R-FUN

R-FUN � হাসির ডোজ এখানেই!
� Funny Videos | � Fun Talks
Follow for daily fun �

দুঃখপৃথিবীতে দুঃখই হয়তো একমাত্র অনুভূতি, যা মানুষ তার জীবনের সবচেয়ে বেশি সময় ধরে অনুভব করে। অন্য কোনো অনুভূতি এত গভীরভাব...
15/05/2026

দুঃখ
পৃথিবীতে দুঃখই হয়তো একমাত্র অনুভূতি, যা মানুষ তার জীবনের সবচেয়ে বেশি সময় ধরে অনুভব করে। অন্য কোনো অনুভূতি এত গভীরভাবে, এত দীর্ঘ সময় ধরে মানুষকে স্পর্শ করতে পারে না যতটা দুঃখ পারে।
কিন্তু আমরা দুঃখ পাই কেন?
আসলে মানুষ নিজে নিজে খুব কমই দুঃখ অনুভব করে—কেউ না কেউ তাকে সেই দুঃখ অনুভব করায়। আর সেই মাধ্যমেরও অভাব নেই। পৃথিবীতে কষ্ট পাওয়ার বিলিয়ন বিলিয়ন কারণ আছে, তবে অধিকাংশ কারণই জড়িয়ে থাকে অন্য কোনো মানুষের সঙ্গে।
কেউ আমাদের ছেড়ে চলে যায় বলে আমরা কষ্ট পাই।
কারও শূন্যতা আমাদের ভেতরটা ভেঙে দেয়।
কারও কটু কথা, খারাপ ব্যবহার কিংবা অকারণ সমালোচনা আমাদের হৃদয়ে আঘাত করে।
কিন্তু একবার ভেবে দেখেছেন?
যে মানুষটা আপনাকে অপমান করলো, খারাপ ব্যবহার করলো কিংবা আপনার নামে মিথ্যা সমালোচনা করলো—যার কারণে আপনি কষ্ট পেলেন, সে কি আদৌ আপনার মতো কষ্টে আছে?
হয়তো না।
হয়তো সে অন্য কোনো বিষয়ে ব্যস্ত, নতুন মানুষের সঙ্গে গল্পে-আড্ডায় মেতে আছে। অথচ আপনি এখনও সেই অপমান, সেই কষ্ট ভুলতে পারছেন না।
কেউ ভালোবাসার সুন্দর বিশ্বাস আপনার মনে গড়ে তোলে, তারপর একসময় হাত ছেড়ে চলে যায়।
তার শূন্যতায় আপনি প্রতিটি মুহূর্তে ধুঁকে ধুঁকে কষ্ট পান, অথচ সে হয়তো দিনে একবারও আপনার কথা ভাবে না। ভাবলেও খোঁজ নেওয়ার প্রয়োজন অনুভব করে না।
যে মানুষটার জন্য আপনি রাত জেগে কষ্ট পাচ্ছেন, বারবার ভাবছেন—
“আমার যেমন কষ্ট হয়, তারও কি তেমন কষ্ট হয় না?”
হয়তো না।
হয়তো সে সব ভুলে গেছে।
সে এখন তার নতুন জীবন, নতুন মানুষ, পরিবার কিংবা ব্যস্ততায় আনন্দে আছে। আপনার কষ্ট অনুভব করার সময় হয়তো তার নেই।
আমি শুরুতেই বলেছি, জীবনে কষ্ট পাওয়ার অসংখ্য কারণ আছে।
কিন্তু জীবনের এই পর্যায়ে এসে আমার মনে হয়—আমরা যেসব কারণে কষ্ট পাই, সেগুলোর অনেকগুলোরই আসলে তেমন কোনো মূল্য নেই।
একবার কষ্ট পাওয়ার কারণগুলোকে ইগনোর করতে শিখুন। দেখবেন, সময়ের সঙ্গে সেগুলো আর আপনাকে ভেতর থেকে ভাঙতে পারবে না।
ভুলে যান সেই সব দুঃখ, যেগুলোর কোনো অর্থ নেই।
কারণ এখন আপনি বুঝতে শিখেছেন—কোনটা আপনার জন্য ভালো, আর কোনটা নয়।
So, forget your fake pain and chill your life...
জীবনটা সত্যিই রূপকথার গল্পের মতো সুন্দর।
যেখানে মেয়েদের জীবনে একদিন রাজকুমার আসে,
আর ছেলেদের জীবনে ম্যাজিকাল ছড়ি হাতে কোনো পরী।
তাই জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করুন।
হাসুন, বাঁচুন, ভালো থাকুন।
Because life is truly wonderful.
Dear,friends and followers 😁👍
কলমে:-Rifat

