অমৃত Rekha

অমৃত Rekha সনাতন ধর্মের অমৃত বাণী, অলৌকিক রহস্য এবং শাস্ত্রীয় ইতিহাস সহজ-সরল ভাষায় জানার একটি ডিজিটাল মাধ্যম।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশও ফেল! চাবি বা তালা ছাড়াই হাজার বছর ধরে বন্ধ এই রহস্যময় ৭ নম্বর দরজা! কেরালার পদ্মনাভস্বামী মন্দি...
04/06/2026

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশও ফেল! চাবি বা তালা ছাড়াই হাজার বছর ধরে বন্ধ এই রহস্যময় ৭ নম্বর দরজা! কেরালার পদ্মনাভস্বামী মন্দিরের এই ‘ভল্ট-বি’ খুললেই কি ধ্বংস হয়ে যাবে পুরো পৃথিবী? 😱🐍 শৃঙ্খল:

👉আমাদের সনাতন ধর্মের প্রাচীন মন্দিরগুলোর বুকে এমন কিছু রহস্য লুকিয়ে আছে, যা আধুনিক বিজ্ঞানের সমস্ত অহংকারকে এক নিমেষে গুঁড়িয়ে দেয়। আজ আপনাদের শোনাবো ভারতের তথা পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী মন্দির—কেরালার তিরুবনন্তপুরমের ‘শ্রী পদ্মনাভস্বামী মন্দির’-এর এমন এক হাড়হিম করা জীবন্ত রহস্যের কথা, যা শুনলে গায়ে কাঁটা দেবে!

২০১১ সালে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এই মন্দিরের মাটির নিচে থাকা প্রাচীন রাজকীয় খিলান বা গোপন ভল্টগুলো একে একে খোলা শুরু হয়েছিল। একে একে যখন ৫টি দরজা খোলা হলো, তখন তার ওপার থেকে যা উদ্ধার হয়েছিল তা দেখে পুরো পৃথিবীর চোখ কপালে উঠেছিল! লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার খাঁটি সোনা, হিরে, জহরত, প্রাচীন রাজমুকুট আর দুষ্প্রাপ্য মূর্তি! কিন্তু আসল রোমাঞ্চ আর রহস্য শুরু হলো তখন, যখন আধিকারিকরা ‘ভল্ট-বি’ (Vault-B) অর্থাৎ ৭ নম্বর দরজাটি খোলার জন্য এগিয়ে গেলেন।

দেখা গেল, এই বিশাল ইস্পাতের দরজায় কোনো চাবি ঢোকানোর জায়গা নেই, কোনো তালা নেই, এমনকি কোনো নাট-বল্টুও নেই! দরজার ওপর কেবল খোদাই করা আছে দুটি বিশাল হাঁ করা কিং কোবরা বা রাজনাগের ছবি, যারা যেন যুগের পর যুগ ধরে কোনো এক পরম গোপন রহস্যকে পাহারা দিয়ে চলেছে।

আধুনিক প্রযুক্তির চাবি বা গ্যাস কাটার দিয়ে এই দরজা কাটার চেষ্টা করতেই মন্দিরের প্রধান পূজারি এবং ত্রিবাঙ্কুর রাজপরিবার তীব্র বাধা দেন। তাঁরা জানান, এই দরজা কোনো মানুষের তৈরি চাবি বা আধুনিক মেশিন দিয়ে খোলা সম্ভব নয়। আজ থেকে শত শত বছর আগে চোল বা চেরা রাজবংশের সময়কালের পরম শক্তিশালী সিদ্ধ পুরুষরা ‘নাগপাশ মন্ত্র’ এবং ‘গরুড় মন্ত্র’ উচ্চারণ করে এই দরজাকে অলৌকিকভাবে লক বা বন্ধ করেছিলেন।

