Sharif Mahmud

  • Home
  • Sharif Mahmud

Sharif Mahmud Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sharif Mahmud, Art, Muksudpur, Gopalganj, Bangladesh, .

ফেসবুক চালানো অধিকাংশ নারী কখনো ভালো স্ত্রী হতে পারে না এবং কিছু কিছু পুরুষও ভালো স্বামী হতে পারে না– একটি বিশ্লেষণসোশ্য...
21/03/2026

ফেসবুক চালানো অধিকাংশ নারী কখনো ভালো স্ত্রী হতে পারে না এবং কিছু কিছু পুরুষও ভালো স্বামী হতে পারে না– একটি বিশ্লেষণ

সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার আধুনিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মানুষকে সংযুক্ত রাখার পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও গভীর প্রভাব ফেলছে। তবে, এই প্ল্যাটফর্মগুলোর অপব্যবহার অনেক সময় সম্পর্ক নষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

এই লেখায় আলোচনা করা হবে :
✅ কেন ফেসবুক চালানো অধিকাংশ নারী ভালো স্ত্রী হতে পারে না (কিছু ক্ষেত্রে)?
✅ কেন কিছু কিছু পুরুষও ভালো স্বামী হতে পারে না (ফেসবুকসহ অন্যান্য কারণে)?
✅ সঠিক সামাজিক মিডিয়া ব্যবহারের গুরুত্ব

---
ফেসবুক চালানো অধিকাংশ নারী কেন ভালো স্ত্রী হতে পারে না?

সব নারী একরকম নন, তবে বাস্তবতা হলো—অনেক নারী ফেসবুককে এমনভাবে ব্যবহার করেন যা দাম্পত্য জীবনে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

১. অনৈতিক চ্যাটিং ও সম্পর্ক গড়ে তোলা

অনেক নারী ফেসবুকে অপরিচিত বা পরিচিত ছেলেদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেন, চ্যাট করেন, যা অনেক সময় স্বামীর জন্য অসম্মানের কারণ হয়।

কিছু নারী নিজেদের সংসার নিয়ে অসন্তুষ্ট থাকলে ফেসবুকে অন্য কারও সঙ্গে মানসিক ঘনিষ্ঠতা তৈরি করেন, যা বিশ্বাসঘাতকতায় রূপ নিতে পারে।

একসময় এই সম্পর্কগুলো দাম্পত্য কলহের জন্ম দেয় এবং সংসার ভেঙে যায়।

২. সংসারের চেয়ে ফেসবুককে বেশি গুরুত্ব দেওয়া

কিছু নারী সারাদিন ফেসবুকে ব্যস্ত থাকেন, যার ফলে সংসার, স্বামী, সন্তান বা পরিবারের প্রতি তাদের সময় ও মনোযোগ কমে যায়।

রান্না-বান্না, ঘর সামলানো, স্বামী-সন্তানের প্রতি যত্নবান হওয়া—এসবের চেয়ে ফেসবুক স্ক্রল করা, কমেন্ট করা, লাইভ আসা বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

এর ফলে স্বামী উপেক্ষিত বোধ করেন এবং দাম্পত্য জীবনে টানাপোড়েন শুরু হয়।

৩. ব্যক্তিগত বিষয় ফেসবুকে শেয়ার করা

কিছু নারী স্বামীর সঙ্গে ছোটখাটো সমস্যা হলেও সেটা ফেসবুকে স্ট্যাটাস বা ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট দিয়ে জানান।

অনেক সময় পরিবার বা স্বামীর ব্যক্তিগত বিষয়ও তারা ফেসবুকে প্রকাশ করেন, যা পারিবারিক গোপনীয়তা নষ্ট করে।

এগুলো স্বামীর জন্য অসম্মানজনক হয় এবং সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

৪. অন্যদের জীবন দেখে নিজের সংসার নিয়ে অসন্তুষ্ট হওয়া

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যের সুখী সংসার, বিলাসবহুল জীবন দেখে কিছু নারী নিজেদের জীবন নিয়ে হতাশ হয়ে পড়েন।

তারা নিজেদের স্বামীর সঙ্গে অন্যদের তুলনা করেন, যা দাম্পত্য জীবনে অশান্তির সৃষ্টি করে।

ফেসবুকের কৃত্রিম জগতের কারণে বাস্তব জীবনে মানিয়ে নেওয়ার মানসিকতা কমে যায়।

৫. ফেসবুকে জনপ্রিয় হওয়ার প্রতিযোগিতা

অনেক নারী ফেসবুক ফলোয়ার বাড়ানো, লাইভ আসা, ভাইরাল হওয়ার জন্য অপ্রয়োজনীয় ও আপত্তিকর পোস্ট বা ভিডিও বানান।

এসব কর্মকাণ্ড সংসারে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে, কারণ স্বামী তার স্ত্রীর শালীনতা ও সম্মান নিয়ে চিন্তিত থাকেন।

এইসব কারণে কিছু কিছু নারী সংসারী মনোভাব হারিয়ে ফেলেন এবং ভালো স্ত্রী হতে ব্যর্থ হন।

---
কিছু কিছু পুরুষও কেন ভালো স্বামী হতে পারে না?