রাতটা ছিল নরম অন্ধকারে মোড়া। রাস্তার লাইটগুলো কুয়াশার ভেতর ছোট ছোট চাঁদের মতো জ্বলছিল। শহরের ব্যস্ততা একটু থেমে গেছে, ...
16/02/2026

রাতটা ছিল নরম অন্ধকারে মোড়া। রাস্তার লাইটগুলো কুয়াশার ভেতর ছোট ছোট চাঁদের মতো জ্বলছিল। শহরের ব্যস্ততা একটু থেমে গেছে, কিন্তু বাতাসে ছিল অদ্ভুত এক শান্তি।
সে বাইক থামিয়েছিল হালকা ব্রেকে—হেডলাইটের সাদা আলো সামনে গিয়ে পড়ল। আর ঠিক সেই আলোর ভেতর দাঁড়িয়ে ছিল হলুদ শাড়ি পরা এক মেয়ে। যেন রাতের বুক চিরে হঠাৎ ফুটে ওঠা কদমফুল।
মেয়েটা রাস্তা পার হচ্ছিল ধীরে, তার শাড়ির আঁচল বাতাসে একটু দুলে উঠছিল। ছেলেটা হেলমেটের ভেতর থেকে তাকিয়ে রইল—মুহূর্তটা অদ্ভুতভাবে থেমে গেল। শহরের সব শব্দ যেন মিলিয়ে গেল, শুধু রইল তাদের মাঝখানে ছড়িয়ে থাকা আলো আর নীরবতা।
মেয়েটা একবার তাকাল। চোখে ভয় ছিল না, ছিল একটুখানি লাজুক বিস্ময়। ছেলেটা মাথা নুইয়ে হালকা ইশারা করল—“আপনি আগে যান।”
মেয়েটা মৃদু হাসল। সেই হাসি ছিল এতটাই সহজ, যেন বহুদিনের চেনা।
রাস্তা পার হয়ে সে একবার ফিরে তাকাল। বাইকের আলো তখনও তাকে অনুসরণ করছে। ছেলেটার মনে হলো, এই শহরের হাজার মানুষের ভিড়েও কিছু মুহূর্ত শুধু দু’জন মানুষের জন্যই তৈরি হয়।
সেদিন কথা হয়নি। নাম জানা হয়নি।
কিন্তু সেই হলুদ শাড়ির আলো আর বাইকের সাদা হেডলাইট—দুটো মিলে রাতটাকে ভালোবাসার রঙে রাঙিয়ে দিয়েছিল।
কখনো কখনো ভালোবাসা শুরু হয় না কথায়—
শুরু হয় একটুখানি থেমে যাওয়ায়। ✨💛

সবাইকে বসন্তের শুভেচ্ছা 🧡🧡

13/02/2026
University-এর ক্যাম্পাসগুলোতে সবাই যে mature মানুষ থাকে, বিষয়টা এমন না। কেউ কেউ নিজের বাচ্চামিটা ছাড়তে পারে না। এটা দোষে...
10/02/2026

