Aqsa Online Shop

Aqsa Online Shop Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Aqsa Online Shop, Panchagram/Barabari, Lalmonirhat.

আসসালামু আলাইকুম 🌸

আপনার সন্তানের / আপনার পছন্দের পন্যের মান ১০০% কোয়ালিটি সম্পুর্ন এবং বেস্ট প্রডাক্ট আমরাই দিয়ে থাকি ইনশা-আল্লাহ্!!
আল্লাহর সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা "ব্যবসাকে হালাল" ও "সুদকে হারাম" করেছেন।

এজাজ সাহেবের আদরের মেয়ে আতিয়া বাতুল। অত্যন্ত পরহেজগার এই মেয়ের বিয়ের সব প্রস্তুতি যখন শেষ, ঠিক তখন তার শরীরে ধরা পড়ে মরণ...
29/09/2026

এজাজ সাহেবের আদরের মেয়ে আতিয়া বাতুল। অত্যন্ত পরহেজগার এই মেয়ের বিয়ের সব প্রস্তুতি যখন শেষ, ঠিক তখন তার শরীরে ধরা পড়ে মরণব্যাধি ক্যান্সার।

ডাক্তারদের রিপোর্টে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে এজাজ সাহেবের। কিন্তু বাতুল ছিল শান্ত। সে বাবাকে আত্মবিশ্বাসের সাথে বলে, "আব্বু, ডাক্তাররা যা-ই বলুক, আমার ক্যান্সার হতে পারে না।"

বাতুল তার বাবাকে একটি দোয়ার আমল শোনায়। সে জানায়, নবীজি (সা.) শিখিয়েছেন, কেউ যদি কোনো অসুস্থ বা বিপদগ্রস্ত ব্যক্তিকে দেখে একটি বিশেষ দোয়া পড়ে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে যে, আল্লাহ তাকে এই রোগ থেকে বাঁচিয়ে রেখেছেন, তবে সেই রোগ তাকে কখনো ছুঁতে পারবে না।

বাতুল ছোটবেলা থেকেই কোনো ক্যান্সার রোগীর কথা শুনলে নিয়মিত এই আমলটি করত।

মেয়ের বিশ্বাসের ওপর ভর করে এজাজ সাহেব তাকে মুম্বাইয়ের বিখ্যাত এক ক্যান্সার হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে সব বড় বড় ডাক্তাররা পরীক্ষা করে অবাক হয়ে জানান,

"মিস্টার এজাজ, আপনার মেয়ের রিপোর্টটি আমাদের কাছে এক চরম বিস্ময়! চিকিৎসা বিজ্ঞানের সব সূত্র আর আলামত অনুযায়ী বাতুলের শরীরে ক্যান্সার বাসা বাঁধার কথা ছিল এবং আগের রিপোর্টগুলোতেও সেই মরণব্যাধির সব লক্ষণ (Risk Factors) স্পষ্ট ছিল।

কিন্তু বর্তমানের এই সূক্ষ্ম পরীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, তার শরীরে একটিও ক্যান্সার কোষের অস্তিত্ব নেই! মনে হচ্ছে কোনো এক অদৃশ্য বর্ম তাকে রক্ষা করেছে। আমরা ডাক্তাররা একে 'মেডিক্যাল মিরাকল' ছাড়া আর কিছুই বলতে পারছি না।"

সেই বিশেষ দোয়াটি হলো,

الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي عَافَانِي مِمَّا ابْتَلاكَ بِهِ وَفَضَّلَنِي عَلَى كَثِيرٍ مِمَّنْ خَلَقَ تَفْضِيلاً

(উচ্চারণ: আলহামদুলিল্লাহিল্লাজি আফানি মিম্মাবতালাকা বিহি, ওয়া ফাদ্বলানি আলা কাসিরিম মিম্মান খালাকা তাফদ্বিলা।)

অর্থ: "সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাকে সেই বিপদ থেকে মুক্ত রেখেছেন যে বিপদে তোমাকে লিপ্ত করেছেন এবং আমাকে তাঁর সৃষ্টি জগতের অনেকের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন।"

আল্লাহর ওপর দৃঢ় বিশ্বাস থাকলে অসম্ভবও সম্ভব হয়। অন্যকে বিপদে দেখে নিজেকে নিরাপদ রাখার জন্য শুকরিয়া আদায় করা একটি বড় সুরক্ষা।

সূত্র: মু'জিযানা আছারাত
Aqsa Online Shop মিসকিন Miskeen Férdáuś Hósśaín

28/09/2026

একটি ঘটনা দিয়ে শুরু করি। টাঙ্গাইলের একজন মা, যার স্বামী দশ বছর ধরে সৌদি প্রবাসী। এই ১০ বছরে মাত্র দুই বার দেশে এসেছেন। একা হাতে সংসার টেনেছেন এই মা। ছেলেকে লালন পালন করছেন, পড়াশোনা করাচ্ছেন। কিন্তু ছেলে যখন ক্লাস নাইনে উঠল, বাবার পাঠানো একটি স্মার্টফোন তার জীবন বদলে দিল। আলাদা ঘরে দরজা বন্ধ করে পর্নোগ্রাফিতে ডুবে যেতে থাকল সে। কয়েক মাসের মধ্যে সে সম্পূর্ণ বদলে গেল। তারপর যা ঘটল তা বলতে গেলে বুক কেঁপে ওঠে। ছেলে তার নিজের মাকে জোর করে শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করল। একবার দুবার নয়, অসংখ্যবার। মা তাকে বাধ্য হয়ে এই ১৭ বছর বয়সেই বিয়ে করাতে আমার সাথে যোগাযোগ করেছিলেন।

