Kawserul Alam

Kawserul Alam Sunamganj

সে নাকী ওলীপুরী।তার আসল পরিচয় দালাল, মুনাফিক। বেশ ধরলেই মুসলমান হওয়া যায়না। এরকম ইয়াজিদের বাহিনীর ১২০০০ সৈন্য ছিল। যাদের...
16/02/2026

সে নাকী ওলীপুরী।
তার আসল পরিচয় দালাল, মুনাফিক।
বেশ ধরলেই মুসলমান হওয়া যায়না।

এরকম ইয়াজিদের বাহিনীর ১২০০০ সৈন্য ছিল। যাদের মধ্যে ৭০০০ হাফেজ ও ৪০০০ মুফতি ছিল। এদের অনেকেই কুতুব, মুজাদ্দেদ, ওলীয়ে কামেল ছিল। যাদের ফতোয়া লক্ষ লক্ষ মুসলমানদের কাছে সমাদ্রিত ছিল। কিন্তু তারা ছিল লোভী। ক্ষমতা ও সুখী জীবন-যাপনের জন্য তারা ইমাম হাসানের পক্ষ না নিয়ে ইয়াজিদের পাল্লা ভারি করেছিল।
সেরূপই এবার সারা দেশে যখন সকল ইসলামি দল একত্র হয়েছিল, তখন সেই আলেম নামধারী ভন্ড কুটিকুটি টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়ে ভূয়া ফতোয়া বাজীতে মেতে উঠেছিল।
তার ফতোয়া ছিল ইসলাম বিরুধীদের ভোট দেওয়া জায়েজ, আর জামায়াত সহ ইসলামী দলকে ভোট দেওয়া হারাম।
সাথে জমিয়তের ভন্ড প্রধান ও জুনাইদ বাবুনগরী সহ তার প্রধান ৪ সহযোগী লোভের কাছে পরাজিত হয়েছে।
এরা মুসলিম চেহারা নিয়ে ইসলামের ঘোর শত্রুদের পাল্লা ভাড়ি করে থাকে।
রাসুলের হাদিসে আছে। চেহারায় ও কথায় নবীওলাদের মতো। ফলাফল নবীর শত্রুদের মতো হবে।
এটাই তাদের আসল চেহারা বা ছবি।

মহান আল্লাহ সকল মুমিনদের এরকম প্রতারকদের থেকে রক্ষা করে কুরআন-হাদীসের আলোকে ইমান নিয়ে বেচে থাকার তৌফিক দিন।

সংগৃহীত

খেলাফত মজলিস মনোনীত
05/09/2025

খেলাফত মজলিস মনোনীত

এরা মুসলমান নামধারী বাংলার গাদ্দার।ছাগল দিয়ে যেমন হালচাষ হয়না, তেমনটি ভন্ড ও লোভী দ্বারা ইসলাম হয়না। এরা একএকটা একএক রকম...
23/08/2025

এরা মুসলমান নামধারী বাংলার গাদ্দার।

ছাগল দিয়ে যেমন হালচাষ হয়না, তেমনটি ভন্ড ও লোভী দ্বারা ইসলাম হয়না।

এরা একএকটা একএক রকম লোভী, গীবদকারী। আওয়ামী লীগের পা চাটা গোলাম। ভন্ড পীর ফুলতলা। এরা অন্য মুসলমানদের ভালো কখনোই সহ্য করতে পারে না।
হিংসায় এদের পেট ফেঁটে যায়।

এরা হলো বাংলাদেশ আল ইসলাহ লীগ।

20/06/2025

Rahmat Barakat

04/06/2025

তাকবীরে তাশরীক সম্পর্কে একটি ভিত্তিহীন কাহিনী
---------------------------------------------------------
লোকমুখে প্রচলিত আছে যে, হযরত ইবরাহীম আ. যখন ইসমাঈল আ.কে কুরবানী করার উদ্দেশ্যে মাটিতে শোয়ালেন তখন জিবরাঈল আ. তাঁর পরিবর্তে আল্লাহর নির্দেশে আসমান থেকে দুম্বা নিয়ে আগমন করেন। কিন্তু তিনি আশংকা করেন যে, দুম্বা নিয়ে উপস্থিত হওয়ার আগেই ইবরাহীম আ. ইসমাঈল আ.-এর জবাই সম্পন্ন করে ফেলেন কি না! তাই তিনি আসমান থেকেই তাঁকে বারণ করার জন্য উচ্চ আওয়াজে বলে উঠেন- اللهُ أَكْبَرُ اللهُ أَكْبَرُ

