Healthy Entertainment

Healthy Entertainment জীবনটা খুবই সং‌ক্ষিপ্ত। আসুন ভা‌লোবাসা আর মানবতা ছড়াই।
(6)

26/05/2026

এটা কত?

২০০৭ সালের কথা। তখন বাংলা‌দে‌শে তত্ত্বাবধায়ক সরকার চলছে, আর চারদিকে কড়া শাসন। মানুষ কথা বলতেও দুইবার ভাবত—দেয়ালেরও নাকি ...
25/05/2026

২০০৭ সালের কথা। তখন বাংলা‌দে‌শে তত্ত্বাবধায়ক সরকার চলছে, আর চারদিকে কড়া শাসন। মানুষ কথা বলতেও দুইবার ভাবত—দেয়ালেরও নাকি কান আছে!

কোরবানির ঈদের আগের দিন। দেবহাটা হা‌টের বিখ্যাত গরুর হাটে হাজির হয়েছে কুদ্দুস মিয়া। তার গরুর নাম “ফকরুদ্দীন”। গরুটা এত মোটা-তাজা যে হাটে ঢুকতেই সবাই তাকিয়ে থাকে।

এক ক্রেতা দাম হাঁকালো,
— “কত চাচ্ছেন?”
কুদ্দুস মিয়া গোঁফে তা দিয়ে বলল,
— “এক লাখের নিচে ছাড়ুম না!”

অনেক দরদাম শেষে ৮৫ হাজার টাকায় গরু বিক্রি হয়ে গেল। টাকা হাতে পেয়ে কুদ্দুস মিয়ার মুখে হাসি আর ধরে না। বিদায়ের সময় সে আবেগে গরুর পাছায় আলতো চাপড় মেরে বলল,
— “যা ফকরুদ্দীন, যা!”

সমস্যা হলো, হাটের পাশে তখন টহলে ছিল আর্মির এক দল। তারা শুনল “ফকরুদ্দীন” নামটা। সঙ্গে সঙ্গে দুই সৈনিক এগিয়ে এলো।

— “এই! কাকে কী বললেন?”
কুদ্দুস মিয়া হতভম্ব।
— “না স্যার, গরুর নাম ফকরুদ্দীন…”

— “গরুর নাম ফকরুদ্দীন।

তাকে ধরে ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হলো।

ঘটনাটা এখ‌নো ম‌নে আ‌ছে।

24/05/2026

নিনজা টেক‌নিক

 # আপনি যা করেন, তাই একদিন আপনার কাছেই ফিরে আসেমানুষ প্রায়ই নিজের দুর্ভোগের জন্য অন্যকে দোষ দেয়। কখনও সরকারকে, কখনও শহ...
24/05/2026

# আপনি যা করেন, তাই একদিন আপনার কাছেই ফিরে আসে

মানুষ প্রায়ই নিজের দুর্ভোগের জন্য অন্যকে দোষ দেয়। কখনও সরকারকে, কখনও শহর কর্তৃপক্ষকে, আবার কখনও ভাগ্যকে। কিন্তু খুব কম মানুষই নিজের কাজের দিকে তাকিয়ে দেখে—সমস্যার বীজটা আসলে কোথায় রোপণ করা হয়েছে। ছবিটি সেই নির্মম বাস্তবতাকেই অসাধারণভাবে তুলে ধরেছে।
আমরা নির্বিকারভাবে রাস্তার ওপর ময়লা-আবর্জনা ছুড়ে ফেলছি। কলার খোসা, প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট—সবকিছু যেন চলন্ত বাস থেকেই রাস্তায় ফেলে দেওয়া হচ্ছে। তাদের মুখে বিরক্তির ছাপ নেই; বরং এমন আচরণ যেন খুব স্বাভাবিক। কেউ হয়তো ভাবছেও না, এই ছোট্ট অসচেতন কাজ একদিন কত বড় সমস্যার জন্ম দেবে।

সেই ময়লাই জমে নর্দমার মুখ বন্ধ করে দিয়েছে। পানি আর স্বাভাবিকভাবে প্রবাহিত হতে পারছে না। শহরের ড্রেন যেন মানুষের অবহেলার ভারে হাঁপিয়ে উঠেছে। প্লাস্টিক ও পচনশীল বর্জ্যের স্তূপ প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিকে থামিয়ে দিয়েছে। এখানে ছবিটি শুধু একটি নর্দমা দেখায় না; এটি আমাদের দায়িত্বহীনতার প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়।

