m_raj.khan.520

  • Home
  • m_raj.khan.520

m_raj.khan.520 May Rab ko chhodkar kabhi kisi ko darta Nahin

Assalamu alaikum
01/01/2022

Assalamu alaikum

❤️❤️❤️Assalamu alaikum ❤️❤️❤️আমার মনের কিছু কথা পোস্ট করলাম❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
18/08/2021

❤️❤️❤️Assalamu alaikum ❤️❤️❤️
আমার মনের কিছু কথা পোস্ট করলাম
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️

18/08/2021

❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️ #ইভোনরিডলেওতালিবান

"তালিবানদের মারতে হলে বোমা নয় উলঙ্গ মহিলা ছেড়ে দিন, ওরা লজ্জায় মরে যাবে"- ইভোন রিডলে
(In The Hands Of Taliban)।
2001 সালের 11ই সেপ্টেম্বর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ধ্বংসের কিছুদিনের মধ্যেই আমেরিকা আফগানিস্তানে হামলা শুরু করে। আমেরিকার সহযোগি হিসাবে ইংল্যান্ডও অংশগ্রহণ করে। ইংল্যান্ডের সাংবাদিক ইভোন রিডলেকে গুপ্তচর হিসাবে নিয়োগ করা হয়। সাধারন আফগান মহিলাদের মতো হিজাব পরে গুপ্তচরবৃত্তি শুরু করে ইভোন। মাসখানেক পর যুদ্ধ যখন চরমে, অসাবধান বশতঃ ধরা পড়ে যায় তালিবানদের হাতে।
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
তিনি তাঁর In The Hands Of Taliban বইতে লিখেছেন : " ধরা পরার পর দেখি কুড়ি পঁচিশ জন তালিবান বন্দুক তাক করে ঘিরে আছে। ভাবলাম মৃত্যু আর কয়েক সেকেন্ড বাকি। আবার ভাবলাম এরা সহজে মারবেনা, নিশ্চয়ই সবাই মিলে আগে ধর্ষন করবে তারপর হত্যা করবে। এরপর সবাই মিলে একটা নির্জন ঘরে নিয়ে গেলো। ভাবলাম এবার হয়তো ধর্ষন শুরু করবে। এভাবে কয়েক ঘন্টা কেটে গেলো। সত্যি বলতে কি তখন পর্যন্ত তারা আমার শরীর স্পর্শও তো দূরের কথা, ভালোকরে চোখে চোখ রাখেনি। কিছুক্ষণ পর দুজন মহিলা এসে আমাকে তল্লাশি শুরু করলো এবং আমার লুকানো রিভলবার কেড়ে নিলো। মহিলা দুজন বারবার আমার অভিসন্ধি জানতে চাইলো। শেষমেষ বলেই দিলাম আমি ইংল্যান্ডের সাংবাদিক এবং গুপ্তচরবৃত্তির জন্য আমাকে এখানে পাঠানো হয়েছে। ভাবলাম এবার হয়তো মেরে ফেলবে। কিন্তু তারা কই?"
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
"এভাবে দুদিন কেটে গেলো, আমি আর ঘরের মধ্যে তাদের দেখতে পাচ্ছিনা। যা কথাবার্তা হচ্ছে সব সেই মহিলা দুজনের সাথে। সেই মহিলা দুজন বন্ধ ঘরে আমাকে নিয়ম করে খেতে দিচ্ছে আর জিজ্ঞাসাবাদ করছে। মনেমনে ভাবছি এরা এখনো আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে কিভাবে? এরা এখনো আমাকে ধর্ষণ করেনি কিভাবে? আমি তো জানতাম তালিবান মানেই ধর্ষক, আমি তো জানতাম তালিবান মানেই পিচাশ। যাইহোক, এভাবেই কেটে গেলো 11 দিন। তারপর ডিপ্লোমেটিক ভাবে পাকিস্তানের সাহায্যে সম্পূর্ণ অক্ষত ভাবে আমি মুক্তি পাই। ছেড়ে দেওয়ার সময় আমাকে ইংলিশ ট্রানস্লেট একটা কোরান উপহার দিয়েছিল তালিবানরা।"
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
"ইংল্যান্ডে ফেরার পর আমার আত্মীয়, আমার কলিগ সবাই বারবার প্রশ্ন করতে থাকে তারা কেমন বর্বর, তারা কতবার ধর্ষন করেছে, কিভাবে ধর্ষন করেছে ইত্যাদি ইত্যাদি। আমি শুধু মুচকি হেসে বলেছি তালিবানদের মারতে হলে বোমা লাগবেনা, উলঙ্গ মহিলা ছেড়ে দিলে ওরা লজ্জায় মরে যাবে"।