আর ইবরাহীম আ. আল্লাহ তাআলা কর্তৃক প্রেরিত কুরবানীর দুম্বা দেখে তৎক্ষনাৎ বলে উঠেন- لَا إِلَهَ إِلّا اللهُ وَاللهُ أَكْبَرُ

অতঃপর ইসমাঈল আ. কুরবানীর দুম্বা আগমনের বিষয়টি অবগত হয়ে বললেন- اللهُ أَكْبَرُ وَلِلهِ الْحَمْدُ আর এ থেকেই উম্মতে মুহাম্মাদীর জন্য তাকবীরে তাশরীক বলার রীতি চালু হয়।

এটি একটি ভিত্তিহীন কাহিনী। ফিকহের কোনো কোনো কিতাবে এটি উল্লেখ হলেও এর নির্ভরযোগ্য কোনো সনদ নেই। এজন্য মুহাদ্দিসীনে কেরাম এটিকে ভিত্তিহীন বলে আখ্যায়িত করেছেন। -ফাতহুল কাদীর ২/৮২; আলবাহরুর রায়েক ২/১৭৮; রদ্দুল মুহতার ২/১৭৮; ফাতাওয়া রহীমিয়া ১০/৩২

তবে ৯ যিলহজ্ব ফজর হতে ১৩ যিলহজ্ব আছর পর্যন্ত প্রতি ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর একবার করে তাকবীরে তাশরীক পাঠ করা ওয়াজিব। এটি সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত আছে।

জামাতে নামায পড়া হোক বা একাকী, পুরুষ হোক বা নারী, মুকীম হোক বা মুসাফির সকলের উপরই এই তাকবীর বলা ওয়াজিব। এমনকি ৯ তারিখ থেকে ১৩ তারিখ আছর পর্যন্ত কোনো নামায কাযা হয়ে গেলে এবং ঐ কাযা এই দিনগুলোর ভিতরেই আদায় করলে সে কাযা নামাযের পরও তাকবীরে তাশরীক পড়বে। পুরুষগণ তাকবীর বলবে উচ্চস্বরে আর নারীগণ বলবে নিম্নস্বরে।

তাকবীরে তাশরীকের পুরো বাক্যজুড়েই রয়েছে তাওহীদ, আল্লাহর বড়ত্ব ও প্রশংসা। তাকবীরে তাশরীকের পূর্ণরূপ :

اللهُ أَكْبَرُ اللهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلّا اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ اللهُ أَكْبَرُ وَلِلهِ الْحَمْدُ

অতএব আগামীকাল থেকে প্রতি নামাযের পর তাকবীরে তাশরীক গুঞ্জরিত হোক প্রতিটি মসজিদে এবং প্রতিটি মুসলিমের ঘরে ঘরে।

• جاء في الهداية مع الفتح ٨٢/٢ : ﻭاﻟﺘﻜﺒﻴﺮ ﺃﻥ ﻳﻘﻮﻝ ﻣﺮﺓ ﻭاﺣﺪﺓ: اللهُ أَكْبَرُ اللهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلّا اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ اللهُ أَكْبَرُ وَلِلهِ الْحَمْدُ. ﻫﺬا ﻫﻮ اﻟﻤﺄﺛﻮﺭ ﻋﻦ اﻟﺨﻠﻴﻞ ﺻﻠﻮاﺕ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ.
وفي الفتح تحته: (ﻗﻮﻟﻪ: ﻭﻫﻮ ﻣﺄﺛﻮﺭ ﻋﻦ اﻟﺨﻠﻴﻞ) ﻟﻢ ﻳﺜﺒﺖ ﻋﻨﺪ ﺃﻫﻞ اﻟﺤﺪﻳﺚ ﺫﻟﻚ.

