Razib Express

  • Home
  • Razib Express

Razib Express নিজেকে ভালোবাসুন,, হিংসা না করে সামনে এগিয়ে চলুন ��
(1)

10/12/2025

কাউকে প্রেমে ফেলার ৫টি সহজ উপায়ঃ 🙂
১.প্রথম যাকে ভালোলাগে...See More

02/11/2025

স্বপ্ন দুজনের থাকলে, কোন কিছু অপূর্ন থাকে না এবং মনের টান থাকলে কখনও বিচ্ছেদ হয় না 🥰






18/10/2025

আমাদের কাপড় শুকানো দড়িটাকে পিঁপড়ারা ফ্লাইওভার হিসেবে ইউস করে।🙂

17/10/2025

এই পৃথিবীর কাছে হয়তো তুমি কিছুই না, কিন্তু তুমি এটা জানো না, আমার কাছে তুমিই আমার পৃথিবী 🥰

10/10/2025

হয়তো অনেক দূরেই আছো আমার থেকে😢, কিন্তু তুমি এটা, এটা জানো না, আমার এই মনে একমাত্র তুমিই আছো 🥰😍








25/08/2025

I got over 10 reactions on one of my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

23/07/2025

নয়মাস দশদিনের সফল গর্ভধারণ শেষে ওটি টেবিলের অসহনীয় যন্ত্রণা কিংবা হাসপাতালের বারান্দায় ভয়ার্ত অপেক্ষার প্রহর শেষে ফুটফুটে সন্তানকে প্রথমবার কোলে নেয়ার মধুরতম মুহূর্ত, পুরনো পৃথিবীতে নতুন করে নিজেকে আবিষ্কার করা, সন্তানের মুখে মা/বাবা ডাক শোনা। এসবই তো মানুষের প্রতি মহান আল্লাহ পাকের শ্রেষ্ঠতম উপহার।

সেই সন্তানের বৃদ্ধি ও বিকাশ নিয়ে নতুন বাবা-মায়ের চিন্তার শেষ নেই। সারাক্ষণ একটাই চিন্তা, বাবুটা ঠিকমতো বেড়ে উঠছে তো? আসুন মিলিয়ে নেয়া যাক আপনার প্রিয় সন্তানের সাথে...