শুধু নারীদের দোষ দিলে বিষয়টি একপাক্ষিক হয়ে যাবে। অনেক পুরুষও সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার করে এবং তাদের কারণে সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হয়।

১. ফেসবুকে অন্য নারীদের প্রতি আসক্তি

কিছু পুরুষ ফেসবুকে অপরিচিত বা পরিচিত নারীদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেন এবং চ্যাট করেন, যা তাদের স্ত্রীর মনে সন্দেহ তৈরি করে।

অনেক সময় অনলাইনে গোপনে প্রেম চলে, যা দাম্পত্য কলহের প্রধান কারণ হতে পারে।

২. স্ত্রীকে সময় না দিয়ে ফেসবুকে ব্যস্ত থাকা

কিছু পুরুষ সারাদিন ফোনে ব্যস্ত থাকেন—গেম খেলা, মিম দেখা, অন্যদের পোস্টে কমেন্ট করা ইত্যাদিতে এতটাই মগ্ন থাকেন যে স্ত্রীর প্রতি উদাসীন হয়ে পড়েন।

সংসারে স্ত্রী-সন্তানের প্রতি উদাসীনতা ভালো স্বামীর বৈশিষ্ট্য নয়।

৩. পরিবারের তুলনায় ফেসবুক বন্ধুদের বেশি গুরুত্ব দেওয়া

কিছু পুরুষ স্ত্রী বা পরিবারের কথা না শুনে ফেসবুকের বন্ধুবান্ধব বা গ্রুপের লোকদের কথায় বেশি প্রভাবিত হন।

এ কারণে তারা নিজেদের সংসার নিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেন, যা সম্পর্কের ক্ষতি করে।

৪. অশালীন বা আপত্তিকর কনটেন্টে আসক্তি

কিছু পুরুষ ফেসবুক বা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর কনটেন্ট (যেমন: নারীদের উস্কানিমূলক ছবি/ভিডিও) দেখতে অভ্যস্ত হয়ে যান।

এটি ধীরে ধীরে বাস্তব জীবনের সম্পর্কের প্রতি তাদের মনোযোগ কমিয়ে দেয় এবং স্ত্রীর প্রতি আকর্ষণ হারিয়ে ফেলতে পারেন।

এ ধরনের আচরণের কারণে কিছু কিছু পুরুষও ভালো স্বামী হতে ব্যর্থ হন।

---
কীভাবে সঠিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে পারে?

ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া নিজেই কোনো সমস্যা নয়, বরং এটি কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে সেটিই আসল বিষয়।

✔ স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে এবং বিশ্বাস বজায় রাখতে হবে।
✔ অনলাইন সম্পর্কের চেয়ে বাস্তব জীবনের সম্পর্ককে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।
✔ সীমার মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করা উচিত, যেন তা দাম্পত্য জীবনে সমস্যা সৃষ্টি না করে।
✔ অহেতুক সন্দেহ বা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা না করে স্বামী-স্ত্রীকে খোলাখুলি কথা বলতে হবে।
✔ বিশ্বাস, সম্মান ও ভালোবাসার জায়গা যেন সোশ্যাল মিডিয়া ধ্বংস না করে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

---
শেষ কথা

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার সীমার মধ্যে থাকলে এটি ক্ষতিকর নয়। কিন্তু যখন এটি সংসার ও বাস্তব জীবনের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, তখন এটি সম্পর্ক নষ্টের কারণ হয়।

আপনাদের জীবন সুন্দর হোক—এটাই কাম্য!

26/02/2026

হিজাব দুই প্রকারঃ-
১) দৃষ্টি আকর্ষক,
২) দৃষ্টিরোধক।

উদ্দেশ্যও দুটিঃ-
১) মানুষের মুগ্ধতা,
২) আল্লাহর মুগ্ধতা।

হিজাবের ধরণটা স্পষ্ট থাকা জরুরী।

- শায়খ আতিক উল্লাহ হাফিজাহুল্লাহ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ গোপালগঞ্জ ৩- আসনে আপনার পছন্দের প্রার্থী কে..?
31/01/2026

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ গোপালগঞ্জ ৩- আসনে আপনার পছন্দের প্রার্থী কে..?

আমি হয়তো আহামরি রূপের অধিকারী নই,তবুও আপনি পাবেন একজন পরিপাটি, গোছানো গৃহিণী —আপনার জীবনের রাব্বাতুল বাইত,চোখের প্রশান্ত...
12/06/2025

আমি হয়তো আহামরি রূপের অধিকারী নই,
তবুও আপনি পাবেন একজন পরিপাটি, গোছানো গৃহিণী —
আপনার জীবনের রাব্বাতুল বাইত,
চোখের প্রশান্তি হয়ে পাশে দাঁড়ানো এক চিরসাথী।

আমি হয়তো আধুনিকতার মোড়কে মোড়া সেই মডার্ন নারী নই,
তবুও আমার ভেতর খুঁজে পাবেন..
নব্বই দশকের মতো এক নিঃস্বার্থ, শ্রদ্ধাভাজন স্ত্রী —
যিনি আপনাকে শুধু ভালোবাসবে না, শ্রদ্ধাও করবে।

আমি হয়তো ডিগ্রি-পূর্ণ শিক্ষায় শিক্ষিত নই,
তবুও আমি হতে পারি আমাদের সন্তানের
একজন দায়িত্বশীল, আদর্শ মা —
যার কোলে থাকবে নিরাপত্তা, আর ছায়ায় থাকবে শিখন।