তালিবানদের দেওয়া সেই কোরান পড়ে পরে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেন। তালিবানদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে Yvonne Ridley এর লেখা বিভিন্ন বই পড়তে পারেন।
Copy from Aziz al Hasan vai
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️

18/08/2021

_❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
*মিথ্যা বলা কেন হারাম?*_

পৃথিবীর সবচেয়ে সহজ গুনাহ হল মিথ্যে বলা। কারণ মিথ্যেবাদীরা যখন মিথ্যে বলে তখন তা সত্যের মত জোরালোভাবেই বলে ফেলে, অর্থাৎ গুনাহকে তখন আর গুনাহ মনে হয় না। আর এটাই তাদের দুর্বল ঈমানের সবচেয়ে বড় দিক।

মিথ্যা বলা হারাম। মিথ্যাবাদিতা মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য।মানুষ যখন সহজে গুছিয়ে মিথ্যে বলে তখন তার দুনিয়া তার হয়ে যায়, কিন্তু আখিরাত আর তার হয় না।কারণ যাকে সে মিথ্যে বলে , সে সেটাকে সত্য বলে মেনে নেয়। আর ফেরেসতারা সাথে সাথে তা লিখে নেয় তার আমলনামায়।

আল্লাহপাক এ সম্পর্কে কুরআনে বলেন -

مَّا يَلۡفِظُ مِن قَوۡلٍ إِلَّا لَدَيۡهِ رَقِيبٌ عَتِيدٞ

অর্থাৎ মানুষ যে কথাই উচ্চারণ করুক না কেন তা লিপিবদ্ধ করার জন্য তৎপর প্রহরী তার নিকটেই রয়েছে। (সুরা ক্বাফ -১৮ আয়াত)

হাদিস শরিফে এ সম্পর্কে এসেছে -

ইবনে মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

‘‘নিশ্চয় সত্যবাদিতা পুণ্যের পথ দেখায়। আর পুণ্য জান্নাতের দিকে পথ নির্দেশনা করে। আর মানুষ সত্য কথা বলতে থাকে, শেষ পর্যন্ত আল্লাহর নিকট তাকে ‘মহা-সত্যবাদী’ রূপে লিপিবদ্ধ করা হয়। আর নিঃসন্দেহে মিথ্যাবাদিতা নির্লজ্জতা ও পাপাচারের দিকে নিয়ে যায়। আর পাপাচার জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়। আর মানুষ মিথ্যা বলতে থাকে, শেষ পর্যন্ত আল্লাহর নিকট তাকে ‘মহা-মিথ্যাবাদী’ রূপে লিপিবদ্ধ করা হয়।

( সহীহুল বুখারী ৬০৯৪, মুসলিম ২৬০৬, ২৬০৭, তিরমিযী ১৯৭১, আবূ দাউদ ৪৯৮৯, ইবনু মাজাহ ৪৬)
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
আল্লাহ পাক সূরা হজ্জ ৩০ নং আয়াতে তার বান্দাদের সতর্ক করছেন মিথ্যা না বলার জন্য -

وَٱجۡتَنِبُواْ قَوۡلَ ٱلزُّورِ

অর্থাৎ "তোমরা মিথ্যা কথন থেকে দূরে থাক। "

অন্য হাদিসে আবূ বাকরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত আছে -

একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘‘তোমাদেরকে কি অতি মহাপাপের কথা বলে দেব না?’’
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
আমরা বললাম, ‘অবশ্যই বলুন হে আল্লাহর রসূল!’

তিনি বললেন, ‘‘আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে শরীক করা এবং মাতা-পিতার অবাধ্যাচরণ করা।’’ তারপর তিনি হেলান ছেড়ে উঠে বসলেন এবং বললেন, ‘‘শোন! আর মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া।’’

শেষোক্ত কথাটি তিনি বারবার বলতে থাকলেন। এমনকি অনুরূপ বলাতে আমরা [মনে মনে] বললাম, ‘যদি তিনি চুপ হতেন।’
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
(সহীহুল বুখারী ২৬৪৫, ৫৯৭৬, ৬২৭৩, ৬৯১৯, মুসলিম ৮৭, তিরমিযী ১৯০১, ২৩০১, ৩০১৯)

মিথ্যা মানুষের স্মৃতিশক্তি লোপ করে দেয়। তাই যারা মিথ্যুক, তাদের স্মৃতিশক্তি ভাল থাকে না। তাই একটা মিথ্যার হাজার মিথ্যের জন্ম দিতে থাকে একে একে।