বিভিন্ন বয়সে শিশুদের আদর্শ ওজনঃ

০ মাসঃ ২.৫-৩.৩ কেজি
১ মাসঃ ৩-৪.৪ কেজি
২ মাসঃ ৩.৬-৫.৩ কেজি
৩ মাসঃ ৪.১-৬ কেজি
৪ মাসঃ ৪.১-৬.৭ কেজি
৫ মাসঃ ৫.১-৭.৩ কেজি
৬ মাসঃ ৫.৫-৭.৩ কেজি
৭ মাসঃ ৬-৭.৩ কেজি
৮ মাসঃ ৬.৪- ৮.৮ কেজি
৯ মাসঃ ৬.৭-৯.২ কেজি
১০ মাসঃ ৭.১-৯.৫ কেজি
১১ মাসঃ ৭.৩-৯.৯ কেজি
১২ মাসঃ ৭.৫-১০.২ কেজি
১৩ মাসঃ ৭.৮-১০.৫৪ কেজি
১৪ মাসঃ ৮-১০.৭ কেজি
১৫ মাসঃ ৮.২- ১০.৯ কেজি
১৬ মাসঃ ৮.৩-১১.১ কেজি
১৭ মাসঃ ৮.৫-১১.৩ কেজি
১৮ মাসঃ ৮.৭-১১.৫ কেজি
১৯ মাসঃ ৮.৮-১১.৭ কেজি
২০ মাসঃ ৯-১১.৯ কেজি
২১ মাসঃ ৯.১-১১ কেজি
২২ মাসঃ ৯.৩-১২.১ কেজি
২৩ মাসঃ ৯.৪-১২.৩ কেজি
২৪ মাসঃ ৯.৬-১২.৫ কেজি
২৫ মাসঃ ৯.৭-১২.৭ কেজি
২৬ মাসঃ ৯.৯-১২.৯ কেজি
২৭ মাসঃ ১০-১৩ কেজি
২৮ মাসঃ ১০.২-১৩.২ কেজি
২৯ মাসঃ ১০.৩-১৩.৪ কেজি
৩০ মাসঃ ১০.৫-১৩.৬ কেজি
৩১ মাসঃ ১০.৬-১৩.৭ কেজি
৩২ মাসঃ ১০.৮-১৩.৯ কেজি
৩৩ মাসঃ ১০.৯-১৪.১ কেজি
৩৪ মাসঃ ১১-১৪.২ কেজি
৩৫ মাসঃ ১১.১-১৪.৪ কেজি
৩৬ মাসঃ ১১.৩-১৪.৫ কেজি
৩৭ মাসঃ ১১.৪-১৪.৮ কেজি
৩৮ মাসঃ ১১.৬-১৫ কেজি
৩৯ মাসঃ ১১.৮-১৫.১ কেজি
৪০ মাসঃ ১১.৯-১৫.৩ কেজি
৪১ মাসঃ ১২-১৫.৪ কেজি
৪২ মাসঃ ১২.১-১৫.৬ কেজি
৪৩ মাসঃ ১২.৩-১৫.৮ কেজি
৪৪ মাসঃ ১২.৪-১৬ কেজি
৪৫ মাসঃ ১২.৫-১৬.১ কেজি
৪৬ মাসঃ ১২.৬-১৬.৩ কেজি
৪৭ মাসঃ১২.৮-১৬.৫ কেজি
৪৮ মাসঃ ১২.৯-১৬.৬ কেজি
৪৯ মাসঃ ১৩-১৬.৮ কেজি
৫০ মাসঃ ১৩.১-১৭ কেজি
৫১ মাসঃ ১৩.২-১৭.১ কেজি
৫২ মাসঃ ১৩.৩-১৭.৩ কেজি
৫৩ মাসঃ ১৩.৪-১৭.৫ কেজি
৫৪ মাসঃ ১৩.৫-১৭.৭ কেজি
৫৫ মাসঃ ১৩.৬-১৭.৮ কেজি
৫৬ মাসঃ ১৩.৭-১৮ কেজি
৫৭ মাসঃ ১৩.৮-১৮.২ কেজি
৫৮ মাসঃ ১৩.৮-১৮.৪ কেজি
৫৯ মাসঃ ১৩.৯- ১৮.৫ কেজি
৬০ মাসঃ ১৪-১৮.৭ কেজি

শিশুর উচ্চতা বৃদ্ধির আদর্শ হারঃ
১ম বছরঃ ২৫ সেমি/বছর।
২য় বছরঃ ১২ সেমি/বছর।
৩য়-৪র্থ বছরঃ ৭ সেমি/বছর।
৫ম-৬ষ্ঠ বছরঃ ৫ সেমি/বছর।

বয়স অনুযায়ী শিশুর আদর্শ উচ্চতাঃ
১ বছরঃ ৭৫ সেমি।
২ বছরঃ ৮৭ সেমি।
৩ বছরঃ ৯৫ সেমি।
৪ বছরঃ ১০০ সেমি।
৫ বছরঃ ১১০ সেমি।
৬ বছরঃ ১১৭ সেমি।

বয়সের সাথে সাথে শিশুর মগজের পরিমাণ ঠিকমতো বাড়ছে কিনা তা জানা দরকার। মাথার পরিধি মেপে নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে মাথার ভেতরের মগজের পরিমাণ ও ক্রমবৃদ্ধি বোঝা যায়। কারণ মগজ বৃদ্ধির সাথে সাথে মাথার পরিধিও বৃদ্ধি পায়, মগজ বৃদ্ধি না পেলে মাথার পরিধিও বাড়েনা।

কানকে মাথার সাথে চেপে ধরলে যে জায়গায় স্পর্শ করে ঠিক সেই বরাবর ফিতা ধরে মাথার চারদিকে ঘুরিয়ে মাপ নেবেন যাতে ফিতাটি কপালের ভ্রুর ঠিক উপরে এবং মাথার সবচেয়ে পেছনের অংশটি ছুঁয়ে থাকে।