আমি হয়তো মুখভর্তি শব্দ দিয়ে কারও মন জিততে পারি না,
তবুও হৃদয়ের গভীরতা দিয়ে আপনাকে বলবো—
শুদ্ধ বাংলায়, নিঃশব্দে, ছোট্ট একটি শব্দ...
"ভালোবাসি" — যা কোনো জাঁকজমকের চেয়েও অনেক বেশি সত্য।

আমি জানি, আমি হয়তো সবার মনের মতো হতে পারবো না,
তবুও আমি আমার সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করবো
আপনার মনের মতো হয়ে উঠতে,
হয়ে উঠতে সেই “চক্ষুশীতলকারী” —
যার দিকে চেয়ে আপনি বলবেন, "এটাই আমার শান্তির জায়গা।"

আমি হয়তো মেকআপে অভ্যস্ত নই,
তবুও প্রতিদিন নিজেকে সাজিয়ে তুলবো এমনভাবে,
যেন আপনি আমার মধ্যেই খুঁজে পান সবচেয়ে সুন্দর মুখ।

আমি হয়তো সবসময় সুস্থ থাকবো না,
তবুও প্রতিটি নিঃশ্বাসে চেষ্টা করবো সুস্থ থাকতে —
শুধু আপনার জন্য, আমাদের জন্য।

---

আমি পারফেক্ট নই, কিন্তু আপনি থাকলে পূর্ণ হয়ে উঠতে চাই।
আপনার পাশে থেকে, আপনার হাতে হাত রেখে — একটুকরো পৃথিবী গড়তে চাই, যেটা শুধু আমাদের দুজনের।


Sharif Mahmud

স্বামী-স্ত্রীর মতোই বউ-শাশুড়ীর পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং ভালোবাসা থেকে সংসারগুলো সুন্দর হয়ে ওঠে। একে অপরকে ছাড় দেবার মানসিকত...
11/05/2025

স্বামী-স্ত্রীর মতোই বউ-শাশুড়ীর পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং ভালোবাসা থেকে সংসারগুলো সুন্দর হয়ে ওঠে। একে অপরকে ছাড় দেবার মানসিকতা রাখা জরুরি। মনে রাখা উচিত কেউ কারো শত্রু বা প্রতিযোগী নয়।

স্বামীকে বশ করে রাখার টোটকা!দাম্পত্য জীবনের গভীরতা কেবল দায়িত্ব আর কর্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি গড়ে ওঠে ভালবাসা, অনু...
10/05/2025

স্বামীকে বশ করে রাখার টোটকা!

দাম্পত্য জীবনের গভীরতা কেবল দায়িত্ব আর কর্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি গড়ে ওঠে ভালবাসা, অনুভূতি এবং একে অপরকে বোঝার সূক্ষ্ম সেতুবন্ধনে। একজন পুরুষ সারাজীবন খুঁজে ফেরে এমন এক সঙ্গিনীকে, যার কাছে সে কেবল স্বস্তি ও নিরাপত্তাই পাবে না—পাবে ভালোবাসার প্রশ্রয়, স্বপ্নের আশ্রয়। যাঁর ভালোবাসার আঁচল ধরেই সে পাড়ি দেবে জীবনের ক্লান্তিকর সব পথ।

পুরুষদের মানসিক গঠন অনুযায়ী ভালোবাসা প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো—শারীরিক ঘনিষ্ঠতা। অনেক সময় তারা চায়, তাদের প্রিয়তমাও যেন ভালোবাসার এই সংজ্ঞাটিকে নিজের অন্তরে ধারণ করে নেয়—ভালবাসার প্রকাশ যেন শুধু মুখের ভাষায় নয়, হৃদয়ের অনুভব ও স্পর্শে হয়ে ওঠে জীবন্ত।

তাই স্বামীর মন জয় করতে চাইলে স্ত্রীদের জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখা প্রয়োজন:

১. আবেদনময়ী উপস্থিতি:
পুরুষেরা সাধারণত তাদের স্ত্রীর মাঝে আকর্ষণীয়তা খোঁজে। স্নিগ্ধতা, রুচিশীলতা আর হালকা উষ্ণতার মিশেলে গড়া নারীর উপস্থিতি তাদের মনে দাগ কাটে গভীরভাবে।

২. উৎসুক মনোভাব:
স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক কেবল দৈনন্দিন কথোপকথনের মধ্যে নয়, বরং একে অপরের প্রতি আগ্রহ, যত্ন ও উচ্ছ্বাসের মধ্যেও গড়ে ওঠে। স্বামী চায় তার স্ত্রী যেন তাকে নিয়ে আগ্রহী থাকে—তার কথা, কাজ, ভাবনা এবং স্বপ্নে।

৩. ব্যক্তিগত মুহূর্তের যত্ন:
একান্তে সময় কাটানোর সময় উদ্দীপনামূলক, সুন্দর ও স্বামীর প্রিয় পোশাক পরা অনেক সময় সম্পর্ককে রাঙিয়ে তোলে। গবেষণায় দেখা গেছে, লাল রঙের পোশাক অনেক বেশি দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় মনে হয় পুরুষদের কাছে।
(Journal of Experimental Psychology: General, পৃষ্ঠা ৩৯৯–৪০১)