অন্য এক হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন -
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
"আমি ওই ব্যক্তির জন্য জান্নাতের আশপাশে কোনো গৃহের জামিন হব যে উপযুক্ত ও সঠিক হবার পরও (বিপক্ষের) বিতর্ক ছেড়ে দেয়, আর ওই ব্যক্তির জন্য জান্নাতের মধ্যস্থলে কোনো গৃহের জামিন হব যে ঠাট্টাচ্ছলেও মিথ্যে পরিহার করে এবং জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থানে কোনো গৃহের জামিন হব যে তার চরিত্রকে সুন্দর বানায়।"

(আবূ দাঊদ শরিফ : হাদিস ৪৮০০)

মিথ্যা প্রসঙ্গে হযরত আবু বকর সিদ্দীক রা. বলেন-

"তোমরা মিথ্যা থেকে দূরে থাক, কারণ মিথ্যা ঈমানের পরিপন্থী।" (আলমুসান্নাফ, ইবনে আবী শায়বা, হাদীস ২৬১১৫)
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
হযরত সা‘দ ইবনে আবী ওয়াক্কাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন-

"মুমিনের মধ্যে স্বভাবগত বিভিন্ন দোষত্রুটি থাকতে পারে। তবে সে মিথ্যুক ও প্রতারক হতে পারে না।"

(আলমুসান্নাফ, ইবনে আবী শায়বা, হাদীস ৩০৯৭৫)

মানুষ যখন নিজ মিথ্যাকে বারবার সাবলীলভাবে বলতে থাকে তখন সেটা বিশ্বাসযোগ্য হয়, তার কথায় মানুষ বিশ্বাস করে ফেলে। এভাবে সেই মিথ্যেবাদী নিজের মিথ্যে একদিন ভুলে যায়, তারপর হাশরের মাঠে সে নিজের মিথ্যার দ্বারা যাকে পথভ্রষ্ট করেছিল তারা সহ পুরো হাশরবাসীর সামনে তার আমলনামা থেকে সেই মিথ্যে প্রকাশ করা হবে।

আল্লাহপাক আমাদের সবাইকে মিথ্যা বলা থেকে হেফাজত করুন, সর্বদা সত্যের উপর অবিচল রাখুন।❤️❤️❤️ M Raj ❤️❤️❤️❤️

18/08/2021

_❤️❤️❤️ M Raj ❤️❤️❤️
*সমাজের প্রচলিত বানোয়াট হাদিস প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে এবং যাচাই বাছাই করে প্রচার করতে হবে*

❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
_*রাসূল (সাঃ) উপর মিথ্যা আরোপ করার শাস্তি*_

_*৩৪৬১. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়। আর বনী ইসরাঈলের ঘটনাবলী বর্ণনা কর। এতে কোন দোষ নেই। কিন্তু যে কেউ ইচ্ছে করে আমার উপর মিথ্যারোপ করল, সে যেন জাহান্নামকেই তার ঠিকানা নির্দিষ্ট করে নিল।*_

بَابُ مَا ذُكِرَ عَنْ بَنِيْ إِسْرَائِيْلَ حَدَّثَنَا أَبُوْ عَاصِمٍ الضَّحَّاكُ بْنُ مَخْلَدٍ أَخْبَرَنَا الأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنَا حَسَّانُ بْنُ عَطِيَّةَ عَنْ أَبِيْ كَبْشَةَ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ بَلِّغُوْا عَنِّيْ وَلَوْ آيَةً وَحَدِّثُوْا عَنْ بَنِيْ إِسْرَائِيْلَ وَلَا حَرَجَ وَمَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنْ النَّارِ

সহীহ বুখারী (তাওহীদ)হাদিস নম্বরঃ ৩৪৬১
(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২১২)

_*রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর উপর মিথ্যারোপ গুরুতর অপরাধ*_
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
_*(১/...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... রিবাঈ ইবনু হিরাশ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আলী (রাযিঃ)-কে খুৎবার মধ্যে বলতে শুনেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা আমার প্রতি মিথ্যারোপ করো না, কেননা যে ব্যক্তি আমার প্রতি মিথ্যারোপ করবে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না এবং ইবনু বাশশারের সূত্রেও হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে।*_

’. باب فِي التَّحْذِيرِ مِنَ الْكَذِبِ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ رِبْعِيِّ بْنِ حِرَاشٍ، أَنَّهُ سَمِعَ عَلِيًّا، - رضى الله عنه - يَخْطُبُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ تَكْذِبُوا عَلَىَّ فَإِنَّهُ مَنْ يَكْذِبْ عَلَىَّ يَلِجِ النَّارَ ‏"‏ ‏.‏
সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী)হাদিস নম্বরঃ ১

