Entertainment by Ayat

Entertainment by Ayat Assalamu Alaikum. Welcome to my page. Thank you.

এখনকার বাচ্চারা জানেই না আগে আমাদের কী কী কারণে পেটানো হতো - 🙂১. মাইর খাবার পরে কাঁদলে। ২. মাইর খাবার পর না কাঁদলে। ৩. ন...
29/04/2025

এখনকার বাচ্চারা জানেই না আগে আমাদের কী কী কারণে পেটানো হতো - 🙂

১. মাইর খাবার পরে কাঁদলে।
২. মাইর খাবার পর না কাঁদলে।
৩. না-মারা সত্ত্বেও কান্নাকাটি করলে।
৪. খেলা নিয়ে বেশি মেতে থাকলে।
৫. খেলতে গিয়ে মাইর খেয়ে আসলে বা কাউকে মারার নালিশ আসলে।
৬. বড়দের আড্ডায় ঢুকলে।
৭. বড়দের কথার উত্তর না-দিলে।
৮. বড়দের কথায় ত্যাড়া উত্তর দিলে।
৯. অনেকদিন মাইর না-খেয়ে থাকলে।
১০. কেউ উপদেশ দেওয়ার সময় গুনগুন করে গান করলে।
১১. বাড়িতে অতিথি এলে বা কারও বাড়ি গিয়ে সালাম না করলে।
১২. অতিথি এলে তাকে খাবারের প্লেট দিতে যাওয়ার সময় প্লেট থেকে খাবার মুখে দিয়ে ধরা পড়লে।
১৩. অতিথিরা খাওয়ার সময় খাবারের দিকে হাঁ করে তাকিয়ে থাকলে।
১৪. অতিথি বাড়ি চলে যাওয়ার সময় তার সাথে যাওয়ার বায়না ধরলে।
১৫. খেতে না-চাইলে।
১৬. সন্ধ্যা নামার আগে বাড়ি না-ফিরলে।
১৭. প্রতিবেশীর বাড়িতে গিয়ে খেয়ে চলে এলে।
১৮. জেদ দেখালে।
১৯. কারও সাথে মারামারি করে হেরে এলে।
২০. কাউকে বেশ করে পিটিয়ে এলে।
২১. স্লো মোশনে খেলে।
২২. ফাস্ট ফরোয়ার্ড স্কেলে খেলে।
২৩. সকালে ঘুম থেকে উঠতে না চাইলে।
২৪. রাতে ঘুমোতে না-চাইলে।
২৫. শীতকালে গোসল করতে না চাইলে।
২৬. গ্রীষ্মকালে বেশিক্ষন গোসল করলে।
২৭. অন্যের গাছ থেকে আম, পেয়ারা পেড়ে খেলে।
২৮. স্কুলে টিচারদের কাছে মার খেয়েছি খবর পেলে।
২৯. জোরে উচ্চারণ করে না পড়ে চুপচাপ বসে পড়ার ভান ধরলে বা বিড়বিড় করে পড়লে।
৩০. পড়ার বইয়ের মধ্যে গল্পের বই রেখে পড়ছি ধরা পড়ে গেলে।
৩১. পরীক্ষার আগে টিভি দেখলে।
৩২. দুধ খেতে না চাইলে।
৩৩. আচার চুরি করে খেলে।
৩৪. উষ্ঠা খেয়ে পড়ে গেলে উঠিয়ে আবার মারা হতো।
৩৫. কারও বাসায় বেড়াতে গিয়ে নিজের বাসা মনে করে লন্ডভন্ড করলে।
৩৬. স্কুলের সামনের কোনো দোকান থেকে বাকিতে কিছু খেলে বা খেলনা কিনলে।
৩৭. দুপুরে না ঘুমালে।
৩৮. পাশের বাসার কেউ পরীক্ষায় বেশি নাম্বার পাইলে।
৩৯. খাতার পৃষ্ঠা নষ্ট করলে।
৪০. বই দাগাদাগি করলে।
৪১. শোকেস থেকে নতুন প্লেট, গ্লাস বের করলে।
৪২. পুকুরে ডুবাইতে ডুবাইতে চোখ লাল করে ফেললে।

