Arisha Mahzabin

Arisha Mahzabin Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Arisha Mahzabin, Art, Mymensingh.

15/07/2026

অধ্যায় ৫: বন্ধ দরজার ভেতরে
ধাম!
দরজাটা এমন জোরে বন্ধ হলো যে পুরো ঘর কেঁপে উঠল।
উর্মি ভয়ে কাঁদতে শুরু করল।
— "দরজা খোল! কেউ আছে?"
কোনো উত্তর নেই।
শুধু...
টপ... টপ... টপ...
মনে হচ্ছে ছাদের কোথাও থেকে পানি পড়ছে।
তিথি টর্চের আলো ছাদের দিকে ফেলতেই সবার বুক কেঁপে উঠল।
পানি নয়...
কালো রঙের এক ধরনের তরল ধীরে ধীরে ছাদ বেয়ে নিচে নেমে আসছে।
মর্ম ফিসফিস করে বলল,
— "এখান থেকে বের হতে হবে... এখনই।"
ঠিক তখনই ঘরের এক কোণ থেকে একটি মেয়ের হাসি শোনা গেল।
হি... হি... হি...
টর্চের আলো ফেলতেই দেখা গেল—
কেউ নেই।
কিন্তু দেয়ালে নতুন করে একটা লেখা ফুটে উঠেছে।
"তারতিলা জেগে উঠেছে।"
সাতজন একে অপরের দিকে তাকাল।
প্রথমবারের মতো তারা এই নামটা দেখল।
তারতিলা।

15/07/2026

অধ্যায় ৪: নিষিদ্ধ কক্ষ
রাত ১১:৫৮।
সাত বন্ধু চুপিচুপি হোস্টেল থেকে বের হলো।
চারদিকে নিস্তব্ধতা।
শুধু বাতাসে শুকনো পাতার শব্দ।
লাইব্রেরির পেছনে পৌঁছে তারা দেখল একটি পুরোনো দরজা।
দরজার নম্বর—
২১৩
আরিশা কাঁপা হাতে চাবিটা ঘোরাল।
ক্লিক...
দরজা খুলে গেল।
ভেতরে ঘন ধুলো।
দেয়ালে ঝুলছে পুরোনো ছাত্রছাত্রীদের ছবি।
হঠাৎ তিথি টর্চের আলো ফেলতেই সবাই থমকে গেল।
একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে...
প্রায় বিশ বছর আগের সাতজন ছাত্রছাত্রী।
তাদের মুখ...
হুবহু আরিশা, তাইয়িবা, জান্নাত, নাশা, উর্মি, তিথি আর মর্মের মতো।
এ যেন তাদেরই ছবি!
কিন্তু ছবির নিচে লেখা সাল—
২০০৬
আরও ভয়ংকর বিষয়...
সাতজনের ছবির মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে আরেকটি মেয়ে।
তার মুখে সেই একই অস্বাভাবিক হাসি...
যে হাসি আরিশা জানালার বাইরে দেখেছিল।
ঠিক তখনই ঘরের দরজাটি নিজে থেকেই...
ধাম!
বন্ধ হয়ে গেল।
অন্ধকারের ভেতর থেকে একটি মেয়ের কণ্ঠ ভেসে এল—
"এবার তোমরাও আমার গল্পের অংশ..."
(চলবে...) 👁️📖