_*রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর উপর মিথ্যারোপ গুরুতর অপরাধ*_
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
_*(২/...) যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, তোমাদের কাছে অধিক সংখ্যক হাদীস বর্ণনা করা থেকে যা আমাকে বিরত রাখে তা হলো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় আমার প্রতি মিথ্যারোপ করে, সে যেন নিজের বাসস্থান জাহান্নামে নির্ধারণ করে নেয়।*_

’ باب فِي التَّحْذِيرِ مِنَ الْكَذِبِ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - يَعْنِي ابْنَ عُلَيَّةَ - عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّهُ قَالَ إِنَّهُ لَيَمْنَعُنِي أَنْ أُحَدِّثَكُمْ حَدِيثًا كَثِيرًا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ تَعَمَّدَ عَلَىَّ كَذِبًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ ‏"‏ ‏.‏
সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী)হাদিস নম্বরঃ ২

_*রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর উপর মিথ্যারোপ গুরুতর অপরাধ*_

_*(৩/...) মুহাম্মাদ ইবনু উবায়দ আল গুবারী (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ইচ্ছা করে আমার প্রতি মিথ্যারোপ করে সে যেন জাহান্নামে তার বাসস্থান নির্ধারণ করে নেয়।*_

’. باب فِي التَّحْذِيرِ مِنَ الْكَذِبِ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ الْغُبَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ أَبِي حَصِينٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ كَذَبَ عَلَىَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ ‏"‏ ‏.‏

সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী)হাদিস নম্বরঃ ৩
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
_*রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর উপর মিথ্যারোপ গুরুতর অপরাধ*_

_*(৪/...) মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আলী ইবনু রাবী'আহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, "একদা আমি (কুফার) মাসজিদে এলাম। এ সময় মুগীরাহ (রাযিঃ) কুফার আমীর ছিলেন।" মুগীরাহ (রাযিঃ) বলেছেন যে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছি, আমার প্রতি মিথ্যারোপ করা তোমাদের কারো প্রতি মিথ্যারোপ করার মত নয়। যে ব্যক্তি জেনেশুনে ইচ্ছাকৃতভাবে আমার প্রতি মিথ্যারোপ করে সে যেন জাহান্নামে তার বাসস্থান নির্ধারণ করে নেয়।*_

_*(.../...) ‘আলী ইবনু হুজ্‌র আস্ সাদী (রহঃ) ..... মুগীরাহ ইবনু শুবাহ্ (রাযিঃ) থেকে অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন, তবে "আমার প্রতি মিথ্যারোপ করা তোমাদের কারো প্রতি মিথ্যারোপ করার মত নয়" বাক্যটি তিনি উল্লেখ করেননি।*_
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
باب فِي التَّحْذِيرِ مِنَ الْكَذِبِ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ رَبِيعَةَ، قَالَ أَتَيْتُ الْمَسْجِدَ وَالْمُغِيرَةُ أَمِيرُ الْكُوفَةِ قَالَ فَقَالَ الْمُغِيرَةُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ إِنَّ كَذِبًا عَلَىَّ لَيْسَ كَكَذِبٍ عَلَى أَحَدٍ فَمَنْ كَذَبَ عَلَىَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ ‏"‏ ‏.‏ وَحَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ السَّعْدِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ قَيْسٍ الأَسَدِيُّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ رَبِيعَةَ الأَسَدِيِّ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِهِ وَلَمْ يَذْكُرْ ‏ "‏ إِنَّ كَذِبًا عَلَىَّ لَيْسَ كَكَذِبٍ عَلَى أَحَدٍ ‏"‏ ‏.‏

সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী)হাদিস নম্বরঃ ৪


_*যা শুনে তা বর্ণনা করা নিষিদ্ধ*_

_*(৫/...) উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয আল আম্বারী (রহঃ) ..... হাফস ইবনু আসিম (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তির মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শুনে তাই বলে বেড়ায়। মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না (রহঃ)-এর সূত্রেও হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে।*_
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
(.../...) আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।

_*(.../...) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ উসমান আন নাহদী (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) বলেছেন, কোন ব্যক্তি মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শুনে তা বলে বেড়ায়।*_

_*(.../...) আবূ তাহির আহমাদ ইবনু আমর (রহঃ) ..... ইবনু ওয়াহব (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, মালিক (রহঃ) আমাকে বলেছেন, জেনে রাখ, যদি কোন ব্যক্তি যা শোনে তা বলে বেড়ায় তবে সে (মিথ্যা হতে) নিরাপদ নয়। আর যে ব্যক্তি যা শোনে তা বলে বেড়ায় সে কখনো ইমাম হবে না।*_