ছি: ছি: ছি: মানুষ নামের জানোয়ার গুলোকে।এদের শাস্তি একমাত্র জন  সম্মুখে ফাঁসি দিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় করা।নির্লজ্জ জাতির আ...
16/04/2025

ছি: ছি: ছি: মানুষ নামের জানোয়ার গুলোকে।
এদের শাস্তি একমাত্র জন সম্মুখে ফাঁসি দিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় করা।

নির্লজ্জ জাতির আর নতুন করে কি লজ্জা হবে? একের পর নি*র্মমতা করে যারা আনন্দ পায় আল্লাহ তাদের সাথে তার চেয়ে অধিক নি*র্মম আচরণ করবেন এতে কোনো সন্দেহ নেই। নিষ্পাপ শিশু বাচ্চা যার মুখের দিকে তাকালে রেগে থাকা মানুষও খুশি হয়ে যাবে তার সাথে এহেন পশুর মতো আচরণ যে করতে পারে সে কখনোই মানুষ না।

জুঁই বড়াইগ্রাম উপজেলার চান্দাই ইউনিয়নের গাড়ফা উত্তরপাড়া গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী জাহিরুল ইসলামের মেয়ে ও গাড়ফা আজেদা নূরানী কিন্ডার গার্ডেন মাদ্রাসার ১ম শ্রেণির ছাত্রী।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, রামপুর বিলের একটি ভুট্টা ক্ষেতে জুঁই খাতুনের বি*বস্ত্র লা*শ পড়ে আছে। মুখে পোড়া ক্ষ*তবিক্ষ*ত চিহ্ন, পড়নের প্যান্ট গলায় পেঁচানো। স্থানীয়রা সকালে শিশুটির লা*শ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিবারের লোকজন সনাক্ত করেন সেই হাসিখুশি জুঁইয়ের ম*রদেহ। এদিকে শিশুটিকে হ*ত্যার বি*ভৎসতা দেখে পুরো এলাকা মুহুর্তেই স্তব্ধ হয়ে যায়।

প্রতিবেশী এমদাদুল হক জানান, স্থানীয় কৃষকেরা শিশুটিকে ভুট্টা ক্ষেতে পড়ে থাকতে দেখে পরিবারের লোকজনকে খবর দেয়। এ সময় শিশুটির প*ড়নে কোন কাপড় ছিলো না। তার মুখমণ্ডল সম্পূর্ণই পোড়া। ধারণা করা হচ্ছে, ধ*র্ষণের পর তাকে শ্বাসরো*ধে হত্যা করেছে পাষ*ণ্ড দুর্বৃ*ত্তরা এবং মুখ এসিড দিয়ে ঝলসে দেওয়া হয়েছে।

বড়াইগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান জানান, শিশুটির বাড়ি বড়াইগ্রাম উপজেলার হলেও মৃ*তদেহটি পাওয়া যায় উপজেলার সীমান্তবর্তী চাটমোহর এলাকায়। যার ফলে সংঘটিত অপরা*ধটির মামলা চাটমোহর থানায় লিপিবদ্ধ হবে। তবে দুর্বৃ*ত্তদের চিহ্নিত ও বিচা*রের আওতায় আনতে বড়াইগ্রাম থানা পুলিশ যথাযথ দায়িত্ব পালন করবে।
ইতোমধ্যে দুর্বৃ*ত্তদের অনুসন্ধানে পুলিশ মাঠে নেমেছে। হ*ত্যা*র কারণ বা ধর্ষ*ণের শিকার হয়েছে কিনা তা মৃ*তদেহ ময়না তদন্তের পর জানা যাবে।

৬ বছর প্রবাস জীবন পার করার পর যখন দেশে ফিরলাম তখন বাবা মা খুব করে চাইলেন আমি যেন বিয়ে করি। আমিও ভেবে দেখলাম বয়স তো কম হল...
15/04/2025

