28/09/2026
একটি ঘটনা দিয়ে শুরু করি। টাঙ্গাইলের একজন মা, যার স্বামী দশ বছর ধরে সৌদি প্রবাসী। এই ১০ বছরে মাত্র দুই বার দেশে এসেছেন। একা হাতে সংসার টেনেছেন এই মা। ছেলেকে লালন পালন করছেন, পড়াশোনা করাচ্ছেন। কিন্তু ছেলে যখন ক্লাস নাইনে উঠল, বাবার পাঠানো একটি স্মার্টফোন তার জীবন বদলে দিল। আলাদা ঘরে দরজা বন্ধ করে পর্নোগ্রাফিতে ডুবে যেতে থাকল সে। কয়েক মাসের মধ্যে সে সম্পূর্ণ বদলে গেল। তারপর যা ঘটল তা বলতে গেলে বুক কেঁপে ওঠে। ছেলে তার নিজের মাকে জোর করে শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করল। একবার দুবার নয়, অসংখ্যবার। মা তাকে বাধ্য হয়ে এই ১৭ বছর বয়সেই বিয়ে করাতে আমার সাথে যোগাযোগ করেছিলেন।
কিন্তু তার ছেলে বিয়েতে রাজি নয়।
তাকে জোর করলে ,ছেলে বলে, তুমি আছো না? আমি বিয়ে করব না।
এই মা তার এই লজ্জার কথা কাকে বলবেন? স্বামীকে? পারছেন না। নিজের মনে শান্তি পাচ্ছেন? না। পালিয়ে যাবেন? যাওয়ার পথ নেই।
এই একটিমাত্র ঘটনা নয়। আরো অনেক ঘটনা আছে যা শুনলে মাথা ঘুরে যায়।
আরেকটি ঘটনা বলি। এক আত্মহত্যা প্রবণ বোন জানিয়েছেন, তাদের বাড়ি চট্টগ্রাম। ভাই বোন একসাথে ঢাকায় থাকে পড়াশোনা করে ।একই ফ্লাটে। আর বাবা-মা চট্টগ্রামে থাকে। তার ভাই বেশ কিছুদিন ধরে তার উপর জুলুম করে আসছে। একদিন ভাইয়ের হাত থেকে বাঁচতে রাত তিনটায় বাড়ি থেকে বের হয়ে গেছেন অন্য কোথাও থাকার জন্য। কিন্তু কাউকে বলতে পারেননি। এজন্য ফিরে আসতে হয়েছে আবার এই বাসাতেই।কারণ বললে পরিবারে কলঙ্ক লাগবে, মা ভেঙে পড়বেন, সমাজে মুখ দেখাতে পারবেন না।
আরেকটি ঘটনা। মোহাম্মদপুরের এক মেয়ে জানিয়েছেন, তার নিজের বাবা তার শৈশব থেকে কৈশোর পুরোটা জুড়ে তার সাথে এই অপকর্ম করেছেন। মা জানতেন না ঠিক তা নয়, তিনি নিজেও বুঝতেন। কিন্তু তার স্বামীকে ছেড়ে যাওয়ার সাহস ছিল না। সেই মেয়ে আজ বিবাহিত, কিন্তু বুকের ভেতরে একটি পাথর চাপা দিয়ে বেঁচে আছেন।
আরো একটি ঘটনা। এক খালা জানিয়েছেন, তার বোনের ছেলে অর্থাৎ তার ভাগনে তাকে বারবার অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে ফেলে। শুরুতে মনে হয়েছিল ছেলেমানুষি। কিন্তু পরে বুঝলেন এটি ইচ্ছাকৃত। বলতে পারেননি কাউকে। কারণ বোনের ছেলে, বোনের সাথে সম্পর্ক ভাঙবে।