*_(../...) ইবনু আল মুসান্না (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন ব্যক্তি মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শুনে তা বলে বেড়ায়।*_

_*(.../...) মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না (রহঃ) বর্ণনা করেন যে, তিনি আবদুর রহমান ইবনু মাহদী (রাযিঃ)-কে (যিনি হাদীসের একজন বড় ইমাম) বলতে শুনেছেনঃ কোন ব্যক্তি অনুসরণযোগ্য ইমাম হতে পারবে না, যে পর্যন্ত সে শোনা কথা কতক (মিথ্যা হওয়ার সম্ভাবনা) বর্ণনা করা থেকে বিরত না থাকবে।*_
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
_*(.../...) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... সুফইয়ান ইবনু হুসায়ন (রহঃ) হতে বর্ণিত। ইয়াস ইবনু মুআবিয়াহ্ (রহঃ) আমাকে বললেন, অবশ্যই আমি দেখছি যে, তুমি কুরআন সম্পৰ্কীয় ইলম হাসিলে (ইলমে তাফসীর) বেশ পরিশ্রম করেছে। তুমি আমাকে একটি সূরাহ পড়ে শোনাও এবং তার তাফসীর কর। যাতে আমি দেখতে পারি, তোমার ইলম কতটুকু হলো। সুফইয়ান (রহঃ) বলেন, আমি তাই করলাম। অতঃপর ইয়াস (রহঃ) আমাকে বললেন, আমি তোমাকে যা বলছি তা স্মরণ রাখবে। তুমি দোষ-ত্রুটি সম্পন্ন হাদীস বর্ণনা থেকে বেঁচে থাকবে। কেননা, যে এ কাজ করে সে নিজেকে লাঞ্ছিত করেছে এবং হাদীস বর্ণনায় সে মিথ্যাবাদী বলে প্রতিপন্ন হয়েছে।*_
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
_*(.../...) আবূ তাহির এবং হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন তুমি কোন সম্প্রদায়ের কাছে এমন কোন হাদীস বর্ণনা করবে, যা তাদের বুঝে আসে না তখন তা তাদের কারো কারো পক্ষে ফিতনাহ হয়ে দাঁড়াবে। তাই প্রত্যেককে তার জ্ঞানের পরিধি অনুযায়ী কথা শুনানো উচিত।*_

باب النَّهْىِ عَنِ الْحَدِيثِ، بِكُلِّ مَا سَمِعَ وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي ح، وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، قَالاَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ كَفَى بِالْمَرْءِ كَذِبًا أَنْ يُحَدِّثَ بِكُلِّ مَا سَمِعَ ‏"‏ ‏.‏ وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حَفْصٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِ ذَلِكَ ‏.‏ وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ النَّهْدِيِّ، قَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضى الله تعالى عنه بِحَسْبِ الْمَرْءِ مِنَ الْكَذِبِ أَنْ يُحَدِّثَ بِكُلِّ مَا سَمِعَ ‏.‏ وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ سَرْحٍ قَالَ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ قَالَ لِي مَالِكٌ اعْلَمْ أَنَّهُ لَيْسَ يَسْلَمُ رَجُلٌ حَدَّثَ بِكُلِّ مَا سَمِعَ وَلاَ يَكُونُ إِمَامًا أَبَدًا وَهُوَ يُحَدِّثُ بِكُلِّ مَا سَمِعَ ‏.‏ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ بِحَسْبِ الْمَرْءِ مِنَ الْكَذِبِ أَنْ يُحَدِّثَ بِكُلِّ مَا سَمِعَ ‏.‏ وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ مَهْدِيٍّ، يَقُولُ لاَ يَكُونُ الرَّجُلُ إِمَامًا يُقْتَدَى بِهِ حَتَّى يُمْسِكَ عَنْ بَعْضِ مَا سَمِعَ ‏.‏ وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُقَدَّمٍ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ حُسَيْنٍ، قَالَ سَأَلَنِي إِيَاسُ بْنُ مُعَاوِيَةَ فَقَالَ إِنِّي أَرَاكَ قَدْ كَلِفْتَ بِعِلْمِ الْقُرْآنِ فَاقْرَأْ عَلَىَّ سُورَةً وَفَسِّرْ حَتَّى أَنْظُرَ فِيمَا عَلِمْتَ ‏.‏ قَالَ فَفَعَلْتُ ‏.‏ فَقَالَ لِيَ احْفَظْ عَلَىَّ مَا أَقُولُ لَكَ إِيَّاكَ وَالشَّنَاعَةَ فِي الْحَدِيثِ فَإِنَّهُ قَلَّمَا حَمَلَهَا أَحَدٌ إِلاَّ ذَلَّ فِي نَفْسِهِ وَكُذِّبَ فِي حَدِيثِهِ ‏.‏ وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالاَ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ، قَالَ مَا أَنْتَ بِمُحَدِّثٍ قَوْمًا حَدِيثًا لاَ تَبْلُغُهُ عُقُولُهُمْ إِلاَّ كَانَ لِبَعْضِهِمْ فِتْنَةً ‏.‏

