অনুভূতির প্রকাশ নয়, বরং মানুষের আত্মার শান্তি, আশা এবং ভালোবাসার এক চিরন্তন আহ্বান।

কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন মানবতার কবি। তিনি কখনো ধর্মকে বিভেদের কারণ হিসেবে দেখেননি। তাঁর বিশ্বাস ছিল—সব ধর্মের মূল শিক্ষা হলো প্রেম, সত্য, ন্যায় এবং মানুষের কল্যাণ। তাই তাঁর ভক্তিমূলক গানে যেমন আল্লাহর প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও আত্মসমর্পণের সুর ধ্বনিত হয়েছে, তেমনি মা কালী, শিব, কৃষ্ণ ও রাধার প্রতি গভীর ভক্তি ও অনুরাগও সমানভাবে প্রকাশ পেয়েছে। এই অসাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গিই নজরুলগীতিকে করেছে অনন্য ও সর্বজনগ্রাহ্য।

নজরুলের ইসলামি ভক্তিমূলক গানে আল্লাহর অসীম দয়া, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি শ্রদ্ধা, রমজানের পবিত্রতা, ঈদের আনন্দ এবং ইসলামের মহান আদর্শ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। অন্যদিকে তাঁর শ্যামাসংগীত ও ভজনে এক সন্তানের মায়ের প্রতি আকুল আর্তি, ভক্তের হৃদয়ের ব্যাকুলতা এবং ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের গভীর আকাঙ্ক্ষা অনুভূত হয়। তাঁর গান শুনলে মনে হয়, মানুষের সব দুঃখ, কষ্ট ও অশান্তি যেন ঈশ্বরের চরণে গিয়ে শান্তির আশ্রয় খুঁজে পায়।

ভক্তিমূলক নজরুলগীতির আরেকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এর গভীর আবেগ ও হৃদয়স্পর্শী ভাষা। সহজ শব্দ, সুরেলা সংগীত এবং আন্তরিক অনুভূতির কারণে তাঁর গান মানুষের হৃদয়কে সহজেই স্পর্শ করে। আনন্দের মুহূর্তে, দুঃখের সময়ে কিংবা জীবনের কঠিন বাস্তবতায় তাঁর ভক্তিমূলক গান মানুষকে সাহস, আশা ও মানসিক শক্তি জোগায়। তাঁর সুরে ভক্তি যেমন আছে, তেমনি আছে ভালোবাসা, ক্ষমা, সহমর্মিতা এবং মানবতার অমলিন বার্তা।

আজও বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক আয়োজন, বেতার, টেলিভিশন এবং সংগীত শিক্ষায় ভক্তিমূলক নজরুলগীতির গুরুত্ব অপরিসীম। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাঁর গান শুনে ধর্মীয় সম্প্রীতি, নৈতিকতা এবং মানবপ্রেমের শিক্ষা লাভ করছে। সময়ের পরিবর্তন হলেও তাঁর গানের আবেদন আজও একটুও ম্লান হয়নি; বরং মানুষের হৃদয়ে নতুন করে শান্তি ও প্রেরণার সঞ্চার করে চলেছে।

ভক্তিমূলক নজরুলগীতি শুধু গান নয়, এটি মানুষের হৃদয়ের ভাষা, ভক্তির আর্তি এবং মানবতার এক উজ্জ্বল প্রতীক। কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর সৃষ্টির মাধ্যমে আমাদের শিখিয়েছেন যে ঈশ্বরের কাছে পৌঁছানোর সবচেয়ে বড় পথ হলো ভালোবাসা, সত্য, সহমর্মিতা এবং মানুষের সেবা। তাই ভক্তিমূলক নজরুলগীতি যুগে যুগে মানুষের হৃদয়ে ভক্তির প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখবে এবং বাংলা সাহিত্য ও সংগীতের আকাশে চিরদিন উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।


পুরুষ নৃত্য শিল্পীদের কিছু সমস্যা ও সম্ভাবনার দিক কি কি ?আজকাল আমাদের চারপাশে শিল্পচর্চা নিয়ে অনেক কথা হলেও, একটা বিষয়ে ...
11/07/2026

পুরুষ নৃত্য শিল্পীদের কিছু সমস্যা ও সম্ভাবনার দিক কি কি ?