আপনারা জানেন আমি আত্মহত্যা প্রবণ এবং ডিপ্রেশনে আক্রান্ত মানুষদের কাউন্সিলিং এবং নির্যাতিতা ধর্ষিতা অসহায় নারীদের বিবাহের ব্যবস্থা করি। অসংখ্য মানুষ নিয়মিতই শরীয়তের বিধি-বিধান, হালাল হারাম জায়েজ নাজায়েজ জানার জন্য যোগাযোগ করেন।
এই কাজগুলোর কারণে অসংখ্য কেস আমাদের সামনে আসে ।আমরা বুঝতে পারি বর্তমান সামাজিক ব্যবস্থা কতটা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।
বর্তমান সময়ের পর্নোগ্রাফির আগ্রাসন হাজারো লাখো সংসারে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে আমরা জানিও না।
আমাদের আশেপাশে ঘুরতে থাকা সবচেয়ে ভদ্র সভ্য ছেলেটির কাছে তারা নিজের আপন মা মেয়ে বোন ভাগিনী ও নিরাপদ নয়।
এগুলো কোনো বানানো গল্প নয়। এগুলো বাস্তব। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের কোনো না কোনো ঘরে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। নীরবে। পর্দার আড়ালে। এবং সবচেয়ে ভয়ের কথা হলো, ভুক্তভোগীরা জানেনই না যে তাদের কোথায় যাওয়ার কথা, কার কাছে বলার কথা।
এই সমস্যার মূলে কী আছে?
একটু গভীরে ভাবুন। বাবা প্রবাসে, মা একা, সন্তানের হাতে স্মার্টফোন, পর্নোগ্রাফির অবাধ অ্যাক্সেস। এর সাথে যোগ হয় ঘরের মধ্যে পর্দার অভাব, পোশাকে অসতর্কতা, একসাথে ঘুমানোর দীর্ঘ অভ্যাস, আর শারীরিক সীমানার কোনো শিক্ষা না থাকা। শয়তান এই ছোট ছোট ফাঁক দিয়ে ঢুকে পড়ে। এবং একদিন এমন এক জায়গায় পৌঁছায় যেখান থেকে ফেরার পথ বের করতে পুরো পরিবার হিমশিম খায়।
বিজ্ঞান বলছে, পর্নোগ্রাফি মস্তিষ্কের পুরস্কার কেন্দ্রকে এমনভাবে প্রভাবিত করে যা মাদকাসক্তির মতোই কাজ করে। এটি সম্পর্কের প্রতি, নারীর প্রতি এবং পরিবারের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেয়। একজন কিশোর যখন বছরের পর বছর এই বিষ গ্রহণ করে, সে তখন স্বাভাবিক মানবিক সীমা বুঝতে পারে না। আপন মানুষকেও সে শিকার মনে করতে থাকে। এবং ঘরের সবচেয়ে কাছের মানুষটিই তখন সবচেয়ে বিপদে পড়েন।
এখন এই বিষয়গুলোর ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাসআলা জানা দরকার, যা অনেকেই জানেন না। অথচ না জানার কারণে অনেক পরিবার অজান্তেই ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এর নাম হুরমতে মুসাহারাত।
হুরমতে মুসাহারাত কী এবং কেন এটা জানা এত জরুরি?
