Tanbir Tishe

Call Contact the establishment

Tanbir Tishe لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّٰهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللَّٰهِ (ﷺ)

:আমি চাইআমার কবরেও যেন তোমার নামটা লেখা থাকে—যেন সময়ের ধুলো, পৃথিবীর ব্যস্ততা আর সব ভুলে যাওয়ার ভিড়ের মাঝেওকেউ এসে একবার...
04/07/2026

:আমি চাই
আমার কবরেও যেন তোমার নামটা লেখা থাকে—
যেন সময়ের ধুলো, পৃথিবীর ব্যস্ততা আর সব ভুলে যাওয়ার ভিড়ের মাঝেও
কেউ এসে একবার থেমে বলে, এই মানুষটা কাউকে খুব গভীরভাবে ভালোবেসেছিল।
যেন আমার নিঃশ্বাস থেমে গেলেও তোমার নামটা কোথাও বেঁচে থাকে,
আমার নীরবতার ভেতরেও তোমার স্মৃতি নরম করে জেগে থাকে।
আমি চাই আমার শেষ ঠিকানাটাও যেন জানে—
এই হৃদয়টা একদিন শুধু একজনকেই আপন ভেবেছিল।
হয়তো সময় আমাকে মুছে দেবে, মানুষ আমাকে ভুলে যাবে,
কিন্তু যদি সম্ভব হয়, আমি চাই আমার সেই শেষ ঘুমের জায়গাতেও
তোমার নামটা থেকে যাক—একটা নীরব স্বাক্ষরের মতো,
যা বলে যাবে, আমি কাউকে সত্যিই অনেকটা বেশি ভালোবেসেছিলাম।😌”

04/07/2026

اَللّهُمّصَلِّ وَسَلِّمْعَلَى نَبِيِّنَا مُحَمّد (ﷺ)

💝

03/07/2026

Towba❤️‍🩹

03/07/2026
29/04/2026

চতুর্থ অধ্যায়

সালাতের সুন্নাতসমূহ

(سُنَنُ الصَّلَاةِ)

ফরয ও ওয়াজিব ব্যতিরেকে এমন কিছু কথা ও কাজ আছে, যা সুন্নাত। এর মধ্য থেকে কোনো কিছু জেনে, না জেনে বা ভুলে ছুটে গেলে সালাত বাতিল হয়ে যাবে না, তবে সাওয়াব কমে যাবে।

উল্লেখ্য, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরয, ওয়াজিব ও সুন্নাত-এসবসহ সালাত আদায় করতেন। নিম্নে সালাতের সুন্নাতসমূহের একটি বিবরণ দেয়া হলো:

১. দুই হাত কাঁধ বা কান বরাবর উঠানো: (তাকবীরে তাহরীমা, রুকুতে যাওয়া, রুকু থেকে উঠার সময় এবং আত্তাহিয়্যাতু'র পর প্রথম বৈঠক থেকে উঠার সময়।) [বুখারী: ৬৯৯ ইফা.]

২. বাম হাতের উপর ডান হাত বুকের উপর রাখা। [ইবনে খুযাইমা: ৪৭৯]

৩. দাঁড়ানো ও রুকু অবস্থায় সিজদার জায়গায় দৃষ্টি রাখা। [বায়হাকী ২/২৮৩]

৪. ছানা পড়া। [বুখারী: ৭০৮ ইফা; ৭০০ আধু.]

৫. 'আউযু বিল্লাহি মিনাশ শায়তানির রাজীম' পড়া। [আবু দাউদ: ৭৭৫]

৬. 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম' পড়া। [আহমদ: ৩/২৬৪]

৭. সূরা ফাতিহা পড়ার পর 'আমীন' বলা। [বুখারী: ৭৪৪ ইফা.; ৭৩৬ আধু.]

৮. যাহেরী সালাতে সূরা আওয়াজ করে পড়া। [বুখারী: ৭২৯ ইফা; ৭২১ আধু.)

৯. চুপি চুপি সালাতে (অর্থাৎ যুহর ও আসর এবং তৃতীয় ও চতুর্থ রাকআতে) চুপে চুপে কিরাআত পড়া। [বুখারী: ৭২৫ ইফা; ৭১৭ আধু.]

