21/01/2021
লেখাটা পড়ার অনুরোধ রইল
আজকে অনন্যা খুব খুশি। প্রথমবার প্রেমিকের সাথে মিলিত হবে সে। উত্তেজনায় বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় সে খেয়াল ও করেনি যে তার ব্লাউজ এর রং শাড়ির সাথে একদমই মিল খাচ্ছে না। এইদিকে অনির্বান খুব খুঁতখুঁতে। ম্যাচ করা কাপড় না হলে তার চলে না। অবশ্য অনির্বানের চোখে অনন্যা স্বর্গের রূপসী, যে কাপড়ই অনন্যা পড়ে সেই কাপড়েই দেখতে ভালো লাগে ওকে।
আজকে অনন্যাই অনির্বানকে বলে মিলিত হবার জন্য। ওদের তিন বছরের সম্পর্কতে ওরা কখনোই আগে মিলিত হয়নি। অনন্যার দৃঢ়প্রতিজ্ঞা ছিল যে সে যবে চাকরি পাবে সেইদিনই মিলিত হবে অনির্বানের সাথে আর সাথে কথাটা সে নিজে তুলবে। তো সেই মতো অনির্বানকে ও নিজে ফোন করে মিলিত হবার জন্য বলেছে। আজকে অনন্যাকে দেখতে খুবই সুন্দর লাগছে। উন্নত দুটি স্তন-যুগল, সঙ্গে টাইট ব্লাউজ আর কোমরের নীচের অংশ অনেকটাই আকর্ষণ করছে। বাসে আসতে আসতে সে খেয়াল করেছে অনেক পুরুষই তার স্তনের দিকে লক্ষ করছে, কেউ সরাসরি তো কেউ আড়চোখে। নিজেকে অনেকটা পরিপূর্ন নারী বলে মনে হলো তার।
নির্দিষ্ট সময়ের অনেকটা আগেই অনির্বান চলে এসেছে। বাস থেকে নেমেই অনন্যা দেখা পেয়েছে তার। কথা মতো হোটেল গ্রীন চিলিতে ঘর নিয়েছিল অনন্যা। সেখানেই আজ মিলিত হবে তারা। একে অপরের শরীরকে চিনবে, আবিষ্কার করবে দুজন দুজনকে। অনির্বান টেনশনে একের পর এক সিগারেট শেষ করে ফেলছে। দেখেই হাসি পেলো অনন্যার। ফিক করে হেসে বললো, "নিজের ভবিষ্যতের বৌয়ের সাথে শুতে যাচ্ছ আর এই ভাবে টেনশন !"
ঘরে গিয়ে অনন্যা কাছে টেনে নিলো অনির্বানকে। ঠোঁটে ঠোঁট রাখলো অনির্বানের। আস্তে আস্তে অনির্বানের ঠোঁট নেমে আসতে লাগলো অনন্যার স্তনযুগলের কাছে। আজকে অনির্বান উন্মত্ত, এক টানে অনন্যার ব্লাউজ খুলে ফেললো সে। একের পর এক চুমুতে অনন্যার স্তনবৃন্ত ভিজিয়ে দিতে লাগলো সে, ছোট্ট কয়েকটা কামড় ও বসালো স্তনের আশেপাশে। শাড়ির উপর দিয়েই হাত বোলাতে চেষ্টা করলো অনন্যার নিতম্ব আর যোনিতে। এইদিকে অনন্যাও ধীরে ধীরে গরম হচ্ছে, হঠাৎই একটানে অনির্বানের প্যান্ট খুলে ফেললো সে। ততক্ষনে শক্ত হয়ে যাওয়া অনির্বানের লিঙ্গ তার নিজের মুখের মধ্যে ঢুকিয়ে নিলো, ভিজিয়ে দিতে লাগলো শক্ত লৌহদন্ডটা। এই ভাবে চললো কিছুক্ষন। আস্তে আস্তে অনন্যা নিজেই তার শাড়িটা খুলতে শুরু করলো, একসময় সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে অনির্বানের সামনে দাঁড়ালো। অনির্বান তৎক্ষণাৎ তার দুটো আঙ্গুল অনন্যার যোনিতে প্রবেশ করালো, ছোঁয়ার চেষ্টা করলো অনন্যার ক্লিটোরাস। আর এইদিকে অনির্বান চুমুতে চুমুতে ভরিয়ে দিতে লাগলো অনন্যার ঠোঁট, গলা ও স্তন। আস্তে আস্তে অনন্যা নিজেই অনির্বানের লিঙ্গটা হাতে নিয়ে প্রবেশ করালো তার যোনিতে। আনন্দের যন্ত্রনায় কঁকিয়ে উঠলো সে। চলতে লাগলো ঘর্ষণ। একসময় তার উপর থেকে নেমে এলো অনির্বান, ভিজে গেল যোনির মুখ। ক্লান্ত হয়ে পাশ ফিরে ঘুমিয়ে পড়লো অনির্বান।
