অনুভূতি - Emotion

অনুভূতি - Emotion Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from অনুভূতি - Emotion, Art, Naogaon.

⭐ Emotion - অনুভূতির আঙিনায় আপনাকে স্বাগতম,,,

অনুভূতি - The language of heart. ❤️
জীবনের না বলা গল্প আর আবেগের ছোঁয়া।
💞

শব্দে বোনা কিছু না বলা কথা, আর হৃদয়ের গহীনের হাজারো অনুভূতি। যেখানে প্রতিটি দীর্ঘশ্বাস খুঁজে পায় নিজের ভাষা।"

আমরা কত সহজেই না একজনকে ভালোবেসে ফেলি, অথচ তাকে ভুলে যাওয়ার জন্য কেটে যায় পুরো একটা জীবন। সবচেয়ে বেশি কষ্ট তখন হয়, যখন ম...
03/07/2026

আমরা কত সহজেই না একজনকে ভালোবেসে ফেলি, অথচ তাকে ভুলে যাওয়ার জন্য কেটে যায় পুরো একটা জীবন। সবচেয়ে বেশি কষ্ট তখন হয়, যখন মনের ভেতর জমানো হাজারটা কথা বলার মতো মানুষ থাকে, কিন্তু তা শোনার মতো কেউ থাকে না।

তিন | সাত | ছাব্বিশ

অনুভূতি - Emotion

কিছু স্মৃতি কাঁচের টুকরোর মতো। যতই দিন যায়, ততই যেন মনের দেওয়ালে আরও বেশি আঁচড় কাটে। ভুলে যাওয়াটা হয়তো সহজ, কিন্তু সেই স...
29/05/2026

কিছু স্মৃতি কাঁচের টুকরোর মতো। যতই দিন যায়, ততই যেন মনের দেওয়ালে আরও বেশি আঁচড় কাটে। ভুলে যাওয়াটা হয়তো সহজ, কিন্তু সেই স্মৃতির সাথে জড়িয়ে থাকা অনুভূতিগুলোকে মন থেকে মুছে ফেলা অসম্ভব।"

অনুভূতি - Emotion

মাঝে মাঝে নিঝুম রাতে এক কাপ চা আর জানালার বাইরের অন্ধকারটাই সবচেয়ে প্রিয় মনে হয়। কোনো কোলাহল নেই, কোনো কৈফিয়ত দেওয়ার তাড়...
25/05/2026

মাঝে মাঝে নিঝুম রাতে এক কাপ চা আর জানালার বাইরের অন্ধকারটাই সবচেয়ে প্রিয় মনে হয়। কোনো কোলাহল নেই, কোনো কৈফিয়ত দেওয়ার তাড়া নেই—শুধু আমি এবং আমার একলা কিছু অনুভূতি।

অনুভূতি - Emotion

বৃষ্টি ভেজা সকালসারারাতের টিপটিপ বৃষ্টির পর ভোরবেলায় পুরো গ্রামটা যেন নতুন করে জেগে উঠেছিল। আকাশজুড়ে ধূসর মেঘ, দূরের ত...
25/05/2026

বৃষ্টি ভেজা সকাল

সারারাতের টিপটিপ বৃষ্টির পর ভোরবেলায় পুরো গ্রামটা যেন নতুন করে জেগে উঠেছিল। আকাশজুড়ে ধূসর মেঘ, দূরের তালগাছগুলো কুয়াশার ভেতর আধা দেখা যায়, আর কাঁচা রাস্তার দু’পাশে জমে থাকা পানিতে আকাশের মেঘের ছায়া ভাসছিল।

ছোট্ট রায়হান জানালার পাশে বসে বৃষ্টি দেখছিল। আজ তার স্কুলে যাওয়ার খুব ইচ্ছে ছিল না। এমন দিনে বিছানার উষ্ণ কম্বল ছেড়ে বের হতে কারই বা ভালো লাগে! কিন্তু তার মা প্রতিদিনের মতোই ডাক দিলেন—

— “রায়হান, ওঠো বাবা। দেরি হয়ে যাবে।”

রায়হান মুখ বাঁকিয়ে বলল, — “মা, আজ এত বৃষ্টি… স্কুলে না গেলে হয় না?”