১০. কিরাআত পাঠ শেষে রুকূতে যাওয়ার পূর্বক্ষণে ক্ষণিকের জন্য একটু চুপ থাকা। (আবূ দাউদ: ৭৭৮, সনদ দুর্বল।

১১. রুকুর সময় হাটুতে দু' হাতের আঙ্গুলগুলো ফাঁকা ফাঁকা করে হাটুকে শক্ত করে ধরে রাখা। [আবু দাউদ: ৭৩১; বুখারী: ৭৯০ ইফা.]

১২. রুকুতে পিঠ মাটির সমান্তরালে এমনভাবে সোজা রাখা, যাতে সেখানে পানি রাখলে তা সমান উচ্চতায় স্থির থাকে। [আবু দাউদ: ৮৫৯, ইবনে মাজাহ: ৮৭২]

১৩. রুকূতে উভয় হাত দুই পাজর থেকে ফাঁকা করে দূরে রাখা। [আবু দাউদ: ৭৩৪]
১৪. রুকু ও সিজদায় তিন বার তাসবীহ পড়া (বেজোড় সংখ্যা উত্তম, জোড় হলেও সমস্যা নেই)। (মুসলিম: ১৬৯৯, নাসায়ী: ১০০৮]

১৫. দুই সিজদার মধ্যবর্তী বৈঠকে একাধিকবার মাগফিরাত চাওয়া। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই সিজদার মাঝের বৈঠকে পড়তেন 'রাব্বিগ্‌ ফিলী', 'রাব্বিগ্‌ ফিব্‌লী'.... [আবু দাউদ: ৮৭৪]

১৬. 'রাব্বানা লাকাল হাম্দ 'বলার পর এ দু'আটি পড়া: মিশকাত: ৮৭৬]

مِلْءَ السَّمَاوَاتِ وَمِلْءَ الْأَرْضِ وَمِلْءَ مَا بَيْنَهُمَا وَمِلْءَ مَا شِئْتَ مِنْ شَيْءٍ بَعْدُه

১৭. সিজদায় যাওয়ার সময় আগে হাত ও পরে হাঁটু রাখা এবং উঠার সময় বিপরীতে আগে হাঁটু ও পরে হাত উঠানো। [আবু দাউদ: ৮৪০]

১৮. সিজদার সময় দুই হাতের আঙ্গুলগুলো জমিয়ে (মিশিয়ে) রাখা।

[হাকেম: ১/২২৪]

১৯. সিজদায় পায়ের আঙ্গুলগুলো পরস্পর ফাঁকা করে রাখা। [আবু দাউদ: ৭৩০)

২০. সিজদারত অবস্থায় পায়ের আঙ্গুলসমূহ কিবলামুখী করে রাখা। [বুখারী: ৭৯০ ইফা.; ৭৮২ আধুনিক]

২১. দুই বাহু বক্ষদেশ থেকে ফাঁকা করে রাখা। অর্থাৎ, বুকের সাথে বাহু মিশিয়ে না রাখা। [বুখারী: ৭৭০]

২২. পেট থেকে দুই উরুকে ফাঁকা করে রাখা এবং উরুদ্বয় দুই রান থেকে ফাঁকা করে রাখা। [আবূ দাউদ: ৭৩৪]

২৩. সিজদায় দুই হাত কাঁধ বা কান বরাবর রাখা এবং এ দু হাতের মধ্যবর্তী স্থানে সিজদা করা। [আবু দাউদ: ৭৩৪; তিরমিযীঃ ২৭০, ২৭১, নাসাঈ: ৮৮৯]

২৪. সিজদার সময় দুই পায়ের মধ্যখানে ফাঁক না রেখে একত্রে মিশিয়ে পা' দুটি খাড়া করে রাখা। [মুসলিম: ৯৭৭]

২৫. সিজদায় বেশি বেশি দু'আ করা। [মুসলিম: ৯৭০]

