Golpokotha24

Golpokotha24 সত্যির মতোই মিথ্যে গল্প পড়তে হলে , page টিকে লাইক করে পাশে থাকবেন ��

28/07/2026

ভ্রষ্ট - চারিত্রিক ২
- ঐশী অধিকারী

ইতিমধ্যে পুনম কিছুটা বড় হয়েছে ঐ ৭-৮ বছর বয়স হবে তাও। কৃষ্ণপুর ছেড়ে ওর এখানকার অস্তানা ১০/৬৬১ নন্দীপাড়া। পছন্দ বলতে একটা চূড়ান্ত মাটি ঘাটা পাড়ার এক মাত্র প্রিয় বান্ধবীর সাথে বাড়ি বাড়ি ঢুকে সেই রান্নার বাজার করে আনা আর বাকি সময়টা পুতুলের জামা বানানো নতুন নতুন নাম দিয়ে পুতুল খেলে সময় কাটানো। অবশ্য আরও কিছু কাজের মধ্যে পড়ে বেকার কাকার সাথে মাঝে মধ্যে চানাচুর এর কৌটো নিয়ে ঝগড়া করা , কেউ টিভি দেখতে চাইলে রিমোট নিয়ে বাথরুমে ঢুকে পড়া এই পর্যন্ত। চোখের পাতা গুলো খুলেই রাখতে হবে নাহলে ডোরেমনের একটা সিন যদি মিস হয়ে যায় তাহলেই বিপদ । বাবা মা তখনও আসেনি দিদুন এখন পুনমের সাথেই থাকে পুনমকে খাওয়ানো স্নান করানো ঘুম পাড়ানোর দায়িত্ব এখন পুরোপুরি দিদুনের । রোজ ঘুমোতে যাওয়ার সময় পুনম বায়না করে "ও দিদুন কৃষ্ণর গল্প টা শোনাও নাহ " । দিদুন তাইই শোনায় রোজকার রোজ, আর মা বাড়িতে আসলেই শুরু হয় নালিশের বন্যা - " তোমার মেয়ে আজ লুকিয়ে লুকিয়ে বরফ খেয়েছে , দুপুরে একটুও ঘুমায়নি" । মা আসলে চোখ বন্ধ করে হাত পাতার অভ্যেসটা অবশ্য পুনমের এখনও রয়েই গেছে। পুনম মনের সুখে টিভি দেখছিলো হঠাৎ দেখলো গেটে একটা আওয়াজ হলো - রমেন ঢুকছে । পুনম হাসলো নাহ প্রণাম করলো, কারণ বাবা বলেছে বয়সে বড় কেউ এলে তাকে প্রণাম করতে হয় , আর বড়দের কথা শুনতে হয় । যথারীতি প্রত্যেক বারের মতো একটা অত্যন্ত বড় সাইজের মিলিটারি ছাপা ব্যাগ নিয়ে রমেন এলো । কোনো প্রশ্ন নেই উত্তরও নেই পুনমকে কোলে তুলে সিঁড়ি ঘরে নিয়ে গেলো রমেন সিঁড়ির দেওয়ালের কোণে একদম ঠেকিয়ে দিয়ে হাত পাততে বললো পুনমকে, পুনম হাত পাতলো আর তারপর হাফ প্যান্টের গার্ডার খুলে কিছু একটা ধরিয়ে দিলো হাতে তারপর বললো নে খেল। পুনম জিজ্ঞেস করলো এটা কি ? রমেন উত্তরে বললো খেলনা , ঠিক তোর মতো , নে খেল। তারপর পুনমকে সিঁড়ির উপর বসিয়ে রমেন নিজের নোংরা হাত গুলো চাটতে লাগলো, পুনমের মনে পড়লো মাকে লুকিয়ে ও তেঁতুল খেলে ঠিক এরকম ভাবেই চেটে নেয় আঙুল গুলো । পুনমকেও জিজ্ঞেস করলো রমেন - খাবি? পুনম উঠে ছাদের দরজা খুলে আম গাছের ডালের তলায় চুপ পা গুটিয়ে চুপ করে বসে পড়লো। পাশের বাড়ির কাকু দুটো তখন ছাদে সিগারেট ফুঁকছে। ছাদ থেকে সিঁড়ি ঘর স্পষ্ট দেখা যায় ! পুনম দেখলো রমেন হন্ত দন্ত হয়ে উঠে এসে ভেতর থেকে সিঁড়ির দরজা লাগিয়ে দিলো। পুনম হঠাৎ করেই প্রচণ্ড ভয় পেয়ে গেলো কারণ ছাদ থেকে নিচে যাওয়ার ওটাই একমাত্র রাস্তা , নিজের গায়ের জোরের সর্বস্ব দিয়ে পুনম দরজা ধাক্কাতে লাগলো কিছুতেই খুললো নাহ রমেন। ছাদে গিয়ে দেখলো দিদা সবে স্নান করে বেরিয়েছে কুয়োর কাছে নিচে ঝুঁকে একটা পেঁপের ডগা ফেলে ও দিদুন কে ডাকলো শুধু বললো ছাদে এসো একবার । তারপর দিদা সিঁড়ি ঘর অবধি নাহ পৌঁছাতেই রমেন দরজা টা খুলে দিলো পুনম শব্দ শুনেই এক ছুটে দরজার সামনে । দিদা বললো এই তো দরজা তো খোলাই ওদিক থেকে উত্তর এলো ও'ই তো লাগিয়েছিলো দরজা ওপাশ থেকে । দিদা উল্টে পুনমকে বকে দিলো " রমেন কি তাহলে মিথ্যে বলে নাকি ? দেখো এইরকম দুষ্টুমি করলে কিন্তু মা আসলে পার, মা'রে কবো " । পুনম চুপ করে গেল , দিদা সিঁড়ি থেকে নেমে যেতে লাগলো পুনমও পিছু নেবে তার মধ্যেই রমেন ওর পেটের কাছ টা টেনে ধরলো , নিজের মাথা টা নিচে ঝুঁকিয়ে বললো একদম চালাকি করবি নাহ , আর কোনোদিন আমাকে না বলে ছাদের দরজা খুলবি না, তাহলে ছাদ থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেবো ।" সেদিন আর কিচ্ছু হলোনা, দিদা স্নান করিয়ে দিলো সাবান দিয়ে , খাইয়েও দিলো ঘুম পারালো, রাতে মা আসলো দিদা মাকে বললো "রিনা দেখিস তো , দেখে মনে হয় ওর বুকে কেউ কামড়ায় " । পরের দিন ছিলো রবিবার বাড়ীতে ঈশানী দিদি এসেছে পুনম ঘর অন্ধকার করে ভূত- ভূত খেলবে বলেই দরজাটা লাগিয়েছিল। দরজায় দুটো খিড়কি রয়েছে সেটা খুলে খুলে মাঝে মধ্যে ওই টর্চের আলো নিয়ে বেশ একটা অন্যরকম খেলা । হঠাৎ পিছন থেকে মা এসে একটা ধমক দিলো, " যা খেলার সবার সামনে খেলবি দরজা খুলে , দরজা লাগানো চলবে না ।" ব্যাস খেলা পণ্ড।

