19/08/2026
ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা Areffor Rahman ভাইয়ের প্রতি সবকিছু সুন্দর করে তুলে ধরার জন্য!
বিরামপুর ক্রিকেট গার্ডেন: স্বপ্নের মাঠে নতুন ইতিহাস*
একটি মাঠ শুধু ২২ গজের একটি জায়গা নয়। একটি মাঠের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে অসংখ্য স্বপ্ন, আবেগ, বন্ধুত্ব, স্মৃতি আর ক্রিকেটপ্রেমীদের ভালোবাসা। বিরামপুর সরকারি কলেজ মাঠ—আমাদের প্রিয় *‘বিরামপুর ক্রিকেট গার্ডেন’—* ঠিক তেমনই একটি জায়গা।
এই মাঠে ক্রিকেট খেলা মানেই শুধু জয়-পরাজয়ের হিসাব নয়; বরং প্রতিটি ম্যাচের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে বিরামপুরের ক্রিকেটপ্রেমীদের আবেগ। আর সেই মাঠেই এবার যুক্ত হলো এমন এক নতুনত্ব, যা বিরামপুরের ক্রিকেটাঙ্গনে নিঃসন্দেহে একটি মাইলফলক।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মাঠের আদলে আমাদের মাঠে স্থাপন করা হয়েছে নির্দিষ্ট বাউন্ডারি লাইন। বিরামপুরে তো বটেই, আশপাশের কয়েকটি থানার মাঠেও এর আগে এমন বাউন্ডারি লাইনের ব্যবস্থা দেখা যায়নি। অর্থাৎ, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিরামপুর ক্রিকেট গার্ডেনই প্রথমবারের মতো একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করল।
এটি হয়তো কারও কাছে শুধুই একটি বাউন্ডারি লাইন। কিন্তু যারা মাঠের সঙ্গে হৃদয় দিয়ে যুক্ত, তারা জানেন—এর পেছনে রয়েছে অনেক মানুষের শ্রম, ভালোবাসা ও সহযোগিতা।
এই উদ্যোগকে বাস্তবে রূপ দিতে সবচেয়ে বেশি পরিশ্রম করেছেন *ডা. সাজিদ* তাঁর একক প্রচেষ্টা, আন্তরিকতা এবং ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসাই মূলত এই উদ্যোগকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। তিনি শুধু পরিকল্পনা করেননি, বরং নিজে এগিয়ে এসে স্পন্সরদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, সবাইকে উৎসাহিত করেছেন এবং শেষ পর্যন্ত একটি স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন।
*ডা. সাজিদের* এই প্রচেষ্টায় সাড়া দিয়ে স্পন্সর হিসেবে এগিয়ে এসেছেন আমাদের মাঠের শুভাকাঙ্ক্ষী ও বড় ভাইয়েরা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন *ফিজু, মুক্তাদির, দুর্লভ, ইমরুল কায়েস সোহাগ, রাসেল, শহিদুল, খন্দকার লিটন এবং ডা. সাজিদ* নিজেও। তাঁদের পাশাপাশি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে *ওয়ালটন প্লাজা।*
এই মানুষগুলোর অবদান হয়তো একটি বাউন্ডারি লাইনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তাঁরা আসলে বিরামপুরের ক্রিকেটের ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ করেছেন। তাঁদের সহযোগিতায় আমাদের মাঠ আরও সুন্দর হয়েছে, আরও গোছানো হয়েছে এবং ক্রিকেটারদের জন্য আরও পেশাদার একটি পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
তাই এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেক স্পন্সর ও শুভাকাঙ্ক্ষীকে জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ। আপনাদের সহযোগিতা প্রমাণ করে—কোনো ভালো উদ্যোগ যদি আন্তরিকতা নিয়ে শুরু করা যায়, তাহলে মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতা অবশ্যই পাওয়া যায়।
একই সঙ্গে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাতে হয় *বিরামপুর সরকারি কলেজ মাঠ কমিটিকে* । মাঠকে সুন্দর ও ক্রিকেটবান্ধব করে তোলার এই ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় কমিটির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি মাঠকে শুধু খেলার জায়গা হিসেবে নয়, বরং ক্রিকেটারদের স্বপ্ন পূরণের জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার এই প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়।
আর বিশেষ কৃতজ্ঞতা *ডা. সাজিদের প্রতি* । কারণ অনেকেই স্বপ্ন দেখেন, কিন্তু সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য মাঠে নেমে কাজ করেন খুব কম মানুষ। *ডা. সাজিদ* সেই কাজটিই করেছেন। তাঁর উদ্যোগেই আজ বিরামপুর ক্রিকেট গার্ডেনে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আদলে বাউন্ডারি লাইনের নতুন সংযোজন।
হয়তো একদিন এই মাঠে বড় কোনো ক্রিকেটার তৈরি হবে। হয়তো কোনো এক তরুণ এই মাঠ থেকেই জাতীয় পর্যায়ে উঠে যাবে। তখন ফিরে তাকালে আজকের এই ছোট ছোট উদ্যোগগুলোকেই মনে হবে সেই বড় স্বপ্নের প্রথম ধাপ।