15/07/2026

অধ্যায় ৩: ২১৩ নম্বর ঘর
পরদিন সকাল।
সবকিছু যেন স্বাভাবিক।
ক্লাসে নতুন বন্ধু, নতুন বই, নতুন শিক্ষক।
কিন্তু রাতের ঘটনাটা কেউ ভুলতে পারল না।
টিফিনের সময় ঐশী আপু তাদের কাছে এলেন।
মুখে হালকা হাসি।
তিনি ফিসফিস করে বললেন,
— "তোমরা কি গত রাতে জানালার বাইরে কাউকে দেখেছিলে?"
সাতজন একসঙ্গে চমকে উঠল।
— "আপু, আপনি জানলেন কীভাবে?"
ঐশী আপু একটু থেমে বললেন,
— "কারণ... তিন বছর আগে আমিও তাকে দেখেছিলাম।"
তারপর তিনি পকেট থেকে একটি ছোট চাবি বের করলেন।
চাবির গায়ে লেখা—
২১৩
— "আজ রাত বারোটায় লাইব্রেরির পেছনে এসো। সত্য জানতে চাইলে এই চাবিটা লাগবে।"
এ কথা বলেই তিনি চলে গেলেন।
দূর থেকে শরিফুল স্যার সবকিছু দেখছিলেন।
তার চোখে স্পষ্ট উদ্বেগ।

14/07/2026

অধ্যায় ২: জানালার ওপাশে
আরিশা একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল।
জানালার ওপাশে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটি ধীরে ধীরে হাত তুলল।
তারপর কাঁচে তিনবার আঙুল ঠুকল।
টক... টক... টক...
রুমের ভেতর হঠাৎ বরফের মতো ঠান্ডা হয়ে গেল।
তাইয়িবা কাঁপা গলায় বলল, — "আরিশা... ওদিকে তাকিয়ে আছিস কেন?"
আরিশা কিছু বলল না। শুধু জানালার দিকে আঙুল তুলে দেখাল।
সবাই একসঙ্গে তাকাল।
কিন্তু...
সেখানে কেউ নেই।
শুধু কাঁচের ওপর কুয়াশার মধ্যে একটি বাক্য লেখা—
"আমি ফিরে এসেছি।"
উর্মি ভয়ে চিৎকার করে উঠল।
ঠিক তখনই গণি মামা দৌড়ে এসে দরজা খুললেন।
তিনি কাঁচের লেখা দেখেই ফ্যাকাসে হয়ে গেলেন।
এক মুহূর্তও নষ্ট না করে নিজের গামছা দিয়ে লেখাটা মুছে ফেললেন।
তারপর নিচু গলায় বললেন,
— "আজ যা দেখেছ, কাউকে বলবে না। বিশেষ করে... তার নাম মুখে আনবে না।"
আরিশা জিজ্ঞেস করল,
— "কার নাম?"
গণি মামা উত্তর দিলেন না।
তিনি শুধু দরজা বন্ধ করে চলে গেলেন।

(চলবে...) 👁️🕯️

14/07/2026

📖 উপন্যাস: দ্য হন্টেড স্কুল

ধরন: Horror • Mystery • Thriller
মোট অধ্যায়: ৪০
এবার প্রস্তুত হও... কারণ প্রথম রাত থেকেই অদ্ভুত সব ঘটনা শুরু হবে। 👁️🕯️

