বৈঠকখানা

বৈঠকখানা 'বৈঠকখানা' যুক্তি ও সত্যের আলোকে শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেয়ার একটি সাংস্কৃতিক প্লাটফর্ম।
https://linktr.ee/boithokkhana.connect

🌙তাকাব্বালাল্লহু মিন্না ওয়া মিনকুম ছলিহাল আ'মাল। কুল্লু আম ওয়া আনতুম বিখঈর।🌙আল্লাহ আমাদের ও আপনাদের নেক আমলগুলো কবুল করু...
27/05/2026

🌙তাকাব্বালাল্লহু মিন্না ওয়া মিনকুম ছলিহাল আ'মাল। কুল্লু আম ওয়া আনতুম বিখঈর।🌙

আল্লাহ আমাদের ও আপনাদের নেক আমলগুলো কবুল করুন। প্রতি বছরই আপনারা ভালো ও কল্যাণের মধ্যে থাকুন।

#ঈদুল_আযহা
োবারক






#ঈদের_শুভেচ্ছা


#বাংলা_ইসলামিক_পোস্ট
্পেশাল



#ঈদুলআযহা_মোবারক

#বাংলা_স্ট্যাটাস

বাংলার মাদ্রাসা শিক্ষার ঐতিহাসিক পরিক্রমা।  -অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ সিদ্দিক(দ্য ডেইলী স্টার, ১১ই এপ্রিল ২০২৬ ইং)অনুবা...
12/04/2026

বাংলার মাদ্রাসা শিক্ষার ঐতিহাসিক পরিক্রমা।
-অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ সিদ্দিক
(দ্য ডেইলী স্টার, ১১ই এপ্রিল ২০২৬ ইং)
অনুবাদ: বৈঠকখানা
পুরো নিবন্ধটির লিংক কমেন্টে দেয়া আছে।

হাজার বছর ধরে যে মিনারগুলো আকাশ ছুঁয়ে আছে..এটি ছিল একজন সেনাপতির কল্পনা মাত্র.. যা আজ উম্মাহর বাতিঘরে পরিণত হয়েছে। একটু...
29/03/2026

হাজার বছর ধরে যে মিনারগুলো আকাশ ছুঁয়ে আছে..

এটি ছিল একজন সেনাপতির কল্পনা মাত্র.. যা আজ উম্মাহর বাতিঘরে পরিণত হয়েছে।

একটু কল্পনা করুন:
সাল: ৯৭০ খ্রিস্টাব্দ।
স্থান: ফাতেমীয় কায়রোর কেন্দ্রস্থলের একটি ফাঁকা জায়গা।
সেনাপতি জওহর আল-সিকিল্লী বিশাল আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন, হাতে একটি শহরের মানচিত্র যা ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দেবে।

তিনি একটি মসজিদ নির্মাণের কথা ভাবছেন। তবে সেটা কেবল ইবাদতগাহ নয়; বরং নতুন শহরের একটি "স্পন্দনশীল হৃদপিণ্ড"। যা হবে ফাতেমীয় খেলাফতের রাজধানী "আল-কাহিরা আল-মাহরুসা" (সুরক্ষিত কায়রো)-এর কেন্দ্রবিন্দু, যেখানে ইবাদতের সুবাস আর জ্ঞানের আলো—উভয়ই মিলেমিশে একাকার হবে।

২৪ জমাদিউল আউয়াল, ৩৫৯ হিজরী। এদিন "জামিউল কাহিরা" (জামিউল আজহারের প্রাচীন নাম)-এর প্রথম ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। প্রতিটি পাথর স্থাপনের সাথে সাথে দোয়া করা হচ্ছিল, আল্লাহ যেন এই স্থাপনায় বরকত দেন।

সেই সময়ের মানদণ্ডে এত বড় একটি স্থাপনা নির্মাণের জন্য রেকর্ড পরিমাণ সময়, প্রায় দুই বছর তিন মাস দিনরাত কাজ চলে। দক্ষ মিশরীয় কারিগর ও বিশেষজ্ঞদের নিপুণ হাতে ধীরে ধীরে দেয়ালগুলো গড়ে ওঠে। পাশাপাশি চমৎকার খত্বে কূফি (কুফিক লিপি)-তে সেগুলো সজ্জিত হয়।