মা হেসে বললেন, — “বৃষ্টির দিনেই তো সবচেয়ে সুন্দর স্মৃতি তৈরি হয়।”

কথাটা রায়হানের মনে একটু দাগ কাটল। অনিচ্ছা নিয়েই সে প্রস্তুত হলো। হাতে ছোট্ট নীল ছাতা, পায়ে স্যান্ডেল, কাঁধে ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে পড়ল কাদামাখা রাস্তায়।

রাস্তার পাশে একটা পুরোনো বটগাছ ছিল। গাছটার নিচে গিয়ে রায়হান হঠাৎ থেমে গেল। সেখানে একটি বৃদ্ধ মানুষ ভিজে কাপড়ে বসে আছেন। তার হাতে কয়েকটি ফুলের মালা। বৃষ্টির পানিতে মালাগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

রায়হান কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল, — “দাদু, আপনি এখানে বসে আছেন কেন?”

বৃদ্ধ মৃদু হাসলেন। — “ফুল বিক্রি করি বাবা। সকাল থেকে কেউ আসেনি। বৃষ্টিতে সব ভিজে গেল।”

রায়হানের ছোট্ট মনটা হঠাৎ কেমন ভারী হয়ে গেল। সে নিজের টিফিনের জন্য রাখা কিছু টাকা বের করে বলল, — “দাদু, আমি একটা মালা কিনব।”

বৃদ্ধ অবাক হয়ে তাকালেন। — “তুমি কি করবে মালা দিয়ে?”

রায়হান লজ্জা পেয়ে বলল, — “জানি না… কিন্তু আপনি খুশি হলে ভালো লাগবে।”

বৃদ্ধের চোখ ভিজে উঠল। তিনি মালাটা রায়হানের হাতে দিয়ে বললেন, — “আল্লাহ তোমাকে অনেক বড় মানুষ বানাক বাবা।”

স্কুলে পৌঁছে রায়হান দেখল, তার বন্ধুরা সবাই ভেজা মাঠে দাঁড়িয়ে বৃষ্টির আনন্দ করছে। কেউ কাগজের নৌকা বানাচ্ছে, কেউ পানি ছিটাচ্ছে। কিন্তু রায়হানের মনে ঘুরছিল সেই বৃদ্ধের মুখটা।

স্কুল ছুটির পর সে আবার সেই বটগাছটার কাছে গেল। কিন্তু বৃদ্ধ তখন আর নেই। শুধু ভেজা মাটির ওপর কয়েকটি ছিঁড়ে যাওয়া ফুল পড়ে আছে। রায়হান আস্তে করে নিজের কেনা মালাটা গাছের ডালে ঝুলিয়ে দিল।

সেদিন রাতে জানালার পাশে বসে আবার বৃষ্টি দেখছিল সে। মায়ের কথা মনে পড়ল—

“বৃষ্টির দিনেই তো সবচেয়ে সুন্দর স্মৃতি তৈরি হয়।”

রায়হান বুঝতে পারল, সত্যিই কিছু সকাল শুধু ভেজা নয়— কিছু সকাল মানুষের মনকেও নরম করে দেয়।

নোট: এখানে ছদ্মনাম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

পঁচিশ | পাঁচ | ছাব্বিশ, সকাল

অনুভূতি - Emotion

রম্যরস : ধানের করুণা গ্রামের নাম ছিল শান্তিপুর। নাম শান্তিপুর হলেও সেখানে শান্তির চেয়ে ঝগড়াই বেশি হতো। বিশেষ করে কৃষকদ...
24/05/2026

রম্যরস : ধানের করুণা

গ্রামের নাম ছিল শান্তিপুর। নাম শান্তিপুর হলেও সেখানে শান্তির চেয়ে ঝগড়াই বেশি হতো। বিশেষ করে কৃষকদের মধ্যে। কার ধান বেশি ফলল, কার জমিতে পানি আগে যাবে, কার গরু কার ক্ষেতে ঢুকল—এসব নিয়েই সকাল-বিকাল তর্ক।

সেই গ্রামের সবচেয়ে অদ্ভুত মানুষ ছিলেন কুদ্দুস চাচা। তিনি নিজেকে বলতেন “আধুনিক কৃষিবিজ্ঞানী”, যদিও জীবনে কখনো কৃষি অফিসে যাননি। কিন্তু পরামর্শ দিতে তিনি ওস্তাদ।

একদিন হাট থেকে ফিরে কুদ্দুস চাচা ঘোষণা দিলেন—
— “এবার আমি এমন ধান লাগামু, যেই ধান মানুষেরে চিনবো!”