( ক্রমশ প্রকাশ্য! Stay tuned )

24/07/2026

ভ্রষ্ট- চারিত্রিক

কৃষ্ণপুর বাজারের একদম কাছে সদয় মাস্টারের মেয়ে হয়েছে ।পাড়ায় যেনো একটা প্রচণ্ড উল্লাস শুধু সদ্য হওয়া সম্পর্কে ঠাকুমার মনে তখন বিভীষিকার কালো মেঘ - ইমামবাড়া হাসপাতালের ডেলিভারি রুমের বাইরে কান্না শুনেই ঠাহর করেছে, মেয়ে হয়েছে । মেয়েরা নাকি সুর টেনে কাঁদে আর ছেলেরা কাঁদে ফুপিয়ে ফুপিয়ে, থেমে থেমে । তার উপর যখন প্রথম মুখ দেখলো, পুরো প্রদীপের তেলের মতো উজ্জ্বল কিন্তু তামাটে একটা নাদুস নুদুস মেয়ে, তার নাকি কান ভর্তি চুল , সম্পর্কে পিসি বলছে পুরো ট্রে ভর্তি করে এসেছে মায়ের কোলে । পুরো বাবার মুখ বসানো পুচকির নাম তো আগেই রাখা ছিলো তখনকার দিনের নায়িকার নামে । জন্মানোর আগেই নাকি পাশের বাড়ির ডোরো কাকিমা স্বপ্ন দেখেছিলো মেয়ে হয়েছে আর সেই মেয়ে নাকি নিজে বলেছে ওর নাম পুনম ধিলন ওর বাবা দর্জির কাজ করে আর না টিচার। সেই নামেই ওর নাম হলো পুনম। দেখতে দেখতে ফুটফুটে মেয়েটা হামাগুড়ি না দিয়েই হাটা শিখে গেলো , তো হামাগুড়ি দেবেই বা কি করে বাবার সদ্য চাকরী এবং বিয়ের মাত্র এক বছরের মধ্যেই তো পুনম এসে হাজির স্বাভাবিক ভবেই টালির বাড়ি মাটির মেঝে আর মায়ের তখন চূড়ান্ত পড়াশোনা যাতে আর একটা চাকরি অন্তত বাড়িতে আসে আসলে বাবার ছায়ায় পিসির বিয়ের দায়িত্ব, বেকার কাকার দায়িত্ব তাই ওই স্ত্রী হিসেবে পাশে থাকতে প্রচণ্ড চেষ্টা যাকে বলে । তবে পুনম খুব শান্ত সারাদিন শুধু ঘুম - খেতে ঘুম শুতে ঘুম হাসতে ঘুম ব্যাস ঘুম আর ঘুম । মনে হয় বুঝে গেছে ছোটো থেকেই মেয়েদের চুপ থাকা শিখতে হয় । দেখতে দেখতে তিনটে বছর মায়ের আঁচলের ব্যস্ততায় চোখের পলকে পেড়িয়ে গেলো। মা চাকরি পেলো অনেক দুরে পুনমের বয়স তখন মাত্র সাড়ে তিন - সকাল ৬:৩০ গনদেবতা আর রাত ৯ টা গণদেবতা যাওয়া আসার নিত্য যাত্রী। বাবাকে আর কে পায় তখন বউ নেই বাড়িতে এবার তো আরও বেশি রাজনীতি করা যাবে আরও বেশি ক্ষমতার লোভে মগজ ডুবিয়ে রাখা যাবে । কিন্ত হ্যাঁ মেয়ের সব দায়িত্ব পালন করছে স্নান খাওয়া ঘোরা সব পড়াতেও বসে ফুল সাউন্ডে টিভি