Apon

Apon পেজ:নিজ হাতে লেখা সাহিত্য~রোমান্টিক গল্প, বিভিন্ন রকম কবিতা🖋️📖
প্রকৃতির ~ছবি; ভিডিও 🌿🏞️

মানুষের সকল আবর্জনা কোথায় জমা থাকে জানেন?এই মস্তিষ্কের ভিতর। দুঃখ, যন্ত্রণা কিংবা নোংরামি করার চিন্তাভাবনা।আর কিছু কাঁদ...
15/03/2026

মানুষের সকল আবর্জনা কোথায় জমা থাকে জানেন?এই মস্তিষ্কের ভিতর। দুঃখ, যন্ত্রণা কিংবা নোংরামি করার চিন্তাভাবনা।আর কিছু কাঁদিয়ে দেওয়া স্মৃতি ।এই সবকিছু যদি ধুয়ে পরিষ্কার করা যেত।
পানিতে তো ধোঁয়া যায় না, তবে রূপক অর্থে যায়।সেটার জন্য অন্য ধাপে উঠতে হয় পিছনের ধাপ ফেলে। ততক্ষণে আবার এই মস্তিষ্ক ক্লান্তও হয়ে যায়।তবুও কিছু আবর্জনা মস্তিষ্কের ভিতর থেকে যায়। সত্যিই যদি হাতের ময়লা ধোয়ার মতো ,এটাও যদি ধোয়া যেত।
✍️ িশ্বাস

💙💙
31/01/2026

💙💙

"নারী শক্তি "শরৎ জুড়ে       খুশির তালে।পুজো পুজো      গন্ধ লাগে।নারী শক্তির     চরণ তলে।তাজা ফুলের        ঘ্রাণ ঝড়ে।তা...
24/09/2025

"নারী শক্তি "
শরৎ জুড়ে
খুশির তালে।
পুজো পুজো
গন্ধ লাগে।
নারী শক্তির
চরণ তলে।
তাজা ফুলের
ঘ্রাণ ঝড়ে।

তার দশ হাতে
অসুরের বধ।
মুছে যাবে
আঁধারের পথ।
উঠলে জেগে
নারী শক্তি।
সব বদ লোকে
পাবে শাস্তি।

নারীর গর্ভে
পুরুষ লালন।
নর নারী দুই
শক্তির ধারণ।
চাইলে নারী
গর্ভে তারে।
বধ করিয়া
রাখতে পারে।

একটি নারী
মোর স্ত্রী।
একটি নারী
মায়ের শক্তি।
কিছু আছে
আমার সখা।
বাকি আছে
মোর বোনেরা।

সবার চোখে
দেখি কান্না।
নিচ্ছে বিদায়
আজ আমার মা।
যাচ্ছে না মা
নিচ্ছে না বিদায়।
সবখানে মা
আছে সর্বদায়।

তার আগমন
জল স্থল নয়।
কিংবা কাঠের
কোন নৌকায়!
ধারণ করতে
পারে নারী।
একটি করে
দুর্গা মূর্তি।
✍️ িশ্বাস
📌 ধর্ম যার যার উৎসব সবার।
:-নারী একই সাথে স্ত্রী ,একই সাথে বোন একই সাথে মা । তবে মা হিসেবে সে তার গর্ভে নর নারী উভয়েরই ধারণ করতে পারে।এটাই তার বড় শক্তি।। চাইলে সে তার সন্তানের গর্ভেয় বধ করতে পারে। কিন্তু সে লালন করে এজন্যই সে মা।দুর্গার ভক্তি ভরে পূজা নয়, বরং যেদিন প্রতিটি নারী মা দুর্গার রূপ ধারণ করবে সেদিন পৃথিবীর অর্ধেক পাপ ধংস হবে ।
নারী ক্রুদ্ধ হলে গায়ে হাত তুলতে হয় না। হাত জোর করে মিনতি 🙏করতে হয়।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব এর শুভেচ্ছা।🌷🌷

Abhi Abhi to jindegi suru hay... Abhi Abhi jany Q....
14/09/2025

Abhi Abhi to jindegi suru hay... Abhi Abhi jany Q....

