11/02/2026
রাজ্য সরকারের বেকার ভাতা যোজনা তড়িঘড়ি ১ এপ্রিল থেকে চালু করায় যখন বোঝা যায় যে রাজ্যে বেকারত্ব এক বিশাল বড় সমস্যা তখন আরো কতগুলো বিষয় পরিষ্কার হয়ে যায়:-
১) সরকার মনে করে যে মহিলাদের অর্থ উপার্জনের অধিকার নেই (রাত্রে মহিলারা বের হবে না এমন বিধান তো সরকার ইতিমধ্যেই দিয়ে দিয়েছে), তাই লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পাওয়া বেকার যুবতীরা বেকার হিসেবে বিবেচিত হবে না এবং বেকার ভাতা-ও পাবে না।।
২) মহিলাদের লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা দিয়ে তাদের রোজগার আছে ধরে নিয়ে রাজ্যের বেকারের সংখ্যা থেকে তাদের বাদ দিয়ে এতদিন বেকারত্বের পরিসংখ্যান পেশ করা হয়েছে এবং তথ্যের কারচুপি করা হয়েছে।।
৩) বেকার, শিক্ষিত যুবতীরা যখন লক্ষনীয় ভান্ডারের ১২০০ টাকা পাবে, যুবকরা বেকার ভাতা পাবে ১৫০০।। অর্থাৎ বেকার যুবক-যুবতীদের মধ্যেও লিঙ্গ বিভাজন তৈরি করল রাজ্য সরকার।।
৪) বেকার ভাতা চালু করে সরকার যেহেতু কর্মসংস্থানের বেহাল দশা কে মান্যতা দিল, তাতে প্রমাণ হয় যে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশের পরে সাংবাদিক সম্মেলনে বেকারত্বের হার কমে যাওয়ার দাবী সর্বৈব মিথ্যা ।।
৫) বেকারত্বের করুণ দশা সামনে আসায়, পক্ষান্তরে, রাজ্যে শিল্পের বেহাল দশা-ও স্বীকৃতি পেল।।