প্রাচীন পুঁথি এবং লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, কোনো মানুষ যদি আধুনিক বৈজ্ঞানিক উপায়ে বা জোর খাটवून এই দরজা ভাঙার চেষ্টা করে, তবে কেবল সেই মানুষটিই নয়, পুরো ভারত তথা পৃথিবীতে এক ভয়ঙ্কর মহাজাগতিক প্রলয় বা ধ্বংস নেমে আসবে! এই দরজা কেবল তখনই খোলা সম্ভব, যদি কোনো ত্রিকালজ্ঞ সিদ্ধ সাধক বা উচ্চকোটির পুণ্যবান সন্ন্যাসী এসে একদম নিখুঁত সুরে স্বয়ং ‘গরুড় মন্ত্র’ পাঠ করেন। মন্ত্রের সেই অলৌকিক শব্দতরঙ্গ বা কম্পনে দরজা নিজে থেকেই খুলে যাবে।

কিন্তু বর্তমান কলিযুগের বুকে এমন কোনো সিদ্ধ পুরুষ আজও খুঁজে পাওয়া যায়নি, যিনি এই মন্ত্রের সঠিক উচ্চারণ করতে পারেন। আর সেই কারণেই নাসা (NASA)-র বিজ্ঞান থেকে শুরু করে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট—সবাই এই অলৌকিক দরজার সামনে এসে আজও স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। বিজ্ঞান যেখানে হাত তুলে দিয়েছে, সেখানে আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে সনাতন ধর্মের মন্ত্রশক্তির অসীম ক্ষমতা!

কী লুকিয়ে আছে এই দরজার ওপারে? শুধুই কি আরও অগাধ ধনসম্পদ, নাকি কোনো মহাজাগতিক রহস্য? আপনার কী মনে হয়? কমেন্ট বক্সে আপনার মতামত জানান এবং পোস্টটি শেয়ার করে বাকিদেরও এই অবিশ্বাস্য অলৌকিক রহস্যটি জানার সুযোগ করে দিন!

জয় শ্রী পদ্মনাভস্বামী 🙏🔱🐍✨

"রণে, বনে, জলে, জঙ্গলে, যখনই বিপদে পড়িবে, আমাকে স্মরণ করিও, আমিই তোমাদিগকে রক্ষা করিব।"​এই একটি বাণীর মধ্যেই লুকিয়ে আছে ...
02/06/2026

"রণে, বনে, জলে, জঙ্গলে, যখনই বিপদে পড়িবে, আমাকে স্মরণ করিও, আমিই তোমাদিগকে রক্ষা করিব।"

​এই একটি বাণীর মধ্যেই লুকিয়ে আছে ভক্তের প্রতি তাঁর পরম স্নেহ আর অভয়বাণী। আপনি যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে বা বিপদে পড়ে তাঁকে ডাকলে তিনি যে সাড়া দেবেন, এই বিশ্বাসই কোটি কোটি ভক্তকে শক্তি জোগায়।
​এর পাশাপাশি তাঁর আরও কিছু অমূল্য বাণী রয়েছে, যা আমাদের জীবনকে সুন্দর করে তুলতে সাহায্য করে:

​অহংকার বর্জন: "অহংকারই মানুষের পতনের মূল কারণ। নিজেকে সর্বদা নম্র ও শান্ত রাখো।"

​কর্ম ও ধর্ম: "নিজের কর্তব্য কখনো অবহেলা করো না। সৎ পথে থেকে কর্ম করাই হলো আসল ধর্ম।"

​ক্রোধ নিয়ন্ত্রণ: "ক্রোধ মানুষের বিবেককে গ্রাস করে। তাই ক্রোধের সময় নীরবতা অবলম্বন করাই শ্রেয়।"

​ঈশ্বরে বিশ্বাস: "যিনি সৃষ্টি করেছেন, তিনিই পালন করবেন—এই বিশ্বাস বুকে রাখলে কোনো অভাব বা ভয় মানুষকে স্পর্শ করতে পারে না।"

