19/04/2026
৪০ বছর ধরে আমাদের আকাশের টাকা নিচ্ছিল ভারত ও মিয়ানমার! অবশেষে সেই লুটপাটের দিন শেষ করল বাংলাদেশ। এখন থেকে বাংলাদেশের আকাশ ব্যবহার করতে হলে গুনতে হবে ৫০০ ডলার।
শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও এটাই সত্যি! গত ৪০ বছর ধরে ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে একটি মান্ধাতা আমলের রাডার চলছিল। বঙ্গোপসাগরের বিশাল আকাশসীমা এর নজরেই আসত না। আর এই 'ব্লাইন্ড স্পট'-এর সুযোগে আমাদের আকাশ ব্যবহার করা বিদেশি ফ্লাইটের সিগন্যাল রেজিস্টার করে 'নেভিগেশন চার্জ' পকেটে ভরছিল প্রতিবেশী দেশগুলো!
কীভাবে ঘুরল এই খেলা?
★ মেগাপ্রজেক্ট: বেবিচক (CAAB) নিজস্ব তহবিলের ৭৩০ কোটি টাকা দিয়ে বসিয়েছে ফ্রান্সের অত্যাধুনিক 'থ্যালস' (Thales) রাডার। ঢাকা ও চট্টগ্রাম এখন সম্পূর্ণ নতুন CNS-ATM সিস্টেমের অধীনে।
★১ লাখ ১৮ হাজার কিমি: বঙ্গোপসাগরের ১,১৮,৮১৩ বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমা এখন আমাদের রাডারের কড়া নজরে।
★ অটোমেটিক বিলিং: আকাশে ঢুকলেই এখন অটোমেটিক বিল জেনারেট হচ্ছে! প্রতি ফ্লাইটে ন্যূনতম চার্জ ৫০০ ডলার।গুনতে হবে। আয়: বছরে ১,৫০০ কোটি টাকা থেকে এই আয় এখন লাফ দিয়ে ৩,০০০ কোটি টাকায় পৌঁছাবে!
অনুমতি ছাড়া কোনো ড্রোন বা বিমান ঢুকলেই এখন লালবাতি জ্বলবে। নিজেদের আকাশ, নিজেদের রাডার, আর নিজেদের টাকা!
গত ৪০ বছর ধরে পুরনো রাডার রেখে যারা দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা প্রতিবেশীদের পকেটে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে, তাদের কি জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত?
Summary:
For 40 years, neighboring countries exploited Bangladesh's weak radar system to pocket our overflying charges. Now, with a self-funded 730 Crore BDT investment in the French 'Thales' CNS-ATM radar, Bangladesh has secured its 118,813 sq km maritime airspace. Generating automatic $500 bills per flight, this move ends the revenue theft and aims to double our annual income to 3,000 Crore BDT while ensuring absolute sovereignty.
#নিউজ