কিন্তু তার ছেলে বিয়েতে রাজি নয়।

তাকে জোর করলে ,ছেলে বলে, তুমি আছো না? আমি বিয়ে করব না।

এই মা তার এই লজ্জার কথা কাকে বলবেন? স্বামীকে? পারছেন না। নিজের মনে শান্তি পাচ্ছেন? না। পালিয়ে যাবেন? যাওয়ার পথ নেই।

এই একটিমাত্র ঘটনা নয়। আরো অনেক ঘটনা আছে যা শুনলে মাথা ঘুরে যায়।

আরেকটি ঘটনা বলি। এক আত্মহত্যা প্রবণ বোন জানিয়েছেন, তাদের বাড়ি চট্টগ্রাম। ভাই বোন একসাথে ঢাকায় থাকে পড়াশোনা করে ।একই ফ্লাটে। আর বাবা-মা চট্টগ্রামে থাকে। তার ভাই বেশ কিছুদিন ধরে তার উপর জুলুম করে আসছে। একদিন ভাইয়ের হাত থেকে বাঁচতে রাত তিনটায় বাড়ি থেকে বের হয়ে গেছেন অন্য কোথাও থাকার জন্য। কিন্তু কাউকে বলতে পারেননি। এজন্য ফিরে আসতে হয়েছে আবার এই বাসাতেই।কারণ বললে পরিবারে কলঙ্ক লাগবে, মা ভেঙে পড়বেন, সমাজে মুখ দেখাতে পারবেন না।

আরেকটি ঘটনা। মোহাম্মদপুরের এক মেয়ে জানিয়েছেন, তার নিজের বাবা তার শৈশব থেকে কৈশোর পুরোটা জুড়ে তার সাথে এই অপকর্ম করেছেন। মা জানতেন না ঠিক তা নয়, তিনি নিজেও বুঝতেন। কিন্তু তার স্বামীকে ছেড়ে যাওয়ার সাহস ছিল না। সেই মেয়ে আজ বিবাহিত, কিন্তু বুকের ভেতরে একটি পাথর চাপা দিয়ে বেঁচে আছেন।

আরো একটি ঘটনা। এক খালা জানিয়েছেন, তার বোনের ছেলে অর্থাৎ তার ভাগনে তাকে বারবার অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে ফেলে। শুরুতে মনে হয়েছিল ছেলেমানুষি। কিন্তু পরে বুঝলেন এটি ইচ্ছাকৃত। বলতে পারেননি কাউকে। কারণ বোনের ছেলে, বোনের সাথে সম্পর্ক ভাঙবে।

আপনারা জানেন আমি আত্মহত্যা প্রবণ এবং ডিপ্রেশনে আক্রান্ত মানুষদের কাউন্সিলিং এবং নির্যাতিতা ধর্ষিতা অসহায় নারীদের বিবাহের ব্যবস্থা করি। অসংখ্য মানুষ নিয়মিতই শরীয়তের বিধি-বিধান, হালাল হারাম জায়েজ নাজায়েজ জানার জন্য যোগাযোগ করেন।

এই কাজগুলোর কারণে অসংখ্য কেস আমাদের সামনে আসে ।আমরা বুঝতে পারি বর্তমান সামাজিক ব্যবস্থা কতটা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।

বর্তমান সময়ের পর্নোগ্রাফির আগ্রাসন হাজারো লাখো সংসারে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে আমরা জানিও না।
আমাদের আশেপাশে ঘুরতে থাকা সবচেয়ে ভদ্র সভ্য ছেলেটির কাছে তারা নিজের আপন মা মেয়ে বোন ভাগিনী ও নিরাপদ নয়।

এগুলো কোনো বানানো গল্প নয়। এগুলো বাস্তব। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের কোনো না কোনো ঘরে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। নীরবে। পর্দার আড়ালে। এবং সবচেয়ে ভয়ের কথা হলো, ভুক্তভোগীরা জানেনই না যে তাদের কোথায় যাওয়ার কথা, কার কাছে বলার কথা।

এই সমস্যার মূলে কী আছে?

একটু গভীরে ভাবুন। বাবা প্রবাসে, মা একা, সন্তানের হাতে স্মার্টফোন, পর্নোগ্রাফির অবাধ অ্যাক্সেস। এর সাথে যোগ হয় ঘরের মধ্যে পর্দার অভাব, পোশাকে অসতর্কতা, একসাথে ঘুমানোর দীর্ঘ অভ্যাস, আর শারীরিক সীমানার কোনো শিক্ষা না থাকা। শয়তান এই ছোট ছোট ফাঁক দিয়ে ঢুকে পড়ে। এবং একদিন এমন এক জায়গায় পৌঁছায় যেখান থেকে ফেরার পথ বের করতে পুরো পরিবার হিমশিম খায়।

বিজ্ঞান বলছে, পর্নোগ্রাফি মস্তিষ্কের পুরস্কার কেন্দ্রকে এমনভাবে প্রভাবিত করে যা মাদকাসক্তির মতোই কাজ করে। এটি সম্পর্কের প্রতি, নারীর প্রতি এবং পরিবারের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেয়। একজন কিশোর যখন বছরের পর বছর এই বিষ গ্রহণ করে, সে তখন স্বাভাবিক মানবিক সীমা বুঝতে পারে না। আপন মানুষকেও সে শিকার মনে করতে থাকে। এবং ঘরের সবচেয়ে কাছের মানুষটিই তখন সবচেয়ে বিপদে পড়েন।

এখন এই বিষয়গুলোর ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাসআলা জানা দরকার, যা অনেকেই জানেন না। অথচ না জানার কারণে অনেক পরিবার অজান্তেই ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এর নাম হুরমতে মুসাহারাত।

হুরমতে মুসাহারাত কী এবং কেন এটা জানা এত জরুরি?

