01/05/2026
❗“বক্তাবলী খেয়াঘাট মানে সোনার ডিম পারা রাজহাঁস”❗
আসুন নিচে এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা করি:⤵️
গতবছর ২০২৫ সালে বক্তাবলী তথা রাজাপুর খেয়াঘাট সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে = ২৯,০০,০০০ ৳(ঊনত্রিশ লক্ষ্য টাকা) টেন্ডার হিসেবে পেয়ে যায় একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের লোক।
সে বছরসহ বিগত অনেকদিন যাবত এই ঘাট নিয়ে শতকরা ৯৫% মানুষের অভিযোগ রয়েছে।
#রাতে ১০ টার পর ভাড়া অনেক বেশি নেওয়া।
#শুক্রবারে ডাবল ভাড়া নেওয়া।
#যাত্রীদের সাথে খারাপ আচরণ করা।
#ঘাট চলমান রেখে স্পেশাল ট্রলার রেখে ডাবল ভাড়া। আদায় করা
........ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি........
যেখানে ২৯ লক্ষ্য টাকা টেন্ডার পাওয়ার পরও অধিক মুনাফা আদায়ের লক্ষে যাত্রীদের সাথে এত হয়রানি, ভোগান্তি ঘটেছে যা রীতিমত এই ইউনিয়নের নাগরিক অতিষ্ট হয়ে গেছে।
আর ঠিক সেই মুহূর্তে এসে বর্তমান ২০২৬ সালের খেয়াঘাট সর্বোচ্চ দরদাতা = ৬০,১০,০০০ ৳(ষাট লক্ষ্য দশ হাজার টাকা) টেন্ডার হিসেবে দেওয়া হয়েছে।
যা গতবছরের চেয়ে দ্বিগুণ❗
এই বছরের চেয়ে গতবছর অর্ধেক হওয়ার পরও যাত্রীদের সাথে এত হয়রানি, ভোগান্তি ঘটেছে। সে জায়গায় এবছর তার দ্বিগুণ হওয়ায় সামনে ভোগান্তি এবং হয়রানিও যে দ্বিগুণ হবে সেটা আর বলার অপেক্ষা হয়তো রাখেনা।
অথচ, আমাদের বক্তাবলী ইউনিয়ন বাসীর প্রত্যাশা ছিলো যে সরকার পরিবর্তনের পর নতুন যেওই ইজারা পেয়ে থাকুক, জনগণ যেনো কোনরকম ভোগান্তি ছাড়া নির্দ্বিধায় ঘাট ন্যায্য ভাড়ায় পারাপার করতে পারে।
তাই এই বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের MP Abdullah Al Amin এবং প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।
এখন বুঝতে পেরেছেন কেনো এই ঘাটকে “সোনার ডিম পারা রাজহাঁস" বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।