২৬. আত্তাহিয়্যাতু-এর প্রথম বৈঠকে বাম পা বিছিয়ে এর উপর বসে ডান পা খাড়া করে রাখা। [মুসলিম: ৯৯৭]

২৭. তাশাহহুদের বৈঠকে দুই হাত দুই উরুর উপর অথবা দুই হাঁটুর উপর রাখা। [মুসলিম: ১১৯৪]

২৮. তাশাহহুদের বৈঠকে এবং দুই সিজদার মধ্যবর্তী বৈঠকে বাহু দুটি উরুর সাথে মিশিয়ে রাখা অর্থাৎ বাহু ও উরুর মাঝে কোনো ফাঁকা না রাখা। [নাসাঈ: ১২৬৪]

২৯. বৈঠকে মধ্যমা দিয়েই

৩০. দ্বিতীয় 'ইস্তির

৩১. সালাে করা। 'ইফতি সালাে

৩২. বসা ১২৭৫

৩৩. আত্তা চাওয়া ফেতন

৩৪. সালাম

বান্দা যখন মহান সাল পরিহার ক কাজের এ আদব ও =

১. অনর্থ

২৯. বৈঠকে ডান হাতের কনিষ্ঠা ও অনামিকা আঙ্গুল দুটি গুটিয়ে রেখে বৃদ্ধা ও মধ্যমা অঙ্গুলিকে গোলাকার করে ধরে কাবামুখী করে শাহাদাত অঙ্গুলি দিয়ে ইশারা করা। [ইবনে মাজাহঃ ৯১১-৯১৩]

৩০. দ্বিতীয় ও চতুর্থ রাকআত এর জন্য সিজদা থেকে দাঁড়ানোর পূর্বক্ষণে ''ইস্তিরাহার' বৈঠক করা। [বুখারী: ৭৮৫ ইফা; ৭৭৭ আধু.]

৩১. সালাতের প্রথম বৈঠকে 'ইফতিরাশ' করা এবং শেষ বৈঠকে 'তাওয়াররূক' করা। অর্থাৎ, যে সালাতে মাত্র একবার তাশাহহুদ পড়া হয় সে বৈঠকে 'ইফতিরাশ' করা, আর যে সালাতে দুই বার তাশাহহুদ পড়া হয় এমন সালাতের শেষ বৈঠকে 'তাওয়াররূক' করা।

৩২. বসা অবস্থায় ডান হাতের দৃষ্টি শাহাদাত অঙ্গুলি অতিক্রম না। [নাসাঈ: ১২৭৫, হাসান।

৩৩. আত্তাহিয়্যাতু পড়া শেষে দু'আ করা এবং চারটি জিনিস থেকে আশ্রয় চাওয়া: (ক) কবরের আযাব, (খ) আগুনের আযাব, (গ) জীবনমৃত্যুর ফেতনা, (ঘ) দাজ্জালের ফেতনা। [বুখারী: ১৩৭৭]

৩৪. সালাম দেয়ার সময় ডানে ও বামে মুখ ফিরানো। [মুসলিম: ১২০২]

পঞ্চম অধ্যায়

সালাতে মাকরূহ কাজ

مَكَرُوهَاتُ الصَّلَاةِ)

বান্দা যখন সালাতে দাঁড়ায় তখন যেন তার রবের সামনে হাজির হয়। এ মহান সাক্ষাতে যা সব ধরনের অপছন্দনীয় ও ঘৃণিত তথা মাকরূহ কাজ নিচে মাকরূহ অর্থাৎ অপছন্দনীয় সালাতের