৪. অন্তরঙ্গতা ও সচেতনতা:
বিশেষ কিছু অন্তর্বাস, সুগন্ধি বা কোমল আচরণ—এসব ছোট ছোট জিনিসও গভীর প্রভাব ফেলতে পারে স্বামীর মনে। কিন্তু তা যেন হয় ভালোবাসা ও আন্তরিকতার ছায়াতলে, কৃত্রিমতা বা অতিরিক্ত প্রদর্শনের বাইরে।

৫. সম্পর্কের যত্ন ও পুণর্গঠন:
বিয়ের পর কিছুদিন যেতে না যেতেই পারিবারিক চাপ, সন্তান, কাজের ব্যস্ততা ইত্যাদিতে দাম্পত্য সম্পর্কের কোমল রংগুলো ফিকে হয়ে যেতে পারে। এ সময় স্ত্রীর উচিত নিজে থেকে আগ্রহ দেখানো, ভালোবাসার পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং স্বামীকে তার প্রাপ্য মানসিক ও শারীরিক ভালোবাসা দেওয়া।

৬. সম্মান ও প্রশংসার অভ্যাস গড়ে তোলা:

পুরুষেরা চায় তাদের স্ত্রী যেন তাকে শ্রদ্ধা করে। সে যদি ছোটখাটো কিছু অর্জন করে বা কোনো দায়িত্ব পালন করে, তাহলে তা আন্তরিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া—তার আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা গভীর করে।

→ যেমন: “তুমি না থাকলে আমার কী যে হতো!” — এমন একটা লাইন পুরুষের হৃদয়ে দিনের পর দিন গেঁথে থাকে।

---

৭. অভিযোগ নয়, বোঝানোর কৌশল:

দিনশেষে ক্লান্ত এক স্বামী যদি বাসায় ফিরে শুধু অভিযোগই শোনে, তাহলে সে ধীরে ধীরে দূরে সরে যেতে পারে। তাই অভিযোগ না করে মধুরভাবে বোঝানো, অনুভবকে ভাগ করে নেওয়া সম্পর্ককে সুন্দর রাখে।

→ যেমন: “তুমি একটু বেশি সময় দিলে আমার দিনটা আরও ভালো কাটে।” — এভাবে বলা অনেক বেশি প্রভাব ফেলবে।

---

৮. তার 'ছোট ছেলে'টা খেয়াল রাখো:

প্রত্যেক পুরুষের মাঝেই একটা ছোট, আবেগী 'ছেলেসুলভ মন' লুকিয়ে থাকে। তার পছন্দের রান্না করে দেওয়া, হঠাৎ একটা ছোট গিফট দেওয়া বা খেয়াল করে জিজ্ঞেস করা—"আজ তোমার মনটা কেমন?"—এই সহজ জিনিসগুলোও তাকে স্ত্রীর প্রতি গভীরভাবে টেনে রাখে।

---

৯. দ্বীনি সম্পর্কের ভিত শক্ত করা:

যদি স্বামী-স্ত্রী একসাথে নামাজ পড়ে, দোয়া করে, কুরআন বা হাদীসের কথা শোনে—তাহলে তাদের মধ্যে আত্মিক সংযোগ আরও দৃঢ় হয়। এই সংযোগ অনেক বড় "স্পিরিচুয়াল বন্ড" তৈরি করে, যা চেহারা বা শরীরের চেয়ে অনেক গভীর।

---

১০. নিজের মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখা:

স্ত্রী যদি নিজের ভিতরেই অশান্ত থাকেন, নিজের যত্ন না নেন—তাহলে সে চাইলেও পুরোপুরি ভালোবাসা দিতে পারে না। তাই আত্মসচেতন থাকা, নিজের মনের যত্ন নেওয়াও স্বামীকে ভালোবাসায় বেঁধে রাখার এক অনন্য টোটকা।

---

শেষ কথা

স্বামীকে ভালোবাসায় বেঁধে রাখা কোনো জাদুবিদ্যার টোটকা নয়, বরং এটি হলো সচেতনতা, অনুভব আর পরস্পরের চাহিদা বুঝে নেওয়ার এক চিরন্তন প্রক্রিয়া। একজন নারী যখন ভালোবাসা, সৌন্দর্য, লজ্জাশীলতা আর বুদ্ধিমত্তার এক মোহন রূপে ধরা দেন, তখন তিনি হয়ে ওঠেন তাঁর স্বামীর চোখে অমূল্য এক ধন।

দশ বছর হওয়ার আগেই শিশুকে শেখান!•প্রযুক্তি আমাদের জীবনযাপন সহজ করে দিচ্ছে। শিশুরাও খুব ছোট বয়সে নানা ধরনের গ্যাজেট চালাতে...
24/03/2025

দশ বছর হওয়ার আগেই শিশুকে শেখান!