ইসলামে মানুষের মধ্যে তিন ধরনের সম্পর্ক আছে। বংশীয় সম্পর্ক, দুধ সম্পর্ক এবং বৈবাহিক সম্পর্ক। বিবাহের মাধ্যমে যে সম্পর্ক তৈরি হয় তাকে বলে মুসাহারাত। শ্বশুর-শাশুড়ি, পুত্রবধূ, জামাই এরা এই সম্পর্কের অন্তর্ভুক্ত। এই সম্পর্ককে কেন্দ্র করে ইসলামে যে হারামের বিধান রয়েছে তাকে বলা হয় হুরমতে মুসাহারাত।

এই বিধানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং অনেকের অজানা দিকটি হলো, শুধু বিবাহের মাধ্যমেই নয়, ব্যভিচার এবং কামভাবের সাথে স্পর্শ বা দৃষ্টিপাতের মাধ্যমেও হুরমতে মুসাহারাত প্রমাণিত হয়ে যায়। হানাফি, হাম্বলি এবং একটি বর্ণনামতে মালিকি মাযহাবও এই মতের সমর্থক। এর স্বপক্ষে কুরআন ও সুন্নাহর সুস্পষ্ট দলিল রয়েছে।

মহান আল্লাহ বলেন, তোমাদের পিতৃপুরুষরা যে নারীদের বিবাহ করেছে তাদের তোমরা বিবাহ করো না। নিশ্চয়ই তা অশ্লীল, মারাত্মক ঘৃণ্য এবং নিকৃষ্ট পন্থা। (সুরা নিসা, ২২)

ইমাম আবু বকর জাস্সাস রহ. ব্যাখ্যা করেছেন, এই আয়াতে বিবাহ শব্দের মূল অর্থ সহবাস, আকদে নিকাহ তার রূপক অর্থ। তাই পিতা যে নারীর সাথে হালাল বা হারাম যেকোনো উপায়ে সহবাস করেছে, সেই নারী সেই পুরুষের সন্তানের জন্য চিরতরে হারাম।

হুরমতে মুসাহারাত প্রমাণিত হওয়ার চারটি কারণ

প্রথমত, সহিহ বিবাহ। এরপর সর্বসম্মতিক্রমে হুরমত প্রমাণিত হয়।

দ্বিতীয়ত, সহবাস। সহিহ বিবাহের পরে বা ব্যভিচারের মাধ্যমে সহবাসের দ্বারাও হানাফি ও হাম্বলি মাযহাবমতে হুরমত প্রমাণিত হয়।

তৃতীয়ত, কামভাবের সাথে স্পর্শ। যদি পুরুষ বা নারীর যেকোনো একজনের উত্তেজনা অনুভূত হয় তাহলে হুরমত সাব্যস্ত হয়। এর জন্য শর্ত হলো স্পর্শটি সরাসরি বা এতটাই পাতলা কাপড়ের উপর দিয়ে হতে হবে যাতে শরীরের উষ্ণতা অনুভব হয়। স্পর্শের সময়ই উত্তেজনা থাকতে হবে, আগে বা পরে নয়। উত্তেজনার সাথে সাথেই বীর্যপাত হয়ে গেলে হুরমত সাব্যস্ত হয় না।

চতুর্থত, কামভাবের সাথে লজ্জাস্থানের ভেতরের অংশ দেখা। শুধু বাইরের অংশ দেখার দ্বারা হুরমত সাব্যস্ত হয় না।

হুরমত সাব্যস্ত হলে কী ঘটে?

একবার হুরমতে মুসাহারাত প্রমাণিত হয়ে গেলে স্বামী-স্ত্রীর বৈবাহিক সম্পর্ক স্থায়ীভাবে এবং আজীবনের জন্য হারাম হয়ে যায়। পুনরায় বিবাহের কোনো সুযোগ থাকে না। এই হারাম শুধু সরাসরি সম্পর্কিতদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, উর্ধ্বতন এবং নিম্নতন উভয় দিকেই বিস্তার লাভ করে।

অর্থাৎ কোনো ছেলে যদি নিজের মায়ের সাথে ব্যভিচার করে তাহলে তার বাবা-মায়ের বিবাহ চিরতরে ভেঙে যায়। তারা আর স্বামী-স্ত্রী থাকেন না। একইভাবে শ্বশুর যদি পুত্রবধূর সাথে কামভাব নিয়ে স্পর্শ করে তাহলে পুত্রের সাথে বউয়ের বিবাহ ভেঙে যায়। এটি কোনো ছোটখাট সাধারণ বিষয় নয়। এটি সংসারের মূল ভিত্তি ভেঙে দেওয়ার মতো ঘটনা।

হযরত ইমরান ইবনে হুসাইন রা. বলেন, কোনো ব্যক্তি তার শাশুড়ির সাথে ব্যভিচার করলে তার উভয়ের জন্যই স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক হারাম হয়ে যায়। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক)

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্ণিত, যে ব্যক্তি কোনো মহিলার লজ্জাস্থান দেখে এবং তার মেয়ের লজ্জাস্থানও দেখে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা)

এখন ভাবুন, আমাদের সমাজে কতটা অজ্ঞতার মধ্যে আছি আমরা। অনেক পরিবারে এ ধরনের ঘটনা ঘটে গেছে, অথচ তারা জানতেও পারেনি যে তাদের বিবাহ ভেঙে গেছে। এই অজ্ঞতা দুনিয়া এবং আখিরাত দুটোই বরবাদ করে দিচ্ছে।