29/04/2026

হযরত ফরীদ উদ্দিন আত্তার (রহ.)। 'আত্তার' শব্দের অর্থ আতর বিক্রেতা। তিনি একজন আতর বিক্রেতা ছিলেন। তিনি ইউনানী ঔষধও বিক্রি করতেন। একদিন তিনি দোকান সাজিয়ে বসে আছেন। নানা রকম শিশিতে ঔষধ এবং বিভিন্ন রকম আতর। এ সময় পাগল ধরনের উদ্বু-খুকু অবস্থায় এক লোক দোকানে ঢুকল। ঢুকে বিভিন্ন শিশি তালাশ করে কি যেন খুঁজছিল। একের পর এক শিশি দেখেই যাচ্ছিল। ফরিদ উদ্দিন আত্তার জিজ্ঞাসা করলেন, ভাই আপনার কি চাই? লোকটা বলল, কিছুই চাই না, শুধুই দেখছি। সে আবার দেখতে থাকল। এক সময ফরিদ উদ্দিন আত্তার বিরক্ত হয়ে বললেন, যদি কিছুই না চান তাহলে এত কি দেখছেন, এত দেখার কি প্রয়োজন? তখন লোকটা বলল আমি দেখছি আর চিন্তা করছি যখন আপনার মওত আসবে তখন আপনার জানটা কি করে বের হবে। ফরিদ উদ্দিন আত্তার বললেন, এর সাথে আমার জানের কি সম্পর্ক? তখন লোকটি বলল, এত রং-বেরংয়ের শিশি, এত দামী জিনিস পত্র, এই সবকিছুর ভিতরে তো আপনার রূহ ঢুকে আছে। তাই ভাবছি যখন আজরাঈল রূহ কবজ করার জন্য আসবে, তখন আপনার রূহ এক শিশি থেকে আরেক শিশির মধ্যে ঢুকবে। এটা থেকে ওটার মধ্যে ছুটাছুটি করতে থাকবে। এ অবস্থায় আপনার রূহ বের হবে? ফরিদ উদ্দীন আত্তার বললেন, আরে পাগল, আমার রূহ কিভাবে বের হবে তা নিয়ে তোমার এত চিন্তা, তোমার রূহ কিভাবে বের হবে? লোকটা বলল-আমার রূহ বের হওয়া তো খুব সহজ। শুয়ে পড়ব, ব্যস আমার রূহ বের হয়ে যাবে। দেখবেন? এই বলে লোকটা শুয়ে পড়ল, মুখে উচ্চারণ করল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্। ব্যস তার মৃত্যু হয়ে গেল। ঘটনা দেখে ফরিদ উদ্দিন আত্তারের মনে আছড় পড়ল। দোকানদারী ছেড়ে দিয়ে আল্লাহর রাস্তায় বের হয়ে গেলেন। ফকীরী জীবন গ্রহণ করলেন। পৃথিবীর এক বিখ্যাত
বুযুর্গে পরিণত হলেন। এসব ঘটনায় দেখানো হয়েছে যে, দুনিয়ার ভিতর থেকে দ্বীনের মুহাব্বত আসে না। এক সাথে দুই মুহাব্বত হয় না। দুনিয়ার মুহাব্বতও থাকবে, দ্বীনের মুহাব্বতও থাকবে, তা হয় না। দ্বীনের মুহাব্বতের জন্য দিল থেকে দুনিয়ার মুহাব্বত বের করতে হবে।

দিল থেকে দুনিয়ার মুহাব্বত বের হবার জন্য আরেকটি কাজ হল-বেশী বেশী আখেরাতের চিন্তা করা। বেশী বেশী মৃত্যুকে স্মরণ করা। নবী করিম (স.)

ইরশাদ করেন-

أكْثَرُو اذكْرَ هَادَمِ اللَّذَّاتِ يَعْنِي الْمَوْتَ -

অর্থাৎ, বেশী বেশী মৃত্যুকে স্মরণ কর। এটা অন্তর থেকে দুনিয়ার স্বাদকে মিটিয়ে দিবে।

বিদআতীর নামায কবুল হয় না

ঐতিহাসিক বিদায় হজ্বের সময় মানবজাতিকে উদ্দেশ্য।

29/04/2026

একা একা ইসতিগফার করা সুন্নাত। জন্য তখন

দশম অধ্যায়

নারী ও পুরুষের সালাতে পার্থক্য

الْفَرْقُ بَيْنَ صَلَاةِ الرَّجُلِ وَالْمَرْعَةِ)

সালাতের মূল কাঠামোর মধ্যে পুরুষ ও মহিলাদের নামাযে কোনো পার্থক্য নেই। দাঁড়ানোর পদ্ধতি, বুকে হাত বাঁধা, রুকু, সিজদা ও বৈঠক এসবই পুরুষ ও