৬ বছর প্রবাস জীবন পার করার পর যখন দেশে ফিরলাম তখন বাবা মা খুব করে চাইলেন আমি যেন বিয়ে করি। আমিও ভেবে দেখলাম বয়স তো কম হলো না। তাই বিয়ে করার জন্য রাজি হলাম।

আমার খালাতো ভাই সুজনকে সাথে নিয়ে এক জায়গায় মেয়ে দেখতে গেলাম। মেয়ে দেখার আগেই মেয়ের বাবা আমায় বললো,

-'ডুবাইতে তো তোমার রেস্টুরেন্টের ব্যবসা আছে তাই না'!
আমি মুচকি হেসে বললাম,
- বিদেশে রেস্টুরেন্টের ব্যবসা করা অনেক ব্যয়বহুল। নিজে ব্যবসা করার মত এতো টাকা আমার এখনো হয়নি।

- মেয়ের বাবা অবাক হয়ে বললো,
- ঘটক যে বললো তোমার সেখানে নিজের রেস্টুরেন্ট আছে?
আমি তখন বললাম,

উনি মি'থ্যা বলেছেন। বিদেশে আমার নিজের কোন রেস্টুরেন্ট নেই বরং আমি একটা রেস্টুরেন্টে কাজ করি। মেয়ের বাবা রাগী চোখে আমার দিকে তাকিয়ে বললো,
- আমি আমার মেয়েকে কোন কামলার কাছে বিয়ে দিবো না।সাহস কত বড়! বিদেশ গিয়ে কামলাগিরি করে দুই টাকা ইনকাম করেছে বলে আমার মেয়েকে বিয়ে করতে আসছে। তোমরা এখন আসতে পারো!
আমি চুপচাপ মাথা নিচু করে চলে এলাম।

বাসায় আসার পর মা আর খালা যখন জিজ্ঞেস করলো মেয়ে কেমন দেখেছি?

তখন পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আমার খালাতো ভাই
মুচকি হেসে বললো,
- মেয়ে দেখার আগেই মেয়ের বাবা পাত্রকে কামলা উপাধি দিয়ে বাসা থেকে বের করে দিয়েছে। আমি মন মরা হয়ে মাকে বললাম,
- মা, নেক্সট টাইম এত বড়লোক ঘরের মেয়ে না দেখে আমাদের মত নিন্মমধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে দেখো। তাহলে হয়তো এতোটা অ'পমান করবে না।

খালা তখন আমায় বললো,
- কামলাকে তো কামলায় বলবে। আমার ছেলের মতো ভালো করে পড়াশোনা করলে আজ বিদেশ গিয়ে কামলা খাটতে হতো না। তুই পরেরবার মেয়ে দেখতে গেলে আর আমার ছেলেকে সাথে নিয়ে যাস না যে। তোর জন্য আমার ঢাকা ভার্সিটিতে পড়ুয়া ছেলে অ'প'মানিত হোক সেটা আমি চাই না, আমি কিছু না বলে মাথা নিচু করে চুপচাপ নিজের রুমে চলে গেলাম।

কয়েকদিন পর অর্পা নামের একটা মেয়েকে দেখতে যায়। মেয়ে আমার খুব পছন্দ হলে মেয়ের সাথে আমাকে একা কথা বলতে বলে। আমি আর মেয়ে যখন আলাদা রুমে যায় তখন মেয়ে সাথে সাথে দরজা লাগিয়ে আমার দিকে রাগী চোখে তাকিয়ে বললো,

- আপনাদের মত প্রবাসীদের এই এক সমস্যা। বিদেশে গিয়ে সুইপারের কাজ করবে আর দেশে এসে টাকার ফুটানি দেখিয়ে মধ্যবিত্ত পরিবারের সুন্দরী আর শিক্ষিতা মেয়েকে বিয়ে করতে চাইবে। আপনার টাকা পয়সা দেখে আমার বাবা মা গলে গেলেও আমি গলবো না। আপনি আমায় বিয়ে করলে আমি আমার পছন্দের ছেলের সাথে বিয়ের পরের দিন পালাবো বলে দিলাম। তাছাড়া আপনার সাহস কতবড় নিজে ইন্টার ফেল করা ছেলে হয়ে অনার্সে পড়া মেয়েকে বিয়ে করতে চাইছেন?