গ্রামের সবাই হাঁ করে তাকিয়ে রইল।
মফিজ মাস্টার জিজ্ঞেস করলেন—
— “ধান আবার মানুষ চিনে নাকি?”

কুদ্দুস চাচা গম্ভীর মুখে বললেন—
— “সবই চিনে। ভালো মানুষেরে বেশি ফলন দেয়, খারাপ মানুষেরে কম দেয়।”

এই কথা শুনে গ্রামের মানুষ ভয়ে ভালো মানুষ সাজার চেষ্টা শুরু করল।
করিম যে সারাজীবন কারও সালাম নিত না, সেও এখন হাসিমুখে বলে—
— “আসসালামু আলাইকুম ভাই!”

রহিম আগে বাজারে এক টাকাও কম দিত না। এখন দোকানদার ভুল করে বেশি ফেরত দিলে সে ফিরিয়ে দেয়।

কারণ সবাই মনে মনে ভাবছে—
“ধান যদি সত্যিই চিনে ফেলে!”

কুদ্দুস চাচা প্রতিদিন ক্ষেতে গিয়ে ধানের সাথে কথা বলতেন।
— “বাবারা, ভালো কইরা ফল ধরো। আমি কিন্তু ভালো মানুষ।”

একদিন পাশের গ্রামের এক লোক দেখে ফেলল তিনি ধানের চারার সামনে দাঁড়িয়ে হাত তুলে দোয়া করছেন। খবর আগুনের মতো ছড়িয়ে গেল।

এরপর শুরু হলো নতুন বিপদ।
গ্রামের লোকেরা রাতে চুপিচুপি নিজেদের ক্ষেতে গিয়ে ধানের সাথে ভালো ব্যবহার করতে লাগল। কেউ গান গায়, কেউ গল্প বলে, কেউ আবার ধানকে বাতাস করে!

সবচেয়ে বড় কাণ্ড করল বাচ্চু মিয়া। সে তার ক্ষেতে একটা লাউডস্পিকার বসিয়ে সারারাত মিষ্টি গজল বাজাল। সকালে দেখা গেল পাশের ক্ষেতে থাকা গরুগুলো ঘুমিয়ে পড়েছে, কিন্তু ধানের কোনো পরিবর্তন নেই।

এদিকে কুদ্দুস চাচার ধান সত্যিই বেশ ভালো হলো। সবাই অবাক!

গ্রামের মানুষ ভাবল—
“তাহলে কথাটা সত্যি!”

মফিজ মাস্টার গবেষণা শুরু করলেন। তিনদিন ধরে খোঁজখবর নিয়ে অবশেষে রহস্য বের করলেন।

আসলে কুদ্দুস চাচা ভুল করে নিজের ক্ষেতে অন্যদের চেয়ে দ্বিগুণ সার দিয়ে ফেলেছিলেন!

মাস্টার সাহেব সবাইকে ডেকে বললেন—
— “ধান মানুষ চিনে না। সার চিনে!”

সবাই একসাথে কুদ্দুস চাচার দিকে তাকাল।
চাচা কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন—

— “তা ঠিক আছে… কিন্তু আমার কথায় গ্রামের মানুষ অন্তত কিছুদিন ভালো হইছিল না?”
সবাই থমকে গেল।

সত্যিই তো—
সেই কয়েক সপ্তাহে গ্রামের ঝগড়া কমেছিল, মানুষ ভদ্র হয়েছিল, সালাম বেড়েছিল, এমনকি করিমও একদিন মসজিদে প্রথম কাতারে দাঁড়িয়েছিল!

শেষে মফিজ মাস্টার হেসে বললেন—
— “তাহলে ধানের না হোক, কুদ্দুসের করুণা তো ছিল!”