আমরাই আবার অভিযোগ ক‌রি, সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় পানি জমে গেছে, যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, মানুষ দুর্ভোগে পড়ছে। কেউ সিটি কর্পোরেশনকে দোষ দিচ্ছে, কেউ প্রশাসনকে ব্যর্থ বলছে। অথচ কয়েক মুহূর্ত আগেই আমরাই হয়তো রাস্তায় ময়লা ফেলেছিল।
“আপনি যা করেন, তার ফল একদিন আপনাকেই ভোগ করতে হয়।”

আসলে একটি পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তোলা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়; এটি প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক কর্তব্য। আমরা যদি নিজের হাতে পরিবেশ নষ্ট করি, তবে উন্নত নগরব্যবস্থাও আমাদের রক্ষা করতে পারবে না। একটি প্লাস্টিকের বোতল, একটি চিপসের প্যাকেট কিংবা একটি কলার খোসা—এসবই একসময় ভয়াবহ জলাবদ্ধতার কারণ হতে পারে।

তাই সময় এসেছে সচেতন হওয়ার। অভিযোগ করার আগে আমাদের নিজেদের অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে। কারণ, সভ্য সমাজ গড়ে ওঠে শুধু উন্নত রাস্তাঘাটে নয়, বরং সচেতন ও দায়িত্ববান মানুষের আচরণে।

ঈদের আর মাত্র চার‌দিন বাকি। শহরের মেসের যান্ত্রিক জীবন আর ডাল-ভাতের চাকা থেকে ছুটি নিয়ে গ্রামের বাড়িতে পা রাখতেই মনটা ফু...
23/05/2026

ঈদের আর মাত্র চার‌দিন বাকি। শহরের মেসের যান্ত্রিক জীবন আর ডাল-ভাতের চাকা থেকে ছুটি নিয়ে গ্রামের বাড়িতে পা রাখতেই মনটা ফুরফুরে হয়ে গেল। কিন্তু ঘরে ঢুকেই নাকের ডগায় যে সুবাসটা ধাক্কা দিল, তাতে একটু ভড়কে গেলাম।
রান্নাঘর থেকে খাঁটি সরিষার তেল আর গরম মসলার চেনা গন্ধ বেরোচ্ছে। উঁকি দিয়ে দেখি, মা বেশ আয়েশ করে কড়াইতে গরুর মাংস কষাচ্ছেন।
আমি অবাক হয়ে দরজায় হেলান দিয়ে দাঁড়ালাম।
— "মা, পরশুই তো কোরবানির ঈদ! ঘরে ঘরে মাংসের বন্যা বয়ে যাবে। আর তুমি আজই গরুর মাংস রান্না বসিয়ে দিলে?"
মা খুন্তি নাড়া থামিয়ে আমার দিকে তাকালেন। চোখেমুখে সেই চিরচেনা মাতৃসুলভ মায়া আর সামান্য একটু দুষ্টুমির হাসি। আঁচলে হাত মুছতে মুছতে বললেন:
— মা হয়ে কি আর তা জানি না? তুই যে শহরে মেসে থাকিস, সেখানে তোদের কী খাওয়ায় তা আমার ভালো করেই জানা আছে। মেসে কি আর মন ভরে গরুর গোশত দেয়? ওই এক-দুই টুকরো আলু আর ঝোলের সাগরে ভাসানো নামমাত্র মাংস খেয়ে কি আমার ছেলের পেট ভরে?"
মায়ের কথাটা তীরের মতো গিয়ে বুকে বিঁধল। কথাটা তো মিথ্যে নয়! মেসে মাংসের দিন মানেই এক টুকরো হাড় আর এক টুকরো চর্বির জন্য যুদ্ধ। মা ঠিকই দূর থেকে ছেলের জঠরজ্বালা টের পেয়েছেন।
মা আবার বলতে শুরু করলেন:
— আমার কোলের ছেলেটা আগে মন ভরে নিজের মায়ের হাতের রান্না খাক। ঈদের মাংসের জন্য দুদিন তর সইবে কেন রে?"
মায়ের এই 'অকাল' মাংস রান্নার পেছনের অকাট্য যুক্তি শুনে আমার চোখ দুটো কেমন যেন ভিজে এল। শহরের শত হিসেবি জীবনের দেয়াল ভেঙে মায়ের এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা এক নিমিষেই আমাকে এক পরম শান্তিতে ভরিয়ে দিল।
টেবিলে গরম ভাতের সাথে ধোঁয়া ওঠা কালো করে কষানো মাংসের বাটিটা যখন মা সামনে এনে দিলেন, মনে হলো পৃথিবীর সমস্ত সুখ এই থালাতেই বন্দি। ঈদের ছুটির আসল আনন্দ তো কোরবানি আসার আগেই মায়ের এই ভালোবাসার টুকরোতেই শুরু হয়ে গেছে!