বিভিন্ন বয়সে শিশুর মাথার পরিধিঃ

বয়সঃ ছেলেঃ মেয়েঃ
০ মাস - ৩৪.৮ সেমি ৩৪.৩ সেমি
১ মাস - ৩৭.২ সেমি ৩৬.৪ সেমি
২ মাস - ৩৯ সেমি ৩৮ সেমি
৩ মাস - ৪০.৬ সেমি ৩৯.৫ সেমি
৪ মাস - ৪১.৮ সেমি ৪০.৫ সেমি
৫ মাস - ৪২.৮ সেমি ৪১.৫ সেমি
৬ মাস - ৪৩.৮ সেমি ৪২.৪ সেমি
৭ মাস - ৪৪.৬ সেমি ৪৩.১ সেমি
৮ মাস - ৪৫.৪ সেমি ৪৩.৭ সেমি
৯ মাস - ৪৫.৮ সেমি ৪৪.৩ সেমি
১০ মাস - ৪৬.১ সেমি ৪৪.৮ সেমি
১১ মাস - ৪৬.৬ সেমি ৪৫.২ সেমি
১২ মাস - ৪৭ সেমি ৪৫.৬ সেমি
১৩ মাস - ৪৭.৪ সেমি ৪৫.৯ সেমি
১৪ মাস - ৪৭.৬ সেমি ৪৬.২ সেমি
১৫ মাস - ৪৭.৮ সেমি ৪৬.৫ সেমি
১৬ মাস - ৪৮ সেমি ৪৬.৭ সেমি
১৭ মাস - ৪৮.২ সেমি ৪৬.৯ সেমি
১৮ মাস - ৪৮.৪ সেমি ৪৭.১ সেমি
১৯ মাস - ৪৮.৬ সেমি ৪৭.৩ সেমি
২০ মাস - ৪৮.৮ সেমি ৪৭.৫ সেমি
২১ মাস - ৪৮.৯ সেমি ৪৭.৭ সেমি
২২ মাস - ৪৯ সেমি ৪৭.৯ সেমি
২৩ মাস - ৪৯.১ সেমি ৪৮ সেমি
২৪ মাস - ৪৯.২ সেমি ৪৮.১ সেমি
৩৬ মাস - ৫০ সেমি ৫০ সেমি
৪৮ মাস - ৫০.৩ সেমি ৫০.৩ সেমি
৬০ মাস - ৫০.৮ সেমি ৫০.৮ সেমি

কখন বুঝবেন আপনার শিশুর বিকাশ ঠিকমতো হচ্ছে না?

✅ ঘাড়ের নিয়ন্ত্রণঃ ৫ মাস বয়স।
✅ সাহায্য ছাড়া বসতে পারাঃ ১২ মাস বয়স।
✅ সাহায্য ছাড়া দাঁড়াতে পারাঃ ১৮ মাস বয়স।
✅ ঠিকমতো হাঁটতে পারাঃ ২০ মাস বয়স।
✅ ২-৩ শব্দের বাক্য বলতে পারাঃ ৩৬ মাস বয়স।
✅ নিজের নাম বলতে পারাঃ ৪৮ মাস বয়স।
✅ পায়খানা নিয়ন্ত্রণঃ ৬০ মাস বয়স।

উল্লেখিত বয়সের মধ্যে শিশুর এই বৃদ্ধিগুলো না হলে তাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় "Developmental dealy" বলা হয়।

শিশুদের বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য নিম্নোক্ত খাবারগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

চর্বিহীন মাংসঃ শিশুদের ওজন বাড়ানোর জন্য সবচেয়ে ভালো খাবার চর্বিহীন মাংস। এতে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন এবং ক্যালরি থাকে।

ডালঃ ডাল খেলে শিশুদের ওজন খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
ডালে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল, কার্বোহাইড্রেট, আয়রণ, ম্যাগনেসিয়াম ও জিংক থাকে যা শিশুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

মিল্কশেকঃ খেজুর, বাদাম ও দুধ মিলিয়ে মিল্কশেক বানিয়ে খাওয়ালে শিশুদের ওজন দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

কলাঃ কলায় প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম, ফাইবার, ভিটামিন বি-৬ এবং ভিটামিন সি থাকে যা শিশুদের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

মিষ্টি আলুঃ শিশুদের ওজন বেশ দ্রুত বৃদ্ধি করার জন্য চমৎকার একটি খাবার হচ্ছে 'মিষ্টি আলু'। পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিনে ভরপুর এই খাবারটি ৬ মাস বয়সের পর থেকে শিশুকে খাওয়াতে পারেন।