চালিয়ে মেয়েকে উল্টো দিকে ঘুরিয়ে পড়া জিজ্ঞেস করে আর মেয়েও সেরকম উল্টো দিকের আয়নায় বাবার হাতে খুলে রাখা বইটা টুক করে দেখে নিয়ে একদম ঠিক ঠিক উত্তর বলে । কিন্ত বাবাও তো ঐ ১০ টা ৫ টার খদ্দের। গোটা দুপুর তাই রেখে যেতে হয় বংশের এক ভাই, সম্পর্কে পুনমের কাকা রমেনের হাতে । সারাদিন ঐ টালির ঘরে পুনম আর রমেন । এই দেশে এসে ওই টুক টাক কারখানার কাজ টাও করা হয় ফ্রী তে খেতেও পাওয়া হয় তাই একটা বাচ্চা মেয়ে সামলাতে কী আর লাগে - ওই এক ঢিলে দুই পাখি ! আজকে বারান্দায় দরজা টা বন্ধ রইলো বাবা মা টাটা বলে স্কুলে চলে গেলো । পুনম নিজের মনে খেলার ঘরে সব খেলনা ছড়িয়ে বাবার বহুদিন আগের ব্ল্যাক বোর্ডে ফুল আঁকার চেষ্টা করছে বোর্ডের বর্ডারে জমে থাকা চকের গুঁড়ো নিয়ে প্রিয় কাকার গায়ে একটু লাগিয়ে দিতেই যাচ্ছিলো ঠিক সেই সময় রমেন পুনমকে তুলে নিয়ে গেলো বেডরুমে - খাটের উপর ছুঁড়ে ফেললো একবার পুনম উঠে চলে এলো, খেলা পেয়েছে মেয়েটা যতবার ছুঁড়ে ফেলে ততবার উঠে চলে আসে তারপর একবার আর উঠতে দিলোনা, রমেনের প্যান্টের দড়ি ঢিলে হলো আর চাপ পড়লো পুনমের ছোট্ট দুটো পায়ের মাঝে , ঠিক সেই সময় পুনমের ফটিক জ্যেঠু কালী পুজোর চাঁদা নিতে এসেছে। বারান্দায় প্রায় ঢুকেই পড়ে রমেন প্যান্টের দড়ি আবার শক্ত করে বেরিয়ে গেলো । পুনম তখন জানলা দিয়ে তাকিয়ে দেখছে রাই দিদির বাড়ি আর ভাবছে ওরা তো আজ খেলতে ডাকলো নাহ , ডাকলেও যেতে তো পারতো নাহ । বাবা মা বারণ করেছে ওরা বাড়িতে না থাকলে কোত্থাও যাওয়া যাবে নাহ। সেদিন আর বিশেষ কিছু হলোনা খেলতে খেলতে শুধু একবার একটা টিনের স্কেল দিয়ে প্রচণ্ড জোরে রমেনকে মেরে ওর হাত টা কেটে ছিলে ফেললো পুনম। রাতে মা এলো দরজা খুলেই মায়ের সামনে চুপটি করে দাঁড়িয়ে চোখ বন্ধ করে হাত পাতলো পুনম মা একটা কুরকুরের প্যাকেট ধরিয়ে পুনমকে জড়িয়ে ধরে ঘরে ঢুকলো। পুনম মকে একটা কিছু বলতে গেলো তখন দেখলো মা রমেনের হাতের কাটা অংশে লাগিয়ে দিচ্ছে গরম বোরোলিন। পুনম কিচ্ছু বললোনা । আজকে যেনো একটু বেশি করেই মাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়লো।