ঘুমন্ত অনির্বানকে দেখে বড়ই মায়া হলো অনন্যার। তৃপ্তি সারা মুখমণ্ডলে ছড়িয়ে আছে তার। আজ সে তার কথা রেখেছে, অনির্বানের অনেকদিনের আবদার আজ সে সফল করেছে। অনির্বান অনেকবারই আবদার করেছিল মিলিত হবার জন্য কিন্তু দৃঢ়প্রতিজ্ঞ অনন্যা চাকরি যেদিন পাবে সেইদিনই মিলিত হবে কথা দিয়েছিল। ঘরের একপাশে আয়না রাখা। নগ্ন অবস্থাতেই সেখানে গিয়ে দাঁড়ালো অনন্য। খুঁটিয়ে দেখতে লাগলো তার শরীর। অনির্বানের কামড়ে স্তনের আশপাশটা লাল হয়ে উঠেছে, যোনি একটু ফুলে উঠেছে আর সেখান থেকে ঝড়ছে রক্ত, পেটের কাছে কিছুটা উপরে স্তনের কাছে লেপ্টে আছে অনির্বানের বীর্য। দুই আঙ্গুল দিয়ে কিছুটা বীর্য নিয়ে মুখের মধ্যে রাখলো সে। অদ্ভুত একটা স্বাদ পেলো, মনে হলো যেন প্রসাদ গ্রহণ করছে ভগবানের। ওর ইচ্ছা হলো নগ্ন হয়েই সারাটা রাত আজ কাটিয়ে দেওয়ার অনির্বানের সাথে কিন্তু সমাজ সেই সুযোগটা দেবে না ওদের। ওরা বিবাহিত নয়, ওরা বিয়ের আগে মিলিত হয়েছে। তাই আস্তে আস্তে শাড়ি পড়ে নিলো অনন্যা। ঘুমন্ত অনির্বানকেও প্যান্ট পড়ানোর চেষ্টা করলো, ওর লিঙ্গটার দিকে চোখ পড়লো অনন্যার। যেনো এক যুদ্ধে জয়ী হওয়া ক্লান্ত সৈনিক নিশ্চিন্তে নিদ্রা দিচ্ছে। একটু হেসে টপ করে একটা ছোট্ট চুমু দিলো ওই ক্লান্ত লিঙ্গটার তারপর জিভ দিয়ে অল্প একটু চেটে লেগে থাকা বীর্য পরিষ্কার করে দিলো। অল্প একটু জানান দিলো লিঙ্গটা, ঠক করে লিঙ্গটা হালকা ঠোকা দিলো অনন্যার নাকে, যেনো লিঙ্গটা বলতে চাইলো যে সৈনিক কখনো ক্লান্ত হয়না, শুধু একটু বিশ্রাম নেয়।
কিছু সময় পর, হোটেলের বিল মিটিয়ে বেরিয়ে আসে অনন্যা। সন্ধ্যা নেমে এসেছে। সন্ধ্যার কলকাতার যেন একটা আলাদা আমেজ থাকে। অনন্যা সেই আমেজটা নিতে থাকে। আজকে খুব খুশি সে। মনে মনে হিসাব কষে নিলো সে। আর মাত্র আধ ঘন্টা, তারপর চির ঘুমের দেশে পারি দেবে অনির্বান। তার শরীরে ঢুকেছে যে মারাত্মক স্ট্রিকনিন বিষ যেটা লাগানো ছিল অনন্যার স্তনবৃন্তে। যেটা মুখের মধ্যে নিলেই কিছু সময়ের মধ্যে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়বে সেই পুরুষ। এমন ভাবেই অনির্বানকে তার প্রাপ্য সাজাটা দিয়ে গেল অনন্যা। চার বছর আগে উত্তর কলকাতার কাশী বোস লেন-এ ধর্ষিত হয় যে মেয়েটি তার নাম ছিল অনন্যা আর তার মুখ্য অভিযুক্ত ছিল অনির্বান। মদ খেয়ে রাতের অন্ধকারে ধর্ষণ করার সময় মুখটা ভালো করে দেখেনি অনির্বান, দেখেছিল শুধু শরীর। তাই আজ সেই শরীরই তাকে তার প্রাপ্য শাস্তিটুকু দিয়ে গেল।
🌻