পেঁপেঃ শিশুদের হজমশক্তি এবং স্বাস্থ্য বাড়াতে নিয়মিত পেঁপে খাওয়ান। এতে আছে প্রচুর ক্যালরি, প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেট।

এছাড়াও পর্যাপ্ত বিকাশের জন্য শিশুকে গাজর, টমেটো, লালশাক, পুঁইশাক, পালংশাক, বীট, ডালিম, মিষ্টিকুমড়া, পাকা আম, কাঁঠাল, মলা, ঢেলা মাছ, দুধ, মাখন, পনির, কলিজা, ডিম, কডমাছ, মাছের মাথা খাওয়াবেন।

প্রায় সব মায়েদের একটি কমন প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছি। "স্যার, আমার বাচ্চাটা কিছুই খেতে চায়না। কি করবো?"

কিছু কিছু বাচ্চা সত্যিই খেতে চায়না। বয়স অনুযায়ী বৃদ্ধি এবং বিকাশও ঠিকমতো হয়না। বাচ্চা এক্টিভ না থেকে সবসময় চুপচাপ বসে থাকে। এর জন্য বেশ কিছু কারণ দায়ী। যেমন অপুষ্টি, রক্তশূন্যতা, কৃমি, বিভিন্ন জীবানু দ্বারা বারবার ইনফেকশন হওয়া। এসব ক্ষেত্রে কালবিলম্ব না করে সরাসরি চিকিৎসকে দেখিয়ে বাচ্চার চিকিৎসা করাবেন।

এবার আসি বাচ্চার খাবার রুচি বাড়াতে মা বাবার করণীয়গুলো কি কি..

✅ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মা-বাবার অসচেতনতা, অতিরিক্ত সচেতনতা এবং অনিয়মই বাচ্চার খেতে না চাওয়ার প্রধান কারণ। তাই এ ব্যপারে মা-বাবাকে সঠিক জ্ঞান রাখতে হবে।

✅ বাচ্চার আবদার মেটানোর জন্য বাইরের মুখরোচক খাবারে অভ্যস্ত করে তুললে বাচ্চা ঘরের পুষ্টিকর খাবার খেতে চাইবে না এটাই স্বাভাবিক। চাওয়ার সাথে সাথে আইসক্রিম, চকলেট, চিপস, বিস্কুট, পিজ্জা, বার্গার, প্যাকেটজাত জুস এনে দেবেন না। এগুলো বাচ্চাকে পুষ্টিকর খাবারের প্রতি অনাগ্রহী করে তোলে।

✅ বাচ্চাকে যখন তখন খেতে না দিয়ে তার খাবারের সময় নির্দিষ্ট করে ফেলুন। অন্য সময়ে তাকে খাওয়াতে যাবেন না। খেয়ালখুশি মতো যখন তখন খাইয়ে বাচ্চার ক্ষুধা নষ্ট করবেন না।

✅ পরিবারের অন্য সবার খাবার সময়ে বাচ্চাকেও সাথে রাখুন। বাচ্চারা অনুকরণপ্রিয়। বড়দের দেখাদেখি আনন্দ নিয়ে খাবে।

✅ বাচ্চার পেটে যতটুকু ক্ষুধা সে ততটুকুই খেতে চাইবে। বাচ্চারা বড়দের মতো থালা ভরে খাবেনা। এটা মেনে নিন। কখনোই জোড় জবরদস্তি করে বাচ্চাকে খাওয়াতে যাবেন না। এতে করে বাচ্চা ভয় পায়। আস্তে আস্তে খাবারের প্রতি তীব্রতা অনীহা তৈরি হয়।

✅ বাচ্চাকে পর্যাপ্ত খেলাধুলা করতে দিন। বাচ্চা খেলতে খেলতে ক্লান্ত হবে এবং ক্ষুধা লাগবে।

✅ বাচ্চারা কোন খাবারটি খেতে পছন্দ করে তা খুঁজে বের করুন। তার পছন্দমতো পুষ্টিকর খাবার রান্না করুন। প্রতিদিন একই খাবার না দিয়ে মাঝেমধ্যে খাবারে বৈচিত্র্য আনুন।

✅ বাচ্চাকে আকর্ষণীয় রঙিন প্লেটে খেতে দিন। এতে করে খাবারের প্রতি তার আগ্রহ বাড়বে।