আজকাল আমাদের চারপাশে শিল্পচর্চা নিয়ে অনেক কথা হলেও, একটা বিষয়ে আমরা এখনো একটু থমকে যাই। তা হলো—পুরুষ নৃত্যশিল্পী বা মেল ড্যান্সারদের জীবন।

পায়েল পায়ে গলিয়ে মঞ্চে ঝড় তোলা একটা ছেলের গল্প কিন্তু সবসময় শুধু তালি আর প্রশংসায় মোড়া থাকে না। তার পেছনে থাকে এক অদৃশ্য লড়াই। চলুন আজ একটু মন খুলে কথা বলা যাক পুরুষ নৃত্যশিল্পীদের কিছু সমস্যা আর দারুণ সব সম্ভাবনার দিক নিয়ে!

⚠️ মুদ্রার ওপিঠ: যে সমস্যাগুলোর মুখোমুখি হতে হয়
সামাজিক ট্যাবু ও 'লুকোচুরি' মনমানসিকতা: "ছেলেমানুষ হয়ে নাচবে?"— এই একটা বাঁকা কথা বা টিপ্পনী এখনো অনেক প্রতিভাকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করে দেয়। নাচকে এখনো অনেকে শুধু মেয়েদের আর্ট ফর্ম মনে করেন, যা একদমই ভুল ধারণা।

আর্থিক অনিশ্চয়তা: আমাদের দেশে নাচকে পেশা হিসেবে নেওয়াটা এমনিতেই চ্যালেঞ্জিং, আর ছেলেদের ক্ষেত্রে পরিবারের হাল ধরার একটা বাড়তি সামাজিক চাপ থাকে। ফলে আর্থিক স্থায়িত্ব পাওয়াটা শুরুর দিকে বেশ কঠিন হয়ে পড়ে।

সহযোগিতা ও অ্যাকাডেমির অভাব: অনেক সময় ছেলেরা প্রথাগত ক্লাসিক্যাল ড্যান্স শিখতে চাইলে উপযুক্ত মেন্টর বা সহকর্মী পেতে বেগ পায়। কোরিওগ্রাফিতেও মেল ড্যান্সারদের জন্য স্পেস অনেক সময় সীমিত থাকে।

🕺 মুদ্রার এপিঠ: অফুরন্ত সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত
ইউনিকনেস ও ডিমান্ড: সত্যি বলতে, এখনকার পারফর্মিং আর্টসে ভালো পুরুষ নৃত্যশিল্পীর ভীষণ অভাব। তাই যারা ডেডিকেশন নিয়ে টিকে থাকেন, থিয়েটার, সিনেমা, মেগা রিয়েলিটি শো কিংবা ইন্টারন্যাশনাল স্টেজে তাদের চাহিদা কিন্তু তুঙ্গে!

শারীরিক ও মানসিক ফিটনেস: নাচ মানেই কেবল মুদ্রা নয়, এতে প্রয়োজন অসম্ভব শারীরিক শক্তি, ব্যালেন্স আর স্ট্যামিনা। জিম বা স্পোর্টসের মতোই নাচ একজন পুরুষকে মানসিকভাবে দৃঢ় আর শারীরিকভাবে ফিট রাখে।

নতুন যুগের ক্যারিয়ার: এখন শুধু স্টেজে নাচার দিন শেষ। ডিজিটাল কন্টেন্ট ক্রিয়েশন, গ্লোবাল ওয়ার্কশপ, ড্যান্স থেরাপি এবং নিজস্ব স্টুডিও খোলার মাধ্যমে আজ অনেক ছেলেই স্বাবলম্বী এবং সফল এন্টারপ্রেনার হয়ে উঠছেন।

দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন: জেনারেশন জেদ বা নতুন প্রজন্ম কিন্তু আর্টকে জেন্ডার দিয়ে বিচার করে না। তারা প্রতিভাকে সম্মান জানাতে জানে। ফলে দিন দিন সমাজ আরও ইতিবাচক হচ্ছে।

শেষ কথা:
নটরাজ শিবের তাণ্ডব থেকে শুরু করে উদয় শঙ্কর— নাচের ইতিহাস কিন্তু পুরুষের হাত ধরেই সমৃদ্ধ হয়েছে। তাই নাচ কোনো জেন্ডারের ফ্রেমে বন্দি নয়, নাচ হলো আবেগের বহিঃপ্রকাশ।

আপনার আশেপাশে যদি এমন কোনো প্রতিভাবান ভাই বা বন্ধু থাকে, যে সব বাধা পেরিয়ে ঘুঙুর বাঁধার সাহস দেখিয়েছে, তাকে আজই মেনশন করুন আর জানান গভীর শ্রদ্ধা! - সম্রাট চট্টোপাধ্যায়, সাংবাদিক।


Remembering Shukhalata Rao - A Life That Filled Childhood with Stories and HopeSome people leave behind monuments of sto...
10/07/2026

Remembering Shukhalata Rao - A Life That Filled Childhood with Stories and Hope

Some people leave behind monuments of stone. Shukhalata Rao left behind something far more enduring—the dreams, imagination, and smiles of countless children.