 #সাম্যের_পৃথিবী কত ভেদাভেদে ভরা      পৃথিবী বৈচিত্র্যে গাঁথা।মালিক হুকুম করে      ভৃত্য ঠেলে ভারী বোঝা।সহ্য কর সব ব্যথা...
29/08/2025

#সাম্যের_পৃথিবী
কত ভেদাভেদে ভরা
পৃথিবী বৈচিত্র্যে গাঁথা।
মালিক হুকুম করে
ভৃত্য ঠেলে ভারী বোঝা।
সহ্য কর সব ব্যথা
মালিকের দাস মোরা।
মালিকের করুনায়
পেটে জোটে অন্ন দানা।

ইহুদি মুসলিম হিন্দু
ময়দানে তাদের যুদ্ধ।
কত জীবন কেড়েছে
কত করেছে রক্তাক্ত।
মায়ের পেটের শিশু
কোথায় ধর্মের চিহ্ন?
দুনিয়ার বুকে দেখি
ভেদাভেদে এক চিত্র।

চর্মে কারো শ্বেত বর্ণ
কারোর কুচকুচে কালো।
ঘৃণা বড্ড লাগে তার
যার গায়ে শ্বেত চর্ম।
এরা হলো ক্ষণিকের
বোঝে না সৃষ্টির মর্ম।
তারা সুখের নেশায়
অবজ্ঞার সাথে মত্ত।

সাম্যের দণ্ডতে গড়া
সুন্দর এক পৃথিবী।
যেথা নেই ভেদাভেদ
ক্ষমতার প্রতিপত্তি।
নেই অর্থ বিনিময়ে
সুখের বাজার মূল্য।
ভালোবাসা হারানোর
নেই বুক ভরা কষ্ট।

জানি মৃত্যু অনিবার্য
ফকির কিংবা ধনপতি।
পরকালে গিয়ে হবে
কিতাবের শর্তে শাস্তি।
হে ঈশ্বর ভগবান
আমার প্রাণের ক্ষোদা।
এ মাথা দিয়েছি পেতে
দিন প্রাণ ভরে সাজা।

একটাই ছিল আবদার
মাথা পেতে চাচ্ছি ক্ষমা।
গীতা কুরআন বাইবেল
পবিত্র বইয়ের পাতা।
তবু আজ মিথ্যা হোক
শাস্তির সকল কথা।
হিন্দু মুসলিম ইহুদি
আজ কারও নয় সাজা।

বৃদ্ধ বুড়ি কেঁদে মরে
এক পঙ্গু কামড়ে মাটি।
কষ্টের এক চিৎকার
দুর্ভাগা আমার নিয়তি।
কৃষ্ণ বর্ণের মেয়েটা
তার ঐ মনে আফসোস।
যেন জন্ম কালে আমি
করেছি কোথায় দোষ?

পরলোকে কারো নরক
কারো ফুল ভারা স্বর্গ।
হে ঈশ্বর ভগবান
চেয়েছি সাম্যের চিত্র।
দুনিয়ার অর্থ বলে
পড়েছি যে যাতা কলে।
রূপ বিক্রি হয় সেথা
টাকা অর্থ বিনিময়ে।

বিচারের ময়দানে
চাইছি সাম্যের পৃথিবী ।
তাদের সকল সাজা
ভোগ করবে এই পাপী।
গোটা মহাবিশ্ব ভরে
বয়ে যাক সুখ শান্তি।
তার বিনিময়ে আমি
সহে নেব তীব্র অগ্নি।

আমার সকল ইন্দ্রিয়
অগ্নিতে গলে পড়ুক।
আমার পশম গুলো
কোঁকড়া হয়ে ঝড়ুক।
আমার গোড়ালি ফেটে
অঝোরে ঝড়ুক রক্ত।
একটি পৃথিবী চেয়েছি
যেখানে সবাই সাম্য।