University-এর ক্যাম্পাসগুলোতে সবাই যে mature মানুষ থাকে, বিষয়টা এমন না। কেউ কেউ নিজের বাচ্চামিটা ছাড়তে পারে না। এটা দোষের কিছু না।
তেমনি এক চরিত্র হলো আমাদের ক্যাম্পাসের অয়না। মেয়েটাকে আমি চিনি আমার বন্ধু রাজুর মাধ্যমে। মেয়েটা আর রাজু একই ডিপার্টমেন্টের। প্রায়ই তার মুখে এই নামটা শুনতাম। বলতো, “মেয়েটার মধ্যে এখনো maturity আসে নাই।”
কে জানতো, পরবর্তী সময়ে এই immature মেয়েটার বাচ্চামি স্বভাবটাই আমার বন্ধুকে মুগ্ধ করে তার প্রেমে ফেলে দেবে! কথাটা শুনে আমি নিজেও অনেক আশ্চর্য হয়েছিলাম। রাজুর মতো একটা ছেলে—যে কিনা মেয়েদের একটা ঝামেলা ছাড়া আর কিছু মনে করতো না—সে কিনা অয়নার মতো এক মেয়েকে ভালোবেসে ফেলেছে, আবার সেটা আমাকে বলছে!
ধুলাবালি আর দূষণের শহরে তাদের ভালোবাসা ছিল একদম সুন্দরবনের মধুর মতো খাঁটি।
একজন অপরজনের প্রতি ছিল ভালোবাসা, সম্মান এবং বিশ্বস্ততা।
কিন্তু বাস্তবতা তাদের এই খাঁটি ভালোবাসার পূর্ণতা দেয়নি।
সে সময় ডিসেম্বরের কনকনে ঠান্ডা, কুয়াশায় ঢেকে থাকা চারদিক। শীতকালীন ছুটিতে সবাই নিজ নিজ বাড়িতে শীত উপভোগ করছে। রাজু আর অয়নাও নিজ নিজ বাড়িতে।
এরই মধ্যে রাজুর কাছে সুযোগ এলো ইউরোপের দেশ লুক্সেমবার্গে যাওয়ার। বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেদের জন্য নিজের পরিবারকে সচ্ছলতা দেওয়া এবং পছন্দের মানুষকে নিজের করে পাওয়ার থেকে ভালো সুযোগ আর কী-ই বা হতে পারে!
রাজু রাজি হয়ে গেল। মাত্র দু’মাসের মধ্যেই সব কাগজপত্র ঠিক করে ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে রাজু চলে গেল স্বপ্নের ইউরোপে।
আমরা বন্ধু মহল রাজুকে ছাড়তে এয়ারপোর্টে গিয়েছিলাম। সঙ্গে অয়নাও ছিল। সবসময় বাচ্চামি স্বভাবের মেয়েটা আজ কেমন যেন বদলে গেছে—কত শান্ত আর সুন্দর লাগছিল তাকে। কিন্তু চোখে মনে হচ্ছিল মেঘ জমেছে, কিছুক্ষণ পরেই বৃষ্টি নামবে।
রাজু আমাদেরসহ অয়নাকে তার পরিবারের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিল। সবাই বিষয়টা সুন্দরভাবেই নিল। হাসিমুখে রাজুকে বিদায় দিয়ে আমরা ফিরে এলাম। অয়না আমাদের সাথেই ছিল। তাকে হলে এগিয়ে দিয়ে আমরা যে যার মতো রুমে ফিরে গেলাম।
ভালোই সময় কাটছিল সবার। রাজুও চাকরিটা সুন্দরভাবে করছিল। বাড়িতে টাকা পাঠাচ্ছিল। অয়নার জন্যও বিভিন্ন সময়ে ইউরোপ থেকে উপহার এসে হলের দরজায় কড়া নাড়তো। ভৌগোলিক দূরত্ব বাড়লেও তাদের মধ্যে কোনো দূরত্ব বাড়েনি।
কিন্তু এই সুখ বেশি দিন স্থায়ী হলো না।
একদিন সকালে রাজুর ফোন বন্ধ দেখাচ্ছে। Facebook, WhatsApp, LinkedIn—কোথাও তাকে পাওয়া যাচ্ছে না।
শুরুতে বিষয়টা কেউ গুরুত্ব দেয়নি। ভেবেছিলাম, হয়তো নেটওয়ার্ক সমস্যা, হয়তো কাজের চাপ। বিদেশের মাটিতে নতুন জীবন, নতুন দায়িত্ব—সব মিলিয়ে ব্যস্ত থাকতেই পারে।
কিন্তু একদিন… দুইদিন… তিনদিন…
রাজু যেন হঠাৎ করে পৃথিবী থেকে মুছে গেল।
অয়নার চোখের নিচে কালি জমতে শুরু করলো। হলের বারান্দায় দাঁড়িয়ে সে প্রতিদিন সন্ধ্যায় আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতো। যেন লুক্সেমবার্গের আকাশ আর ঢাকার আকাশের মধ্যে কোনো অদৃশ্য সেতু আছে—যেখান দিয়ে রাজুর খবর ভেসে আসবে।
আগে যে মেয়েটা ক্লাসে ঢুকে সবার সাথে হেসে উঠতো, আজ সে চুপচাপ। বাচ্চামি নেই, অযথা হাসি নেই। বাস্তবতা খুব নির্মমভাবে মানুষকে বড় করে দেয়—সময়ের আগেই।
আমরা বন্ধুরা এবং তার পরিবার চেষ্টা করলাম বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করতে। অফিসে ইমেইল, দূতাবাসে খোঁজ—কোথাও কোনো উত্তর নেই।
এক রাতে অয়না আমাকে বলেছিল,
“তুমি জানো, ও বলেছিল ফিরে এসে আমাকে ইউরোপের তুষার দেখাবে। এখন মনে হয় তুষারের নিচেই কোথাও চাপা পড়ে গেছে।”
কথাটা বলেই মেয়েটা হেসেছিল।
কিন্তু সেই হাসির ভেতরে যে কান্না ছিল—তা শুধু কাছ থেকে দেখলে বোঝা যায়।
ভালোবাসা সবসময় পরিণতির গল্প না।
কিছু ভালোবাসা কেবল অপেক্ষা হয়ে থাকে।
ধুলাবালি আর দূষণের শহরে যে ভালোবাসা সুন্দরবনের মধুর মতো খাঁটি ছিল—
বাস্তবতার শীতল বাতাসে তা জমে গেলেও, তার স্বাদ কিন্তু বদলায়নি।
আজও ক্যাম্পাসে কেউ কেউ বলে,
“অয়না এখন অনেক mature।”
কিন্তু আমরা যারা জানি, তারা বুঝি—
ওর বাচ্চামিটা হারিয়ে যায়নি।
ওটা শুধু অপেক্ষা করতে শিখেছে।
কলমে :-R.Rifat