(Stay tuned : next part will come soon )

20/07/2026

অনলাইন
স্টক-মার্কেট

আজ সকাল ৮:৩৫ আমার নিজের ইউর কোট প্রোফাইলটা ঘটতে ঘাটতে কেমন যেনো একটুও অবাক হলাম নাহ । আগে যেমন মনে হতো কতখানি বদলে গেছি কালের সাথে সাথে বেশ অনেকটা ভারসাম্য এসেছে নিজের মধ্যে -
এখন অবশ্য এগুলো কিচ্ছুই মনে হলোনা, যে এক দু কলম লেখা ওটাকেই বেশি করে নিজের মনে হলো যে লেখাগুলো পড়ে মা বলেছিলো এই জায়গাটা ঠিক শুনতে ভালো লাগছে না সবাই পড়লে মানে বুঝতে পারবে নাহ । সত্যি বলতে আমি বরাবর লিখি নিজের জন্য কাউকে মানে বোঝানোর জন্য নাহ এই ধরুন " জিলিপির প্যাঁচ" এই শব্দটা শুনলে কারো চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য যেমন উঠে আসে ঠিক সেরকমই ময়রার হাতের প্যাঁচ পাকিয়ে জিলিপি ভাজার কোথাও মনে আসে , নাহলে ওই রথের মেলার জিলিপি খাওয়ার জন্য অপেক্ষা আরকি । আমি লিখি নিজে ভেবে আর খুব ভালো লাগে যখন কেউ আমার লেখা পড়ে নিজের মতো করে নিজের মতো গুছিয়ে একটা মানে বানিয়ে নেয় । খানিকটা ওই ঠাকুর আছে কি নেই এর যুদ্ধের মতো ক্যালকুলাসের concept দুটোতেই আছে শুধু নাম টা নথিভুক্ত করা পরবর্তীকালে । তুমি যদি লাক বলো আমি বলবো প্রোবাবিলিটি, ব্যাস এই সামান্য বিষয় নিয়ে এতো যুদ্ধের মাথামুন্ডু ঘিলু নষ্টের একটা প্রচণ্ড প্রয়াস চলে। চলে বলে কৌশলে মানতেই হবে এমন একটা ব্যাপার । আমার মন আমার মাথা আমার ভাবনা আমি যা খুশী ভাববো, তা তুমি বলার কেউ নও।
এখন কিছু লোক এই গল্প না গাঁজাখুরি এই লেখাটা পড়ে মনে মনে ভাববে স্টক করার সাথে এতো জ্ঞানের দরকার কি ! আছে বাপু আছে !
এই যে তুমি লুকিয়ে লুকিয়ে ওই তোমার "তাঁর " প্রোফাইলটা পুরো ঘেঁটে একটা ঝড় তুলে ফেললে -
একটা ক্যাপশনও কি ভালো করে পড়েছো? দেখেছ ওর কোন বন্ধুর অসময়ে ও কাঁধে হাত রেখে পাশে দাঁড়িয়েছে? কিংবা ওর হাতে ঠিক কোন রঙের নেল পলিশ টা বেশি বার পড়তে দেখা গেছে ! ও কি সত্যিই লিখতে বড্ড ভালোবাসে ? তাহলে আগের প্রেমে ছেঁকা খেয়ে ও কি তখনও দেবদাস হয়ে ঘুরে বেরিয়েছিলো? নাকি জাস্ট ট্র্যাক চেঞ্জ করে ফুড়ুৎ? দেখেছো কি ও কীসে কমফোর্টেবল? টি শার্ট নাকি ফরমাল শার্ট? বেশ না দেখে থাকলে যাও যাও শিগগিরি যাও, দেখো ছোটবেলার বোকা অক্ষর গুলো ঠিক কখন গায়ে বর্ম চাপিয়ে দুনিয়ার নজরে বেশ একটা গম্ভীর ভাব নিয়ে সামলে নিয়েছে ব্যাপারটা! আচ্ছা তাহলে আসল মানুষটা কি সত্যিই খুব সরল ? যাও যাও stock market ছেড়ে এবার তাহলে stalk market এ মন দাও ।

কুয়াশায় ক্ষতিগ্রস্থ মাকড়ের বিস্তর জাল ঘর মানুষ বিছানা জড়িয়ে ফেলার পরপরবর্তী লক্ষ্য আকাশের দিকে তাকিয়ে শেষ দম অবধি ...
26/04/2026

কুয়াশায় ক্ষতিগ্রস্থ মাকড়ের বিস্তর জাল
ঘর মানুষ বিছানা জড়িয়ে ফেলার পর
পরবর্তী লক্ষ্য আকাশের দিকে তাকিয়ে
শেষ দম অবধি থুতু ছিটায়।

✈️

Address

Chinsurah
Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Golpokotha24 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category