ইসলামে মানুষের মধ্যে তিন ধরনের সম্পর্ক আছে। বংশীয় সম্পর্ক, দুধ সম্পর্ক এবং বৈবাহিক সম্পর্ক। বিবাহের মাধ্যমে যে সম্পর্ক তৈরি হয় তাকে বলে মুসাহারাত। শ্বশুর-শাশুড়ি, পুত্রবধূ, জামাই এরা এই সম্পর্কের অন্তর্ভুক্ত। এই সম্পর্ককে কেন্দ্র করে ইসলামে যে হারামের বিধান রয়েছে তাকে বলা হয় হুরমতে মুসাহারাত।
এই বিধানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং অনেকের অজানা দিকটি হলো, শুধু বিবাহের মাধ্যমেই নয়, ব্যভিচার এবং কামভাবের সাথে স্পর্শ বা দৃষ্টিপাতের মাধ্যমেও হুরমতে মুসাহারাত প্রমাণিত হয়ে যায়। হানাফি, হাম্বলি এবং একটি বর্ণনামতে মালিকি মাযহাবও এই মতের সমর্থক। এর স্বপক্ষে কুরআন ও সুন্নাহর সুস্পষ্ট দলিল রয়েছে।
মহান আল্লাহ বলেন, তোমাদের পিতৃপুরুষরা যে নারীদের বিবাহ করেছে তাদের তোমরা বিবাহ করো না। নিশ্চয়ই তা অশ্লীল, মারাত্মক ঘৃণ্য এবং নিকৃষ্ট পন্থা। (সুরা নিসা, ২২)
ইমাম আবু বকর জাস্সাস রহ. ব্যাখ্যা করেছেন, এই আয়াতে বিবাহ শব্দের মূল অর্থ সহবাস, আকদে নিকাহ তার রূপক অর্থ। তাই পিতা যে নারীর সাথে হালাল বা হারাম যেকোনো উপায়ে সহবাস করেছে, সেই নারী সেই পুরুষের সন্তানের জন্য চিরতরে হারাম।
হুরমতে মুসাহারাত প্রমাণিত হওয়ার চারটি কারণ
প্রথমত, সহিহ বিবাহ। এরপর সর্বসম্মতিক্রমে হুরমত প্রমাণিত হয়।
দ্বিতীয়ত, সহবাস। সহিহ বিবাহের পরে বা ব্যভিচারের মাধ্যমে সহবাসের দ্বারাও হানাফি ও হাম্বলি মাযহাবমতে হুরমত প্রমাণিত হয়।
তৃতীয়ত, কামভাবের সাথে স্পর্শ। যদি পুরুষ বা নারীর যেকোনো একজনের উত্তেজনা অনুভূত হয় তাহলে হুরমত সাব্যস্ত হয়। এর জন্য শর্ত হলো স্পর্শটি সরাসরি বা এতটাই পাতলা কাপড়ের উপর দিয়ে হতে হবে যাতে শরীরের উষ্ণতা অনুভব হয়। স্পর্শের সময়ই উত্তেজনা থাকতে হবে, আগে বা পরে নয়। উত্তেজনার সাথে সাথেই বীর্যপাত হয়ে গেলে হুরমত সাব্যস্ত হয় না।
চতুর্থত, কামভাবের সাথে লজ্জাস্থানের ভেতরের অংশ দেখা। শুধু বাইরের অংশ দেখার দ্বারা হুরমত সাব্যস্ত হয় না।
হুরমত সাব্যস্ত হলে কী ঘটে?
একবার হুরমতে মুসাহারাত প্রমাণিত হয়ে গেলে স্বামী-স্ত্রীর বৈবাহিক সম্পর্ক স্থায়ীভাবে এবং আজীবনের জন্য হারাম হয়ে যায়। পুনরায় বিবাহের কোনো সুযোগ থাকে না। এই হারাম শুধু সরাসরি সম্পর্কিতদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, উর্ধ্বতন এবং নিম্নতন উভয় দিকেই বিস্তার লাভ করে।