অধ্যায় ১: আগমন
বিকেল প্রায় পাঁচটা।
আকাশজুড়ে কালো মেঘ। বাতাসে এমন এক ঠান্ডা ভাব, যেন বৃষ্টি নামার আগেই পুরো পৃথিবী নিঃশ্বাস আটকে রেখেছে।
দীর্ঘ পথ পেরিয়ে একটি সাদা মাইক্রোবাস এসে থামল আফরোজ খান মডেল স্কুল-এর বিশাল লোহার গেটের সামনে।
গেটের ওপরে মরিচা ধরা লোহার অক্ষরে লেখা—
"জ্ঞানই শক্তি।"
কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো, নিচে কেউ যেন ধারালো কিছু দিয়ে খুব কষ্ট করে আরেকটি বাক্য খোদাই করেছিল—
"রাতের পর এই জায়গা আর আগের মতো থাকে না..."
লেখাটার ওপর নতুন রঙ করা হয়েছে। তবু কাছ থেকে তাকালে স্পষ্ট বোঝা যায়।
গাড়ি থেকে প্রথমে নামল আরিশা।
তারপর তাইয়িবা, জান্নাত, নাশা, উর্মি, তিথি আর মর্ম।
সাতজনই এবার প্রথমবারের মতো এই বোর্ডিং স্কুলে ভর্তি হয়েছে।
তাদের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন একজন লম্বা, গম্ভীর মানুষ।
— "আমি কামরুল স্যার। তোমাদের নতুন শিক্ষক।"
স্যারের কণ্ঠ শান্ত, কিন্তু চোখে যেন অদ্ভুত ক্লান্তি।
তিনি সবাইকে নিয়ে ভেতরে হাঁটতে শুরু করলেন।
স্কুলটা যেন একটা ছোট দুর্গ।
তিনতলা বিশাল ভবন।
পাশেই পুরোনো লাইব্রেরি।
আর একটু দূরে...
একটি ভাঙা ভবন।
ভবনটি চারদিকে লাল ফিতা দিয়ে ঘেরা।
উর্মি কৌতূহল নিয়ে জিজ্ঞেস করল,
— "স্যার, ওটা বন্ধ কেন?"
কামরুল স্যার একবারও পেছনে না তাকিয়ে বললেন,
— "ওদিকটায় কেউ যাবে না।"
শুধু এইটুকুই।
আর কিছু নয়।
হোস্টেলে পৌঁছে তাদের স্বাগত জানালেন গণি মামা।
বয়স প্রায় সত্তরের কাছাকাছি।
সাদা দাড়ি।
হাতে পুরোনো এক ঝাঁকড়া লণ্ঠন।
তিনি একে একে সবার মুখের দিকে তাকালেন।
তারপর হঠাৎ আরিশার দিকে একটু বেশি সময় তাকিয়ে রইলেন।
মৃদু কাঁপা গলায় বললেন,
— "তোমার চোখ... ঠিক একই রকম..."
আরিশা অবাক।
— "কার মতো?"
গণি মামা কোনো উত্তর দিলেন না।
শুধু দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।
রাতে ডাইনিং হলে পরিচয় হলো আজিজ স্যার আর শরিফুল স্যারের সঙ্গে।
আজিজ স্যার সব সময় হেসে কথা বলেন।
শরিফুল স্যার খুব কম কথা বলেন।
তবে সবাই খেয়াল করল—
রাত ঠিক ৯টা বাজতেই তিনজন স্যার একই সঙ্গে ঘড়ির দিকে তাকালেন।
তারপর একে অপরের দিকে।
মনে হলো, তারা যেন কোনো কিছুর জন্য অপেক্ষা করছেন।
রাত ১০টা।
হোস্টেলের সব আলো নিভে গেল।
সাতজন একই রুমে বসে গল্প করছে।
হঠাৎ...
ঠক...
দরজায় শব্দ।
তিথি দরজা খুলল।
বাইরে কেউ নেই।
শুধু মেঝেতে পড়ে আছে একটি পুরোনো খাম।
খামের ওপর কালো কালি দিয়ে লেখা—
"নতুনরা... ১২টার আগে ঘুমিয়ে পড়ো। জানালার বাইরে কেউ ডাকলে তাকিয়ো না।"
জান্নাত হেসে বলল,
— "কেউ মজা করছে।"
ঠিক তখনই...
দূরে কোথাও একটি ঘণ্টা বেজে উঠল।
ঢং...
ঢং...
ঢং...
গণি মামা করিডোর দিয়ে দৌড়ে যেতে যেতে চিৎকার করলেন—
"সবাই জানালা বন্ধ করো! এখনই!"
কিন্তু...
আরিশা তখনই লক্ষ্য করল—
তাদের রুমের জানালার বাইরে...
অন্ধকারে...
একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
তার লম্বা চুল মুখ ঢেকে রেখেছে।
সে একটুও নড়ছে না।
ধীরে ধীরে...
সে তার মাথা তুলল।
আর ঠোঁটে ফুটে উঠল একটি অস্বাভাবিক হাসি।
(চলবে...) 👁️🕯️

Address

Mymensingh

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arisha Mahzabin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category