ঘর যখন সবচেয়ে অনিরাপদ জায়গা

মা-ছেলের সম্পর্কের মতোই বাবা-মেয়ের সম্পর্কও আজ কলুষিত হচ্ছে। এক মেয়ে বলেছেন, বাবার সাথে একা ঘরে থাকতে ভয় লাগে। আরেকজন বলেছেন, সেই ছোটবেলা থেকে বাবার হাত থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে বড় হয়েছি। এই কথাগুলো বলার সময় তাদের কণ্ঠ কাঁপছিল। কারণ যে মানুষটি সবচেয়ে নিরাপদ হওয়ার কথা, সেই মানুষটিই তার জীবনের সবচেয়ে বড় আতঙ্ক।

ভাই-বোনের সম্পর্কের কথা বলতে গেলে আরও বেশি কষ্ট লাগে। রক্তের সম্পর্ক, একই মায়ের সন্তান। অথচ সেই ভাইয়ের কাছ থেকেই বোনকে নিরাপদ থাকতে হচ্ছে নিজের ঘরে। অনেক বোন বলেছেন, পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত ভাই রাতের অন্ধকারে বোনের ঘরে আসত। মা জানতেন না। বাবা জানতেন না। বোন একা বুকে পাথর চেপে বড় হয়েছেন।

খালা-ভাগনের ঘটনাও কম নয়। বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ভাগনের অস্বস্তিকর আচরণে অপমানিত হয়ে চলে আসতে বাধ্য হয়েছেন এমন খালার সংখ্যা নেহাত কম নয়। আবার উল্টোও হয়েছে। ভাগনে অভিযোগ করেছে খালার বেপর্দা চলাফেরা তাকে পথভ্রষ্ট করেছে।

এই সমস্ত ঘটনার একটিই কারণ। ঘরের ভেতরে ইসলামী পর্দার অভাব, সীমানার শিক্ষার অভাব এবং পর্নোগ্রাফির বিষক্রিয়া। শয়তান সবচেয়ে বেশি সফল হয় সেখানে যেখানে মানুষ সবচেয়ে নিরাপদ মনে করে।

সমাজের কোন জায়গায় ফাটল ধরেছে?

শুধু ব্যক্তির দোষ দিলেই হবে না। এই সমস্যার পেছনে আছে পরিবারের কাঠামোর দীর্ঘমেয়াদি দুর্বলতা। বাবা বছরের পর বছর প্রবাসে থাকেন, পরিবারকে সময় দেন না। মা একা একটি কিশোর সন্তান নিয়ে লড়াই করেন। ঘরে পর্দার ব্যবস্থা নেই। সন্তানের হাতে স্মার্টফোন তুলে দেওয়া হয় বিনা নজরদারিতে। পর্নোগ্রাফির ছড়াছড়িতে কিশোর মস্তিষ্ক বিষাক্ত হয়ে যাচ্ছে। এবং সবচেয়ে ভয়ের কথা এই বিষ একবার ঢুকলে বের হওয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে।

প্রবাসী ভাইদের প্রতি বিশেষ আহ্বান

আপনি প্রবাসে যাচ্ছেন পরিবারের জন্য। কিন্তু পরিবারটাই যদি ভেঙে পড়ে তাহলে কার জন্য উপার্জন করছেন? বছরে অন্তত দুইবার দীর্ঘ সময়ের জন্য পরিবারের কাছে আসুন। স্ত্রীর মানসিক প্রয়োজনটা বুঝুন। সন্তানের সাথে যোগাযোগ রাখুন, শুধু টাকা পাঠালেই দায়িত্ব শেষ নয়। সন্তানের হাতে স্মার্টফোন দেওয়ার আগে ভাবুন। বরং সেই অর্থে পরিবারকে ওমরা বা হজে নিয়ে যান। দ্বীনের সাথে সংযুক্ত রাখুন। এটিই পরিবারকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাবে।

মায়েদের এবং পরিবারের সকলের প্রতি পরামর্শ

সন্তানের বয়স আট বছর হলেই ঘরের ভেতরেও পোশাকে শালীনতা বজায় রাখুন। ছেলে সন্তানের সাথে একই বিছানায় ঘুমানোর অভ্যাস বন্ধ করুন। ভাই-বোনের জন্য আলাদা ঘরের ব্যবস্থা করুন। আত্মীয়-স্বজন, খালু, মামা, চাচা সকলের সাথে মেলামেশায় ইসলামী শিষ্টাচার মেনে চলতে সন্তানকে শেখান। স্মার্টফোন দেওয়ার আগে সচেতন হন এবং ঘরে পর্দার পরিবেশ তৈরি করুন।

যদি এ ধরনের পরিস্থিতিতে পড়ে যান

যদি কেউ এই লেখা পড়ে বুঝতে পারেন যে তার পরিবারে এ ধরনের কিছু ঘটে গেছে বা ঘটছে, তাহলে চুপ করে বসে থাকবেন না। একজন বিশ্বস্ত আলেম বা কাউন্সিলরের সাথে কথা বলুন। সমস্যা লুকিয়ে রাখলে সমাধান হয় না, বরং আরও গভীর হয়। আর যদি হুরমতে মুসাহারাত সংক্রান্ত কোনো বিষয় ঘটে থাকে তাহলে বিষয়টি একজন অভিজ্ঞ মুফতির কাছে খুলে বলুন এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিন।

শয়তান সবচেয়ে বেশি সফল হয় সেখানে যেখানে মানুষ সবচেয়ে নিরাপদ মনে করে। ঘর, পরিবার, মা-ছেলের সম্পর্ক, বাবা-মেয়ের সম্পর্ক, ভাই-বোনের সম্পর্ক, খালা-ভাগনের সম্পর্ক, এগুলো যে বিষাক্ত হতে পারে তা আমরা কল্পনাও করতে পারি না। কিন্তু বাস্তবে হচ্ছে। প্রতিদিন হচ্ছে। তাই সতর্ক থাকুন, দ্বীনকে আঁকড়ে ধরুন, পরিবারকে সময় দিন, সন্তানকে ইসলামী শিক্ষায় গড়ে তুলুন।

