27/02/2020
মুসলমান না, একজন মানুষ হিসেবে বলছি -
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা হোক বা না হোক তার খবর সারাবিশ্ব ছাড়ায়া যায়। কারন যত নাস্তিক - আস্তিক, সাম্প্রদায়িক - অসাম্প্রদায়িক চেনতাবাজরা আছেন তাদের মস্তিষ্কের নিউরনে ঢেউ উঠে। চেতনার অঙ্গ দাড়ায়া যায়। - নিন্দা জানায়, ক্ষোভ প্রকাশ করে, প্রতিবাদ জানায়। আর আমার দেশ তার জন্য মাথা নত করতেও বাধ্য। বাংলাদেশে দুই একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ব্যতীত কখনো সংখ্যালঘুদের উপর এমন পরিকল্পিত হামলা হয়েছে কিনা তা আমার চোখে পড়ে না কিন্তু প্রতিনিয়তই এমন হাজার হাজার প্রতিবেদন উঠে আসছে যে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন করা হয়, ঘর বাড়ি পূড়িয়ে দেয়া হয়। কিন্ত আজকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় গনতান্ত্রিক দেশ ভারতে যখন সেখানকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায় মুসলামানদের উপর এমন প্রকাশ্যে বর্বর হামলা করা হচ্ছে, তাদের উপাসনাগার মসজিদ ভেঙে গুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে, আগুনে পূড়িয়ে ছাই করে দেয়া হচ্ছে তখন আমাদের নাস্তিক - আস্তিক, সাম্প্রদায়িক - অসাম্প্রদায়িক চেতনাবাজদের মস্তিষ্কের নিউরন ঘুমিয়ে আছে। কারন একটাই সম্প্রদায়টা মুসলিম। মানে সন্ত্রাবাদী। যুগ যুগ ধরে এমন একটা ট্যাগ নিয়েই চলছে এই সম্প্রদায়টা। তাদের উপরে হামলা নির্যাতন হলে সবাই সন্ত্রাসবাদের উপড় হামলা বলে স্রেফ উড়িয়ে দিচ্ছে। আর প্রতিবাদ, ন্যায়বিচারের তো প্রশ্নই আসেনা। ( মায়ানমারের বর্বরতার কথাই ভেবে দেখুন) একটা গুষ্টির অপকর্মকে পুঁজি করে পুরো সম্প্রদায়কে দায়ী করা কতটা যুক্তিযুক্ত?! আর সন্ত্রাসবাদ এর সমর্থন আমিও করিনা। তারা স্রেফ ঘৃণার পাত্র। তবে কিছু কিছু সন্ত্রাসবাদী কেনো তৈরী হচ্ছে, কিভাবে গড়ে উঠছে তা শুধু মাত্র এমন কিছু সম্প্রদায়ের কট্টরপন্থীদের বর্বরতা আর নিপীড়ন এর চিত্রগুলো দেখলেই বোঝতে পারবেন আশাকরি। এমন সন্ত্রাসবাদ কি আমরাই তৈরি করছি না?
- আহমেদ সবুজ