আর সেই দিন থেকে গ্রামের মানুষ “ধানের করুণা” কথাটা ব্যবহার করত যখনই কেউ হঠাৎ ভালো মানুষ সাজার চেষ্টা করত।

চব্বিশ | পাঁচ | ছাব্বিশ,

অনুভূতি - Emotion

24/05/2026

হাদিসের আলো।

24/05/2026

যে সবসময় ইস্তেগফার পড়ে,,,

রম্যরস : আম যুদ্ধ গ্রীষ্মকাল এলেই বাঙালির ঘরে ঘরে একটা নিঃশব্দ যুদ্ধ শুরু হয়। বিশ্বযুদ্ধ বা গৃহযুদ্ধ নয়—একে বলা যায় "আম ...
24/05/2026

রম্যরস : আম যুদ্ধ

গ্রীষ্মকাল এলেই বাঙালির ঘরে ঘরে একটা নিঃশব্দ যুদ্ধ শুরু হয়। বিশ্বযুদ্ধ বা গৃহযুদ্ধ নয়—একে বলা যায় "আম যুদ্ধ"। আমাদের মধ্যবিত্ত লতিফ সাহেবের বাড়িতেও এর ব্যতিক্রম হলো না।

লতিফ সাহেব বাজার থেকে চার কেজি ল্যাংড়া আম কিনে এনেছেন। আমের চেহারা দেখে মনে হচ্ছে যেন সদ্য বিউটি পার্লার থেকে ফেসিয়াল করে বের হয়েছে—একেবারে নিখুঁত, হলদে-সবুজ আভা, সুবাসে পুরো ড্রয়িংরুম মাতোয়ারা।
লতিফ সাহেব সোফায় বসে বুক ফুলিয়ে বললেন, "বেছে বেছে একদম 'অরিজিনাল' ল্যাংড়া এনেছি। এক ফোঁটা ফরমালিন নেই। খেয়ে দেখিস, অমৃত!"

লতিফ সাহেবের স্ত্রী মাজেদা বেগম আমগুলো ধুয়ে ফ্রিজে তুলতে তুলতে গম্ভীর গলায় বললেন, "আম তো আনলে। কিন্তু খবরদার, তোমার ওই বাটু মামা আর পল্টু ভাগ্নে আসার আগে যেন আমে হাত না পড়ে। জামাই ষষ্ঠী উপলক্ষে ওরা কাল বাড়িতে পা রাখছে। মেহমানের সামনে ইজ্জত বলে তো একটা কথা আছে!"

লতিফ সাহেবের বড় ছেলে রনি আর ছোট মেয়ে টুনি দরজার আড়াল থেকে আমগুলোর দিকে তাকিয়েছিল। মাজেদা বেগমের এই ‘আম-লকডাউন’ ঘোষণার পর তাদের মুখগুলো ল্যাংড়া আমের চেয়েও বেশি তিতকুটে হয়ে গেল।

রাত ১২টা। পুরো বাড়ি নিঝুম।
হঠাৎ ফ্রিজের দরজা খোলার একটা মৃদু আওয়াজ হলো—ক্যাঁচচচ।
অন্ধকারে টর্চের আলো ফেলে রনি ফ্রিজের দিকে এগোচ্ছিল। ঠিক তখনই তার পায়ের ওপর অন্য একটা পা পড়ল।
"ওরে বাবাগো! ভূত!" রনি চিৎকার করতে গিয়েও মুখ চেপে ধরল।

"আরে ভাইয়া, আমি টুনি! চেঁচাইস না, আম্মু জেগে যাবে।"
"তুই এখানে কী করিস?" রনি ফিসফিসিয়ে জিজ্ঞেস করল।
"যে কাজে তুমি আসছ, আমিও সেই কাজেই আসছি। চলো, একটা অপারেশন চালাই।"
দুই ভাই-বোন মিলে ফ্রিজ থেকে সবচেয়ে বড় আর পাকা আমটা নিখুঁত অপরাধীর মতো চুরি করল। এরপর বাথরুমের লাইট জ্বালিয়ে, গামছা দিয়ে দরজার ফাঁক বন্ধ করে, পরম তৃপ্তিতে তারা আমটা সাবাড় করল। আঁটি আর খোসাগুলো কমোডে ফ্লাশ করে দিয়ে ভাবল—পারফেক্ট ক্রাইম!