10/02/2026

এই ভিডিও টা শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য কোন রাজনৈতিক সহিংসতার জন্য না।।

গালিব পড়তে গিয়ে আমি বুঝেছি—মানুষের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি কষ্ট নয়,বরং সেই কষ্ট লুকিয়ে বাঁচার চেষ্টা।তিনি দেখিয়েছেন,সব ইচ্ছ...
04/02/2026

গালিব পড়তে গিয়ে আমি বুঝেছি—
মানুষের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি কষ্ট নয়,
বরং সেই কষ্ট লুকিয়ে বাঁচার চেষ্টা।
তিনি দেখিয়েছেন,
সব ইচ্ছা পূরণ হলে জীবন ফুরিয়ে যায়,
আর অপূর্ণ ইচ্ছাগুলোই মানুষকে গভীর করে তোলে।
হাজার ইচ্ছা জন্মায় মনে,
কিছু পূরণ হয়,
বাকিগুলো বুকের ভেতর নীরবে কবিতা হয়ে থাকে।
গালিবের কাছে প্রেম মানে পাওয়া না,
প্রেম মানে বারবার হারিয়েও বিশ্বাস রাখা।
যাকে ভালোবাসা যায়,
তাকে না পাওয়ার সাহসটাই আসল ভালোবাসা।
এই বই আমাকে শিখিয়েছে—
একাকিত্ব শাস্তি নয়,
একাকিত্ব নিজের ভাঙা মুখোমুখি দাঁড়ানোর জায়গা।
সেখানে মানুষ প্রশ্ন করে, ঈশ্বরকে, প্রেমকে, নিজেকেই।
গালিব প্রশ্ন করেছেন বলেই বিশ্বাস করেছেন,
ভেঙেছেন বলেই বেঁচে ছিলেন।
আর সেই কারণেই
এত বছর পরেও তাঁর কষ্টগুলো
আমাদের নিজের কষ্টের মতো লাগে।