অবশেষে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্তটি আসে।

৩৬১ হিজরির ৭ই রমজান, শুক্রবার। প্রথমবারের মতো এর দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়। মুসল্লিরা মসজিদের উন্মুক্ত চত্বরের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়ে যান, যা চাঁদের আলো প্রতিফলন করছিল। সেখানে প্রথম আনুষ্ঠানিক জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

সেই রাত থেকে আজ পর্যন্ত এর রুয়াকগুলোতে জ্ঞানের প্রদীপ কখনো নেভেনি, বন্ধ হয়নি কোনো তালিবুল ইলমের জন্য এর উন্মুক্ত দুয়ার ।

(রুয়াক সম্পর্কে জানতে কমেন্ট চেক করুন।)
কমেন্ট ১
রুয়াক সম্পর্কে জানুন:
https://www.facebook.com/share/18K9CF4LF4/

এভাবে অল্পদিনেই এটি ধর্মীয় ও ভাষাতাত্ত্বিক শিক্ষার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয় এবং সারা বিশ্বের শিক্ষার্থীদের জন্য "জ্ঞানের কাবা" বা কা'বাতুল ইলম হিসেবে পরিচিতি পায়।

মসজিদের নকশায় স্থপতিরা তিউনিসিয়ার কায়রওয়ান এর "জামি' উকবা বিন নাফি" এবং সুসা এর “জামি' সূসা" থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন, তবে তাতে মিশরীয় ফাতেমীয় শৈলীর সংমিশ্রণ ঘটিয়েছিলেন। এই মসজিদ দুটির বর্তমান আকৃতি ৮ম ও ৯ম শতকে তৈরি করা হয়েছিল।
(সংযুক্ত ছবি দ্রষ্টব্য)

মসজিদের নাম “আল-আযহার" হওয়ার একাধিক কারণ উল্লেখ করা হয়। তবে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মতানুসারে: "আল-আযহার" নামটি রাখা হয়েছিল রাসুলুল্লাহ সা.-এর কন্যা হযরত ফাতিমা আয-যাহরা (রা.)-এর সম্মানে এবং তাঁর বংশ ও জ্যোতির বরকত লাভের আশায়।

তাছাড়া লকমসজিদের প্রতিষ্ঠাতা শাসকগোষ্ঠী ফাতিমীদের হযরত ফাতিমা রা. এর প্রতি অতিরিক্ত মহাব্বতও এই মতকে শক্তিশালী করে।

আল-আজহার মসজিদ এমন এক প্রাচীন ফাতেমীয় নিদর্শন যা যুগ যুগ ধরে কোনো ধ্বংসযজ্ঞ বা চরম অবহেলার শিকার হয়নি। বরং পরবর্তী প্রত্যেক সুলতান এতে নতুন মিনার বা মাদ্রাসা যুক্ত করে এর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে সম্মানিত বোধ করেছেন।

একইসাথে, শাসকের সদিচ্ছা ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত উম্মাহর কী অকল্পনীয় উপকার সাধন করে— জামিউল আযহার তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত!

(তিউনিসিয়ার কায়রওয়ান এর "জামি' উকবা বিন নাফি" এবং সুসা এর “জামি' সূসা" সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত তথ্য কমেন্ট বক্সে।)

#আযহার #الأزهر #ইতিহাস

বৈঠকখানা'র পক্ষ থেকে সকলকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।
26/03/2026

বৈঠকখানা'র পক্ষ থেকে সকলকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।

কা'ক— বিস্কুটে আঁকা তিন হাজার বছরকায়রোর ঈদের সকাল শুরু হয় একটি সুবাস দিয়ে।তিন হাজার বছরের পুরনো সুবাস। ---মিশরে ঈদের ...
21/03/2026