• وفي البحر الرائق ٢/١٧٨ : ﻭﻗﺪ ﺫﻛﺮ اﻟﻔﻘﻬﺎء ﺃﻧﻪ ﻣﺄﺛﻮﺭ ﻋﻦ اﻟﺨﻠﻴﻞ ﻋﻠﻴﻪ اﻟﺴﻼﻡ ﻭﺃﺻﻠﻪ ﺃﻥ ﺟﺒﺮﻳﻞ ﻋﻠﻴﻪ اﻟﺴﻼﻡ ﻟﻤﺎ ﺟﺎء بالفداء ﺧﺎﻑ اﻟﻌﺠﻠﺔ ﻋﻠﻰ ﺇﺑﺮاﻫﻴﻢ ﻓﻘﺎﻝ: اللهُ أَكْبَرُ اللهُ أَكْبَرُ ﻓﻠﻤﺎ ﺭﺁﻩ ﺇﺑﺮاﻫﻴﻢ ﻋﻠﻴﻪ اﻟﺴﻼﻡ ﻗﺎﻝ: لَا إِلَهَ إِلّا اللهُ وَاللهُ أَكْبَرُ ﻓﻠﻤﺎ ﻋﻠﻢ ﺇﺳﻤﺎﻋﻴﻞ اﻟﻔﺪاء ﻗﺎﻝ: اللهُ أَكْبَرُ وَلِلهِ الْحَمْدُ ﻛﺬا ﻓﻲ ﻏﺎﻳﺔ اﻟﺒﻴﺎﻥ ﻭﻛﺜﻴﺮ ﻣﻦ اﻟﻜﺘﺐ، ﻭﻟﻢ ﻳﺜﺒﺖ ﻋﻨﺪ اﻟﻤﺤﺪﺛﻴﻦ ﻛﻤﺎ ﻓﻲ ﻓﺘﺢ اﻟﻘﺪﻳﺮ .

• وفي رد المحتار ٢/١٧٨ : ﻭﺃﺻﻠﻪ ﺃﻥ ﺟﺒﺮﻳﻞ ﻋﻠﻴﻪ اﻟﺴﻼﻡ ﻟﻤﺎ ﺟﺎء بالفداء ﺧﺎﻑ اﻟﻌﺠﻠﺔ ﻋﻠﻰ ﺇﺑﺮاﻫﻴﻢ ﻓﻘﺎﻝ: اللهُ أَكْبَرُ اللهُ أَكْبَرُ ﻓﻠﻤﺎ ﺭﺁﻩ ﺇﺑﺮاﻫﻴﻢ ﻋﻠﻴﻪ اﻟﺴﻼﻡ ﻗﺎﻝ: لَا إِلَهَ إِلّا اللهُ وَاللهُ أَكْبَرُ ﻓﻠﻤﺎ ﻋﻠﻢ ﺇﺳﻤﺎﻋﻴﻞ اﻟﻔﺪاء ﻗﺎﻝ: اللهُ أَكْبَرُ وَلِلهِ الْحَمْدُ ﻛﺬا ﺫﻛﺮ اﻟﻔﻘﻬﺎء ﻭﻟﻢ ﻳﺜﺒﺖ ﻋﻨﺪ اﻟﻤﺤﺪﺛﻴﻦ ﻛﻤﺎ ﻓﻲ اﻟﻔﺘﺢ ﺑﺤﺮ ﺃﻱ ﻫﺬﻩ اﻟﻘﺼﺔ ﻟﻢ ﺗﺜﺒﺖ، ﺃﻣﺎ اﻟﺘﻜﺒﻴﺮ ﻋﻠﻰ اﻟﺼﻔﺔ اﻟﻤﺬﻛﻮﺭﺓ ﻓﻘﺪ ﺭﻭاﻩ اﺑﻦ ﺃﺑﻲ ﺷﻴﺒﺔ ﺑﺴﻨﺪ ﺟﻴﺪ ﻋﻦ اﺑﻦ ﻣﺴﻌﻮﺩ ﺃﻧﻪ ﻛﺎﻥ ﻳﻘﻮﻟﻪ ﺛﻢ ﻋﻤﻢ ﻋﻦ اﻟﺼﺤﺎﺑﺔ ﻭﺗﻤﺎﻣﻪ ﻓﻲ اﻟﻔﺘﺢ .

মাওলানা Muhammad Imdadullah

Address

Sunamganj
3000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kawserul Alam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category