জয় বাবা লোকনাথ 🙏

দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ির ১৭১তম প্রতিষ্ঠা দিবসে মা ভবতারিণীর চরণে শত কোটি প্রণাম। 🙏✨আজ ৩১শে মে। আজকের এই পুণ্য তিথিতেই ১৮৫৫...
31/05/2026

দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ির ১৭১তম প্রতিষ্ঠা দিবসে মা ভবতারিণীর চরণে শত কোটি প্রণাম। 🙏✨
আজ ৩১শে মে। আজকের এই পুণ্য তিথিতেই ১৮৫৫ সালে (১৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১২৬২ বঙ্গাব্দ) লোকমাতা রানী রাসমণি দেবী কলকাতার বুকে গঙ্গার তীরে এই ঐতিহাসিক মহাসাধনার পীঠস্থানটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
১৮৫৫ সালের স্নানযাত্রার এই পুণ্য দিনেই মহাসমারোহে মন্দিরের গর্ভগৃহে কষ্টিপাথরের "শ্রীশ্রীজগদীশ্বরী মহাকালী" (যাঁকে আমরা পরম শ্রদ্ধায় মা ভবতারিণী বলে ডাকি) বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করা হয়। রানী রাসমণির আমন্ত্রণে এই মন্দিরের প্রথম প্রধান পূজারির দায়িত্ব নিয়েছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের বড়দা রামকুমার চট্টোপাধ্যায়। পরবর্তীতে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণদেব নিজেই এই মন্দিরের সেবায়েত হন এবং তাঁর সুদীর্ঘ আধ্যাত্মিক সাধনার মধ্য দিয়ে দক্ষিণেশ্বর আজ বিশ্বজোড়া খ্যাতি লাভ করেছে।
১৭০ বছর পূর্ণ করে আজ ১৭১ বছরে পদার্পণ করল দক্ষিণেশ্বর মন্দির। আজকের এই বিশেষ দিনে মা ভবতারিণীর কৃপা সবার ওপর বর্ষিত হোক, সকলের জীবন সুখ ও শান্তিতে ভরে উঠুক।

জয় মা ভবতারিণী! 🙏জয় ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ! 🙏🌸

ফলো করুন 👉 অমৃত Rekha

মায়ের শক্তির উপর বিশ্বাস রেখে এগিয়ে চলুন, আপনার পথে বাঁধা বিপত্তি আসবে না 👏Joy boroma🙏°•°♥F°•°♠A°•°♣EPremanand Ji Maha...
29/05/2026

মায়ের শক্তির উপর বিশ্বাস রেখে এগিয়ে চলুন, আপনার পথে বাঁধা বিপত্তি আসবে না 👏
Joy boroma🙏

°•°♥F
°•°♠A

°•°♣E
Premanand Ji Maharaj

°•°♣B
°•°♦O
°•°♠O
°•°♥K
Love Premanand govind Sharan
🩵🩵🩵🩵🩵💚💛❤️❤️
The Punjab Kings dugout was filled with raw emotion on Tuesday evening as 24-year-old Priyansh Arya lit up the Mullanpur stadium with a breathtaking century against Chennai Super Kings (CSK) in IPL 2025. Yet, it was team co-owner Preity Zinta’s jubilant reaction that truly stole the spotlight—she jumped in celebration, her joy palpable as Arya scripted history.

Arya, a left-handed batter hailing from Delhi, announced his arrival in grand fashion, smashing 103 runs off just 42 deliveries—a knock decorated with seven fours and nine massive sixes.

His blistering innings made him the second-fastest Indian each a century in IPL history, achieving the milestone in just 39 balls. Only Yusuf Pathan’s iconic 37-ball ton from 2010 remains ahead. As Arya raised his bat after clearing long-on for a six to complete his century, cameras zoomed in on the Punjab Kings camp, where an elated Preity Zinta leapt to her feet, clapping and cheering along with the roaring crowd.
Following Punjab Kings’ 18-run win, Preity Zinta caught up with the young star for a post-match interview.