মহিলারা একই কায়দায় আমল করবে। রাসূলুল্লাহ'র যামানায় পুরুষ ও মহিলারা একই পদ্ধতিতে নামায আদায় করতেন। তবে তাদের সালাত আদায়ের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত বিষয়গুলোতে বিশেষ কিছু বিধানের অনুসরণ করবে।

১. মেয়েরা শুধুমাত্র মুখমণ্ডল ও দুই হাত ছাড়া বাকি আপাদমস্তক ঢেকে দাঁড়াবে। পায়ের গোড়ালির নিচ পর্যন্ত কাপড় ঝুলিয়ে পা ঢেকে রাখবে। কিন্তু পুরুষদের জন্য পায়ের গোড়ালির নিচে কাপড় ঝুলিয়ে পরা হারাম।

২. জামা'আতে নামায পড়লে মেয়েরা পুরুষদের একেবারে পেছনে দাঁড়াবে।

[মিশকাত: ১০৯২]

৩. মহিলাদের জামায়াতে মহিলারা ফরয বা ওয়াজিব সালাতের ইমামতি করতে পারবে।

৪. ফরয সুন্নাত সকল নামাযে শুধুমাত্র মেয়েরা জামা'আত করলে মহিলা ইমাম সামনে না গিয়ে কাতারের মাঝে মুক্তাদিদের সারিতে দাঁড়াবে।

৫. ইমামের কোনো ভুল হলে মহিলা মুক্তাদিরা হাতের উপর হাত রেখে তালি দেবে। তবে পুরুষেরা লুকমা দেবে سُبْحَانَ اللهِ বলে। [বুখারী: ১২১৮[

৬. মহিলারা পুরুষদের সাথে একই জামা'আতে নামায পড়লে সালাম ফেরানোর পর পর মহিলারা আগে বেরিয়ে যাবে। এরপর বের হবে পুরুষ মুসল্লীরা। তবে মেয়েদের জন্য আলাদা গেট থাকলে আগে-পরে বের হওয়াতে কোনো দোষ নেই।

৭. মহিলারা সালাতের আযান দিবে না। আযান দেয়া শুধুমাত্র পুরুষদের কাজ। তবে অধিকাংশ ফকীহদের মতে মেয়েদের জামায়াতে নারীরা ইকামাত দিতে পারবে।

হাতের তালু বাম হাতের পিঠে মেরে তালি দিয়ে আওয়াজ করবে [বুখারী: ১২০৩ ও মুসলিম: ৮৪০]। নারীরা মুখে কিছুই বলবে না।

৪৮. সাহু সিজদা: ভুলক্রমে কোনো ওয়াজিব ছুটে গেলে অথবা ওয়াজিব বা রুকন আদায়ের ক্ষেত্রে কোনো সন্দেহ সৃষ্টি হলে অথবা কোনো ওয়াজিব বা রুকন অতিরিক্ত হয়ে গেলে সাহু সিজদা দিতে হয়। [বুখারী: ১২২৬, ৪০৪; মুসলিম: ১১৬৮, ১১৭০]

প্রচলিত নিয়ম: শেষ বৈঠকে আত্তাহিয়্যাতু পড়ে ডান দিকে একবার সালাম ফিরিয়ে দু'টি সাহু সিজদা দেয়া হয়। এরপর আবার তাশাহুদ, দরূদ ও দু'আ মাছুরা পড়ে ডানে বামে সালাম ফিরিয়ে সালাত শেষ করা হয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ মর্মে কোনো সহীহ্ হাদীস পাওয়া যায় না।

সাহু সিজদার বিশুদ্ধ পদ্ধতি: শেষ বৈঠকে তাশাহুদ, দরূদ ও দু'আ মাছুরা

পড়া শেষ হলে আল্লাহ আকবার বলে দু'টি সিজদা করবে। অতঃপর ডানে বামে সালাম ফিরিয়ে সালাত শেষ করবে। এটিই হলো বিশুদ্ধ পদ্ধতি। [দেখুন বুখারী: ১২৩০, ৪৮২, ইফা: ৪৬৬]

যেভাবে নামায পড়তেন রাসূলুল্লাহ✳️✳️

29/04/2026

দোয়া কেন কবুল হয় না?