পরদিন দুপুরে বাটু মামা আর পল্টু ভাগ্নে এসে হাজির। বাইরে তখন জ্যৈষ্ঠ মাসের খাঁ খাঁ রোদ।
মাজেদা বেগম ফ্রিজ থেকে বাকি আমগুলো বের করে প্লেটে সুন্দর করে কেটে সাজিয়ে ড্রয়িংরুমে আনলেন। লতিফ সাহেব গর্বিত হাসিমুখে বললেন, "নিন মামা, ল্যাংড়া আম। খেয়ে বলুন কেমন।"
বাটু মামা নিজেকে আমের মস্ত বড় ‘বিশেষজ্ঞ’ মনে করেন। তিনি একটা টুকরো কাঁটাচামচ দিয়ে তুলে, চোখে চশমাটা ঠিক করে, আমের টেক্সচার পরীক্ষা করলেন। তারপর একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, "হুম... লতিফ, তুমি তো আম চিনতে ভুল করেছ হে।"
লতিফ সাহেবের হাসিটা মাঝপথে আটকে গেল, "মানে? ভুল করেছি মানে?"

"আরে ভাই, এটা ল্যাংড়া হতেই পারে না! ল্যাংড়া আমের বোঁটার চারপাশটা একটু দেবে থাকে, আর এর সুবাসে একটা হালকা টক-মিষ্টি ঝাঁঝ থাকে। এটা আসলে 'হাড়িভাঙ্গা' আম। তবে চাষী একে হরমোন ইনজেকশন দিয়ে সাইজ বড় করেছে।" বাটু মামা বেশ বিজ্ঞের মতো রায় দিলেন।

পল্টু ভাগ্নে ততক্ষণে চার টুকরো আম মুখে পুরে দিয়ে বলল, "মামা, হাড়িভাঙ্গা হোক আর কলসিভাঙ্গা হোক, আমটা কিন্তু হেব্বি মিষ্টি!"
বাটু মামা পল্টুর দিকে চোখ রাঙিয়ে বললেন, "তুই আমের কী বুঝিস রে হাঁদা? আম খাওয়া একটা আর্ট। আমের জাত না চিনে খাওয়া মানে সাহিত্যের রস না বুঝে বইয়ের পাতা চিবানো!"

ঠিক এই জ্ঞানগর্ভ আলোচনার মাঝখানে কাজের মেয়ে জরিনা ড্রয়িংরুমে ঢুকল। তার হাতে একটা বালতি আর প্লাস্টিকের প্যাকেট।
সে মাজেদা বেগমের দিকে তাকিয়ে বলল, "খালাম্মা, বাথরুমের কমোড তো জ্যাম হয়া গেছে। পানি নামতাছে না। আমি পাম্পার দিয়া গুতা দিতেই এইডি উইঠা আইল।"
জরিনা বালতি থেকে প্লাস্টিকের প্যাকেটের ওপর যা রাখল, তা দেখে রনি আর টুনির কলিজা শুকিয়ে গেল। সেখানে জ্বলজ্বল করছে একটা বিশাল আমের আঁটি আর কিছু সবুজ-হলদে খোসা!

পুরো ড্রয়িংরুমে পিনপতন নীরবতা।
বাটু মামা চশমাটা নাকের ডগায় নামিয়ে আঁটিটার দিকে তাকালেন। তারপর হঠাৎ সোজা হয়ে বসে বললেন, "উঁহু! আমি যা ভেবেছিলাম তা নয়। এই আঁটির গড়ন আর খোসার ভেতরের আশের বিন্যাস দেখে আমি শতভাগ নিশ্চিত—এটিই ছিল আসল ল্যাংড়া আম! লতিফ, তুমি ল্যাংড়াই এনেছিলে। কিন্তু আফসোস, আসল জিনিসটা তো কমোডে চলে গেছে!"

মাজেদা বেগম জ্বলন্ত দৃষ্টিতে রনি আর টুনির দিকে তাকালেন। রনি আমতা-আমতা করে বলল, "আম্মু, আসলে কাল রাতে আমটার গায়ে একটা কালো দাগ দেখছিলাম... ভাবলাম নষ্ট হয়ে যাবে, তাই..."
লতিফ সাহেব মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়লেন। তিনি বুঝলেন না—আমের জাত চিনতে না পারার আফসোস করবেন, নাকি বাথরুমের প্লাম্বার ডাকার খরচ নিয়ে চিন্তা করবেন!

