16/07/2026
শিক্ষিত বেকারত্ব নিয়ে আমাদের সমাজে সবসময়ই নানা আলোচনা হয়, কিন্তু বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কিছু না বলে পারছি না।
প্রায়ই দেখি দুর্যোগের দোহাই দিয়ে পরীক্ষা স্থগিত করা বা অটো পাসের দাবি তোলা হচ্ছে। পাস বা জিপিএ-৫ এর হার বাড়ানোর দৌড়ে আমরা কি প্রকৃত শিক্ষা থেকে দূরে সরে যাচ্ছি না? সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায়ই দেখি পরীক্ষা কঠিন হলে বা প্রশ্ন স্ট্যান্ডার্ড হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। দুর্যোগ বিবেচনায় পরীক্ষা না নেওয়ার বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে যৌক্তিক মনে হলেও, পরীক্ষার মান বা শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে যে অভিযোগগুলো ওঠে, তা আমার কাছে খুব একটা সুখকর মনে হয় না।
বাস্তবতা হলো, শতভাগ পাস বা শতভাগ জিপিএ-৫ করেও শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত চাকরি পাচ্ছে না। কারণ, আমরা হয়তো পড়াশোনাকে কেবল রেজাল্ট নির্ভর করে ফেলেছি। আমি নিজেও একসময় রেজাল্ট কেন্দ্রিক পড়াশোনা করেছি, কিন্তু পরবর্তীতে উপলব্ধি করেছি যে—সেই পড়াশোনা আমাকে বাস্তব কর্মক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জগুলোর জন্য প্রস্তুত করতে পারেনি। অল্প পরিশ্রমে ভালো রেজাল্ট করার যে মোহ, তা আমাদের দীর্ঘমেয়াদী সফলতার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পরীক্ষা কঠিন হওয়া বা প্রশ্ন মানসম্মত হওয়া জরুরি। এতে শিক্ষার্থীরা বুঝবে যে, কেবল মুখস্থ বা সিলেবাসের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকা যথেষ্ট নয়, বরং আরও শিখতে হবে এবং জানতে হবে। পরীক্ষা কঠিন হলে মেধাবীরা সঠিক মূল্যায়ন পাবে, চাকরির বাজারে তারা এগিয়ে থাকবে এবং তারাই ভবিষ্যতে অন্যদের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে। যেদিন আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা আর দক্ষতা একে অপরের পরিপূরক হবে, সেদিনই দেশটা সত্যিই সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।
আপনারা কি মনে করেন, পরীক্ষার হার বাড়ানোই কি শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত, নাকি শিক্ষার মান উন্নয়ন বেশি প্রয়োজন?"
শিক্ষিত বেকারত্ব নিয়ে আমাদের সমাজে সবসময়ই নানা আলোচনা হয়, কিন্তু বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কিছু না বলে পারছি না।
প্রায়ই দেখি দুর্যোগের দোহাই দিয়ে পরীক্ষা স্থগিত করা বা অটো পাসের দাবি তোলা হচ্ছে। পাস বা জিপিএ-৫ এর হার বাড়ানোর দৌড়ে আমরা কি প্রকৃত শিক্ষা থেকে দূরে সরে যাচ্ছি না? সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায়ই দেখি পরীক্ষা কঠিন হলে বা প্রশ্ন স্ট্যান্ডার্ড হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। দুর্যোগ বিবেচনায় পরীক্ষা না নেওয়ার বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে যৌক্তিক মনে হলেও, পরীক্ষার মান বা শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে যে অভিযোগগুলো ওঠে, তা আমার কাছে খুব একটা সুখকর মনে হয় না।
