Rohit Ghoshal

  • Home
  • Rohit Ghoshal

Rohit Ghoshal কবিতা

চিপাগলি সংবাদরহিত ঘোষালকিছু গলি জন্ম থেকেই কূপগলি,ওরা আমার স্মৃতি ছুঁয়ে আছে,কাঁচা বাজারের দিকে একাধিক প্রবাহিতকেরানিদের ...
29/05/2026

চিপাগলি সংবাদ
রহিত ঘোষাল
কিছু গলি জন্ম থেকেই কূপগলি,
ওরা আমার স্মৃতি ছুঁয়ে আছে,
কাঁচা বাজারের দিকে একাধিক প্রবাহিত
কেরানিদের শতখানেক বার পারাপার,
জীবিকার পত্তনকালে কিছু প্রকোষ্ঠ অন্ধ রয়ে গেছে, রুজি-রুটি শরৎগুপ্ত রোড হয়ে চরিত্রমাধুর্যে জড়তা কাটিয়ে চচ্চড়ি চষে বেড়ায়।
প্রকৃত সৌভাগ্য যখন ধরাশায়ী— ধীরে ধীরে তর্কবিতর্ক চিপাগলির বিড়ালের রোমাঞ্চ নিয়ে তরুণ-তরুণীদের রক্তিম মনে ঐশ্বর্য, বিরিয়ানি, কাবাব, পরোটা, ঘোরাঘুরির পরে সন্ধ্যা জয় করে ফিরে নিস্তরঙ্গ হয়ে যায়। তামাকের প্রামাণ্যচিত্র তদানীন্তন বহুত বছর দেখা-সাক্ষাৎ নেই এমন বন্ধুর সাথে আলাপ করিয়ে দেয়,
আমার সামনে সেই বন্ধুও ফুরিয়ে যায়, গোলমেলে সময় কীভাবে কীভাবে এক রহস্যোপন্যাস অথবা এক পুরনো সাম্রাজ্যের জমিদার হয়ে ওঠে।
আমি আবার এক ভরা বৃষ্টির দিনে শহরে ফিরেছি, খবর পেলাম অচিন্ত্যদা মারা গেছেন, আঘাত পেলাম, পকেটে তখন মাত্র ১৩ হাজার টাকা, বাথরুমে জল নেই,
সুষমিত সব ধাপ, বৈঠকী ঘর, আমি করি সম্পাদনা— অর্পা করে রান্না, দূর-দূরান্ত পৌঁছায় আমাদের কাছে, আমরা খাওয়াদাওয়া করে নিই— অর্পা বাসন মাজে, আমাদের কান্না ও ঘুম একসাথে আসে, আমাদের আয়ু বড়োজোর আর এক শতাব্দী— এই কথা শুনে মুখ টিপে হাসে অর্পা।

২৬/০৬/২৩

#কবিতা
#রহিতঘোষাল

বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত গুচ্ছ কবিতা #কবিতা
19/05/2026

বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত গুচ্ছ কবিতা

#কবিতা

nusorgo-bd.blogspot.com

আনন্দবাজারের Aaro Ananda পত্রিকায় প্রকাশিত আমার একটি কবিতা, লিংক ছুঁয়ে পড়তে পারেন
11/05/2026

আনন্দবাজারের Aaro Ananda পত্রিকায় প্রকাশিত আমার একটি কবিতা, লিংক ছুঁয়ে পড়তে পারেন

জীবনপ্রবাহে অগণিত অভিঘাত, প্রথাগত পথের সংশয় আর স্বপ্ন অপহরণের ছায়া। শহরের আঁধার গলি ও মহাজ্ঞানের মর্গমুখী যাত্র....

এই শতাব্দীর প্রেমের কবিতা সংকলনে প্রকাশিত
28/04/2026

এই শতাব্দীর প্রেমের কবিতা সংকলনে প্রকাশিত

।। আর এক জন ।।​সময় সব সময়ই উত্তাল ছিলএগোতে গিয়ে থমকে দাঁড়িয়েছিপিছিয়ে আসবার কথা ভেবেছি হয়তোপেছোতে পারিনি কারণ পিছনে কিছু ...
28/04/2026