হে আল্লাহ, আমাদের পরিবারগুলোকে সকল ফিতনা থেকে হেফাজত করুন। আমাদের মধ্যে গায়রত দান করুন। আমাদের সন্তানদের নেক ও সৎ হিসেবে গড়ে তুলুন। আমিন।

#পারিবারিক_সচেতনতা #হুরমতে_মুসাহারাত #ইসলামিক_পরিবার #পর্নোগ্রাফি_আসক্তি #প্রবাসী_পরিবার #সন্তান_লালনপালন #ইসলামিক_জ্ঞান #পারিবারিক_সমস্যা #দ্বীনি_পরিবার #ইসলামিক_বাংলাদেশ

Ustad Sultan Nayeem
শিক্ষক, লেখক, আলোচক, পরামর্শক

14/09/2026

মুসলিম মেয়ে কখনোই বিধর্মীর সাথে যায় না???
Aqsa Online Shop মিসকিন Miskeen Férdáuś Hósśaín

এক ব্যক্তি মৃত কুকুরকে মুসলিমদের কবরস্থানে দাফন করে। এতে মানুষজন ক্ষুব্ধ হয়ে কাজির দরবারে নালিশ করতে জড়ো হয়। লোকটাকে ...
10/09/2026

এক ব্যক্তি মৃত কুকুরকে মুসলিমদের কবরস্থানে দাফন করে। এতে মানুষজন ক্ষুব্ধ হয়ে কাজির দরবারে নালিশ করতে জড়ো হয়। লোকটাকে কোনোভাবেই যেন ছেড়ে দেয়া না হয়। এহেন কর্মের শাস্তি তো পেতেই হবে।

লোকটিকে কাজি সাহেব ডেকে প্রশ্ন করলেন। সত্যিই তুমি একটা নাপাক কুকুরকে মুসলিমদের কবরস্থানে দাফন করেছ? লোকটি শান্ত গলায় 'হ্যাঁ' সূচক উত্তর দিয়ে বলে, কাজি সাহেব, কুকুরটি মারা যাওয়ার আগে আমাকে এমনটা অসিয়ত করে গেছে। তাই আমি (কুকুরের) অসিয়ত রক্ষার্থে এটি (কবরস্থানে দাফন) করেছি।

কাজি রাগান্বিত হয়ে ধমক দিয়ে বলেন, মশকরা করো আমার লগে? এমন একটা নিকৃষ্ট কাজ করে আবার বলতেছ, এই কুকুর তোমাকে অসিয়ত করে গিয়েছে আর তুমি সেটা রক্ষা করেছ?

লোকটি এবার কাজি সাহেবের কাছে এগিয়ে গিয়ে ফিসফিস করে বলতে লাগলেন, কুকুর আরও একটা অসিয়ত করেছিলএমএম আমাকে। বলেছিল যে, দুনিয়াতে সে কিছু সম্পদ রেখে গেছে। সেখান থেকে ১০০০ দিনার (স্বর্ণমুদ্রা) এই শহরের কাজির জন্য বরাদ্দ।। দিনারগুলো আমার সঙ্গেই আছে। এক্ষুনি কি আপনাকে দিব?

তৎক্ষণাৎ কাজি সাহেবের চেহারা বদলে গেল। খুশিতে গদগদ করে বলে উঠলেন, আল্লাহ তায়ালা কুকুরটির উপর রহম করুন।

উপস্থিত লোকেরা এটা শুনে হতভম্ব হয়ে সুওয়াল করলেন। 'কাজি সাহেব আপনি ঠিক আছেন? মুসলিমদের কবরে দাফনস্থ কুকুরের জন্য দুয়া করছেন? আপনার তো এই ঘৃন্য কাজের জন্য লোকটির শাস্তি নিশ্চিত করবার কথা!'

কাজি সাহেব এবার এগিয়ে আসলেন। বললেন, 'প্রিয় লোকসকল! আপনারা জেনে অবাক হবেন যে, এটা সাধারণ কোনো কুকুর ছিল না। আসহাবে কাহাফকে পাহাড়া দিয়েছিল যেই কুকুরটি এটি সেই বংশের কুকুর। এমন বংশীয় কুকুরকে কি যেখানে সেখানে মাটি চাপা দেয়া যায়?'

লোকেরা এখন নির্বাক, নির্বিকার। মজলিসে পিনপতন নীরবতা। কারও মুখে কথা নেই। টু শব্দটুকুও নেই।

এটাই হলো আমাদের বর্তমান সমাজের বাস্তবতা। অর্থ/প্রাচুর্য মানুষের নৈতিকতাকেও ক্রয় করে ফেলে। প্রকৃত অর্থে এই অর্থের কারণেই আজকাল আমরা দেখি, মানুষেরা নিজেদের আদর্শ বিক্রি করে ফেলছে। তৎকালীন কাজি সাহেবের বাস্তবতায় বর্তমান অনেক মৌলভীদেরকে পেয়ে যাবেন। মিলিয়ে নিবেন অবশ্যই।

আচ্ছা, আপনার জীবদ্দশায় আপনি কি কাউকে আদর্শ বিক্রি করতে দেখেছেন?