বাস্তবতা হলো, শতভাগ পাস বা শতভাগ জিপিএ-৫ করেও শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত চাকরি পাচ্ছে না। কারণ, আমরা হয়তো পড়াশোনাকে কেবল রেজাল্ট নির্ভর করে ফেলেছি। আমি নিজেও একসময় রেজাল্ট কেন্দ্রিক পড়াশোনা করেছি, কিন্তু পরবর্তীতে উপলব্ধি করেছি যে—সেই পড়াশোনা আমাকে বাস্তব কর্মক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জগুলোর জন্য প্রস্তুত করতে পারেনি। অল্প পরিশ্রমে ভালো রেজাল্ট করার যে মোহ, তা আমাদের দীর্ঘমেয়াদী সফলতার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পরীক্ষা কঠিন হওয়া বা প্রশ্ন মানসম্মত হওয়া জরুরি। এতে শিক্ষার্থীরা বুঝবে যে, কেবল মুখস্থ বা সিলেবাসের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকা যথেষ্ট নয়, বরং আরও শিখতে হবে এবং জানতে হবে। পরীক্ষা কঠিন হলে মেধাবীরা সঠিক মূল্যায়ন পাবে, চাকরির বাজারে তারা এগিয়ে থাকবে এবং তারাই ভবিষ্যতে অন্যদের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে। যেদিন আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা আর দক্ষতা একে অপরের পরিপূরক হবে, সেদিনই দেশটা সত্যিই সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।
আপনারা কি মনে করেন, পরীক্ষার হার বাড়ানোই কি শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত, নাকি শিক্ষার মান উন্নয়ন বেশি প্রয়োজন?"
শিক্ষিত বেকারত্ব নিয়ে আমাদের সমাজে সবসময়ই নানা আলোচনা হয়, কিন্তু বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কিছু না বলে পারছি না।
প্রায়ই দেখি দুর্যোগের দোহাই দিয়ে পরীক্ষা স্থগিত করা বা অটো পাসের দাবি তোলা হচ্ছে। পাস বা জিপিএ-৫ এর হার বাড়ানোর দৌড়ে আমরা কি প্রকৃত শিক্ষা থেকে দূরে সরে যাচ্ছি না? সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায়ই দেখি পরীক্ষা কঠিন হলে বা প্রশ্ন স্ট্যান্ডার্ড হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। দুর্যোগ বিবেচনায় পরীক্ষা না নেওয়ার বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে যৌক্তিক মনে হলেও, পরীক্ষার মান বা শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে যে অভিযোগগুলো ওঠে, তা আমার কাছে খুব একটা সুখকর মনে হয় না।
বাস্তবতা হলো, শতভাগ পাস বা শতভাগ জিপিএ-৫ করেও শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত চাকরি পাচ্ছে না। কারণ, আমরা হয়তো পড়াশোনাকে কেবল রেজাল্ট নির্ভর করে ফেলেছি। আমি নিজেও একসময় রেজাল্ট কেন্দ্রিক পড়াশোনা করেছি, কিন্তু পরবর্তীতে উপলব্ধি করেছি যে—সেই পড়াশোনা আমাকে বাস্তব কর্মক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জগুলোর জন্য প্রস্তুত করতে পারেনি। অল্প পরিশ্রমে ভালো রেজাল্ট করার যে মোহ, তা আমাদের দীর্ঘমেয়াদী সফলতার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পরীক্ষা কঠিন হওয়া বা প্রশ্ন মানসম্মত হওয়া জরুরি। এতে শিক্ষার্থীরা বুঝবে যে, কেবল মুখস্থ বা সিলেবাসের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকা যথেষ্ট নয়, বরং আরও শিখতে হবে এবং জানতে হবে। পরীক্ষা কঠিন হলে মেধাবীরা সঠিক মূল্যায়ন পাবে, চাকরির বাজারে তারা এগিয়ে থাকবে এবং তারাই ভবিষ্যতে অন্যদের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে। যেদিন আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা আর দক্ষতা একে অপরের পরিপূরক হবে, সেদিনই দেশটা সত্যিই সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।
আপনারা কি মনে করেন, পরীক্ষার হার বাড়ানোই কি শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত, নাকি শিক্ষার মান উন্নয়ন বেশি প্রয়োজন?"
#বেকারত্ব #বাস্তবতা #শিক্ষাব্যবস্থা #সচেতনতা