কা'ক— বিস্কুটে আঁকা তিন হাজার বছর

কায়রোর ঈদের সকাল শুরু হয় একটি সুবাস দিয়ে।
তিন হাজার বছরের পুরনো সুবাস।

---

মিশরে ঈদের আগের রাতে প্রতিটি ঘরে একই দৃশ্য — মা, মেয়ে, দাদি একসাথে বসে আছেন। হাতে খামির। সামনে 'মুনআশ' — বিশেষ খোদাই যন্ত্র। গোলাকার ছোট ছোট বিস্কুটে আঁকা হচ্ছে জটিল সব নকশা। (কমেন্ট বক্সে সংযুক্ত ছবি দেখুন)

এই দৃশ্য আজকের নয়।

সাড়ে তিন হাজার বছর আগের দেয়ালচিত্রে — আঠারোতম রাজবংশের উজির 'রেখ-মি-রে'এর সমাধিকক্ষে — একই দৃশ্য আঁকা আছে। (বিবরণীসহ ছবি সংযুক্ত)

---

প্রাচীন মিশরীয়রা কা'ককে বলত 'আত্মার খাবার'। গোলাকার এই বিস্কুট ছিল সূর্যদেবতা 'রা'-এর প্রতীক। সমাধিকক্ষে মৃতের পাশে রাখা হতো — যাতে পরকালে সে ক্ষুধার্ত না থাকে।

এরপর সময় বদলিয়েছে। ধর্মও বদলিয়েছে। কিন্তু মিশরের সমাজ-সংস্কৃতিতে কা'ক থেকে গিয়েছে।

খ্রিস্টধর্মের প্রভাবে বিস্কুটের ওপর ক্রুশ আঁকা শুরু হলো। কপ্টিক খ্রিস্টানরা ইস্টারে কা'ক পরিবেশন করতে লাগলেন। তারপর এলো ইসলামি যুগ — আবার ফিরে এলো সেই গোলাকার নকশা, তবে এবার আনন্দের প্রতীক হয়ে।

ভাবা যায়, একটি বিস্কুট। তিনটি সভ্যতার সাক্ষী।

---

খৃষ্টীয় নবম শতকে কা'কের প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন তুলুনি শাসকরা। তারা বিশেষ কাঠের ছাঁচে কা'ক বানাতেন — যাতে আরবীতে খোদাই করা থাকত "কুল ওয়া উশকুর" (খাও এবং শুকরিয়া আদায় করো)। (প্রতিকী ছবি সংযুক্ত)

ইখশিদি আমলের মন্ত্রী আল-মাদরানি কা'কের ভেতরে লুকিয়ে রাখতেন স্বর্ণের দিনার। গরিব মানুষ কামড় দিতে গিয়ে পেতেন অপ্রত্যাশিত উপহার। সেই বিশেষ কা'ককে আঞ্চলিক উচ্চারণে বলা হতো 'আফতেন লেহু' (বিশুদ্ধ: 'ইফতান লাহু')— "এর দিকে লক্ষ্য রাখো।"

দশম শতকে ফাতিমি খলিফা আল-আজিজ বিল্লাহ কায়রোতে প্রতিষ্ঠা করলেন 'দার আল-ফিতরা' — শুধু কা'ক বানানোর জন্য স্বতন্ত্র রাষ্ট্রীয় কারখানা।

১১২৪ খ্রিস্টাব্দে এক ফাতিমি খলিফা কেবল কা'কের জন্য বরাদ্দ করলেন ২০,০০০ স্বর্ণ দিনার। ঈদের দিন সাজানো হতো ১৩৫০ মিটার লম্বা দস্তরখান — ৬০ প্রকারের কা'ক। ধনী-গরিব সবাই একই সারিতে।

---

ফাতিমিদের পতনের পর বায়তুল মাকদিসের মুক্তিদাতা, হিত্তিনের বীর, সালাহউদ্দিন আইয়ুবি মিশরে সুন্নি পুনর্জাগরণের কাজে হাত দিলেন। ফাতিমি রাজকীয় ঐতিহ্যের অনেক কিছু বদলে দিলেন। কিন্তু কা'ক মিশরীয় সংস্কৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়নি।

আইয়ুবি আমিরদের মধ্যে অনেকেই ফাতিমি রাজপ্রাসাদের সেরা বাবুর্চিদের নিজেদের কাছে রেখে দিয়েছিলেন — যাদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত ছিলেন 'হাফিজা', যার হাতে তৈরি কা'ক 'কা'কে হাফিজা' নামে পরিচিত হয়ে ওঠে।