"Aapko mai ek din pehle mili thi to aapne ek shabd nahi bola tha, ekdum silent the aur aapne itni zabardast game kheli, so how is it? [I met you a day before and you didn’t say a single word—you were completely silent. And then you played such an incredible game, so how does it feel?]" Preity asked Priyansh.

To which Arya replied with a smile: "Jab hum mile they to mujhe aapki baatein sunne mein maza aa rha tha isliye mai kuch bol nahi rha tha Aur game ke baat karein to bahot achi feeling hai, out of the world feeling hai, top of the world feesaddamhussainling hai [When we met, I was really enjoying listening to you, that’s why I wasn’t saying much. And if we talk about the game, it feels amazinglike an out of the world feeling, a top of the world feeling] ....… #বড়মা

































27/05/2026

Jai maa 🙏🌺

কল্পনা করুন সেই প্রলয়ঙ্কারী সময়ের কথা, যখন সমুদ্র মন্থন থেকে উঠে এল ভয়ঙ্কর বিষ-'হলাহল'। সেই বিষের তেজে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড প...
26/05/2026

কল্পনা করুন সেই প্রলয়ঙ্কারী সময়ের কথা, যখন সমুদ্র মন্থন থেকে উঠে এল ভয়ঙ্কর বিষ-'হলাহল'। সেই বিষের তেজে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ার উপক্রম। দেবতা থেকে দানব, সবাই ভয়ে কম্পমান। ঠিক সেই সময় জগতের ত্রাণকর্তা হিসেবে এগিয়ে এলেন দেবাদিদেব মহাদেব।

সৃষ্টিকে রক্ষা করতে তিনি সেই মারাত্মক বিষ নিজের অঞ্জলিতে নিয়ে পান করলেন।

বিষের নীল বর্ণে মহাদেবের কণ্ঠ রঞ্জিত হলো, তিনি হলেন 'নীলকণ্ঠ'। কিন্তু এই বিষ পানের পর এক অদ্ভুত অলৌকিক ঘটনা ঘটল। সাধারণত বিষ মানুষের মনে ত্রাস আর শরীরে যন্ত্রণা আনে, কিন্তু দেবাদিদেব ছিলেন সম্পূর্ণ শান্ত, অটল। তাঁর মনে বিন্দুমাত্র ভয় বা বিচলন সৃষ্টি হলো না। বিষের সেই মারাত্মক দহনও তাঁকে তিলমাত্র স্পর্শ করতে পারল না।

'তোড়ল তন্ত্র' আমাদের শেখায় এক পরম সত্য-যেহেতু এই ভয়ঙ্কর কালকূট বিষও মহাদেবকে বিন্দুমাত্র বিচলিত বা 'ক্ষুব্ধ' করতে পারেনি, তাই তাঁর নাম হলো 'অক্ষোভ্য'। আর এই অক্ষোভ্য শিবই হলেন মা তারার পরম ভৈরব। কিন্তু এই অটল শান্তির আড়ালে লুকিয়ে ছিল এক গভীর মাতুলীলা। আদ্যাশক্তি মা তারা জানতেন, বিষের দহন রুখতে প্রয়োজন পরম শীতল বাৎসল্য রস। তাই তিনি এক অপূর্ব মায়াময় রূপ ধারণ করলেন। জগতজননী তাঁর যোগমায়ায় দেবাদিদেবকে একটি ক্ষুদ্র শিশুর রূপ দান করলেন এবং পরম মমতায় তাঁকে নিজের কোলে তুলে নিলেন।

মা জানতেন, সন্তানের সব দহন কেবল মায়ের স্নেহের স্পর্শেই শান্ত হতে পারে। নীলবর্ণা চতুর্ভুজা দেবী তখন তাঁর ভয়াল রূপ সংবরণ করে বাৎসল্য রসে সিক্ত হলেন। তিনি শিশু শিবকে স্তন্যপান করালেন। মায়ের সেই অমৃতসম দুগ্ধ পানের মায়ায় বিষের সমস্ত তেজ ঢাকা পড়ে গেল এক অনাবিল শান্তিতে। দেবাদিদেব পরম নিশ্চিন্তে মায়ের কোল আঁকড়ে এক অবোধ শিশুর মতো ঘুমিয়ে পড়লেন।