~ আরবী থেকে।
Aqsa Online Shop
মিসকিন Miskeen

নেপালের এই লোকটিকে দেখছেন?  পাঁচটা বড় বড় হোটেল ছিল যেখানে উনি টুরিস্টদের ভাড়া দিতেন। পাশাপাশি উনি গ্যাসের ডিস্ট্রিবিউট...
08/09/2026

নেপালের এই লোকটিকে দেখছেন? পাঁচটা বড় বড় হোটেল ছিল যেখানে উনি টুরিস্টদের ভাড়া দিতেন। পাশাপাশি উনি গ্যাসের ডিস্ট্রিবিউটর ছিলেন। গোডাউনে ছিল ২০০ রও বেশি সিলিন্ডার। বিধ্বংসী হড়পা বানে সব ভেসে গেছে। নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে সব। আজ সে কাঁদতে কাঁদতে জানাচ্ছে তার পরনের এই জামাটুকু ছাড়া তার আর কিছু নেই।

বুঝতে পারছেন কাল যে রাজা আজ সে ফকির! আজব দুনিয়ার নিয়ম।

তাই টাকা-পয়সার দম্ভ দেখাবেন না। ভালোভাবে বাঁচুন, ভালোবাসা দিয়ে বাঁচুন সকলের সাথে।

ফ্যক্টঃ ধনী আত্মীয় স্বজন🙂

Férdáuś Hósśaín
Aqsa Online Shop

06/09/2026

Aqsa Online Shop Férdáuś Hósśaín

হিন্দু ছেলেদের দিয়ে মুসলিম মেয়েদের প্রেম-বিয়ে নিয়ে ভারতপন্থী মিডিয়ার ন্যারেটিভ বা সাইকোলজির খেলা। এইসবকে প্রোমোট করছে ভা...
06/09/2026

হিন্দু ছেলেদের দিয়ে মুসলিম মেয়েদের প্রেম-বিয়ে নিয়ে ভারতপন্থী মিডিয়ার ন্যারেটিভ বা সাইকোলজির খেলা।

এইসবকে প্রোমোট করছে ভারত ও ইসকনের পারপাস সার্ভ করা প্রথম আলোর নিজস্ব অনেক সেলিব্রিটি। বিশেষ করে বর্তমানে নাটকে হিন্দু ছেলে ইয়াশ রোহান ও মুসলিম মেয়ে তানজিম সাইয়ারা তটিনী এদেরকে জনপ্রিয় জুটি হিসেবে তুলে ধরে এদের মধ্যে প্রেম-বিয়ের রিউমার ছড়িয়ে মুসলিম আবেগী মেয়েদেরকে ব্রেনওয়াশ করছে বাংলাদেশের ভারতপন্থী মিডিয়া।

বর্তমানে বাংলা নাটকে এরা জনপ্রিয় মুখ। বিশেষ করে তটিনী। (তটিনী জেনে করে নাকি না জেনে, জানি না; কিন্তু ইয়াশের পারপাস ঠিকই সার্ভ হচ্ছে। সে খ্যাতি পাচ্ছে ও হিন্দু হিসেবে আধিপত্য বিস্তার করতেছে এবং ন্যারেটিভ ঠিকই বানাচ্ছে।)

মানুষ মিডিয়া সেলিব্রিটি দেখে শেখে। অনেকে ভারতের হিন্দু-মুসলিম সেলিব্রিটিদের বিয়ের দলিল দেয়। সমাজ এদের মাধ্যমেই নষ্ট হয়। অনেক মুসলিম মেয়েই জানে না, হিন্দু ছেলেদের বিয়ে করা মানে মুরতাদ হয়ে যাওয়া।

আল্লাহ কুরআনে বলেছেন, “আর মুশরিকদের কাছে তোমরা (মেয়েদের) বিয়ে দিও না, যতক্ষণ না তারা ঈমান আনে। ঈমানদার ক্রীতদাসও মুশরিক পুরুষের চেয়ে উত্তম; যদি মুশরিক পুরুষ তোমাদেরকে মুগ্ধ করে তবুও। ওরা (মুশরিকরা) জাহান্নামের দিকে ডাকে; আর আল্লাহ তাঁর বিধান দিয়ে জান্নাত ও ক্ষমার দিকে ডাকেন এবং তাঁর বিধানসমূহ মানুষকে বুঝিয়ে দেন, যাতে তারা শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে।” [বাকারা: ২২১] সুতরাং, মুসলিম মেয়েদের জন্য অন্য যেকোনো ধর্মের ছেলেদের বিয়ে হারাম করেছেন।

আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, (তার মা) উম্মু সুলায়ম হুনায়নের যুদ্ধের দিন একটি ছোরা ধারণ করেছিলেন, যা তার সঙ্গে থাকত। (তার স্বামী) আবু তালহাহ্ তা দেখতে পেয়ে বলেন, হে আল্লাহর রসূল! ইনি উম্মু সুলায়ম। আর তার সাথে একটি ছোরা রয়েছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ এ ছোরা কিসের জন্য? তিনি বললেন, এটি এজন্য নিয়েছি যদি কোন বিধর্ম মুশরিক আমার কাছাকাছি আসে, তবে এ দিয়ে আমি তার পেট চিরে ফেলবো। (সহিহ মুসলিম, ১৮০৯) এই ছিলো আমাদের মুমিন নারীদের বৈশিষ্ট্য যে, মুশরিক ছেলেদের থেকে নিরাপদ থাকতে ছোরা ধারণ করে থাকতো। আর বর্তমান আমাদের নারীরা কি করছে?