।। আর এক জন ।।
​সময় সব সময়ই উত্তাল ছিল
এগোতে গিয়ে থমকে দাঁড়িয়েছি
পিছিয়ে আসবার কথা ভেবেছি হয়তো
পেছোতে পারিনি কারণ পিছনে কিছু ছিল না।
স্রোতের উল্টো দিকে অনেকক্ষণ ধরে
বৈঠা টানবার পর হাতে যে রকম ব্যথা হয়
ঠিক সে রকম ব্যথার পরেই এক পশলা বৃষ্টি
এনে দিয়েছিল রাস্তার আলোর তত্ত্বাবধানে কিছু ভিজে রাস্তা; উন্মাদনা কখনো খিদে কমাতে পারেনি, পাগল হয়ে যাওয়ার খুব সৎ উপায় খুঁজেছি, ঠিক যেই সময় সবাই অসৎ হতে চায়। মানসিক হাসপাতালের জানালা ভেঙে
শিকারি পাখি আততায়ীর মতো হাত দেখিয়ে গাড়ি থামাতে বলেছে, তিতকুটে কফি কেড়ে নিয়েছে
সব স্বচ্ছ অনুশোচনা; মেরুদণ্ড বেঁকিয়ে দেয়াল বেয়ে উঠে গেছে মাকড়সার মতো প্রচেষ্টা, হাতলভাঙা রেলগাড়ি নিয়ে গেছে মাদকতার পরে ফুপিয়ে ওঠা কান্নার কাছে। হেঁয়ালি আমি সেদিনও বুঝতাম না,
গোল মোটা সাদা থামের গায়ে পিঠ এলিয়ে, ফিসফিস করে বলতাম—
"একটা কুকুর কামড়ে দিল আমার পায়ের পাতায়, একটা কাক ঠুকরে দিল তোমার লেখার খাতায়",

উল্লেখ ছিল সাধারণ গোল বিস্কুটেরও।
ধর্ম পরিবর্তন করা বাসস্ট্যান্ড, তারুণ্যনির্ভর বিদ্যুতের খুঁটি, যানজট ছেড়ে যেখানে চারটি ঠোঁট এক হয়ে গেছে ওখানেই প্রগাঢ় অন্ধকার অনুভূত হয়েছে সব থেকে বেশি। সেই আকর্ষণ ছিনিয়ে নিয়েছে হাত আবার আঁকড়ে ধরেছে সাংকেতিক আত্মহননের শেষ উপায়টুকু।
বিষ পান করতে করতে যেসব পথিকরা রাস্তা পার হয়, তাদের অবয়ব অবচেতন আমাকে ফিরিয়ে দেয় আজ এত বছর পর; আমি ছায়ার মতো কাঁটাচামচ হাতে ঝিলের ধারে যেখানে একটু ঠান্ডা হাওয়া সেখানে গিয়ে থমকে দাঁড়াই বিশ্বাসঘাতকতার গল্প নিয়ে, মর্মবাণী নিয়ে।
চোরা সন্ত্রাস দেখি তারায় তারায়। তারপর খুব কাছাকাছি কোথাও একটা হুইসেল বেজে ওঠে, মুখের ওপর টর্চলাইট মেরে জিজ্ঞাসা করা হয় আমার জন্ম তারিখ; আমার মনে পড়ে যায় আমি প্রথম যে উটের পিঠে উঠেছিলাম তার চোখের জলের ফোঁটায় আমি দেখেছিলাম প্রকৃতির হাকিকত।
ওখান থেকে পথ উঠে গেছে উড়ালসড়কের ওপর দিয়ে অলিগলির দিকে; আশ্রম থেকে ভেসে আসা খোল-করতালের আওয়াজ। এক গৃহত্যাগী সন্ন্যাসিনীর মদের গ্লাস গড়াতে গড়াতে এসে আমার পায়ের কাছে থমকে যায়, আমি সেটাকে একটি অশ্বত্থ গাছের পাতা দিয়ে জড়িয়ে তুলে নিই—দেখি তাতে ভেসে আছে কলাবাদুড়ের বিষ্ঠা। এরপর প্রত্যেক বার আমাকে গিয়ে বসতে হয়েছে রাস্তার ভাতের হোটেলে, চিবিয়ে খেতে হয়েছে অজানা এক প্রাণীর হাড়-মাংস।
লরি চালকের পরচুলা খুলে পড়েছে, সেটাকে ফুঁ দিতে দিতে তুলে নিয়ে ছুট দিয়েছে পথশিশু। আমি উঠে এসেছি ছাদের উপরে বাঁধানো জলের ট্যাংকির উপরে
যেখানে সারা জীবনের অভিশাপ মোচন হয়; মুখ তুলে তাকিয়ে দেখেছি সূর্যাস্তের অনারম্বর বিদায়, অট্টহাস্যে ফেটে পড়েছে বিধবার গাছকৌটো।।
​।। রহিত ঘোষাল ।।

২৭/০৪/২৩

২৬/০৪/২৬ বাংলা কবিতা পার্বণের আমন্ত্রণে নজরুল মঞ্চ লোকসংস্কৃতি ভবন, সোদপুরে কবিতা পাঠের মূহুর্তRohit Ghoshal
28/04/2026

২৬/০৪/২৬ বাংলা কবিতা পার্বণের আমন্ত্রণে নজরুল মঞ্চ লোকসংস্কৃতি ভবন, সোদপুরে কবিতা পাঠের মূহুর্ত
Rohit Ghoshal