প্রযুক্তি আমাদের জীবনযাপন সহজ করে দিচ্ছে। শিশুরাও খুব ছোট বয়সে নানা ধরনের গ্যাজেট চালাতে শিখে যায়। কিন্তু এসবই শিশু করছে মা–বাবার ছায়াতলে থেকে। কোনো কারণে যদি সে বিপদে পড়ে বা তাকে হঠাৎ করেই একা পথ চলতে হয়; তখন সে কী করবে? তাই আপনার শিশুর বয়স ১০ বছর হওয়ার আগেই তাকে শিখিয়ে রাখুন কিছু জীবনদক্ষতা। জীবনচলার পথ তো শিশুর জন্য প্রস্তুত করে রাখা যায় না, তার চেয়ে বরং শিশুকেই প্রস্তুত করতে হবে।

এসব দক্ষতা তার জীবনকে যেমন সহজ করবে, তেমনি আপনাকেও করবে নিশ্চিন্ত। এসব শিক্ষা সাধারণত প্রথাগত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেওয়া হয় না। তাই এ ক্ষেত্রে শিশুর জীবনমুখী শিক্ষার শিক্ষক হয়ে উঠতে হবে মা-বাবাকেই।

আত্মরক্ষার প্রথম পাঠ:

আত্মরক্ষার কৌশল শেখানোর আগে শিশুকে আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তুলতে হবে। শিশুকে জানাতে হবে, কোনো পরিস্থিতিতেই মনোবল হারানো চলবে না, নিজের প্রতি বিশ্বাস হারানো যাবে না। শারীরিকভাবেও সুস্থ থাকা এবং দৌড়ের অভ্যাস জরুরি। আত্মরক্ষার প্রাথমিক পাঠ হলো কোথায় আঘাত করতে হবে, সেটা জানা। শিশুর জন্য সহজ হলো আক্রমণকারীর হাঁটুতে আঘাত করে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়া। এ ছাড়া আক্রমণকারীর ঘাড়, চোখ, কান ও নাকও সহজ লক্ষ্যবস্তু হতে পারে; যেখানে আঘাত করলে সহজেই কিছু সময়ের জন্য হামলাকারীকে বিভ্রান্ত করা যায় ও ব্যস্ত রাখা যায়।

মানচিত্র শেখানো এবং দিক চেনানো:

এটা বেশ ছোট বয়স থেকেই শেখানো যায়। শিশুর হাতে একটি গ্লোব দিয়ে দিন কিংবা ঘরের দেয়ালে টানিয়ে দিন বড় একটি বিশ্বের মানচিত্র। শিশু নিজেই অনেক কিছু শিখে যাবে। ছুটির দিনে বা সময় পেলে তাকে নিয়ে বসে দিক চেনান, বাড়ির আশপাশের এলাকাগুলো চিনিয়ে রাখুন। এতে কোনো দিন পথ হারালে বা ভুল করেও যদি কখনো বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে সে নিজেই বাড়ি চিনে ফিরে আসতে পারবে।

বাড়ির ঠিকানা ও টেলিফোন নম্বর শেখানো:

যখনই শিশু কথা বলতে শিখবে, তাকে বাড়ির ঠিকানা ও মা–বাবার টেলিফোন নম্বর শিখিয়ে ফেলুন। যেন কখনো বিপদে পড়লে সে মা–বাবার নাম, ঠিকানা বা টেলিফোন নম্বর বলতে পারে।

বিপদের বন্ধু চেনান:

শিশুকে চেনান বিপদে কে বন্ধু হতে পারে। পুলিশের পোশাক, র‌্যাব বা সেনাবাহিনীর পোশাক চেনান। কখনো ভিড়ের মধ্যে আপনাকে খুঁজে না পেলে যেন সে পোশাক দেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কাছে যেতে পারে এবং তাকে বিপদের কথা বুঝিয়ে বলতে পারে।

‘না’ বলতে শেখান:

আপনার শিশুকে ‘না’ বলতে শেখান। যেন মনের বিরুদ্ধে গিয়ে কেবল সমাজের চাপে তাকে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে না হয়। ছোটবেলা থেকেই এই অভ্যাস গড়ে তুললে বড় হয়েও সে স্বাধীনভাবে নিজের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

প্রাথমিক চিকিৎসা:

খেলতে গিয়ে কেটে-ছিঁড়ে গেলে কিংবা বন্ধুর হাত-পা কেটে গেলে শিশু যেন আতঙ্কিত না হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসাটুকু দিতে পারে, তাকে সে জ্ঞান দিন। স্যাভলন বা অ্যান্টিসেপটিক দিয়ে ক্ষতস্থান পরিষ্কার, ব্যান্ডেজ বাঁধার মতো সহজ কাজগুলো শিখিয়ে দিন। তাকে শেখান হাত কেটে গেলে তা ব্যান্ডেজ করে যেন ওপরের দিকে তুলে রাখে। আর ঠিক কতটুকু কেটে গেলে দ্রুত বড়দের সাহায্য নিতে হবে, তা–ও বুঝিয়ে বলুন।

অর্থ ব্যবস্থাপনা:

শিশুকে অর্থের মূল্য শেখান। তার হাতখরচ বা ঈদের সালামি যেন সে কোনো ভালো কাজে ব্যয় করতে পারে, সেটা শেখান। অযথা খেলনা বা খাবারে অর্থ খরচ না করে কীভাবে অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার করা যায়, টাকা জমিয়ে শখের জিনিস বা প্রয়োজনীয় জিনিস কেনা যায়, সে শিক্ষা তাকে দিন।

রান্নাঘরের ছোটখাটো কাজ:

আজকাল বাজারে শিশুদের ব্যবহারের জন্য প্লাস্টিকের ছুরি পাওয়া যায়। সেসব ব্যবহার করে টুকটাক সবজি কাটা, স্যান্ডউইচ বানানো, সাত বছর বয়সের পর মাইক্রোওয়েভ ওভেন ব্যবহার শেখান। কোনো দিন মা–বাবা বাড়িতে না থাকলে সে যেন ফ্রিজ থেকে খাবার বের করে গরম করে খেতে পারে বা নিজেই বড় পাত্র থেকে ছোট পাত্রে খাবার নিয়ে খেতে পারে, সেটুকু তাকে শিখিয়ে দিন।

তা ছাড়া বাড়িতে যখন আপনারা রান্না করবেন, তাঁকে সহায়তা করতে উৎসাহ দিন। ছোটখাটো কাজ, যেমন পেঁয়াজ-রসুনের খোসা ছাড়ানো, ফ্রিজ থেকে সবজি বের করে আনা, সিংক থেকে প্লেট-চামচ নিয়ে যথাস্থানে রাখা, খাবার টেবিলে প্রত্যেকের গ্লাসে পানি ঢেলে দেওয়ার মতো কাজের দায়িত্ব শিশুকে দিন।

এভাবে ছোটখাটো কাজের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলে আপনার শিশু যেমন আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে, তেমনি ভবিষ্যৎ জীবনের জন্যও তৈরি হতে শুরু করবে। বাড়ি থেকে কখনো দূরে পড়তে গেলে বা নতুন পরিবেশে গেলে খুব সহজেই সে মানিয়ে নিতে পারবে, নিজের যত্ন নিতে পারবে।
_____________________
সূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট

🔹টিপস🔹ছাদ বাগান বা টবে চাষাবাদ করতে রাসায়নিক সারের বিকল্প হিসেবে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতে অর্গানিক সার। 🌶️ক্যালসিয়ামের অভাব প...
19/09/2024

🔹টিপস🔹
ছাদ বাগান বা টবে চাষাবাদ করতে রাসায়নিক সারের বিকল্প হিসেবে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতে অর্গানিক সার।

🌶️ক্যালসিয়ামের অভাব পুরন করে ডিমের খোসা। ডিমের খোসা গুরো করে দিয়ে দিন। অল্প চুনের পানি ও দিতে পারেন ক্যালসিয়াম অভাব দূর করতে।

🍆নাইট্রোজেনের ঘাটতি পুরন করতে চাল বা ডাল ধোয়া পানি দিন। ভাতের মাড় পানি মিশিয়ে পাতলা করে গাছের গোড়ায় দিন।

🍅পটাশিয়াম এর ভাল উৎস হচ্ছে কলার ছোলা ও পেয়াজের খোসা। ৩ দিন ভিজিয়ে সেই পানি দিবেন।

🍀চা পাতার ব্যবহৃত লিকার ভাল নাইট্রোজেন এর উৎস।

🥬এছাড়া শাক সবজীর উচ্ছিষ্ট অংশ নিদ্রিষ্ট পাত্রে পানি সহ জমিয়ে ৭ দিন পর তরল স্যার হিসেবে ব্যবহার করলে আলাদা কোন রায়সানিক স্যার ব্যবহার করতে হবে না।

🔻 নিম তেল ও সাবান পানি প্রতি সপ্তাহে একবার স্প্রে করলে পোকামাকড় দমনে খুবই ভাল কাজ করে। পোকায় ধরুক আর না ধরুক এক বার সমস্ত গাছে স্প্রে করে দিবেন।

✅টাইমলাইনে শেয়ার করে রেখে দিতে পারেন।

♦️*ছাদ বাগান টিপস ও কৃষি পরামর্শ পেতে পেইজটি লাইক ফলো দিয়ে যুক্ত হন আমাদের সাথে।
Sharif Mahmud

সংগৃহীত

📌 #চা বানানোর বিশেষ টিপসঃসহজ কয়েকটি টিপস মাথায় রেখে চা বানান!প্রশংসা করবে সকলেই।প্রায় বেশিরভাগেরই রান্নার প্রবেশিকা পরীক...
11/09/2024

📌 #চা বানানোর বিশেষ টিপসঃ

সহজ কয়েকটি টিপস মাথায় রেখে চা বানান!
প্রশংসা করবে সকলেই।

প্রায় বেশিরভাগেরই রান্নার প্রবেশিকা পরীক্ষা হয় চা-বানানো ( Perfect Tea Making) দিয়ে। প্রথম পর্বে উতরে গেলে দ্বিতীয় পর্বে থাকে ওমলেট। আর সেখানে ভালভাবে নম্বর পেয়ে পাশ করলে তবেই কিন্তু মেলে খুন্তি নাড়ার সুযোগ। তখন চাইনিজ থেকে কন্টিনেন্টাল- সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে শুধুই রান্নার শিল্প। তবে প্রবেশিকা পরীক্ষার এই প্রথম ধাপটি কিন্তু মোটেই সহজ নয়। দুধ, চিনি, পানি আর চা পাতা মিশিয়ে দিলেই চা ( Refreshing Tea) হয়ে যায় না। সুন্দর চা তৈরির জন্যেও কিন্তু রীতিমতো সময়ের অঙ্ক কষতে হয়। জানতে হয় পরিমাপ। সবকিছু সঠিক মাপে পড়লে তবেই পাওয়া যায় সুন্দর এক কাপ লিকার ( Liquor Tea)।