অনেকে আবার দ্বীনের দাওয়াত দিতে গিয়ে হিন্দু ছেলেদের ফাঁদে পড়ে। এরা খুব বিনয়, মানবতার কথা বলে। কিন্তু বাস্তবে এদের এজেন্ডা থাকে ভারতের আধিপত্য বিস্তার ও হিন্দুত্ববাদকে সার্ভ করা। আর সেলিব্রিটি হিসেবে ইয়াশ রোহান নিজে সমকামিতার প্রচারক, পশুকামীতার প্রচারক ইত্যাদি নানা এজেন্ডার এজেন্ট। পাশাপাশি হিন্দুত্ববাদকে স্পষ্টভাবে সার্ভ করে। তটিনীর সাথে প্রেমের গুঞ্জন বা বন্ধুত্ব তৈরি করে মিডিয়া রিউমার ছড়িয়ে সে নিজের ক্যারিয়ারের বুস্টআপ এনেছে, পাশাপাশি তাকে হিন্দুত্ববাদীরা ঢালাওভাবে সমর্থন করছে। তার হিন্দু ফ্যানবেজের অভাব নেই। এরা সবাই চায় ইয়াশ তটিনীকে বিয়ে করুক এবং তাদের এজেন্ডার জন্য একটা শক্ত ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হোক।

সুতরাং মিডিয়াতে হিন্দু নায়কদের সাথে মুসলিম নায়িকাদের সিনেমা-নাটক বানানোর বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া জরুরি। এবং হিন্দুদের মিডিয়ায় প্রতিষ্ঠিত করার এজেন্ডা বন্ধ করা উচিত। এইগুলো ভারতের এজেন্ডার অংশ। আর কতটা সেক্যুলার হলে সিনেমা-নাটকই যেখানে হারাম, সেখানেও আমরা আমাদের নারীদেরকে হিন্দু নায়ক, নায়িকাদের সাথে জুটি দিই। তাদের প্রেম-বিয়ে হোক, এই কামনা করি বিভিন্ন কমেন্ট বক্সে। কতটা অধঃপতনে গেছে আমাদের সমাজ!

এছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইউনুস বাংলাদেশকে ভারতের বলয় থেকে বের করে আনায় এই ইয়াশ রোহানের মতো সকল হিন্দুত্ববাদী সেলিব্রিটিরা ইউনুসের উপর বেজায় ক্ষিপ্ত। মাঝেমধ্যেই ফেসবুকে সেই ক্ষোভ ঢালে, ইউনুসকে অপমান করে।

বাংলাদেশে এর আগেও অনেক হিন্দু-মুসলিম সেলিব্রিটির প্রেম-বিয়েকে প্রোমোট করেছে ভারতপন্থী মিডিয়া। যেমন সৃজিত-মিথিলা, শাকিব খান-অপু বিশ্বাস—এসব কিছুকে এরা স্বাভাবিক করে দিচ্ছে এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে মুসলিম মেয়েদের ট্র্যাপে ফেলার কাজ করে যাচ্ছে।

এছাড়া বাংলাদেশের প্রতিটি সিনেমায়, বিশেষ করে ভারতের সাথে যৌথ প্রযোজনা বা ডিস্ট্রিবিউশনে থাকা সিনেমায় দেখা যাবে, সবসময়ই হিন্দুত্ববাদকে সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়।
এছাড়া স্বাধীনতার শুরু থেকেই হিন্দুত্ববাদকে কেন্দ্র করে হিন্দুমতের সিনেমা-নাটক কম তৈরি হয়নি। যেখানে মুসলিম অভিনেতা-অভিনেত্রীদের দিয়ে হিন্দু চরিত্রে পূজা করানো হয়েছে। এছাড়া ইসলামবিদ্বেষ ছড়ানো তো আছেই, বাংলাদেশকে ছোট করাও এসবের মধ্যে আছে।
এছাড়া প্রতিটি বড় বাজেটের সিনেমায় ভারতের নায়ক-নায়িকা বা আর্টিস্ট দিয়ে সিনেমা করানোর এজেন্ডা অনেক আগে থেকেই চালু হয়েছে। পুরো মিডিয়া ও সংস্কৃতি জগতে হিন্দু অভিনেতাদের বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত করা হচ্ছে, যেমন চঞ্চল চৌধুরী যে ফ্যাসিস্টের প্রকাশ্যে দালাল হয়েও এখনো সগর্বে সিনেমা করে যায়, ঘুরে বেড়ায়।

আপনারা এসব নিয়ে কথা বলুন, প্রতিবাদ করুন।
শুধু গ্রাউন্ড ফিল্ড না, যারা ন্যারেটিভ তৈরি করে তাদের নিয়েও বলুন।

🎉 আপনার শিশুর পড়াশোনাকে সহজ ও আনন্দদায়ক করতে নিয়ে এলাম “শিক্ষাকোষ Intelligence Talking Book (Gold Edition)”! 📚✨​মোবাইল গ...
03/09/2026

🎉 আপনার শিশুর পড়াশোনাকে সহজ ও আনন্দদায়ক করতে নিয়ে এলাম “শিক্ষাকোষ Intelligence Talking Book (Gold Edition)”! 📚✨
​মোবাইল গেম বা টিভি ছেড়ে আপনার সন্তান এখন নিজেই আনন্দ নিয়ে পড়াশোনা করবে! এটি একটি ইন্টারেক্টিভ ও রিচার্জেবল সাউন্ড বুক, যা কথা বলে বাচ্চাকে পড়া শেখায়।
​🌟 বইটির বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ:
✅ ৮০০+ বাটন ও ১৮০০+ শব্দ: বাংলা বর্ণমালা, ছড়া, ইংরেজি Alphabets, ছড়া, আরবি হরফ, সূরা, নামতা, সাধারণ জ্ঞান ও গল্পসহ ১০৮+ কনটেন্ট!
✅ কথা বলা প্রযুক্তি: পৃষ্ঠার বাটনে চাপ দিলেই স্পষ্ট ও সুন্দর উচ্চারণে পড়া শোনা যাবে।
✅ রিচার্জেবল (Rechargeable): বারবার ব্যাটারি চেঞ্জ করার ঝামেলা নেই!
✅ প্রশ্ন ও কুইজ অপশন: শেখার পাশাপাশি শিশুর মেধা যাচাইয়ের সুযোগ।
✅ দ্বিপাক্ষিক রঙিন পাতা (Dual Side Big Book): আকর্ষণীয় ছবি ও উজ্জ্বল রঙ বাচ্চার মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করবে।
✅ বয়স সীমা: ৩ বছর+ শিশুদের জন্য সেরা উপহার!
​🎁 অফার মূল্য: ৳৯০০ টাকা মাত্র! (সীমিত সময়ের জন্য)
​📦 অর্ডার করতে এখনই ইনবক্স (Inbox) করুন অথবা কমেন্ট করুন!
🚚 সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি সুবিধা রয়েছে।