আমি মাথা নিচু করে মেয়ের কাছে হাত জোর করে বললাম,
আমি জানতাম না আপনি অনার্সে পড়েন। জানলে আমি আসতাম না। দয়া করে আমায় আর অ'প'মান করেন না যে।
এই কথা বলে মেয়ের বাসা থেকে বের হয়ে আসলাম।

রাতে নিজের বাসায় ফিরে এসে দেখি মা, খালা আর খালাতো ভাই সোফাই বসে আছে। মা আমায় দেখে বললো,
- কিরে, মেয়ে পছন্দ হয়েছে?
- আমি তখন মাকে বললাম, শুধু আমার একা পছন্দ হলে তো হবে না। আমাকেও তো মেয়ের পছন্দ হতে হবে। মেয়ে আমার মত ইন্টার ফেল করা প্রবাসী ছেলেকে বিয়ে করতে পারবে না।

এই কথা শুনে মায়ের পাশে বসে থাকা খালা আর খালাতো ভাই হেসে দিলো। হাসতে হাসতে খালাতো ভাই আমায় বললো,
- তোমার কপালে আর বউ জুটবে না।
- খালা তখন মুখ বাঁকিয়ে বললো,
- বউ জুটবে কি করে, বিদেশ গিয়ে রেস্টুরেন্টের থালা বাসন ধুলে কি আর বউ পাওয়া যাবে?!

আমি সচরাচর বড়দের মুখের উপর কথা বলি না। কিন্ত খালার বারবার অ'প'মান করে কথা বলা আমার সহ্য হচ্ছিলো না। তাই একটু রেগে গিয়েই খালাকে বললাম,
- হার্ট ব্লক হয়ে যখন হাসপাতালে পড়ে ছিলেন তখন এই কামলায় কামলাগিরি করে আপনাদেরকে দুইলাখ টাকা পাঠিয়েছিলো অপারেশনের জন্য। আপনার ছেলের আইফোনের শখ পূরণ করেছিলো এই কামলায় কামলাগিরি করে। আমি জানি এই দেশের মানুষের চোখে আমরা সকল প্রবাসীরা কমলা। তাই দয়া করে বারবার কামলা কামলা বলে সেটা মনে করিয়ে দিতে হবে না।

আমার কথা শুনে খালাতো ভাইটা রেগে গিয়ে বললো,
- দুইলাখ টাকা আর একটা আইফোন দিয়েছো বলে আমার মাকে যা তা বলে অ'প'মান করতে পারো না। সময় হলে তোমার টাকা আর ফোন তোমার মুখে ছুড়ে মা*রবো।
আমি আমার খালাতো ভাইকে কিছু না বলে শুধু একটু হাসলাম। পরদিন সকালে মাকে ডেকে বললাম,
- মা, আমি এখন বিয়ে করবো না। আরো কয়েকবছর প্রবাসে কামলাগিরি করে আসি তারপর একেবারে দেশে এসে বিয়ে করবো।

৪ বছর পরের ঘটনা—

আমি দেশে এসেছি শুনে আমার খালা আর খালাতো ভাই আমার সাথে দেখা করতে এসেছে। খালা আমার দিকে অসহায় দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললো,
- তুই যেখানে জব করিস সেখানে সুজনের একটা কাজের ব্যবস্থা করে দিতে পারবি?
পাস করার পর তিন বছর ধরে বেকার ঘুরছে কোথাও কোন চাকরি পাচ্ছে না।
আমি হেসে খালাকে বললাম,
- তোমার শিক্ষিত ছেলে বিদেশ গিয়ে কামলাগিরি করবে তোমার খারাপ লাগবে না? পরে তো নিজের ছেলের জন্য বউ খুঁজে পাবে না।