আসলে এই কাহিনীটি একটি গভীর আধ্যাত্মিক রূপক। শিব হলেন পরম পুরুষ, আর মা তারা হলেন আদ্যাশক্তি বা প্রকৃতি। সন্তান যেমন মায়ের কোলে থাকলে কোনো বিপদেই ভয় পায় না বা বিচলিত হয় না, মহাদেবও মা তারার কোলে সর্বদা 'অক্ষোভ্য' হয়ে থাকেন। বিষ তাঁকে বিচলিত করতে পারে না কারণ মায়ের অমৃতময়ী শক্তি তাঁকে সর্বদা রক্ষা করে।

আমরা সাধারণত মা তারাকে শ্মশানচারিণী বা খড়গধারিণী রূপে দেখে ভয় মিশ্রিত ভক্তি করি, কিন্তু এই বাৎসল্য রূপটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে-মা যেমন দুষ্টের সংহার করেন, তেমনই ভক্তের বিপদে তিনি হয়ে ওঠেন শীতল ছায়া। যাঁর স্নেহে বিষও অমৃত হয়ে যায়, তিনিই আমাদের মা তারা।

জয় মা তারা 🌺

"মা তোর রাঙ্গা পায়ে, জবা হয়ে থাকবো আমি পড়েতারা তুই ছাড়া কে মুক্তি দেবে এমন জীবন জুড়ে..."°•°♥F°•°♠A°•°♣EPremanand Ji Maha...
26/05/2026

"মা তোর রাঙ্গা পায়ে, জবা হয়ে থাকবো আমি পড়ে
তারা তুই ছাড়া কে মুক্তি দেবে এমন জীবন জুড়ে..."

°•°♥F
°•°♠A

°•°♣E
Premanand Ji Maharaj

°•°♣B
°•°♦O
°•°♠O
°•°♥K
Love Premanand govind Sharan
🩵🩵🩵🩵🩵💚💛❤️❤️
The Punjab Kings dugout was filled with raw emotion on Tuesday evening as 24-year-old Priyansh Arya lit up the Mullanpur stadium with a breathtaking century against Chennai Super Kings (CSK) in IPL 2025. Yet, it was team co-owner Preity Zinta’s jubilant reaction that truly stole the spotlight—she jumped in celebration, her joy palpable as Arya scripted history.

Arya, a left-handed batter hailing from Delhi, announced his arrival in grand fashion, smashing 103 runs off just 42 deliveries—a knock decorated with seven fours and nine massive sixes.

His blistering innings made him the second-fastest Indian each a century in IPL history, achieving the milestone in just 39 balls. Only Yusuf Pathan’s iconic 37-ball ton from 2010 remains ahead. As Arya raised his bat after clearing long-on for a six to complete his century, cameras zoomed in on the Punjab Kings camp, where an elated Preity Zinta leapt to her feet, clapping and cheering along with the roaring crowd.
Following Punjab Kings’ 18-run win, Preity Zinta caught up with the young star for a post-match interview.

"Aapko mai ek din pehle mili thi to aapne ek shabd nahi bola tha, ekdum silent the aur aapne itni zabardast game kheli, so how is it? [I met you a day before and you didn’t say a single word—you were completely silent. And then you played such an incredible game, so how does it feel?]" Preity asked Priyansh.

To which Arya replied with a smile: "Jab hum mile they to mujhe aapki baatein sunne mein maza aa rha tha isliye mai kuch bol nahi rha tha Aur game ke baat karein to bahot achi feeling hai, out of the world feeling hai, top of the world feesaddamhussainling hai [When we met, I was really enjoying listening to you, that’s why I wasn’t saying much. And if we talk about the game, it feels amazinglike an out of the world feeling, a top of the world feeling] ....… #বড়মা

































Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অমৃত Rekha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category