অর্থাৎ কোনো ছেলে যদি নিজের মায়ের সাথে ব্যভিচার করে তাহলে তার বাবা-মায়ের বিবাহ চিরতরে ভেঙে যায়। তারা আর স্বামী-স্ত্রী থাকেন না। একইভাবে শ্বশুর যদি পুত্রবধূর সাথে কামভাব নিয়ে স্পর্শ করে তাহলে পুত্রের সাথে বউয়ের বিবাহ ভেঙে যায়। এটি কোনো ছোটখাট সাধারণ বিষয় নয়। এটি সংসারের মূল ভিত্তি ভেঙে দেওয়ার মতো ঘটনা।
হযরত ইমরান ইবনে হুসাইন রা. বলেন, কোনো ব্যক্তি তার শাশুড়ির সাথে ব্যভিচার করলে তার উভয়ের জন্যই স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক হারাম হয়ে যায়। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক)
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্ণিত, যে ব্যক্তি কোনো মহিলার লজ্জাস্থান দেখে এবং তার মেয়ের লজ্জাস্থানও দেখে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা)
এখন ভাবুন, আমাদের সমাজে কতটা অজ্ঞতার মধ্যে আছি আমরা। অনেক পরিবারে এ ধরনের ঘটনা ঘটে গেছে, অথচ তারা জানতেও পারেনি যে তাদের বিবাহ ভেঙে গেছে। এই অজ্ঞতা দুনিয়া এবং আখিরাত দুটোই বরবাদ করে দিচ্ছে।
ঘর যখন সবচেয়ে অনিরাপদ জায়গা
মা-ছেলের সম্পর্কের মতোই বাবা-মেয়ের সম্পর্কও আজ কলুষিত হচ্ছে। এক মেয়ে বলেছেন, বাবার সাথে একা ঘরে থাকতে ভয় লাগে। আরেকজন বলেছেন, সেই ছোটবেলা থেকে বাবার হাত থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে বড় হয়েছি। এই কথাগুলো বলার সময় তাদের কণ্ঠ কাঁপছিল। কারণ যে মানুষটি সবচেয়ে নিরাপদ হওয়ার কথা, সেই মানুষটিই তার জীবনের সবচেয়ে বড় আতঙ্ক।
ভাই-বোনের সম্পর্কের কথা বলতে গেলে আরও বেশি কষ্ট লাগে। রক্তের সম্পর্ক, একই মায়ের সন্তান। অথচ সেই ভাইয়ের কাছ থেকেই বোনকে নিরাপদ থাকতে হচ্ছে নিজের ঘরে। অনেক বোন বলেছেন, পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত ভাই রাতের অন্ধকারে বোনের ঘরে আসত। মা জানতেন না। বাবা জানতেন না। বোন একা বুকে পাথর চেপে বড় হয়েছেন।
খালা-ভাগনের ঘটনাও কম নয়। বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ভাগনের অস্বস্তিকর আচরণে অপমানিত হয়ে চলে আসতে বাধ্য হয়েছেন এমন খালার সংখ্যা নেহাত কম নয়। আবার উল্টোও হয়েছে। ভাগনে অভিযোগ করেছে খালার বেপর্দা চলাফেরা তাকে পথভ্রষ্ট করেছে।
এই সমস্ত ঘটনার একটিই কারণ। ঘরের ভেতরে ইসলামী পর্দার অভাব, সীমানার শিক্ষার অভাব এবং পর্নোগ্রাফির বিষক্রিয়া। শয়তান সবচেয়ে বেশি সফল হয় সেখানে যেখানে মানুষ সবচেয়ে নিরাপদ মনে করে।
সমাজের কোন জায়গায় ফাটল ধরেছে?