দমবন্ধ করা পরিস্থিতি মশাই, দু’দিকেই বিপদ; এই নিয়ে বাংলায় অনেক প্রবাদ প্রচলিত হয়েছে, তবে এই পোড়া গরমে সেই সব কাজে লাগবে ক...
28/04/2026

দমবন্ধ করা পরিস্থিতি মশাই, দু’দিকেই বিপদ; এই নিয়ে বাংলায় অনেক প্রবাদ প্রচলিত হয়েছে, তবে এই পোড়া গরমে সেই সব কাজে লাগবে কি না কেউ জানে না। মুশকিলটা কোথায় সেটা সবাই যে যার নিজের মতো করে একটা কিছু বলছে; তাদের মধ্যে যার দল ভারী, তারাই পরবর্তী পাঁচ বছর ধরে পিঠ চাপড়াবে—খেতে দিতেও পারে নাও দিতে পারে, ভালবাসতেও পারে আবার নাও বাসতে পারে।
আমরা পেন্ডুলাম ছিলাম, আছি, থাকব। আমাদের অরণ্য, আহা! আমাদের অরণ্য
চুরি হয়ে গেছে, নেই হয়ে গেছে। জীর্ণ মানুষ আরও অপ্রাসঙ্গিক হয়ে আসছে। নাহিদ ইসলামের মতো একটা ছাগলকে একজন লেনিনের সঙ্গে তুলনা করেছে! দেখলাম আজ।
ব্যক্তিগত আক্রোশ আর রাজনৈতিক যুক্তি দুটো এক বিষয় নয়—এই নিয়ে বিস্তারিত একটি ক্যাম্পেইন চালানো দরকার। ফ্যাসিস্টদের অত্যাচার চরমে পৌঁছেছে, ঘেউ ঘেউ করে এগিয়ে আসছে। আমরাই যারা মধ্যবিত্ত, সাংস্কৃতিকভাবে শূন্য, তারাই বাসি রুটি অথবা সস্তা বিস্কুট দিয়ে ডেকে আনছি। ইতিহাস থেকে আসলে আমরা কিছু শিখতে পারিনি, নাকি আমরা কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পের গল্প সবাইকে শোনাতে ব্যর্থ হয়েছি? হয়তো ভেবেছি এসব জেনে কী হবে, তার থেকে কোনও একটা লাইন বেছে নিয়ে ঢুকে পড়লেই হয়। তবে সেই সব লাইন আর বেশি দিন থাকবে না, আমাদের এবার ঢুকে পড়তে হবে গ্যাস চেম্বারে। কঙ্কালসার মানুষের চোখের ভেতর সেদিন আগুন ছিল। আমরা নিজেরাই নিজেদের শরীরে ক্ষত করে চলেছি। আজ সেই কঙ্কালসার মানুষেরা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। আমাদের অবর্তমানে এই জায়গাগুলিতে যারা বসে-শুয়ে থাকবে, যারা প্রযুক্তিকে ঈশ্বর ভাববে, তাদের কানে বেজে উঠবে জয়গান। রিকশাওয়ালার পাশে ঘুমিয়ে থাকবে নেড়ি কুকুর; দুপুরের সাথে আমরাও গলে যাব, হড়পা বানে ভেসে যাবে আমাদের নন্দনতত্ত্ব। হয়তো সেখানে সাম্যবাদের কথা থাকবে, তবে নিশ্চিত করে বলা যায় আমরা থাকব কিনা।
আগের শতাব্দীতেও এরকম কিছু একটা ঘটেছিল ইউরোপে, আর এই শতাব্দীতে আমার দেশ ভারতবর্ষে। ‘থার্ড রাইখ’ জল্লাদের মতো খাঁড়া হাতে দাঁড়িয়ে থাকবে, আমরা শুধু টুকটাক নিজেদের গর্দান এগিয়ে দেব। আত্মপরিচয়কে বলিষ্ঠ করার জন্য যে সহিংসতা, তাকেই তো তেল-জল দিয়ে লালন করছে বাঙালি। অথবা আমরা যারা রূপকথা থেকে ডিরেক্ট কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টোর ওপর লাফ দিয়েছি, আমরা হয়তো সেদিনও সংখ্যায় খুব কম ছিলাম। এখন আমরা সবাই একটা লাইন বেছে নিয়েছি, এর থেকে বেশি কিছু করতে পারিনি। লাইনের ছেলে তাই লাইনের মেয়ের হাত ধরেছি; লাইনের ধারে কয়লার উনুনে ভাত-আলুসেদ্ধ রান্না হচ্ছে, লাইন কাঁপিয়ে চলে যাচ্ছে দূরপাল্লার ট্রেন।
এই তো সেদিনও টালিগঞ্জ স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম, তার তলায়, ঠিক তার তলায় মানুষ থাকত। এই তো সেদিনও বিকেলবেলা মাঠে আমরা সবাই খেলতে যেতাম, এই তো সেদিনও ঘুড়ি কিনতাম, এই তো সেদিনও কারও বাড়িতে সুমনের ক্যাসেট দেখে চমকিত হতাম। এই তো সেদিনও ছোটমামা বেঁচে ছিল, এই তো সেদিনও টিভিতে মাত্র তিনটে চ্যানেল। আজ আমরা সবাই বেমানান। বানর দল উঠে আসছে, দুই দল শিম্পাঞ্জির মধ্যে গৃহযুদ্ধ চলছে। উগান্ডাতে? শুধু উগান্ডাতে?