✅ টিভি বা ফোনে কার্টুন দেখিয়ে বাচ্চাকে খাওয়াবেন না। এতে করে বাচ্চা খাবারের স্বাদ পায় না। অন্যদিকে মনোযোগের কারণে পরিপাকের প্রয়োজনীয় এনজাইমগুলো নিঃসৃত হয়না। ফলে বদহজমের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

✅ বাচ্চাকে পুষ্টিকর খাবার সম্পর্কে বুঝান। বাইরের খাবারের খারাপ দিকগুলো বুঝান। আদর করে বুঝালে আপনার নাড়ি ছেঁড়া ধন আপনার কথা বুঝবে না, এটা হতেই পারেনা। আপনার এবং আপনার সোনামণির জন্য অনেক অনেক দোয়া ও শুভকামনা রইলো।

ডা. মাহফুজ বাঁধন
এমবিবিএস, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ।
Collected

16/07/2025

Do not thinking
Always take it fun, 🥰🥰

16/07/2025

দেশটায় প্রচুর গরম,,
আবহাওয়া বা রাজনীতি সবই 😒😒

15/07/2025



★ বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (AI) সফটওয়্যার প্রকৌশলী "ডেভিন" (Devin)।

★ নির্মাতা: মার্কিন উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান 'কগনিশন'।

🥰টাইম লাইলে শেয়ার করে রাখুন কাজে লাগবে 🥰পুরাতন দলিলে ১৩০টি অর্থের তালিকাখুবই গুরুত্বপূর্ণ আমাদের জন্য :পুরাতন দলিলে ব্যব...
24/05/2025

🥰টাইম লাইলে শেয়ার করে রাখুন কাজে লাগবে 🥰
পুরাতন দলিলে ১৩০টি অর্থের তালিকা
খুবই গুরুত্বপূর্ণ আমাদের জন্য :

পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত অসংখ্য শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে। অনেক শব্দ খুব কমই ব্যবহার করা হয়। যারা দলিলের শব্দের অর্থ কম বোঝেন, তাদের জন্য বিস্তারিত ভাবে নিম্নে দেওয়া হলো —