যে সকল স্থানে দোয়া কবুল হয়

১। হজ্জ পালনকারীর দোয়া।

২। উমরাহ পালনকারীর দোয়া।

৩। কা'বা ঘরের ভিতর দোয়া করা।

যে ব্যক্তি হিজর ইসমাইলে (হাতীমে) নামায আদায় করে তার নামায কা'বার ভিতর আদায় হয়েছে বলে গণ্য (কারণ তা কা'বার অন্তর্ভুক্ত)।

বমান অবস্থায়

৪। তওয়াফ কালে দোয়া করা।

ন্তানের প্রতি

৫। সাফা ও মারওয়াহ পাহাড়ের উপর দোয়া করা।

৬। সাফা ও মারওয়াহ এর মধ্যবর্তী স্থানে দোয়া করা।

৭। আরাফাতের দিন আরাফাতের মাঠে দোয়া করা।

৮। পাথর নিক্ষেপ।

হজ্বকালে ছোট জামরা ও মধ্যম জামরায় পাথর নিক্ষেপের পর (হাত তুলে কিবলামুখী হয়ে) দোয়া করা।

৯। (মুযদালিফাতে অবস্থিত) মাশআরুল হারামে দোয়া করা।

১০। রুগীর নিকটে দোয়া করা।

১১। মুসলিম ব্যক্তিদের যিকরের (ওয়াজ) মাহফিলে একত্রিত হওয়া কালে দোয়া করা।

যে সকল পরিস্থিতে দোয়া কবুল হয়

১। সাচ্ছন্দ্যের সময় আল্লাহর কাছে দোয়া চাওয়া:

রাসূল (সাঃ) বলেন, যদি কেউ সন্তুষ্ট হয় যে তার দুর্ভোগ ও কঠিন সময়ে আল্লাহ উত্তর দেন, তাহলে সে যেন সাচ্ছন্দ্যের সময় বেশী বেশী করে দোয়া চায়”। (হাসান, তিরমিযী)

২। আল্লাহর পথে জিহাদে বেরিয়ে যুদ্ধের জন্য কাতার বন্দী হয়ে অগ্রসর হওয়া এবং বিজয়ের জন্য দোয়া করা-

إِذْ تَسْتَغِيثُونَ رَبَّكُمْ فَاسْتَجَابَ لَكُمْ أَنَّي مُمِدُّكُمْ بِأَلْفٍ مِّنَ

الْمَلَئِكَةِ مُرْدِفِينَ - وَمَا جَعَلَهُ اللَّهُ إِلَّا بُشْرَى وَلِتَطْمَئِنَّ بِهِ

قُلُوبُكُمْ - وَمَا النَّصْرُ إِلَّا مِنْ عِنْدِ اللَّهِ - إِنَّ اللَّهَ عَزِيزٌ
حَكِي

স্মরণ কর, তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করেছিলে, তিনি উহা কবুল করেছিলেন এবং বলেছিলেন, 'আমি তোমাদেরকে সাহায্য করব এক সহস্র ফিরিশতা দ্বারা যারা একের পর এক আসবে।' আল্লাহ উহা করেন কেবল শুভ সংবাদ দেওয়ার জন্য এবং এই উদ্দেশ্যে যাতে তোমাদের চিত্ত প্রশান্তি লাভ করে এবং সাহায্য তো শুধু আল্লাহর নিকট হতেই আসে, আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

(সূরা আনফালঃ ৯-১০)

বিশেষ করে রমযান মাসে বিজয়ের মাসে, সারা জাহানের মুসলমানদের দোয়া করা সুন্নাহ হতে নির্দেশিত। রাসূল (সাঃ) বদরের যুদ্ধের আগের রাত্রিতে, যা রমযান মাসে সংঘটিত হয়েছিল, যতক্ষণ পর্যন্ত না তা গায়ের বসন পড়ে গিয়েছিল ততক্ষণ পর্যন্ত দোয়া করায় রত ছিলেন। প্রত্যুষে তিনি শত্রুদের বিরুদ্ধে আল্লাহর কাছ থেকে বিশ্বাসীদের জন্য সংবাদ নিয়ে আসেন।

