29/04/2026
এখন সময় এসেছে সত্যের পথে অটল থেকে হক্কানী আলেমদের সম্মান রক্ষায় দৃঢ় কণ্ঠে এগিয়ে আসার, মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়।💪
আজ আমরা এমন এক কঠিন পরিস্থিতিতে অবস্থান করছি। প্রকৃত সত্যবাদী ন্যায়পরায়ণ মুহাক্কিক আলেমদের, কুৎসা রটানো যেন পূর্বপুরুষের উত্তরসূরী হয়ে বংশ পরম্পরায় কিছু ক্ষেত্রে প্রতিফলিত হচ্ছে,, যেন অবনতক মস্তকে নিজের চরিত্র ও তাদের মত করেই,পার্থিব জীবনে বরণ করে নিয়েছেন।।
কোন ব্যতিক্রম নয়।। বংশ'সূত্রে,সেই চরিত্র গ্রহণ করে।। প্রতিটা মুহূর্তে হাক্কানি আলেমের বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য। এবং এডিট করে মদের বোতল ধরিয়ে দেওয়ার মত ঘটনা স্পষ্ট।।।
প্রশ্ন থেকে যায়।। এ কাজ কি কোনো মুমিন কোনো প্রকৃত মুসলমান কোনো সুসন্তান করতে পারেন???
অবশ্যই উত্তর আসবে।।
না-
কখনো কোনো বাপের বৈধ সন্তান। হাক্কানী আলেমদের বিরুদ্ধে এমন নাক্কার জনক, কাজ করতে পারেন না।। তাহলে তো তার বিপরীত প্রশ্ন থেকেই যায়?
এই কাজ কাদের দ্বারা সম্ভব? মনে রাখবেন ইসলামের ইতিহাস থেকে প্রমাণিত-এই কাজগুলো যারাই করেছেন।। পরবর্তীতে প্রমাণিত হয়েছে।। তারা প্রত্যেকেই (ইবনুজ জিনা)
তার প্রমাণস্বরূপ। সূরা কলামে ওয়ালিদ বিন মুগীরার চরিত্রের বর্ননা এসেছে ,ঠিক এই চরিত্রের মানুষ ছিল।। আল্লাহর রাসূল সাঃ কখনো তাকে অবৈধ সন্তান বলেছিলেন,,,,পরবর্তীতে তাই প্রমাণ হয়েছে।। যদি আকাবিরদের দিকে তাকাই
বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী রাহমাতুল্লাহ এঁর জীবনেও এমন ঘটনা ঘটেছিলেন। বড়ো পীর হুজুরকেও অপদস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন।।
বড় পীর হুজুর বললেন খোঁজ নিয়ে দেখো এটা অবৈধ সন্তান। শেষে তাই হল।
এ কথা বলতে আমি ইমানী দ্বায়বদ্ধতাই বাধ্য ।।কারণ আমি কুড়ি বছরের অভিজ্ঞতায় তাকে যতটা চিনেছি।।
১/মুফতি আব্দুল কাইউম সাহেব, হাফিজুল্লাহ।
যাকে জীবনে দেখেছি। সিলসিলায়ে ফুরফুরা শরীফের পবিত্রতা ও সম্মান রক্ষার্থে জীবনে আমরণ সংগ্রাম করে চলেছেন।
২/যিনি আল্লামা রুহুল আমিন রহঃ এঁর কিতাবের উপরে সু প্রতিষ্ঠিত।
৩/সিলসিলা বিরোধী মতবাদের সঙ্গে আপসহীন সংগ্রামের ভূমিকা।
৪/শত শত দ্বীনি প্রতিষ্ঠান, বঙ্গবাসি উপহার দেওয়া।
৫/যিনি হানাফী মাযহাবের উপরে সু প্রতিষ্ঠিত ।
৬/যিনি জাতির কল্যাণের মানসে আলিয়া ইউনিভার্সিটির চাকরি ছাড়তে পারা একজন ব্যক্তিত্ব।।
৭/যিনি শত শত মসজিদ পরিচালনা করেন
৮/যিনি একজন সুপ্রসিদ্ধ বাগ্মী।
৯/কর্মজীবন প্রমাণ বহন করে। তিনি একজন হাদী।
১০/তিনি একজন সুপ্রসিদ্ধ মুফতী।
১১/তিনি একজন তাহাজ্জুদ গুজারী।
১২/তিনি একজন পূর্ণ তাকওয়া পন্থী।
১৩/একজন ফিক্হ তব্তবিদ
১৪/মুফাসসিরে কুরআন।
১৫/হাজার হাজার আলেমের ওস্তাদ।
এমন ভাবে লিখলে সারাদিন লিখতে হবে। আমি মনে করি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা, মুফতী আব্দুল কাইয়ুম সাহেব হাফিজাহুল্লাহ। তিনি এ বাংলার ঈমানী সম্পদ।। এই সমস্ত আবু জাহেলের উত্তর সূরিদের বলতে চাই।।
একজন হাক্কানী আলেমের।। বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো এটা শুধু কুৎসা রটানো নয়।। বরং প্রকৃত আল্লাহর দ্বীনের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো।
তুমি হাক্কানী আলেমের বিরুদ্ধে মন্তব্য করছ,, হাক্কানী আলেম এর। হেফাজতের জন্য আমার আল্লাহই যথেষ্ট।
মনে রেখো হাক্কানী আলেমেরা আমার রাসুল সাঃ এর ইল্মের ওয়ারিশ,
তোমার মত জাহান্নামের দিকে অগ্রসর হওয়া নির্বোধ,,সমালোচনা করে নিজের ধ্বংস ডেকে আনা ছাড়া অন্য কিছুই নয়।
কারণ তুমি বদদোয়া করলেও।। আল্লাহর রাসূল জানিয়েছেন। হাক্কানী আলেমদের জন্য ফারিস্তা থেকে শুরু করে, পুকুরের মাছগুলো পর্যন্ত দোয়া করে।।
তাই নিজেকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে না দিয়ে। নিজের জীবন গঠন করুন।। মনে রেখো হাদিস শরীফে এসেছে। হযরত ওমার রাঃ আল্লাহর নবীকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। যে পৃথিবীর জমিনে নির্বোধ কারা?
আল্লাহর রাসূল জবাবে বলেছিলেন। যারা অন্যকে খুশি করতে যেয়ে নিজেরা মিথ্যা আশ্রয় নেয়। এরাই হলো নির্বোধ।। সুতরাং ঈমানদার নির্বোধ হয় না যথেষ্ট চরিত্রবান হয়।। আমার আল্লাহ কুরআন শরীফে বলেছেন।। মিথ্যাবাদীদের উপরে আমার লা'নাত সুতরাং তোমার ভয় করা উচিত ।।খোদার গজব যদি একবার পড়ে যায়।। জীবন ধ্বংস হয়ে যেতে হবে।।
ছবি এডিট কারী ব্যক্তির জন্য অন্তর থেকে দোয়া আল্লাহ তাকে হেদায়েত নসিব করুন। আমিন 🤲