02/07/2026
মৈথুন শেষে প্রতিটা রমণীকে মনে হয় জননী
অথচ প্রেমিকাদের কাছে গেলে
আমি ভুলে যাই কেউ আমায় জন্ম দিয়েছিল!
০২
গুলি কোরে মারা যেত, তবু তাকে মারলাম চুমু দিয়ে,
কেননা মূহুর্তে একেকটি গুলি একেকটি নক্ষত্রের চেয়ে দামী,
তাই, অনেস্টলি চুমুগুলো গুলি বানিয়ে বন্দুকে ভরে নিলাম।
যেহেতু বিগ্রহের তৃতীয় দৃশ্য আমি চুমুতেই মুছে দিতে চাই!
০৩
বিষণ্ণ ঈশ্বরের ঠোঁটে আমরা
চিরকাল জ্বলছি ক্ষীয়মাণ সিগারেট হয়ে;
কবর আর শ্মশানগুলি মূলত সিগারেটের অ্যাস্ট্রে
এরবেশি কিছু নয়!
০৪
সাময়িক প্রেমের কায়দা জানা নেই
তাই পাঁচ আঙ্গুলেই সেরে নিই সমাসবদ্ধ প্রণয়ের কাজ,
লাজ আমার যেহেতু নেই
নেই হাতেরও কোনো
প্রতিটা আঙ্গুল নাচে কৃত্তিম দরদে!
এই ভূমিহীন মরদের ওরাই মূলত প্রেমিকা
শরীরে বিনামূল্যে যারা ফোটায় সাবলীল সুখ!
০৫
কোথায় যাও হে ভবঘুরে ঈশ্বর?
কবরে?
শ্মশানে?
নাকি ব্রোথেলে?
শুনেছি আরেকটি নতুন ঈশ্বরের খোঁজ পাওয়া গেছে
সেই ঈশ্বর ভাত খেতে পারে
এবং নিয়মিত সঙ্গমে পারদর্শী!
তুমি কি তাঁর দিকেই যাচ্ছো?
নাকি অন্যকিছু?
আত্মহত্যা নয়তো, ঈশ্বর?
০৬
পৃথিবীটা গ্যালাক্সির একমাত্র পানশালা
যেখানে 'জীবন' এসেছে সময়ের উচ্ছিষ্ট মদ খেতে
এবং কিছুকাল মাতলামির পর
'মৃত্যু' এসে তাকে ঘাড় ধরে নিয়ে যায়, ঘরে...
০৭
পরকালে নিজের আমলনামা হাতে পাওয়ার পর
আর সবাই কি করবে জানি না
তবে আমি সেখানে পার্মান্যান্ট মার্কার দিয়ে
একখানা প্রেমের কবিতা লিখতে চাই
এবং আমার দৃঢ়বিশ্বাস যে,
ঈশ্বর আমলনামার পরিবর্তে আমার হাতে
ধরিয়ে দিবেন একখানা A4 সাইজের সাদাকাগজ।
-
মাতালগুচ্ছ || আদিত্য আনাম
Rokonuzzaman Riyad