প্রেমিকার পছন্দের ফুল...আমার বন্ধু রাফি। অল্প কিছুদিন হলো তার প্রেমিকার বিয়ে হয়েছে ক্ষমতাশীল রাজনৈতিক দলের এক তরুণ নেতার...
04/02/2026

প্রেমিকার পছন্দের ফুল...
আমার বন্ধু রাফি। অল্প কিছুদিন হলো তার প্রেমিকার বিয়ে হয়েছে ক্ষমতাশীল রাজনৈতিক দলের এক তরুণ নেতার সঙ্গে। এই কষ্টটা ছেলেটা এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি।
এখনো মাঝে মাঝে চায়ের আড্ডায় মেয়েটার কথা বলে ওঠে।
মেয়েটার সঙ্গে তার দেখা হয়েছিল গত বছরের বইমেলায়। মেয়েটা ইডেন কলেজে পড়ে। দু’জনের কোনো কিছুই মিল ছিল না—শুধু বইয়ের প্রতি ভালোবাসা ছাড়া। দু’জনেই হুমায়ুন আহমেদের ভক্ত।
আজ হঠাৎ করেই রাফি বলছিল, ওর ফুল খুব পছন্দের ছিল। আমি যখনই দেখা করতে যেতাম, হাতে করে তার পছন্দের ফুলগুলো নিয়ে যেতাম। যদিও তার নির্দিষ্ট কোনো পছন্দের ফুল ছিল না। হাদি চত্বর মোড়ে যত ফুলের দোকান ছিল, সবই তার পছন্দের ছিল।
আমার হাতে ফুল দেখলে মেয়েটার চোখে এক অদ্ভুত আনন্দ দেখা যেত।
আমি মনে করতাম, এই যুগের মেয়েরা সাধারণত দামী দামী গিফট চায়—সেখানে এই মেয়ে ফুল পেলেই খুশি হয়ে যেত।
আমার কাছ থেকে ফুল পেয়ে তখন আর তাকে হাতের কাছে পাওয়া যেত না। ফুল নিয়ে এদিক-সেদিক ছুটাছুটি করত। মাথায় গুজবে ছবি তুলবে।
আবার সঙ্গে করে হলে নিয়ে যেত ফুলগুলো।
আমাকে ভিডিও কলে দেখাত—আমার দেওয়া সব ফুল সে কত সুন্দর করে হুমায়ুন আহমেদ স্যারের বৃষ্টি বিলাস বইয়ের ভেতরে সাজিয়ে রেখেছে।
শেষবার যখন তার সঙ্গে দেখা করতে যাই, তখনও আমি ফুল নিয়ে গিয়েছিলাম। এবার আমার হাতে ফুল দেখে তার চোখ যেন শীতল হয়ে গিয়েছিল। চোখের কোণে পানিও দেখা যাচ্ছিল।
আমরা দু’জনেই জানতাম—ফুল হাতে তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা হয়তো এটাই আমাদের শেষ দেখা।
আর হয়তো কখনো ফুল হাতে তার জন্য অপেক্ষা করা হবে না।
হয়তো তার সঙ্গে আমার আর কখনো দেখাও হবে না।
কিন্তু এই শহরের ফুলগুলো হয়তো জানবে—আমার একজন ফুলপ্রেমী প্রেমিকা ছিল।
কলমে :-R.RIFAT

03/02/2026

পা ধরিনাই বলে আমি অফিসার হতে পারলাম না 🤦


02/02/2026

Today, Titumir College campus
Song covered :Rahul vai
❤️🌸

চায়ের কাপটা ধোঁয়া ছড়াচ্ছিল, কিন্তু আমাদের আড্ডাটা আজ অদ্ভুত ঠান্ডা। দোকানের কোণায় বসে আছি আমি আর রাফি। চারপাশে মানুষজন হ...
31/01/2026

