13/01/2026
জিয়াউর রহমানের পাশে যে-ই লোকটা বসে আছেন,তিনি হলেন তৎকালীন ঢাকার ৪১ নং ওয়ার্ডের কমিশনার।জিয়াউর রহমানের শাসনামলে বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ কমিশনার ছিলেন এ-ই মির্জা আব্বাস।
জিয়াউর রহমান তখন একজন প্রেসিডেন্ট ছিলেন আর তার পাশে এ-ই ভাবে বুক টানটান করে বসতেন এ-ই মির্জা আব্বাস;ঢাকার এতোটাই সফল কমিশনার ছিলো এ-ই মির্জা আব্বাস।
আজ থেকেই ৫০ বছর আগেই এ-ই মির্জা আব্বাস পৈত্রিক সূত্রেই ঢাকার শাহজাহানপুর এলাকার অর্ধেকেরও বেশি সম্পত্তির মালিক ছিলেন।
বিএনপির বর্তমান নীতিনির্ধারণী ফোরামে একমাত্র সদস্য যার রাজনীতি শুরু হয়েছে বিএনপি দিয়ে এবং আশা করি বিএনপি থেকেই দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের সমাপ্তি ঘটাবেন এ-ই মির্জা আব্বাস।
বাংলাদেশে একমাত্র রাজনীতিবিদ এ-ই মির্জা আব্বাস,যিনি এদেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে মহিরুহ ভূমিকা রেখেছেন হোক সেটা ৭১,৯০,১-১১ কিংবা ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থান।
এরশাদের সে-ই শাসনামলে বিএনপি কোনো আন্দোলনের ডাক দিলেই প্রথমেই এ-ই মির্জা আব্বাসকে গ্রেপ্তার করা হতো,আওয়ামী ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পরও প্রথম এ-ই মির্জা আব্বাসকে আটক করে।
১-১১ এর তথাকথিত সরকারের সময় মির্জা আব্বাসকে গ্রেপতার করা হয় আর আওয়ামী এ-ই ১৭ বছরের স্বৈরশাসনে মির্জা আব্বাস অসংখ্যবার আটক,রিমান্ড এবং রক্তক্ষয়ী হামলার শিকার হয়েছেন।
বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ কমিশনার থেকে বাংলাদেশের রাজধানী অভিবক্ত ঢাকার মেয়র,এমপি থেকে মন্ত্রী,বাংলাদেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামের ইতিহাস লিখতে হলে আপনাকে মির্জা আব্বাসের নাম লিখতেই হবে;বাংলাদেশের রাজনীতিতে এটাই মির্জা আব্বাসের লিগ্যাসি।
সে-ই মির্জা আব্বাসকে এসব অপপ্রচার গুজব নেগেটিভ লেভেলিং দিয়ে রুখে দেওয়া যেতো তাহলে এরশাদ কিংবা হাসিনারা পারতো তা-ই আপনাদের এ-ই চেষ্টাও বৃথা যাবেই......
✍️ Ahmed Imtiaj