⭕শ্রেণি বৈষম্য শুধু মানুষের মধ্যে নয়, রয়েছে চায়ের মধ্যেও। আর এই বৈষম্যের উপর ভিত্তি করেই ফার্স্ট ফ্লাশ, সেকেন্ড ফ্লাশ, অটমন, ওলং, হোয়াইট টি, সিলভার নিডল টি এই ভাবে নামকরণ করা হয়। এই প্রতিটি চায়ের বানানোর পদ্ধতিও আলাদা। কাজেই চা খাইয়ে প্রশংসা পেতে গেলে কিন্তু একটু কসরত করতে হবে।

📌পানি আর চা পাতা কিন্তু কখনই একসঙ্গে ফোটাবেন না। এতে গ্যাস নষ্ট, সময় নষ্ট সেই সঙ্গে চায়ের কোনও রকম স্বাদও পাওয়া যায় না। যেমনই চা পাতা হোক না কেন আগে পানি ফুটিয়ে গ্যাস বন্ধ করে তবেই চা পাতা দিন। এরপর ২ থেকে ৩ মিনিট ঢাকা দিয়ে রেখে ছেঁকে নিন।

📌চিনি দিয়ে চা খাওয়ার অভ্যাস থাকলে কাপে চিনি দিন। কখনই চিনি, চা পাতা, পানি একসঙ্গে ফুটতে দেবেন না। এতে চায়ের গন্ধ নষ্ট হয়।

📌দুধ চা আর লিকার চা বানানোর পদ্ধতি কিন্তু একদম আলাদা। যে চায়ের পাতায় ভাল লিকার হয়, সেই পাতা দিয়ে দুধ চা বানাবেন না। এক্ষেত্রে দানা চা ( CTC Tea) ব্যবহার করুন। ভাল রং পাবেন।

📌আদা দিয়ে চা করতে চাইলে আদা গ্রেট করে প্রথমে গরম পানির মধ্যে দিন। তাতে দু-একটা তুলসি পাতা, তিন থেকে চারটে লবঙ্গ, গোলমরিচ ফেলে দিতে পারেন। এই পানি ভাল ভাবে ফুটলে তারপরই গ্যাস বন্ধ করে চা পাতা দিন। দুকাপ চা হলে এক চা চামচ চা পাতা দিন। এই অনুপাতে চায়ের পাতা ব্যবহার করবেন। অতিরিক্ত চা পাতা দিলেই চা খেতে ভাল হবে, এই ধারনা একেবারে ভুল।

📌লেবু চা বা কমলালেবুর চা পছন্দ হলে আগে থেকে খোসা ছাড়িয়ে তা রোদে শুকিয়ে রাখুন। খুব ভাল করে শুকনো হলে সেই খোসা গুঁড়ো করে অল্প পরিমাণ চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে রাখুন। এতে স্বাদ ভাল হয়।

📌এলাচ, লবঙ্গ, দারচিনি দেওয়া চা পছন্দ হলে তা ড্রাইরোস্ট করে থেঁতো করে তবেই ব্যবহার করুন। এতে আরও ভাল গন্ধ পাওয়া যায়।

⭕চা পাতা কখনই প্লাস্টিকের কৌটোতে নয়, কাঁচ কিংবা স্টিলের জারে সংরক্ষণ করুন। খেয়াল রাখবেন যাতে সরাসরি রোদ না লাগে কৌটোতে।

©️সংগৃহীত
Sharif Mahmud

ইট দিয়ে তৈরী নান্দনিক ডিজাইন ♥
06/07/2024

ইট দিয়ে তৈরী নান্দনিক ডিজাইন ♥

যারা ডায়েট করছেন তাদের জন্য চিকেন স্যুপের একটা দারুণ রেসিপি দিলাম 🥰 মুরগির বুকের মাংস - ১ টুকরো পানি - ৬ কাপকর্ণফ্লাওয়ার...
01/07/2024

যারা ডায়েট করছেন তাদের জন্য চিকেন স্যুপের একটা দারুণ রেসিপি দিলাম 🥰

মুরগির বুকের মাংস - ১ টুকরো
পানি - ৬ কাপ
কর্ণফ্লাওয়ার- ৩.৫ টেবিল চামচ+৪ টেবিল চামচ পানিতে গুলে নেয়া
ডিমের সাদা অংশ - ২ টি ফেটে নেয়া
সয়াসস- ১ টেবিল চামচ
ওয়েস্টার সস- ১ টেবিল চামচ
টমেটো সস- ১ টেবিল চামচ
ভিনেগার- ১.৫ চা চামচ
লবন ১/২ চা চামচ
আদা বাটা- ১ চা চামচ
রসুন বাটা- ১ চা চামচ
গোলমরিচের গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
গাজর ছোট কিউব করে নেয়া- ১ টার অর্ধেক
ফুলকপি ছোট কিউব
পেয়াজ পাতা কুচি ২ টেবিল চামচ
টেস্টিং সল্ট - ১ চা চামচ ইচ্ছে না হলে স্কিপ করবেন
তেল- ১ চা চামচ,