খালা আমার কথা শুনে চুপ হয়ে আছে। আমি তখন খালাতো ভাইটাকে বললাম নিজে যখন কষ্ট করে টাকা ইনকাম করবি তখন অন্য কারো মুখে টাকা ছুড়ে ফেলবার ইচ্ছে হবে না। খালা আর খালাতো ভাইটা আমার কথা শুনে মাথা নিচু করে আছে। আমি আর কিছু না বলে বাসা থেকে বের হয়ে গেলাম।

একটা বিষয়ে পরামর্শের জন্য এক পরিচিত উকিলের কাছে গেলাম। গিয়ে দেখি ঐ আংকেল যার মেয়েকে আমি বিয়ে করতে গিয়ে ছিলাম বলে আমাকে অ'প'মান করে বের করে দিয়েছিলো উনি উলিকের সাথে কথা বলছে।

আংকেল চলে গেলে আমি উকিলকে জিজ্ঞেস করলাম,
- উনি এইখানে এসেছিলো কেন?
উকিল তখন বললো,
- উনার মেয়ের ডিভোর্সের বিষয় কথা বলতে। অনেক বড় ঘরে মেয়েকে বিয়ে দিয়েছিলো কিন্তু জামাইটা নে*শাখোর।মেয়েকে অত্যাচার করে বলে মেয়ে সংসার করতে চাইছে না।

তার কয়েকদিন পর বাসায় বসে খবরের কাগজ পরছি। হঠাৎ একটা লেখা দেখে চোখটা আটকে গেলো। “স্বামীর পরকীয়ার জের ধরে স্ত্রীর আত্মহ*ত্যা” ফ্যানে ঝুলন্ত লা*শটার দিকে তাকিয়ে দেখি মেয়েটা অর্পা। আমি প্রাবাসী দেখে যে মেয়েটা আমায় অ'প'মান করেছিলো।

তারপর কাগজের পেপারটা ভাজ করে পাশে রাখলাম। কিছুক্ষণ আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবলাম, এসব খবর আমাদের প্রবাসিদের পড়ার জন্য না। কারণ ২০২০ সালে করোনা মহামারীতেও আমরা বাংলাদেশের প্রবাসীরা ২২ বিলিয়ন ডলার অর্জন করে দেশের অর্থনীতি সচল রাখছি। তবুও দেশে জন্য আমরা প্রবাসিরা বোঝা!

13/04/2025

Inshallah ❣️❤️❣️

আমাদের কুষ্টিয়া আর পাবনার  ঐতিহ্য
10/04/2025

আমাদের কুষ্টিয়া আর পাবনার ঐতিহ্য

কুষ্টিয়ার বিখ্যাত কুলফি মালাই।😋😋😋
10/04/2025

কুষ্টিয়ার বিখ্যাত কুলফি মালাই।😋😋😋

05/04/2025

বসন্তের দুপুরে ❤️❣️❤️

ঈদকে আমরা কঠিন করে ফেলছি আল্লাহ বলছেন ঈদের দিন ভাল পোশাক পরতে পরিচ্ছন্ন পোশাক পরতে উত্তম পোশাক পরতে।কিন্তু আমরা এটাকে ঈদ...
28/03/2025

ঈদকে আমরা কঠিন করে ফেলছি
আল্লাহ বলছেন ঈদের দিন ভাল পোশাক পরতে পরিচ্ছন্ন পোশাক পরতে উত্তম পোশাক পরতে।

কিন্তু আমরা এটাকে ঈদের কেনাকাটা এমন জায়গায় নিয়ে গেছি যেটা এখন গরিব মানুষের জন্য কষ্টসাধ্য।

বাসায় থাকা সুন্দর পরিচ্ছন্ন সকল পোশাকের মধ্য থেকে যে পোশাকটা উত্তম সেটা পড়ে ঈদ করা সম্ভব।

হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও লালন শাহ্ সেতু দুটোই আমাদের কুষ্টিয়ার ইতিহাস ও ঐতিহ্য বহন করে 🌸🌼 Love you ❤ কুষ্টিয়া❤️
27/03/2025

হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও লালন শাহ্ সেতু দুটোই আমাদের কুষ্টিয়ার ইতিহাস ও ঐতিহ্য বহন করে 🌸🌼

Love you ❤ কুষ্টিয়া❤️

ইউনূস ধার্মিক মানুষ না। উনি একজন লিবারেল ডেমোক্রেট। হাসিনার মতো তাহাজ্জুদের গল্প উনি শোনান না। অথচ ইউনূসের হাত ধরেই হজ্জ...
25/03/2025

ইউনূস ধার্মিক মানুষ না। উনি একজন লিবারেল ডেমোক্রেট। হাসিনার মতো তাহাজ্জুদের গল্প উনি শোনান না। অথচ ইউনূসের হাত ধরেই হজ্জের জন্য বিশেষ অ্যাপ তৈরি হলো। দোয়া থেকে শুরু করে চিকিৎসা পর্যন্ত পাবেন হাজ্বীরা।
এবারই প্রথম রমজানে সেহরি বা ইফতারে কারেন্ট গেল না। গ্রামের লোকজন যে কী আরাম পাইছে, তারাবী পড়ছে, তাহাজ্জুদ পড়ছে, চিন্তা করতে পারবেন না।

রমজান পার হয়ে ঈদ চলে আসলো। বাজার স্টেবল। কত মানুষ যে কতজনকে ইফতার করাইতে পারছে এবার। অথচ গতবার এইটা কমাতে হয়েছিলো অনেক। আজ ভাষণে ইউনূস বললেন, ঈদে আত্মীয় স্বজনের কবর জিয়ারত করবেন। শবে ক্বদরে দেশের জন্য দোয়া করবেন। গরীব আত্মীয়দের সাহায্য করবেন।

এই কথা বা কাজগুলো গত ১৫ বছর তথাকথিত তাহাজ্জুদ পড়া কওমী জননীর থেকে শুনতে পেয়েছিলেন?
পান নাই। পেয়েছিলেন আমি সবাইকে খাওয়াই, সবাইকে ইফতার করাই, দেশে প্রচুর উন্নয়ন হয়েছে, কোন গরীব নাই, মিষ্টি কুমড়ার বেগুনি খান, রমজানে এতো বেশি বেশি খান কেন? কম খান। সাথে তো তারাবি আর সাহরিতে লোড শেডিং ছিলো। ইভেন মসজিদের এসি চালাইতে না করছিলো গতবার।

অথচ ইউনূস নাকি ইসলাম বিরোধী। ইউনূস নাকি আমেরিকার দালাল। ইউনূস নাকি লিবারেল। সে আসলে ইসলাম ধ্বংস হয়ে যাবে। ফ্যাক্ট ইজ, এতো আরাম করে রমজান পালন এই দেশের মানুষ আগে করতেই পারে নাই। সাথে চাঁদরাতে অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিছে। ঈদের দিন হবে বাংলা সালতানাতের ঐতিহ্যবাহী ঈদ মিছিল।

ইউনূসের হাত ধরেই আমাদের এই বাঙালি মুসলমানের ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার শুরু হলো। তাই লেবাস দেখে, পারসেপশন দেখে বা ধর্মের মুখোশ দেখে কে ভালো কে খারাপ প্রচার কইরেন না। অযোগ্যরাই কেবল চুরি করে, খুন করে, গুম করে এসে তাহাজ্জুদের গল্প শোনায়।

যোগ্যরা দায়িত্ব পাইলে গল্প না শুনিয়ে মানুষের ধর্ম পালনটা সহজ আর সুন্দর করে দেয়। একজন শাসকের জন্য এরচে বড় ইবাদত আর কী হতে পারে, বলেন তো?

- সাদিকুর রহমান খান

Address

Golapnagor, Bheramara
Kushtia
7040

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Entertainment by Ayat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category