23/05/2026

Mention your খাদক বন্ধু

যাত্রাবাড়ী মোড়ের জ্যাম আর গরমের মধ্যে হঠাৎ চোখ গেল ভ্যানভর্তি টকটকে লাল লিচুর দিকে। বিক্রেতা হাঁকা‌চ্ছে,  এক দাম, দুইশো...
22/05/2026

যাত্রাবাড়ী মোড়ের জ্যাম আর গরমের মধ্যে হঠাৎ চোখ গেল ভ্যানভর্তি টকটকে লাল লিচুর দিকে। বিক্রেতা হাঁকা‌চ্ছে, এক দাম, দুইশো, একদম মধুর মতো মিষ্টি!" লোভ সামলাতে না পেরে দাঁড়িয়ে গেলাম।
জিভে জল আনা লিচু দেখে দরদাম করে একশ লিচুই কিনে ফেললাম। বিক্রেতা যখন চটপট হাত চালিয়ে ব্যাগে লিচু ভরছিলেন, তখন তার নিখুঁত হাতের কাজ দেখে মনে মনে ভাবলাম, "বাহ্, ঢাকা শহরের মানুষ কত ফাস্ট!" আমা‌কে ১০ টা লিচু বক‌শিসও দি‌লো। পলিথিনটা হাতে নিয়ে বিজয়ী বেশে বাসে উঠলাম।
বাসে বসে ভাবলাম, হিসাবটা একবার মিলিয়ে নেওয়া যাক। যেই না গোনা শুরু করলাম, আমার চোখ তো চড়কগাছ! বিশ, ত্রিশ, চল্লিশ... ব্যাস, গল্প ওখানেই শেষ! একশ লিচুর জায়গায় ব্যাগে মাত্র পঁয়ষট্টিটি লিচু টিমটিম করছে। বাকি পঁয়ত্রিশটা লিচু যেন যাত্রাবাড়ীর জ্যামেই হাওয়া হয়ে গেছে!
মুহূর্তের মধ্যে মেজাজটা সপ্তম আকাশে চড়ে গেল। মনে হলো বাস থেকে নেমে গিয়ে ওই বিক্রেতার কলার চেপে ধরি। কিন্তু তখনি পাশে বসা এক বয়োজ্যেষ্ঠ যাত্রী আমার কান্ড দেখে মুচকি হেসে বললেন, "আরে ভাই, শান্ত হন। আপনি তো তাও পঁয়ষট্টিটা পেয়েছেন, গত সপ্তাহে আমি গুনে পেয়েছিলাম মাত্র পঞ্চাশটা! ঢাকা শহরে লিচু গোনা আর লটারি জেতা একই কথা।"
ভদ্রলোকের কথা শুনে রাগটা একটু কম‌লো। বুঝতে পারলাম, বিক্রেতার ওই 'ফাস্ট' হাত আসলে কোনো দক্ষতা ছিল না, ওটা ছিল চোখের পলকে পঁয়ত্রিশটি লিচু গায়েব করার এক জাদুকরি বিদ্যা! আসলে আমরা বাঙালিরা সস্তায় পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে যাই, আর সেই সুযোগে বিক্রেতারা আমাদের গণিতের পাঠ চুকিয়ে দেয়।
বাসার ফেরার পর যখন বাড়ির সবাই লিচু খেতে বসল, আমি তখন হাসতে হাসতে বললাম, "লিচুগুলো কিন্তু বেশ স্পেশাল, এগুলো স্পেস-টাইম কন্টিনিউয়াম পার করে এসেছে, তাই সংখ্যায় একটু কম!" ঠকে যাওয়ার এই গল্প শুনে সবাই হেসেই খুন। তবে মনের ভেতর একটা বড় শিক্ষা রয়ে গেল—যাত্রাবাড়ী হোক বা যেকোনো মোড়, সস্তার মিষ্টি কথায় মজে লিচু কেনার সময় বিক্রেতার হাতের জাদুর দিকে চোখ রাখাটা বড্ড জরুরি!
#আপনার লিচ‌ু কেনার অ‌ভিজ্ঞতা শেয়ার কর‌বেন।