_*সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী)হাদিস নম্বরঃ ৫*_
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️

18/08/2021

❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
_*আগে যাচাই করুন পরে প্রচার করুন।*_

_*প্রিয় বন্ধুরা! আপনাদের উদ্দেশ্যে আমার আন্তরিক অনুরোধ, দয়াকরে যাচাই-বাছাই না করে কোনো কিছু বিশ্বাস করবেন না, প্রচারও করবেন না।*_

_*কারণ সংবাদ যাচাই-বাছাই ও প্রচারের ব্যাপারে ইসলাম কি বলে একটু জেনে নেয়া যাক-*_
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
_*তথ্য যাচাই-বাছাই করার ব্যাপারে পবিত্র কুরআনে রয়েছে চমৎকার দিক-নির্দেশনা। আল্লাহ বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের কাছে যদি কোন পাপাচারী ব্যক্তি সংবাদ নিয়ে আসে তবে তোমরা তা যাচাই-বাছাই করে নাও; যাতে তোমরা অজ্ঞতাবশত কোনো সম্প্রদায়ের ক্ষতি সাধনে প্রবৃত্ত না হও এবং পরে নিজেদের কৃতকর্মের জন্য লজ্জিত হতে না হয়।’ (সূরা আল-হুজুরাত: ০৬)*_

_*আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আরও বলেন ধ্বংস হোক তারা, যারা আন্দাজে কথা বলে।*_

_*(সূরা যারিয়াত আয়াত ১০)*_

_*বিশ্বনবী মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘আমি কি তোমাদের কবিরা গুনাহ সম্পর্কে অবহিত করব না?’ কথাটি তিনি তিনবার বলেছেন। সাহাবায়ে কেরাম বললেন, ‘হে আল্লহর রাসুল! হ্যাঁ, অবশ্যই।’ তিনি বললেন, ‘আল্লাহর সঙ্গে কাউকে অংশীদার সাব্যস্ত করা এবং মা-বাবার অবাধ্য হওয়া।’ এরপর হেলান দেয়া থেকে সোজা হয়ে বসে রাসুল (সা.) বললেন, ‘মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া ও মিথ্যা সংবাদ প্রচার করা’- (২৬৫৪-বুখারি)।*_
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
_*হে প্রিয় বন্ধু আমার! আপনি কেন শুধু শুধু নিজেকে মিথ্যাবাদী বানাবেন, কেননা হযরত ওমর (রঃ) হতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু বলেন- কোন ব্যক্তির মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত হওয়ার জন্য এতোটুকু যথেষ্ট যে, সে যা শোনে তাই নির্বিচারে বলে বেড়ায়। উমার (রাঃ) আরো বলেন, পরোক্ষ বচন মুসলমানের মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য যথেষ্ট।(আদাবুল মুফরাদ, হাদিস নং ৮৯২, মুসলিম শরীফ)*_
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
_*সুতরাং প্রিয় বন্ধুগণ! আপনারা যেকোনো ধরনের সংবাদ প্রচারের ক্ষেত্রে প্রথমে যাচাই বাছাই করুন পরে প্রচার করুন, অন্যথায় আমরা মিথ্যাবাদীদের দলে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব।*_

_*হে আহকামুল হাকিমিন! আমাদেরকে আপনার হুকুমতের ওপর অটল থাকার তাওফীক দান করুন। আমীন। ছুম্মা আমীন*_
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️

18/08/2021

❤️❤️❤️ M Raj ❤️❤️❤️
❌❌ _*সাবধান সাবধান সাবধান*_ ❌❌

👉বর্তমানে ফেসবুকে বহুল শেয়ারকৃত এই পোস্টটি সম্পূর্ন ভূয়া! ভূয়া! ভূয়া!ওমুক তারিখে শবে বরাত!!! ওমুক তারিখে মাহে রমজান!!!!! ওমুক তারিখে ঈদুল ফিতর!!!!!! ওমুক তারিখে ঈদুল আযহা!!!!!!