:- কখনো ভাবতে পারেন, আপনি যে রূপের পিছনে হাজার টাকা খরচ করেন তা একদিন মাটিতে গলে পচে যাবে।
কখনো ভাবতে পারেন আপনি যে দশ তালা বিল্ডিংয়ে ঘুমিয়ে অহংকার করেন সেখান থেকে আপনার ঈশ্বর/ভগবান/ ক্ষোদা আপনার কয়েক ফুট মাটির নিচে নামিয়ে দেবে।
কথায় আছে শিক্ষা "দুর্জনের" অহংকারী করে।এরা সামান্য সার্টিফিকেটে নিয়েও অহংকার করে। তার মৃত্যুর পর এগুলো কোন থলির মধ্য অকেজো হয়ে থাকবে।
"সার্টিফিকেটে অর্জন ও শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয়।"(প্রমথ চৌধুরী)
কৃপণ, মন্দ পথে অর্থ ব্যয় করা ধনী ফকিরের থেকে এবং সার্টিফিকেটে অর্জন করে অহংকার করা ব্যক্তি মূর্খের থেকে তুচ্ছ।
ক্ষমতা? বন্যা এলে মাছে পিঁপড়া খাই খরা হলে পিঁপড়া মাছ খাই। মানুষ কেন এই সামান্য কথা বোঝে না।
আজ মানুষের গড় আয়ু ৬০-৬৪। সামান্য এই জীবনে কেন ভেদাভেদ, অহংকার,স্বার্থপরতা, হিংসা?
কবিতার মূলভাব এইরকম নই।এই কর্মকাণ্ড পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষের জন্য কতটা পীড়াদায়ক তাই এর মূল কথা।এই পৃথিবীতে সত্যি আর কখনো সাম্য বয়ে আনবে না। রূপ,অর্থ,শক্তি, ধর্মের ভেদাভেদ। কিন্তু মৃত্যুর পর শাস্তির পূর্বে একটি আবদারের চিত্র কবিতায় ফুটে উঠেছে।তা হলো সাম্যের কামনা। প্রত্যেকের সুখ যেখানে কারো দুঃখ নেই, এমন হলে পৃথিবী কেমন হতো। প্রত্যেকে এক পাল্লায়। হাস্যরসাত্মক ভরে কবিতায় তারই কামনা।
িশ্বাস

বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন পড়ালেখায় খুব দুর্বল ছিলেন। একবার স্কুলের পরীক্ষায় তিনি একেবারেই ভালো করতে পারেননি।রেজাল্টের দ...
08/06/2025

বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন পড়ালেখায় খুব দুর্বল ছিলেন। একবার স্কুলের পরীক্ষায় তিনি একেবারেই ভালো করতে পারেননি।

রেজাল্টের দিন তার হাতে একটি চিঠি ধরিয়ে দিয়ে হেডমাস্টার বললেন, "চিঠিটা খুলো না। সোজাসুজি বাড়ি গিয়ে মায়ের হাতে দেবে।"

এডিসন তাই করলেন আর কৌতূহলবশত মায়ের কাছে জানতে চাইলেন, "মা, চিঠিতে কি লেখা আছে?"

মা মৃদু হেসে ছেলেকে শুনিয়ে জোরে জোরে চিঠিটি পড়লেন, "আপনার পুত্র খুব মেধাবী। এই স্কুলটি তার জন্য অনেক ছোট এবং এখানে তাকে শেখানোর মতো যথেষ্ট প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নেই। অনুগ্রহ করে আপনি নিজেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করুন।"

তারপর থেকে এডিসন মায়ের কাছেই শিক্ষা গ্রহণ করা শুরু করলেন। কালক্রমে তিনি হয়ে উঠলেন পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী। আবিষ্কার করলেন পৃথিবীর ইতিহাস বদলে দেওয়া ইলেকট্রিক বাল্ব। কিন্তু ছেলের এই সাফল্য নিজের চোখে দেখার জন্য তখন তার মা আর বেঁচে নেই।

হঠাৎ একদিন পুরোনো কাগজপত্র ঘাঁটতে ঘাঁটতে ভাঁজ করা একটা কাগজের দিকে এডিসনের চোখ আটকে গেল। তিনি কাগজটি হাতে নিয়ে খুলে দেখলেন সেটা সেই ছোটবেলার স্কুলের চিঠি। চিঠিতে লেখা ছিল, "আপনার সন্তান স্থুলবুদ্ধিসম্পন্ন এবং মেধাহীন। সে এই স্কুলের উপযুক্ত নয়। আমরা কোনোভাবেই তাকে আমাদের স্কুলে আর আসতে দিতে পারি না।"

পড়তে পড়তে এডিসনের চোখ ভিজে গেল। মায়ের কথা ভীষণ মনে পড়তে লাগল তার। তখনই তিনি ডায়েরিতে লিখলেন:

টমাস আলভা এডিসন ছিল মানসিকভাবে অসুস্থ এবং জড়বুদ্ধিসম্পন্ন শিশু, কিন্তু তার মা তাকে শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ প্রতিভাবান বিজ্ঞানী হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন।
#জীবন_চক্র

31/05/2025

Address

Jashore
Jessore

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Apon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category