 অফিস যাওয়ার জন্য অগত্যা এক মিনিবাসে উঠেই বুঝলাম, আজ কপালে বড় সড় অ্যাডভেঞ্চার আছে।বাসের ভেতর তখন ‘৪৭-এর দেশভাগের’ মতো অব...
21/05/2026


অফিস যাওয়ার জন্য অগত্যা এক মিনিবাসে উঠেই বুঝলাম, আজ কপালে বড় সড় অ্যাডভেঞ্চার আছে।
বাসের ভেতর তখন ‘৪৭-এর দেশভাগের’ মতো অবস্থা। তিল ধারণের জায়গা নেই। কন্ডাক্টর চিল্লাচ্ছেন, “ডানে চাপেন, বাঁয়ে চাপেন, সামনে ফাঁকা আছে!” অথচ সামনে তাকিয়ে দেখি মানুষের পিঠ ছাড়া আর কিচ্ছু দেখা যাচ্ছে না। আমি এক ভদ্রলোকের বগলের নিচে মাথা গলিয়ে কোনোমতে এক পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম। নিজেকে তখন সার্কাসের ট্রাপিজ খেলোয়াড় মনে হচ্ছিল।
হঠাৎ করেই বাসের ড্রাইভার সাহেব হয়তো নিজেকে ‘ফর্মুলা ওয়ান’—এর রেসার ভাবলেন। জ্যাম একটু কমতেই এমন এক টান দিলেন যে, পেছনের সব যাত্রী হুমড়ি খেয়ে সামনের যাত্রীদের ওপর গিয়ে পড়ল। আমি গিয়ে পড়লাম এক মোটাসোটা ভদ্রলোকের কোলে। ভদ্রলোক বিরক্ত হয়ে বললেন, “ভাই, নামবেন কোথায়?”
আমি অপ্রস্তুত হয়ে বললাম, “আজ্ঞে ফার্মগেট।”
উনি দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, “তা ঠিক আছে, কিন্তু আমার কোল থেকে নামবেন কখন?” পুরো বাসের মানুষ তখন হাহা করে হেসে উঠল।
একটু পর শুরু হলো ভাড়া নিয়ে চিরন্তন যুদ্ধ। এক যাত্রী পাঁচ টাকা কম দেওয়ায় কন্ডাক্টর এমনভাবে চিল্লাতে লাগলেন যেন ওই পাঁচ টাকার ওপর বাসের মালিকের মেয়ের বিয়ে আটকে আছে। এর মধ্যে জ্যামে বাস থমকে দাঁড়াল। জানালার বাইরে তাকাতেই দেখি, এক হকার ‘স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর ট্যাবলেট’ বিক্রি করছে। বাসের ভেতরে যে পরিমাণ ধাক্কাধাক্কি আর গরম, তাতে নিজের নামই ভুলে যাওয়ার দশা—ট্যাবলেটটা আসলেই দরকার ছিল!
অবশেষে যখন ফার্মগেটে নামলাম, তখন আমার শার্টের দুটি বোতাম গায়েব, জুতো জোড়া ময়লায় চেনা যাচ্ছে না আর চুলগুলো দেখে মনে হচ্ছে মাত্রই টর্নেডো পার করে এলাম। পকেট চেক করে দেখলাম মানিব্যাগটা ঠিক আছে। ব্যস, ঢাকা শহরে বাসে চড়ে অক্ষত অবস্থায় গন্তব্যে পৌঁছাতে পারাই তো এক বিশাল যুদ্ধ জয়!

আপনার সি‌টিবা‌সে চ‌ড়ে কেমন অ‌ভিজ্ঞতা হয়?

Address

Satkhira
Satkhira
9412

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Healthy Entertainment posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category