বর্তমানে ফেসবুকে বহুল শেয়ারকৃত এই পোস্টটি সম্পূর্ন ভূয়া! ভূয়া! ভূয়া!
ওমুক তারিখে শবে বরাত!!! (যদিও কুরআন সুন্নায় শবে বরাত বলতে কোন শব্দ ই নাই!)
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
ওমুক তারিখে মাহে রমজান!!!!!
ওমুক তারিখে ঈদুল ফিতর!!!!!!
ওমুক তারিখে ঈদুল আযহা!!!!!!
মহা নবী (সাঃ) নাকি বলছেন যে এই খবর ১ম কোন মুসলিমকে দিবে তার জন্য জাহান্নামের আগুন হারাম!"

17/08/2021

❤️❤️❤️ M Raj ❤️❤️❤️
♦️আশুরার রোজার গুরুত্ব ও ফজিলতঃ
===========================
০১.এক বছরের গুণাহ মাফের সুযোগঃ-
রাসূল (সা)-এর পবিত্র মুখ নিঃসৃত বাণী---
صِيَامُ يَوْمِ عَاشُورَاءَ أَحْتَسِبُ عَلَى اللَّهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِي قَبْلَهُ " رواه مسلم 1162.

অর্থাৎ,আমি আল্লাহর নিকট প্রতিদান প্রত্যাশা করছি, আশুরার রোজা বিগত বছরের গুনাহ মার্জনা করবে।”[সহিহ মুসলিম]
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
০২. আশুরার রোজার ব্যাপারে রাসূল (সা) এর আগ্রহঃ
عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ : مَا رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَحَرَّى صِيَامَ يَوْمٍ فَضَّلَهُ عَلَى غَيْرِهِ إِلا هَذَا الْيَوْمَ يَوْمَ عَاشُورَاءَ وَهَذَا الشَّهْرَ يَعْنِي شَهْرَ رَمَضَانَ . " رواه البخاري 1867.
ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: “ফজিলতপূর্ণ দিন হিসেবে আশুরার রোজা ও এ মাসের রোজা অর্থাৎ রমজানের রোজার ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যত বেশি আগ্রহী দেখেছি অন্য রোজার ব্যাপারে তদ্রূপ দেখিনি।”[সহিহ বুখারি]

عَنْ ‏‏أَبِي هُرَيْرَةَ ‏‏رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ ‏‏قَالَ : ‏قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ‏‏صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ‏: " ‏أَفْضَلُ الصِّيَامِ بَعْدَ رَمَضَانَ شَهْرُ اللَّهِ الْمُحَرَّمُ ، وَأَفْضَلُ الصَّلَاةِ بَعْدَ الْفَرِيضَةِ صَلَاةُ اللَّيْلِ " . أخرجهُ مسلمٌ (1163) .
আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন,রাসূল (সা) বলেছেনঃ- রামাদানের পরে সবচেয়ে বেশী ফজিলতের সিয়াম হলো আল্লাহর মাস মুহাররামের সিয়াম এবং ফরজ সালাতের পরে সর্বাপেক্ষা ফজিলতপূর্ণ সালাত হলো রাতের সালাত(ক্বিয়ামুল লাইল বা তাহাজ্জুদ)।[সহিহ বুখারী]

♦️আশুরার রোজার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটঃ
===============================