শুধু ব্যক্তির দোষ দিলেই হবে না। এই সমস্যার পেছনে আছে পরিবারের কাঠামোর দীর্ঘমেয়াদি দুর্বলতা। বাবা বছরের পর বছর প্রবাসে থাকেন, পরিবারকে সময় দেন না। মা একা একটি কিশোর সন্তান নিয়ে লড়াই করেন। ঘরে পর্দার ব্যবস্থা নেই। সন্তানের হাতে স্মার্টফোন তুলে দেওয়া হয় বিনা নজরদারিতে। পর্নোগ্রাফির ছড়াছড়িতে কিশোর মস্তিষ্ক বিষাক্ত হয়ে যাচ্ছে। এবং সবচেয়ে ভয়ের কথা এই বিষ একবার ঢুকলে বের হওয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে।
প্রবাসী ভাইদের প্রতি বিশেষ আহ্বান
আপনি প্রবাসে যাচ্ছেন পরিবারের জন্য। কিন্তু পরিবারটাই যদি ভেঙে পড়ে তাহলে কার জন্য উপার্জন করছেন? বছরে অন্তত দুইবার দীর্ঘ সময়ের জন্য পরিবারের কাছে আসুন। স্ত্রীর মানসিক প্রয়োজনটা বুঝুন। সন্তানের সাথে যোগাযোগ রাখুন, শুধু টাকা পাঠালেই দায়িত্ব শেষ নয়। সন্তানের হাতে স্মার্টফোন দেওয়ার আগে ভাবুন। বরং সেই অর্থে পরিবারকে ওমরা বা হজে নিয়ে যান। দ্বীনের সাথে সংযুক্ত রাখুন। এটিই পরিবারকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাবে।
মায়েদের এবং পরিবারের সকলের প্রতি পরামর্শ
সন্তানের বয়স আট বছর হলেই ঘরের ভেতরেও পোশাকে শালীনতা বজায় রাখুন। ছেলে সন্তানের সাথে একই বিছানায় ঘুমানোর অভ্যাস বন্ধ করুন। ভাই-বোনের জন্য আলাদা ঘরের ব্যবস্থা করুন। আত্মীয়-স্বজন, খালু, মামা, চাচা সকলের সাথে মেলামেশায় ইসলামী শিষ্টাচার মেনে চলতে সন্তানকে শেখান। স্মার্টফোন দেওয়ার আগে সচেতন হন এবং ঘরে পর্দার পরিবেশ তৈরি করুন।
যদি এ ধরনের পরিস্থিতিতে পড়ে যান
যদি কেউ এই লেখা পড়ে বুঝতে পারেন যে তার পরিবারে এ ধরনের কিছু ঘটে গেছে বা ঘটছে, তাহলে চুপ করে বসে থাকবেন না। একজন বিশ্বস্ত আলেম বা কাউন্সিলরের সাথে কথা বলুন। সমস্যা লুকিয়ে রাখলে সমাধান হয় না, বরং আরও গভীর হয়। আর যদি হুরমতে মুসাহারাত সংক্রান্ত কোনো বিষয় ঘটে থাকে তাহলে বিষয়টি একজন অভিজ্ঞ মুফতির কাছে খুলে বলুন এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিন।
শয়তান সবচেয়ে বেশি সফল হয় সেখানে যেখানে মানুষ সবচেয়ে নিরাপদ মনে করে। ঘর, পরিবার, মা-ছেলের সম্পর্ক, বাবা-মেয়ের সম্পর্ক, ভাই-বোনের সম্পর্ক, খালা-ভাগনের সম্পর্ক, এগুলো যে বিষাক্ত হতে পারে তা আমরা কল্পনাও করতে পারি না। কিন্তু বাস্তবে হচ্ছে। প্রতিদিন হচ্ছে। তাই সতর্ক থাকুন, দ্বীনকে আঁকড়ে ধরুন, পরিবারকে সময় দিন, সন্তানকে ইসলামী শিক্ষায় গড়ে তুলুন।
হে আল্লাহ, আমাদের পরিবারগুলোকে সকল ফিতনা থেকে হেফাজত করুন। আমাদের মধ্যে গায়রত দান করুন। আমাদের সন্তানদের নেক ও সৎ হিসেবে গড়ে তুলুন। আমিন।
#পারিবারিক_সচেতনতা #হুরমতে_মুসাহারাত #ইসলামিক_পরিবার #পর্নোগ্রাফি_আসক্তি #প্রবাসী_পরিবার #সন্তান_লালনপালন #ইসলামিক_জ্ঞান #পারিবারিক_সমস্যা #দ্বীনি_পরিবার #ইসলামিক_বাংলাদেশ
Ustad Sultan Nayeem
শিক্ষক, লেখক, আলোচক, পরামর্শক