এই মহিলার মাধ্যমে কা'ক-এ "ব্র্যান্ডিং" শুরু হয়। তার তৈরি কা'কে খোদাই থাকত "তেসলাম য়েদীকি য়া হাফিজা" (তোমার হাত সুস্থ থাকুক হে হাফিজা)। এটা ছিল ইতিহাসের প্রথম "পণ্য ব্র্যান্ডিং"-এর একটি উদাহরণ।

---

এরপর মামলুক সুলতানরা কা'ককে দিলেন এক মহৎ ও নতুন অর্থ — এটি হয়ে উঠল দান ও সাদাকার প্রতীক। গরিব, ছাত্র ও সুফিদের মধ্যে কা'ক বিতরণ হতো ওয়াকফের অর্থে।

---

রমজানের শেষ দশ দিনে কায়রোর প্রতিটি পাড়ায় এখনও একই আয়োজন। প্রতিবেশীরা একসাথে বসেন। খামির মাখেন। 'মুনআশ' দিয়ে নকশা কাটেন।

ঈদের সকালে প্রথম কামড়ে যে স্বাদ — সেই একই স্বাদ পেয়েছিলেন তার দাদা। তার দাদার দাদা। এবং সাড়ে তিন হাজার বছর আগে নীল নদের তীরে এক অজানা মিশরীয়।

---

সূত্র: arabic.cnn.com | ar.wikipedia.org | rassd.com | egyptindependent.com | worldhistory.org | roayatwatneg.com | islamweb.net | elbalad.news







#ইসলামিসংস্কৃতি #ঈদ #ঈদুলফিতর #كعك #ইতিহাস #সংস্কৃতি #ঐতিহ্য #মিশরীয় #সভ্যতা

'বৈঠকখানা'র পক্ষ থেকে সকলকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
20/03/2026

'বৈঠকখানা'র পক্ষ থেকে সকলকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

রুয়াকুল আযহারের কিছু স্থীরচিত্র। (প্রতিটি ছবিতেই বিবরণী যুক্ত করা আছে। স্পষ্ট ধারণা পেতে সেগুলো  পড়তে হবে অবশ্যই।)
17/03/2026

রুয়াকুল আযহারের কিছু স্থীরচিত্র।
(প্রতিটি ছবিতেই বিবরণী যুক্ত করা আছে। স্পষ্ট ধারণা পেতে সেগুলো পড়তে হবে অবশ্যই।)

১. নিশ্চয়ই আমি এটি (পুরো কুরআনকে) শবে কদরে (প্রথম আসমানে) নাযিল করেছি। ২. (হে নবী,) আপনি কি জানেন, শবে কদর কী? ৩. শবে ক...
16/03/2026

১. নিশ্চয়ই আমি এটি (পুরো কুরআনকে) শবে কদরে (প্রথম আসমানে) নাযিল করেছি।
২. (হে নবী,) আপনি কি জানেন, শবে কদর কী?
৩. শবে কদর (কল্যাণ, বরকত ও সওয়াবে) হাজার মাসের চেয়ে উত্তম।
৪. সে রাতে ফেরেশতাগণ ও রূহ (জিবরীল) তাদের রবের অনুমতিক্রমে (আগামী এক বছরের জন্য সিদ্ধান্তকৃত) প্রত্যেক কাজের জন্য (দুনিয়া অথবা প্রথম আসমানে) অবতরন করেন।
৫. সেই রাত শান্তিময়(এ রাতে শুধু কল্যাণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়), ফজর হওয়া পর্যন্ত।

সূরা আল-কদর। কুরআন কারীমের ৯৭তম সূরা।
সূত্র: আত তাফসীর আল-মুহাররার।

16/03/2026

তারা রেডিও শোনে। রমাদ্বনে, রমাদ্বনের বাইরে। গাড়ীতে, কর্মস্থলে। স্টেশন 98.2 FM।
কী চলে এই রেডিওতে?
(কমেন্ট বক্স চেক করুন)

🇪🇬

Address

Cairo
11765

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বৈঠকখানা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share