আর বাটু মামা? তিনি প্লেটের শেষ টুকরো আমটা মুখে পুরে দিয়ে বললেন, "যা-ই বলো লতিফ, কমোডের ল্যাংড়াটার সাইজ কিন্তু এই হাড়িভাঙ্গার চেয়ে ঢের ভালো ছিল!"

-চব্বিশ || পাঁচ || ছাব্বিশ, সকাল সাড়ে ছ'টা-

অনুভূতি - Emotion

যেভাবে নর্তকীর নাম থেকে এলো জনপ্রিয় আমের নামআমকে বলা হয় ফলের রাজা। স্বাদ, ঘ্রাণ আর পুষ্টিগুণ—সব মিলিয়ে গ্রীষ্মের সবচেয়ে ...
24/05/2026

যেভাবে নর্তকীর নাম থেকে এলো জনপ্রিয় আমের নাম

আমকে বলা হয় ফলের রাজা। স্বাদ, ঘ্রাণ আর পুষ্টিগুণ—
সব মিলিয়ে গ্রীষ্মের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফলগুলোর একটি এটি। দেশের বাজারে নানা জাতের আমের ভিড়ে বিশেষভাবে পরিচিত আম্রপালি। ছোট আকার, গাঢ় মিষ্টি স্বাদ আর দীর্ঘসময় সংরক্ষণ করা যায় বলেই এই আমের চাহিদা বেশ বেশি।

তবে শুধু স্বাদ নয়, আম্রপালি নামটির পেছনেও রয়েছে ইতিহাস ও রোমাঞ্চে ভরা এক গল্প। কৃষিবিদ ও ইতিহাসবিদদের মতে, প্রাচীন ভারতের বিখ্যাত এক নর্তকীর নাম থেকেই এসেছে এই আমের নাম।

ইতিহাসবিদদের মতে, প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে প্রাচীন ভারতে বৈশালি নামে একটি সমৃদ্ধ নগর ছিল। সেই নগরের এক রাজউদ্যানে আমগাছের নিচে এক শিশুকন্যাকে কুড়িয়ে পাওয়া যায়। পরে উদ্যানের রক্ষকই শিশুটিকে লালন-পালনের দায়িত্ব নেন। আম্রতলায় পাওয়া বলেই তার নাম রাখা হয় ‘আম্বপালি’ বা ‘আম্রপালি’।

বড় হওয়ার পর আম্রপালি হয়ে ওঠেন সেই সময়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও রূপসী নর্তকী। তার সৌন্দর্য ও নৃত্যগুণ নিয়ে চারদিকে খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে তাকে বৈশালির ‘নগরবধূ’ হিসেবেও ঘোষণা করা হয়। পরে জীবনের শেষ সময়ে তিনি গৌতম বুদ্ধের অনুসারী হন বলে ইতিহাসে উল্লেখ রয়েছে।

এই ঐতিহাসিক চরিত্রের নাম থেকেই ১৯৭৮ সালে ভারতের কৃষি গবেষকরা নতুন এক জাতের আমের নাম রাখেন ‘আম্রপালি’। গবেষকেরা ‘দশেহরি’ ও ‘নীলাম’ জাতের আমের সংকরায়নের মাধ্যমে এই জাত উদ্ভাবন করেন।

আম্রপালি আম সাধারণত ছোট থেকে মাঝারি আকারের হয়। এর খোসা মসৃণ এবং পাকার পর হলুদাভ-সবুজ রং ধারণ করে। শাঁস গাঢ় কমলা, আঁশ কম এবং স্বাদ অনেক বেশি মিষ্টি। এছাড়া এই আম তুলনামূলক দীর্ঘসময় সংরক্ষণ করা যায়। সাধারণত জুনের শেষভাগ থেকে বাজারে ভালো মানের পাকা আম্রপালি পাওয়া যায়।

অনুভূতি - Emotion

17/05/2026

❤️

Address

Naogaon
6500

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অনুভূতি - Emotion posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to অনুভূতি - Emotion:

Shortcuts

Share