চায়ের কাপটা ধোঁয়া ছড়াচ্ছিল, কিন্তু আমাদের আড্ডাটা আজ অদ্ভুত ঠান্ডা। দোকানের কোণায় বসে আছি আমি আর রাফি। চারপাশে মানুষজন হাসছে, রাজনীতি নিয়ে তর্ক করছে, কেউ মোবাইলে রিল দেখছে—কিন্তু রাফির মাথার ভেতর শুধু একটাই শব্দ ঘুরতেছিল, “বিয়ে”।
আমি চা নেড়ে বললাম,
— “তোর মুখ এমন কেন? প্রেমিকা পালাইছে নাকি?”
রাফি হেসে বললো, সেই হাসিতে কষ্ট ছিল বেশি। বললো,
— “পালায় নাই… কিন্তু পালাইয়া যাওয়ার ভয়টা বুকের ভিতর বাসা বানাইছে।”
আমি বুঝে ফেললাম। প্রেমে পড়া মানুষদের আলাদা একটা গন্ধ থাকে—চায়ের দোকানের ধোঁয়ার মাঝেও সেটা ধরা পড়ে।
গতরাতে ও ওর প্রেমিকা বলেছে , বাসায় বিয়ের কথা উঠছে। ওর কণ্ঠ কাঁপছিল। রাফিরও বুকও কাঁপছিল, কিন্তু সে শক্ত গলায় বলছিল,
— “সব ঠিক হয়ে যাবে।”
মিথ্যা বলেছি। কারণ জানত, আমাদের গল্পগুলো সিনেমার মতো না। এখানে নায়ক সবসময় জেতে না।
চায়ের দোকানের পাশ দিয়ে একটা নবদম্পতি হেঁটে গেল। মেয়েটার হাতে মেহেদি, ছেলেটা সাবধানে রাস্তা পার করাচ্ছে। আমি তাকিয়ে বলল,
— “দেখ, প্রেমের শেষ সিন এমনই হওয়া উচিত।”
রাফি কাপটা শক্ত করে ধরলো। মনে হলো, তার প্রেমের শেষ সিনটা হয়তো অন্য কারও সাথে লেখা হবে।
রাফি বললো,
সবচেয়ে কষ্টের ব্যাপার কী জানিস?
আমরা এখনো আলাদা হইনি। তবুও প্রতিটা দেখা শেষ দেখা মনে হয়। প্রতিটা হাসির পেছনে একটা বিদায়ের রিহার্সাল চলে। ও যখন বলে,
— “আমাকে ভুলে যাবি না তো?”
আমি মজা করে বলি,
— “তোকে ভুলতে গেলে নতুন জীবন লাগবে।”
কিন্তু ভিতরে ভিতরে ভয় পাই—জীবনটা যদি সত্যিই নতুন হয়ে যায়, আর সেখানে ও না থাকে?
চা শেষ। কাপের তলায় জমে থাকা পাতার মতো কিছু কথা জমে রইল। রাফি উঠে বললো,
— “ভাই, প্রেম করছিস তো যুদ্ধ কর। ভয় পাস না।”
আমি হেসে বললাম,
— “যুদ্ধটা বাইরের না রে… যুদ্ধটা নিজের সাথে। ধরে রাখার ইচ্ছা আর ছেড়ে দেওয়ার ভয়।”
দোকান থেকে বের হয়ে আকাশের দিকে তাকালাম। সন্ধ্যা নামতেছে। শহরের আলো জ্বলছে।
মনে হলো, প্রেম আসলে চায়ের আড্ডার মতো—গরম, মিষ্টি, আর শেষ হয়ে গেলে কাপটা খালি থাকে… কিন্তু গন্ধটা অনেকক্ষণ থেকে যায়।
কলমে-R.Rifat

Address

Mohakhali
Mohakhali
1212

Telephone

+8801857842032

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when R-FUN posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to R-FUN:

Share

Category