24/02/2026
ঘরে হালাল স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও পুরুষ কেন অন্য নারীর শরী-র খোঁজে?
প্রশ্নটা কেবল শরীরের নয়—প্রশ্নটা মানসিকতা, অভাব, অবহেলা আর চ'রি'ত্রেরও। আমরা খুব সহজে বলি—“পুরুষদের স্বভাবই এমন।” কিন্তু আসল সত্যটা এত সরল নয়।
একজন পুরুষ যখন নিজের ঘরে একজন হালাল স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও অন্য নারীর শরীরের দিকে হাত বাড়ায়, তখন তার ভেতরে কিছু না কিছু ভাঙন তৈরি হয়। সেই ভাঙন কখনো তার নিজের দুর্বলতা, কখনো সম্পর্কের ফাঁক, কখনো দীর্ঘদিনের অবহেলা।
তবে একটা বিষয় স্পষ্ট—অবহেলা কখনো বি'শ্বা'সঘা'তকতার লাইসেন্স নয়। কিন্তু অবহেলা অনেক সময় মানুষকে দুর্বল করে তোলে।
১ অবহেলিত পুরুষের ভেতরের নীরব ক্ষুধা!
অনেক পুরুষ আছে যারা দিনের পর দিন স্ত্রীর কাছে মানসিকভাবে অবহেলিত বোধ করে।
✔️ কথা বললে গুরুত্ব পায় না
✔️ কষ্ট বললে শোনা হয় না
✔️ ভালোবাসা প্রকাশ করলে ঠাণ্ডা প্রতিক্রিয়া পায়
✔️ প্রয়োজনের সময় পাশে কাউকে পায় না
ধীরে ধীরে তার ভেতরে জমতে থাকে এক ধরনের শূন্যতা।
এই শূন্যতা শুধু শরীরের নয়—এটি স্বীকৃতির, সম্মানের, স্পর্শের, চাওয়া হওয়ার।
যখন ঘরে সে নিজেকে অপ্রয়োজনীয় মনে করে, তখন বাইরে কারো সামান্য হাসি, সামান্য যত্ন, সামান্য আগ্রহ—তার কাছে বড় মনে হয়।
২ পুরুষের চাওয়া শুধু শরীর নয়!
বাইরে থেকে মনে হতে পারে পুরুষ শুধু শরীর চায়।
কিন্তু গভীরে গেলে দেখা যায়— সে চায়: তাকে কেউ গুরুত্ব দিক, কেউ তার দিকে আগ্রহ নিয়ে তাকাক
কেউ তাকে চাইছে—এই অনুভূতি পাক
শরীর অনেক সময় সেই মানসিক ক্ষুধার বাহানা হয়ে যায়।
৩ সম্পর্কের একঘেয়েমি ও দূরত্ব
বিয়ের পর অনেক সম্পর্কেই ধীরে ধীরে রোমান্স কমে যায়।
দায়িত্ব বাড়ে, ক্লান্তি বাড়ে, কিন্তু ভালোবাসা প্রকাশ কমে যায়। স্বামী–স্ত্রীর মধ্যে যদি কথা কমে যায়, প্রশংসা বন্ধ হয়ে যায়, একসাথে সময় কাটানো কমে যায়, তাহলে আবেগিক দূরত্ব তৈরি হয়। এই দূরত্ব থেকেই অনেক সময় ভুল পথে হাঁটা শুরু হয়।
৪ তবে সত্যিটা অস্বীকার করা যাবে না
সবকিছুর পরেও একটা কঠিন সত্য আছে— অনেক পুরুষ কেবল চরিত্রের দুর্বলতার কারণেই অন্য নারীর দিকে যায়। না অবহেলা, না মানসিক ক্ষুধা—শুধু নিয়ন্ত্রণহীন চা'হি'দা।
অবহেলা ব্যথা দিতে পারে, কিন্তু বিশ্বাসঘাতকতা একটি সিদ্ধান্ত।
৫ নারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা
যদি কখনো এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হন— নিজেকে অযোগ্য ভাববেন না। কারো চরিত্রের দুর্বলতা আপনার সৌন্দর্য,