15/05/2026
একজন অষ্টম শ্রেণির ছাত্রকে “চোর” বিষয়ের উপর একটি রচনা লিখতে বলা হয়েছিল।
লেখাটা পড়ে আপনি অবাক হতেই পারেন—কিন্তু দৃষ্টিভঙ্গিটা একবার দেখুন। ছাত্রটি লিখেছিল—
চোররাও একটি দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দেশের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানে তাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
চোর আছে বলেই সিন্দুক, তালা, লকার, আলমারি ইত্যাদি তৈরি হয়। এসব তৈরি করতে গিয়ে বহু কারখানা ও কর্মশালায় মানুষের কর্মসংস্থান হয়।
বাড়িতে দরজা-জানালায় ছিটকিনি, তালা, গ্রিল বসানোর জন্য রাজমিস্ত্রি ও শ্রমিকদের কাজ জোটে।
বাড়ি, দোকান, স্কুল, কলেজ, অফিস ও কারখানা রক্ষার জন্য নিরাপত্তারক্ষী ও নাইট গার্ডের প্রয়োজন হয়।
CCTV ক্যামেরা, মেটাল ডিটেক্টর ও বিভিন্ন সিকিউরিটি সিস্টেম তৈরির কোম্পানিগুলোও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে।
চোর থাকার কারণেই পুলিশ, আদালতের কর্মচারী, বিচারক, আইনজীবী—সবারই কাজ আছে।
পুলিশের জন্য ব্যারিকেড, অস্ত্র, গুলি, লাঠি, ইউনিফর্ম, গাড়ি ও বাইক কেনা অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে।
চোর না থাকলে জেল, জেলর ও কারা-কর্মচারীদেরও কাজ থাকত না।
মোবাইল, ল্যাপটপ, গাড়ি, বাইক, ইলেকট্রনিক্স, পার্স বা লিপস্টিক চুরি হলে মানুষ আবার নতুন করে কিনতে বাধ্য হয়—ফলে ব্যবসা বাড়ে।
অনেক বিখ্যাত ও কুখ্যাত চোর শেষমেশ রাজনীতিতে ঢুকে পড়ে, যেখানে আরও বড় বড় চুরি হয়।
আরও অনেক কিছু বলা যায়, তবে মোটের উপর দেশের অর্থনীতিতে চোরদের অবদান যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য।
এই “গবেষণাধর্মী” রচনার জন্য শিক্ষক ছাত্রটিকে পূর্ণ নম্বর (১০০%) দেন এবং তাকে মেরিট লিস্টে স্থান দেন।
👉 আসলে দৃষ্টিভঙ্গিই সবকিছু! 😅
(সংগৃহীত)