১) মৌজা: গ্রাম
২) জে.এল. নং: মৌজা নম্বর/গ্রামের নম্বর
৩) ফর্দ: দলিলের পাতা
৪) খং: খতিয়ান
৫) সাবেক: আগের/পূর্বের
৬) হাল: বর্তমান
৭) বং: বাহক (যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লেখেন)
৮) নিং: নিরক্ষর
৯) গং: অন্যান্য অংশীদার
১০) সাং: সাকিন/গ্রাম
১১) তঞ্চকতা: প্রতারণা
১২) সনাক্তকারী: বিক্রেতাকে চিনেন এমন ব্যক্তি
১৩) এজমালি: যৌথ
১৪) মুসাবিদা: দলিল লেখক
১৫) পর্চা: প্রাথমিক খতিয়ানের নকল
১৬) বাস্তু: বসতভিটা
১৭) বাটোয়ারা: সম্পত্তির বণ্টন
১৮) বায়া: বিক্রেতা
১৯) মং: মোট
২০) মবলক: মোট পরিমাণ
২১) এওয়াজ: সমমূল্যের বিনিময়
২২) হিস্যা: অংশ
২৩) একুনে: যোগফল
২৪) জরিপ: ভূমি পরিমাপ
২৫) চৌহদ্দি: সীমানা
২৬) সিট: মানচিত্রের অংশ
২৭) দাখিলা: খাজনার রশিদ
২৮) নক্সা: মানচিত্র
২৯) পিং: পিতা
৩০) জং: স্বামী
৩১) দাগ নং: জমির নম্বর
৩২) স্বজ্ঞানে: নিজের জ্ঞানের ভিত্তিতে
৩৩) সমুদয়: সব কিছু
৩৪) ইয়াদিকৃত: পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু
৩৫) পত্র মিদং: পত্রের মাধ্যমে
৩৬) বিং: বিস্তারিত
৩৭) দং: দখলকারী
৩৮) পত্তন: সাময়িক বন্দোবস্ত
৩৯) বদলসূত্র: জমি বিনিময়
৪০) মৌকুফ: মাফকৃত
৪১) দিশারী রেখা: দিকনির্দেশক রেখা
৪২) হেবা বিল এওয়াজ: বিনিময়সূত্রে জমি দান
৪৩) বাটা দাগ: বিভক্ত দাগ
৪৪) অধুনা: বর্তমান
৪৫) রোক: নগদ অর্থ
৪৬) ভায়া: বিক্রেতার পূর্বের দলিল
৪৭) দানসূত্র: দানকৃত সম্পত্তি
৪৮) দাখিল-খারিজ: মালিকানা পরিবর্তন
৪৯) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ
৫০) খারিজ: পৃথক খাজনা অনুমোদন
৫১) খতিয়ান: ভূমির রেকর্ড
৫২) এওয়াজসূত্র: বিনিময় সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি
৫৩) অছিয়তনামা: উইল/মৃত্যুকালীন নির্দেশ
৫৪) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তরের রেকর্ড
৫৫) অধীনস্থ স্বত্ব: নিম্নস্তরের মালিকানা
৫৬) আলামত: মানচিত্রে চিহ্ন
৫৭) আমলনামা: দখলের দলিল
৫৮) আসলি: মূল ভূমি
৫৯) আধি: ফসলের অর্ধেক ভাগ
৬০) ইজারা: নির্দিষ্ট খাজনায় সাময়িক বন্দোবস্ত
৬১) ইন্তেহার: ঘোষণাপত্র
৬২) এস্টেট: জমিদারি সম্পত্তি
৬৩) ওয়াকফ: ধর্মীয় কাজে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি
৬৪) কিত্তা: ভূমিখণ্ড
৬৫) কিস্তোয়ার জরিপ: কিত্তা ধরে ভূমি পরিমাপ
৬৬) কায়েম স্বত্ব: চিরস্থায়ী মালিকানা
৬৭) কবুলিয়ত: স্বীকারোক্তি দলিল
৬৮) কান্দা: উচ্চভূমি
৬৯) কিসমত: ভূমির অংশ
৭০) খামার: নিজস্ব দখলীয় ভূমি
৭১) খিরাজ: খাজনা
৭২) খসড়া: প্রাথমিক রেকর্ড
৭৩) গর বন্দোবস্তি: বন্দোবস্তবিহীন জমি
৭৪) গির্ব: বন্ধক
৭৫) জবরদখল: জোরপূর্বক দখল
৭৬) জোত: প্রজাস্বত্ব
৭৭) টেক: নদীর পলি জমে সৃষ্টি ভূমি
৭৮) ঢোল সহরত: ঢোল পিটিয়ে ঘোষণা
৭৯) তহশিল: রাজস্ব এলাকা
৮০) তামাদি: নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত
৮১) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ
৮২) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তর
৮৩) নথি: রেকর্ড
৮৪) দেবোত্তর: দেবতার নামে উৎসর্গকৃত
৮৫) দখলী স্বত্ব: দখলের ভিত্তিতে মালিকানা
৮৬) দশসালা বন্দোবস্ত: দশ বছরের বন্দোবস্ত
৮৭) দাগ নম্বর: জমির ক্রমিক নম্বর
৮৮) দরবস্ত: সব কিছু
৮৯) দিঘলি: নির্দিষ্ট খাজনা প্রদানকারী
৯০) নক্সা ভাওড়ন: পূর্ব জরিপের মানচিত্র
৯১) নাম খারিজ: পৃথককরণ
৯২) তুদাবন্দি: সীমানা নির্ধারণ
৯৩) তরমিম: সংশোধন
৯৪) তৌজি: চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত রেকর্ড
৯৫) দিয়ারা: নদীর পলিতে গঠিত চর
৯৬) ট্রাভার্স: জরিপের রেখা পরিমাপ
৯৭) খাইখন্দক: জলাশয় বা গর্তযুক্ত ভূমি
৯৮) চর: নদীর পলি জমে গঠিত ভূমি
৯৯) চৌহদ্দি: সম্পত্তির সীমানা
১০০) খাস: সরকারি মালিকানাধীন জমি

সর্বপরি
এই শব্দগুলো পুরাতন দলিল পড়া ও বুঝার ক্ষেত্রে আপনি উপকৃত হবেন। শেয়ার করে রেখে দিন — আশা করি কাজে লাগবে🥰

Address


3100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Razib Express posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your establishment to be the top-listed Arts & Entertainment?

Share