29/08/2026

নেপালে দুনিয়ার ইতিহাসের ভয়াবহতম একটা বন্যা হয়ে গেল।

সাধারণত আমরা জানি, বৃষ্টির দীর্ঘ ভারী বর্ষণের কারণেই বন্যার সৃষ্টি হয়; কিন্তু আশ্চর্য ঘটনা কী জানেন? নেপালের এই ভয়াবহ বন্যাটা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট নয়৷ এই বন্যাটার সাথে বৃষ্টির সম্পর্ক খুবই কম।

তাহলে কোত্থেকে তৈরি হলো এই বন্যা, তাই তো?

হিমালয়ের খুব উঁচুতে একটি বরফ-পাথরের স্তর হঠাৎ করে ধ্বসে পড়ে। প্রায় ১৬,৮০০ ফুট উঁচু থেকে এই বরফের স্তর এতো শক্তিশালী ফোর্স নিয়ে নিচে নেমে আসে যে, রিপোর্টগুলো বলছে, এই ধ্বসের নিচে নেমে আসার গতি ছিল ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটারের মতো।

এতো শক্তিশালী ফোর্স নিয়ে সেই ধ্বস যে পথে এসেছে, সেই পথটাকে লণ্ডভণ্ড করে দিয়ে এসেছে।

তারপর, শক্তিশালী এই বরফ-পাহাড়ের ধ্বস যখন নদীতে আছড়ে পড়ল, রিপোর্ট বলছে তখন নদীতে যে ফোর্স তৈরি হয়েছিল সেটা ছিল প্রায় ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্পের সমান। স্বাভাবিকভাবেই, নদীতে হঠাৎ আছড়ে পড়া এই ফোর্স নদীকে মুহূর্তে অশান্ত করে তুলল। ৩০ মিনিটের মধ্যে নদীর পানির উচ্চতা বেড়ে গেল ৯ মিটারেরও বেশি।

তারপর যা ঘটল তা তো গোটা দুনিয়াই দেখল। ভেসে গেল মানুষ, ঘরবাড়ি, বিল্ডিং, রাস্তাঘাট, গাড়ি, গাছপালা সব।

নেপালে কিন্তু সব ঠিকঠাকই চলছিল। ওখানে এখন বৃষ্টির মৌসুম চলছে; কিন্তু অতো ভারী বৃষ্টিপাত ছিল না যে একেবারে এরকম বন্যা হয়ে যাবে। সাহিত্যের ভাষায় যেটাকে রিমঝিম বৃষ্টি বলে, সেরকমই হয়তো বৃষ্টি হচ্ছিল। কখনো গুড়িগুড়ি, কখনো-বা কাকভেজা।

সব তো স্বাভাবিকই চলছিল সেখানে। স্কুল, অফিস, চাকরি, আউটিং, আড্ডা, ব্যবসা। কিন্তু চোখের পলকে বদলে গেল সব। খানিক আগে যেখানে সবাই জীবন উপভোগে ব্যস্ত ছিল, মুহূর্তের ব্যবধানে সেখানে সবাই পঙ্গপালের মতো দৌঁড়াচ্ছিল জীবন বাঁচানোর তাগিদে।

হিমালয়ের উঁচুতে বরফের একটা ছোট স্তর ধ্বসে পড়ল কেবল। এরপর নেপাল হয়ে উঠল একটা মৃত্যুপুরী।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদেরকে কুরআনে তো সেই কথাই বলেছেন বারংবার৷ যখন তিনি কিছু করার ইচ্ছা করেন, তখন কেবল বলেন—হও।

ওই ‘হও’ বলা পর্যন্তই।
তারপর বদলে যায় সভ্যতা, ওলট-পালট হয়ে যায় পৃথিবীর গতিপথ।

যারা ভাবে, কিয়ামত কীভাবে হবে? দুনিয়া ধ্বংস হয়ে যাবে এমন ফোর্স তথা শক্তি Out of Nowhere কোথা থেকে বের হবে, তাদের জন্য এই ঘটনায় একটা নিদর্শন রয়েছে।

একটা ছোট্ট বরফের স্তরের ধ্বস যদি নেপালকে লণ্ডভণ্ড করে দিয়ে যেতে পারে, আস্ত হিমালয় যদি নড়াচড়া শুরু করে, দুনিয়ার অস্তিত্ব কতো সেকেন্ড টিকে থাকবে?
🖋️আরিফ আজাদ

Address

Panchagram/Barabari
Lalmonirhat
5500

Opening Hours

Monday 08:00 - 22:00
Tuesday 08:00 - 22:00
Wednesday 08:00 - 22:00
Thursday 08:00 - 22:00
Friday 08:00 - 22:00
Saturday 08:00 - 22:00
Sunday 08:00 - 22:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Aqsa Online Shop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share