রহিত ঘোষাল
২৮/০৪/২৬

অনিশ্চয়তার অবয়বরহিত ঘোষাল ​এই পৃথিবীর সমস্ত প্রাণ অসাড় হয়ে যাচ্ছে, প্রাথমিক অবস্থায় প্রাণ বলতে আমরা যা বুঝতাম তার থেকে ব...
21/04/2026

অনিশ্চয়তার অবয়ব
রহিত ঘোষাল
​এই পৃথিবীর সমস্ত প্রাণ অসাড় হয়ে যাচ্ছে, প্রাথমিক অবস্থায় প্রাণ বলতে আমরা যা বুঝতাম তার থেকে বিচ্যুতি ঘটেছে। যুদ্ধের ইতিহাস পাখি পড়া করিয়ে আমাদের মস্তিষ্কে পচন ধরানো হয়েছে, সোভিয়েত রাশিয়ার পতাকা ভেসে গেছে ক্যাস্পিয়ান সমুদ্রে। বনেদি বাড়ির আলো নিভে এসেছে খুব তাড়াতাড়ি; কাঠের টেবিল থেকে মুখ তুলে তাকিয়ে আছেন চিন্তাবিদ—তার হৃদয়ের হ্রদে এখনো দুটি রাজহাঁস খেলে বেড়াচ্ছে।
​মাউথঅর্গান পকেটে নিয়ে ফিরে গেছে ব্যর্থ মানুষ। লয়ক্ষয়হীন পড়ে আছে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর, হলোকাস্টের ঘণ্টা বাজছে, দল থেকে ছিটকে গেছে সমস্ত দলীয় মানুষ। পরাজয়ের সমস্ত নিশান তবে ধুয়ে ফেলা হয়েছে খুব সন্তর্পণে; সবাই জিতবে, তাই অফিসের নিচে সিগারেটের টুকরো পড়ে আছে চায়ের ভাঁড়ের পাশে, রক্তমাংসের মানুষের জায়গা নিয়েছে লৌহমানব। সিঁড়ি ভেঙে ভেঙে, সিঁড়ি ভেঙে ভেঙে কেটে যাবে আমাদের জীবন। মধ্যবয়সে এসে দাঁড়াবে টগবগে প্রেম, এক্কাগাড়ির মতো ছুটবে যৌবন, কর্মব্যস্ত দুপুরে জল টলটল করবে দীঘিতে।
​এই তো আমাদের নববর্ষ, এই তো আমাদের পুজো-পার্বণ, এই তো আমাদের ঘুরতে যাওয়া। ওই তো দাঁড়িয়ে আছে সব শ্মশানবন্ধু, বিক্রমগড়ের মোমো, কসমেটিক সভ্যতা, ঠুনকো প্রেমের জন্য গীতিকাব্য। অজস্র প্রতারণা-নাটকে একটি পুরনো দিনের বাস এসে দাঁড়ায়, তাতে চোখের তলায় কালি নিয়ে উঠে বসে আমাদের প্রাক্তন। আমাদের ঘৃণা তারই পাশে জন্ম দেয় এ সুবিশাল অনিশ্চয়তা—বীমা কোম্পানির অফিসে আগুন লাগে, আমাদের নাম কাটা যায়, আমাদের স্বপ্ন কাটা যায়। স্কুল বেঞ্চের উপর খেলা কাটাকুটি আস্তে আস্তে এক অবয়ব গঠন করে।

#লেখা
#গদ্য
#মুক্তগদ্য
#বাংলাদেশ

প্রকাশিত আমার একটি কবিতা লিঙ্ক ছুঁয়ে পড়তে পারেন
21/04/2026

প্রকাশিত আমার একটি কবিতা লিঙ্ক ছুঁয়ে পড়তে পারেন

T3 - নববর্ষ সংখ্যায় রহিত ঘোষাল

Address


700070

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rohit Ghoshal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Rohit Ghoshal:

  • Want your establishment to be the top-listed Arts & Entertainment?

Share