ما رواه البخاري (1865) عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ قَدِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَدِينَةَ فَرَأَى الْيَهُودَ تَصُومُ يَوْمَ عَاشُورَاءَ فَقَالَ مَا هَذَا ؟ قَالُوا : هَذَا يَوْمٌ صَالِحٌ ، هَذَا يَوْمٌ نَجَّى اللَّهُ بَنِي إِسْرَائِيلَ مِنْ عَدُوِّهِمْ فَصَامَهُ مُوسَى، قَالَ فَأَنَا أَحَقُّ بِمُوسَى مِنْكُمْ فَصَامَهُ وَأَمَرَ بِصِيَامِهِ "
বুখারির বর্ণিত হাদিস (১৮৬৫) ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মদিনায় এলেন তখন দেখলেন ইহুদিরা আশুরার দিন রোজা রাখে। তখন তিনি বললেন: কেন তোমরা রোজা রাখ? তারা বলল: এটি উত্তম দিন। এ দিনে আল্লাহ বনি ইসরাঈলকে তাদের শত্রুর হাত থেকে মুক্ত করেছেন; তাই মুসা আলাইহিস সালাম এ দিনে রোজা রাখতেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: তোমাদের চেয়ে আমি মুসার অধিক নিকটবর্তী। ফলে তিনি এ দিন রোজা রাখলেন এবং অন্যদেরকেও রোজা রাখার নির্দেশ দিলেন।"
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
♦️আশুরার রোজা পালনের নিয়মঃ
=========================
রামাদানের রোজা ফরজ হওয়ার পূর্বে আশুরার রোজা ফরজ ছিল।কিন্তু যখন রামাদানের রোজা ফরজ হয়ে গেলো তখন আশুরার রোজা ঐচ্ছিক হয়ে যায়। ঐচ্ছিক হলেও এই রোজার গুরুত্ব অত্যধিক,কারণ নবী করীম (সা) কখনোই আশুরার রোজা ছেড়ে দেন নি।
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রথমে ১০ মুহাররম রোজা পালন করেছেন। কিন্তু ইহুদি ও নাসারারা ১০ মুহাররমকে সম্মান করত এবং এদিন তারা রোজা পালন করত। তাই রাসুল (সা.) তাদের নিয়মের বিপরীত করার জন্য ১০ মুহাররমের সঙ্গে তার আগের অথবা পরের দিনকে যোগ করে রোজা পালনের নির্দেশ দিয়েছেন। অতএব, সুন্নত হলো ৯ ও ১০ মুহাররম কিংবা ১০ ও ১১ মুহাররম রোজা পালন করা।
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
এ সম্পর্কে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) আশুরার রোজা পালন করলেন এবং সবাইকে রোজা পালনের নির্দেশ দিলেন, তখন সাহাবায়ে কেরাম (রা.) রাসুলুল্লাহ (সা.) কে বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! ইহুদি নাসারারা এ দিনকে (১০ মহররম) পালন করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘আগামী বছর বেঁচে থাকলে ইনশাআল্লাহ আমরা ৯ মুহাররমসহ রোজা রাখব।’ বর্ণনাকারী বলেন, পরের বছর মুহাররম আসার আগেই তাঁর ওফাত হয়ে যায়। (মুসলিম : ১১৩৪)।

অন্য হাদিসে এসেছে, আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা আশুরার দিন রোজা রাখ এবং ইহুদিদের বিরোধিতা করো। তোমরা আশুরার সঙ্গে তার আগের এক দিন অথবা পরে এক দিন রোজা রাখ।’ (সুনানে বাইহাকি, ৪ খ- ২৮৭)। [এই হাদীসটিকে মুহাদ্দীসীনদের কেউ কেউ দুর্বল বলেছেন।
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
অতএব, সর্বোত্তম হবে ৯ ও ১০ তারিখ রোজা রাখা। কারণ, ৯ ও ১০ তারিখে রোজা রাখার ব্যাপারে বর্ণিত হাদীসটি সহীহ এবং এ ব্যাপারে মুহাদ্দীসীনগণের কোনো দ্বিমত নেই।

√√ নোটঃ
আশুরার রোজা দ্বারা কি ১ বছরের সকল গুণাহ মাফ হয়ে যায়?

এ ব্যাপারে উলামায়ে ক্বেরাম বলেছেন,

تكفير الذنوب الحاصل بصيام يوم عاشوراء المراد به الصغائر ، أما الكبائر فتحتاج إلى توبة خاصة .

قال النووي رحمه الله :

يُكَفِّرُ ( صيام يوم عرفة ) كُلَّ الذُّنُوبِ الصَّغَائِرِ , وَتَقْدِيرُهُ يَغْفِرُ ذُنُوبَهُ كُلَّهَا إلا الْكَبَائِرَ .

وقال شيخ الإسلام ابن تيمية رحمه الله : وَتَكْفِيرُ الطَّهَارَةِ , وَالصَّلاةِ , وَصِيَامِ رَمَضَانَ , وَعَرَفَةَ , وَعَاشُورَاءَ لِلصَّغَائِرِ فَقَطْ . الفتاوى الكبرى ج5 .

অর্থাৎ,
আশুরার রোজা দ্বারা শুধু সগিরা গুনাহ মার্জনা হবে। কবিরা গুনাহ বিশেষ তওবা ছাড়া মোচন হয় না।
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️
ইমাম নববী (রহঃ) বলেন: আশুরার রোজা সকল সগিরা গুনাহ মোচন করে।হাদিসের বাণীর মর্ম রূপ হচ্ছে- কবিরা গুনাহ ছাড়া সকল গুনাহ মোচন করে দেয়।

শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) বলেন: পবিত্রতা অর্জন, নামায আদায়, রমজানের রোজা রাখা, আরাফার দিন রোজা রাখা, আশুরার দিন রোজা রাখা ইত্যাদির মাধ্যমে শুধু সগিরা গুনাহ মোচন হয়।[আল-ফাতাওয়া আল-কুবরা, খণ্ড-৫]
❤️❤️❤️M Raj ❤️❤️❤️

Address


Alerts

Be the first to know and let us send you an email when m_raj.khan.520 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to m_raj.khan.520:

  • Want your establishment to be the top-listed Arts & Entertainment?

Share