🟥 স্যুপ তৈরি করার প্রথমে একটি প্যানে পানি তে মুরগির বুকের মাংস, ফুলকপি, গাজর, আদা বাটা, রসুন বাটা,গোলমরিচের গুঁড়ো, তেল ও লবণ দিয়ে
১৫ মিনিটের জন্য মিডিয়াম হিটে সিদ্ধ করে নিবো।

🟥মুরগির বুকের মাংস তুলে আঁশের মতো করে হাত দিয়ে ছিড়ে চিকেন স্টকে রেখে দিবো।

🟥এবার চিকেন স্টকে সব সস দিয়ে ২ মিনিট জ্বাল করে পানি দিয়ে গুলে রাখা কর্ণফ্লাওয়ার আস্তে আস্তে স্যুপে দিবো৷ এক হাতে কর্ণফ্লাওয়ার গুলা বাটি আর অন্য হাতে চামচ দিয়ে নাড়তে থাকবো৷

🟥 ডিমের সাদা ফেটানো একই ভাবে আস্তে আস্তে দিবো আর অন্য হাত দিয়ে নাড়বো।

🟥এবার চুলা বন্ধ করে দিয়ে, চুলাতেই রেখে পেঁয়াজ পাতা ও টেস্টিং সল্ট, ভিনেগার দিবো।

🟥ঝাল খেতে চাইলে, কাঁচামরিচ মিহি কুঁচি করে ভিনেগারে ভিজিয়ে দিতে পারেন৷

য় গেল স্মার স্পেশাল স্যুপ

এমন দারুণ দারুণ রেসিপি শিখতে পেইজটি ফলো করতে পারেন৷
👉Sharif Mahmud

🍋লেবুর ভিন্ন রকম ব্যবহার 🍋💁‍♀️রান্নার কাজে লেবুর ব্যবহার এবং প্রয়োজনীয় কিছু টিপসঃ-👇🍋 ফ্রিজে মাছ, মাংস রাখায় গন্ধ ছাড়ছে? ...
24/06/2024

🍋লেবুর ভিন্ন রকম ব্যবহার 🍋

💁‍♀️রান্নার কাজে লেবুর ব্যবহার এবং প্রয়োজনীয় কিছু টিপসঃ-👇

🍋 ফ্রিজে মাছ, মাংস রাখায় গন্ধ ছাড়ছে? ফ্রিজে লেবুর স্লাইস রেখে দিন,দুর্গন্ধ কেটে যাবে।

🍋 আপেল বা অন্যান্য ফল কেটে রাখলে লালচে হয়ে যায়? সামান্য লেবুর রস মেখে রাখুন আর লালচে হবে না।

🍋 ভাত রান্নার শেষ দিকে অল্প পরিমাণ লেবুর রস দিয়ে নিন। ধবধবে সাদা ভাত তো হবেই, সাথে ফ্লেভারও আসবে।

🍋 গলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে অর্ধেকটা লেবু নিয়ে রস চুষে খেয়ে ফেলুন, কাঁটা নরম হয়ে নেমে যায়।

🍋 সাদা কাপড়কে আরো ধবধবে সাদা করতে চান ? গরম পানিতে লেবুর টুকরা দিয়ে ১০ মিনিট ডুবিয়ে রাখলেই হবে।

🍋 মুরগী বা গরুর মাংস সিদ্ধ হতে সমস্যা? রান্না করার আগে লেবুর রস দিয়ে মাখিয়ে রাখুন আধা ঘণ্টা।

🍋 বয়লার মুরগি রান্নার আগে লেবুর রস মাখিয়ে রাখলে বয়লারের উটক গন্ধটা অনেকটাই কমে যায়।

🍋 রান্না অতিরিক্ত ঝাল হয়ে গিয়েছে? লেবুর রস মিশিয়ে দিন এক চামচ, এতে খাবারের অতিরিক্ত ঝাল কমে যায়।

🍋 আদা-রসুন কাটার পর বা পেস্ট বানানোর পর হাত থেকে গন্ধ বের হয়? হাতে লেবুর রস মেখে নিন, এতে হাতের দুর্গন্ধ কমে যায়।

🍋ছোট মাছের চচ্চড়ি রান্নায় পিল করে লেবুর খোসা মাছের ওপরে বিছিয়ে দিন, তারপর ঢাকনা দিয়ে চুলা নিভিয়ে দিন। খোসা গুলো ফেলে দিয়ে পরিবেশন করুন।ফ্লেভারটা অসাধারণ হয়।

🍋 ঘরে ভ্যানিলা এসেন্স নেই? লেবুর খোসা ভেজিটেবল পিলার দিয়ে ছিলে নিন অথবা লেবুর রস ব্যবহার করুন।

🍋 লেবুর সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে খুব সহজেই বেসিন পরিষ্কার করা যায়। এক-দুই টেবিল চামচ বেকিং সোডার এবং এক টেবিল চামচ লেবুর রস এক কাপ গরম জলে মিশিয়ে নিতে হবে। তার পর সেই মিশ্রণটিকে বেসিনে ছিটিয়ে দিতে হবে। কিছুক্ষণ সেটিকে রেখে জল দিয়ে বেসিনটি ধুয়ে নিতে হবে।
সংগৃহীত
Sharif Mahmud

Address

Muksudpur, Gopalganj, Bangladesh

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sharif Mahmud posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Sharif Mahmud:

  • Want your establishment to be the top-listed Arts & Entertainment?

Share