سَيُهْزَمُ الْجَمْعُ وَيُوَلُّونَ الدُّبُرَ - بَلِ السَّاعَةُ مَوْعِدُهُمْ والسَّاعَةُ أَدْهَى وَآمَرُ -

এই দল শীঘ্রই পরাজিত হবে এবং পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে। অধিকন্তু কিয়ামত উহাদের শাস্তির নির্ধারিত কাল এবং কিয়ামত হবে কঠিনতর ও তিক্ততর। (সূরা কামার-৪৫, ৪৬)

৩। কারোর বিরুদ্ধে দোয়া করা।

তোমার নিজের বা নিজের সন্তানদের বিরুদ্ধে দোয়া করোনা। রাসূল (সাঃ) বলেছেন, "তোমার বিপক্ষে দোয়া করোনা। তোমার সন্তানদের বিপক্ষে দোয়া করোনা। তোমার চাকরানীর বিপক্ষে দোয়া করোনা। এবং তোমার ধন-সম্পদের বিপক্ষে দোয়া করোনা। এটা এমন সময় হতে পারে যখন আল্লাহ প্রার্থনার সাড়া দিতে পারেন"। (আবু দাউদ)

৪। মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া করা।

৫। বিপদের মুহূর্তে এই দোয়া পড়া:

إِنَّا لِللَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ ، اَللَّهُمَّ أَجِرْنِي فِي مُصِيبَتِي وَاخْلُفْ لِى خَيْرًا مِّنْهَا -

আমরা
স্থলে আমার

এই দোন

দান করে।

৬। নির

৭। ন্যাক

৮। সৎ

আমরা সকলেই আল্লাহর উদ্দেশ্যেই (সৃষ্ট) এবং তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী ইয়া আল্লাহ! আমার এই বিপদে সাওয়াব দাও এবং এর স্কুলে আমার জন্য এর চেয়ে উত্তম দান কর।

এই দোয়ার ফলে আল্লাহ সাওয়াব দেন এবং তদস্থলে পরবর্তীতে উত্তম

দান করে। (মুসলিম) ৬। নিরুপায় ব্যক্তির দোয়া।

৭। ন্যায়পরায়ণ শাসকের দোয়া।

৮। সৎ সন্তানের স্বীয় পিতা-মাতার জন্য দোয়া। 1

দোয়া কেন কবুল হয় না

শাকীকুল বলখী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন ইব্রাহিম বিন আদহাম একজন সু-প্রসিদ্ধ সুফী ছিলেন। তিনি একদিন বসরার বাজারে গেলে অনেক লোক তাঁকে ঘিরে ধরে প্রশ্ন করল, 'হে ইব্রাহিম বিন আদহাম' আল্লাহ তার কিতাবে ঘোষণা করেছেন, “হে আমার বান্দারা তোমরা আমার কাছে দোয়া কর আমি তোমাদের দোয়া কবুল করব।” অথচ আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ দোয়া করছি কিন্তু আমাদের দোয়া কবুল হচ্ছে না। তখন ইব্রাহিম বিন আদহাম বললেন, হে বসরার অধিবাসী! তোমাদের অন্তর দশটি জিনিসের কারণে মৃত্যুবরণ করেছে। যার দরুন দোয়া কবুল হচ্ছে না। যথাঃ

۱ - عَرَفْتُمُ اللَّهُ وَلَمْ تُوَدُّوا حَقَّهُ -

১. তোমরা আল্লাহকে জান অথচ তার হক্ক পুরোপুরিভাবে আদায় কর না।

- قَرَأْتُمُ الْقُرْآنَ وَلَمْ تَعْلَمُوا بِهِ -

১ পাঠ কর অথচ তার গুরুত্ব অনুধাবন কর না।

Address

Noakhali
Noakhali

Telephone

+8801923120500

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tanbir Tishe posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Tanbir Tishe:

Shortcuts

Share