24/04/2026
Follow: AR JI TA ...😊
https://www.facebook.com/profile.php?id=61587697959609 👈
সব ভালোবাসার কি আর সুন্দর শেষ হয়..? না হয় না। আমার গল্পটাও ঠিক তেমনি.....
আমার নাম সৃষ্টি পুরো নাম সৃষ্টি রহমান,, সাল তখন ২০২০ আমি তখন ৮ম শ্রেনিতে পরি,, পড়াশোনায় আমি বরাবরই ভালো কোনো ফেল এর রেকর্ড নেই আমার,, তখন সবে নতুন ক্লাস এ উঠেছি, ক্লাস শুরুর দিন ভিষণ আনন্দে বান্ধবীদের সাথে ক্লাসে গেছি,, ক্লাস করছি ছুটির আগে শুরু হয় ভিষণ বৃষ্টি...
আচ্ছা আগে সবার পরিচয় দেওয়া যাক,, আমি সৃষ্টি রহমান এই গল্পটা আমার,, আমার বাবা সৃজন রহমান এবং আমার মা সিনথিয়া রহমান,, আমার বাবা বাংকে চারকি বলতে গেলে আমরা মধ্যবিত্ত পরিবার,, আমি আমার বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান,, তাদের দুই জনের চোখের মনি আমি,,, সৃষ্টি দেখতে খুবই মায়াবী তবে ফর্সা নয় শ্যামলা, লম্বা কোমর ছাড়নো চুল,, চানা চানা চোখ গোলগাল ফেস ওর,, সব মিলে মায়াবী ও ফর্সা না হলেও দেখতে সুন্দর লাগে ওকে,, আচ্ছা এবার গল্পে যাওয়া যাক,,,
কিরে সৃষ্টি আজকে মনে হচ্ছে না আর বাড়ি যেতে পারবো বলে যা বৃষ্টি শুরু হয়েছে, কিরে কিছু বল
যেতে পারবো না তোকে কে বললো রে নীলা, আজকে না হয় আমরা দুই বান্ধবী বৃষ্টি বিলাস করতে করতে যাবো চল নীলা আয়
বলেই সৃষ্টি ক্লাস থেকে বের হয়ে বৃষ্টি তে ভিজতে লাগলো,,আর নীলা অবাক হয়ে দেখতে লাগলো,, আচ্ছা সৃষ্টি তুই যে এতো ভিজতেছিস আন্টি জানলে তোর অবস্থা শেষ,,,
তুই বাদ দে তো নীলা মাকে আমি সামলিয়ে নিবো প্রতিদিন তো আর ভিজবো না একদিন ভিজলে কিছুই হবে না,,,
তারপরেও সৃষ্টি তুই জানিস না তোর বৃষ্টিতে ভিজলেই ঠান্ডা লাগে... তুই কি শুধু কথা বলেই যাবি তোর তো আর ভিজলে ঠান্ডা লাগে না আয় দুইজন মিলে ভিজবো এই বলে সৃষ্টি নীলাকে চেনে নিয়ে ভিজতে লাগলো,,, দুই জনে বেশ মজা করলো তারপরে ভিজতে ভিজতেই বাসার দিকে যেতে লাগলো,,,, সৃষ্টির বাবা ঢাকার এক ব্যাংকে চাকরি করে সেই ব্যাংকের ম্যানেজার সৃষ্টির বাবা,, আর নীলার বাবাও সেই ব্যাংকেই চাকরি করে তবে নীলার বাবা এমনি সাধারণ কর্মচারি,, তারা একই বিল্ডিং এ ভারা থাকে,, তাই দুই জনের মধ্যে ভিষণ ভালো বন্ধুত্ব,, সৃষ্টি আর নীলা ভিজতে ভিজতে যাচ্ছে বাসার দিকে মেইন গেট থেকে কিছুটাই দূরে ওরা দুইজন,,হঠাৎ ওরা দেখতে পেল ওদের বাসার গেটের সামনে একটা গাড়ি এসে থামলো আর পিছনে আরেকটা গারি তে অনেক আসবাবপত্র,, নতুন ভাড়াটিয়া এসেছে,,,
সৃষ্টি দেখ মনে হচ্ছে নতুন ভাড়াটিয়া এসেছে বল,,, হ্যা আমারও তাই মনে হচ্ছে রে নীলা
সৃষ্টি আর নীলা দুই জনে ওই বৃষ্টির মধ্যে দারিয়ে দারিয়ে দেখছিল যে কারা আসছে,, ওই প্রথম গাড়ি থেকে প্রথমে একটা ভদ্রলোক বের হলো তার পরে একটা ভদ্র মহিলা আর তারপর একটা সুদর্শন যুবক,, তারা গিয়ে গেটের ছাউনিতে দারাল,,,সৃষ্টি খুব ভালো করে দেখছিল ছেলেটার চুলে বিন্দু বিন্দু পানি লেগেছে ছেলেটা লম্বায় প্রায় ৫ ফুট ৮ বা ৯ তো হবেই,,, ফর্সা ঠিক না এই গায়ের রংকে উজ্জ্বল শ্যামলা বলে হয়তো,, ছেলেটার পরনে সাদা সার্ট আর গাড়ো বাদামী প্যান্ট,, চুল গুলো কপালের সামনে এসে পরেছে,, সব মিলে যে কেনো মেয়েই প্রেমে পরে যাবে,,, সৃষ্টিও পরেছে,, এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে ছেলেটার দিকে,,,
সৃষ্টি এই সৃষ্টি,, সৃষ্টি,, কিরে শুনছিস না কেন এই সৃষ্টি,, এই বলে হালকা ধাক্কা দিল নীলা সৃষ্টিকে..
হ্যা কি,, কি হয়েছে বল নীলা,,, কি হয়েছে মানে সেই কখন থেকে ডেকে যাচ্ছি তোকে শুনছিস না কোন ধ্যান এ আছিস এমনিতেই তোর বৃষ্টিতে ভিজলে ঠান্ডা লাগে তার মধ্যে এইভাবে এত সময় দারিয়ে আছিস তুই,, চল এবার বাসায় যাই,, হ্যা চল... তো এই বলে সৃষ্টি আর নীলা বাসার চলে গেল,, নীলা নীলার বাসার ভিতরে ঢুকলো তবে সৃষ্টি বাসার দরজার সামনে দারিয়ে আছে,, ও তো সাহস পাচ্ছেই না ভিতরে ঢোকার,, না জানি কি অপেক্ষা করছে ওর জন্য,, অনেক সাহস নিয়ে দরজায় নক করলো ও আর সাথে সাথেই দরজা খুলে গেল....
আসছিস তুই........
চলবে...
#গল্প: #মায়াবী_শ্যামোলিনি
#লেখক: #অর্জিতা_আর্জা ( ছদ্মনাম)