On her 57th Death Anniversary, we pay our heartfelt tribute to Shukhalata Rao (23 October 1886 – 9 July 1969), the pioneering Bengali children's author, artist, and social worker whose gentle words continue to inspire generations.

Born in Kolkata, she believed that every child deserved the joy of learning through stories. With warmth, simplicity, and creativity, she opened the doors of literature to young minds, nurturing curiosity, kindness, and a lifelong love for reading. Her books were more than stories—they were lessons in humanity, imagination, and hope.

Her compassion reached far beyond literature. Through her lifelong service to the welfare of women and children, she showed that true education is rooted in empathy and care for others.

Though she passed away in Kolkata on 9 July 1969, her presence lives on in every child who discovers the magic of books and in every reader who cherishes the richness of Bengali literature.

Today, we remember not only a gifted writer but a compassionate soul who made childhood more beautiful. Her words continue to illuminate young minds, reminding us that the greatest legacy is one that lives on in the hearts of future generations.

Thank you, Shukhalata Rao. Your stories will continue to inspire, comfort, and guide generations to come.

A Tribute to Padma Vibhushan Teejan BaiToday, India mourns the loss of one of its greatest cultural icons, Padma Vibhush...
07/07/2026

A Tribute to Padma Vibhushan Teejan Bai

Today, India mourns the loss of one of its greatest cultural icons, Padma Vibhushan Teejan Bai**, whose remarkable journey and extraordinary talent brought the timeless tradition of Pandavani to audiences across the world.

Born into humble circumstances, Teejan Bai overcame immense social and personal challenges to become a voice that resonated far beyond the villages of Chhattisgarh. With unmatched passion, expressive storytelling, and a commanding stage presence, she breathed life into the stories of the *Mahabharata*, making every performance an unforgettable experience. Her art was not merely a performance—it was a celebration of India's rich heritage, values, and oral traditions.

For decades, she dedicated her life to preserving and promoting Indian folk culture. Through countless performances in India and abroad, she introduced millions to the beauty of Pandavani, earning international acclaim while remaining deeply connected to her roots. Her achievements were recognized with some of India's highest civilian honours, including the Padma Shri,Padma Bhushan, and Padma Vibhushan.

Teejan Bai was more than a legendary artist; she was a symbol of resilience, determination, and the power of tradition. She inspired generations of performers, especially young women, to pursue their dreams fearlessly and to take pride in their cultural identity.

Her passing on 5 July 2026 leaves an irreplaceable void in the world of Indian folk arts. Yet, legends never truly leave us. Every rendition of Pandavani, every story of the Mahabharata sung with devotion, and every artist inspired by her journey will keep her spirit alive.

Thank you, Teejan Bai, for gifting the world your voice, your courage, and your lifelong devotion to India's cultural heritage. Your legacy will continue to inspire generations to come.

06/07/2026

আজ ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন। দিকে দিকে নানা অনুষ্ঠান, মূর্তি প্রতিষ্ঠা। কিন্তু কেমন ছিল সেই প্রস্তুতি!কালনা থেকে শুভদীপ চ্যাটার্জির প্রতিবেদনে দেখবো কালনার বিখ্যাত ভাস্কর- হস্তশিল্পী জগত মন্ডলের হাতের কাজ। স্ত্রী বুলটি মন্ডল এ কাজে শিল্পী কে সহযোগিতা করছেন। ভারতীয় কলা বিকাশ কেন্দ্র হস্তশিল্পীদের বিভিন্ন কাজ নিয়মিত তুলে ধরে। উৎসাহ দেয়। আপনারাও শিল্পীদের সম্মান জানান, উৎসাহিত করুন।

Address

Nabapally , Barasat

700126

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bharatiya Kala Vikash Kendra posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Bharatiya Kala Vikash Kendra:

Shortcuts

  • Want your establishment to be the top-listed Arts & Entertainment?

Share