Tasu Tales

Tasu Tales সাহিত্যালাপে স্বাগত...

Youtube : https://www.youtube.com/

15/01/2026

সামনে পরীক্ষা রেখে নন-ফিকশন বা মাথা ঘোলানো কিছু পড়তে চাচ্ছি না। এখন একটু হাসির খোরাক পেলেই সই। তাই শিশু-কিশোরদের জন্য লেখা বই খুঁজে খুঁজে পড়ছি।
এমন বই চাইলে সাজেশন দিতে পারেন।

আর হ্যা, এরকম একটা বইয়ের রিভিউও আসছে আগামীকাল। চাইলে গেস করতে পারেন। হিন্ট : তার উপাধি হলো মুখোপাধ্যায়।

10/01/2026

আধুনিক সময়ে ইবনে বতুতার বাংলাদেশ সফর..

লেখক : ইমরান রাইহান
প্রকাশনী : উমেদ প্রকাশ

আমরা চোখের সামনের অনেক জিনিসকে অধিকাংশ সময়ই তুচ্ছ করে দেখি। মনে করি, “আরেহ! এটা আর এমন কি!”। ঠিক এরকম চিন্তার কারণেই সাম...
08/01/2026

আমরা চোখের সামনের অনেক জিনিসকে অধিকাংশ সময়ই তুচ্ছ করে দেখি। মনে করি, “আরেহ! এটা আর এমন কি!”। ঠিক এরকম চিন্তার কারণেই সামনের জিনিসটার মূল্য আমরা বুঝতে পারি না। পারলেও সেটার সঠিক মূল্য বুঝি না। যেমন ধরেন স্বাধীনতা শব্দটা আমরা এত সহজভাবে বলি অথচ এই স্বাধীনতা কি একদিনেই এসেছে? এর জন্য কি বলি দিতে হয়নি লক্ষ লক্ষ প্রাণ? শত সহস্র বছরের এই আকাঙ্ক্ষা নিশ্চয়ই অনেক ত্যাগের বিনিময়েই এসেছে। কিন্তু আমরা সেই ত্যাগের পূর্ণ অনুভূতি কখনোই নিজের মধ্যে অনুভব করতে পারব না। যারা এ ত্যাগ প্রত্যক্ষ করেছে তাদের অনুভূতির সাথে আমাদের অনুভূতির রয়েছে বিস্তর ফারাক।

সময়টা ২০০৪। আমাদের হিসেব অনুযায়ী এখন ব্রিটিশ শাসন অবসানের প্রায় ৫৭ বছর। কিন্তু না। গল্পে এখনও ভারত উপমহাদেশ স্বাধীন হয়নি। আমাদের এখনও ব্রিটিশরাই শাসন করছে। রবিন একজন অসাধারণ ছাত্র। মানুষ হিসেবেও সে ভালো। কিন্তু অনুভূতি প্রকাশের বেলায় সে যাচ্ছে তাই। রবিনকে গিয়ে যদি বলা হয়, তোমার বাবা মারা গিয়েছে। সে হয়তো উত্তরে বলবে— ওহ আচ্ছা। অথচ তার ভিতরে টর্নেডো বয়ে যাবে। সম্প্রতি সে বি. আই. টি. ইউনিভার্সিটিতে চান্স পেয়েছে। যা বাংলা অঙ্গরাজ্যের সেরা ইউনিভার্সিটি। ভর্তি পরীক্ষায় রবিন পেছনের সকল বছরের রেজাল্ট রেকর্ড ভেঙে দিয়ে প্রথম হয়েছে। তার বাবার ধারণা মতে রবিন বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে সেরাদের একজন হতে পারবে। রবিনের এখন এক ও একমাত্র স্বপ্ন হলো ভালো রেজাল্ট করে এম.আই.টি-তে চান্স পাওয়া। এরপর বিদেশে পাড়ি জমানো।

রবিন প্রথমদিন যখন খুঁজে খুঁজে তার রুম বের করে সেখানে ঢুকলো, তখন এক হ্যাংলা পাতলা ছেলেকে তার রুমে দেখল। হয়তো রুমমেট। রবিনের মুখে দ্বিধা থাকলেও ছেলেটি এসে তার সাথে আলাপ শুরু করে দিল। তাও প্রথম কথাতেই তুইমুই করে। তার কথা শুনলে কেউ ঘুণাক্ষরেও বুঝবে না যে তারা একে অপরের সাথে এইমাত্র পরিচয় হয়েছে। ছেলেটির নাম আশ্বিন। রবিন যেমন পড়ালেখায় সেরা আশ্বিন তেমন ফুটবল খেলায় সেরা। রবিন অল্প সময়েই বুঝে গেল আশ্বিন অত্যন্ত ভালো ও যত্নশীল একজন মানুষ। রবিনের কত খেয়াল রাখে! রুমটা সবসময় পরিপাটি করে রাখে একা হাতে , রবিনের ছোটখাটো সব বিষয় তার মাথায় গাঁথা। আর আশ্বিন সবসময় স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলে। কিন্তু সেসব রবিনের মাথায় ঢোকে না। কারণ রবিনের ছোট থেকে একটাই স্বপ্ন, সে এম.আই.টি. তে চান্স নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমাবে। তার কাছে স্বাধীনতার কোনো মানে নেই। স্বভাবতই অল্প সময়েই তারা একে অপরের ভালো বন্ধু হয়ে যায়।

পরাধীন জীবন যাপন করার চেয়ে মৃত্যুই অনেক সময় শ্রেয় মনে হয়। এই উপমহাদেশকে স্বাধীন করার জন্য যে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, এমনটা না। আজ থেকে প্রায় ১০-১২ বছর আগে মির্জা গালিব, সময়ের সেরা লিডার স্বাধীনতার ডাক দিলে সকল বিদ্রোহী দল ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যায়। শুরু হয় বিশাল যুদ্ধ। লক্ষ্য মানুষের প্রাণহানি হওয়ার পরও স্বাধীন হয়নি এ রাজ্য। মির্জা গালিব পরাজয় বরণ করলেও মৃত্যুর আগে দেন এক স্বস্তির খবর। তার উত্তরসূরী হিসেবে রেখে গিয়েছেন তিনি “ছায়া”-কে। এই ছায়াই একদিন এই উপমহাদেশ স্বাধীন করবে। তারপর চলে গিয়েছে অনেক বছর। মির্জা গালিবের সন্তান মজনুই এখন উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় বিদ্রোহী দলের নেতা। ছায়া কে বা কোথায় আছে, তা কেউই জানে না। সবাই শুধু অপেক্ষায় আছে, ছায়া একদিন স্বাধীনতার ঘোষণা দিবে আর সকল বিদ্রোহীরা আবার একত্রিত হয়ে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামবে। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা....

এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন গল্পের পটভূমি সম্পর্কে। এমন পটভূমি কল্পনা করে এর আগে কখনো কোনো গল্প লেখা হয়েছে কিনা আমি জানি না। তবে এই বইয়ের লেখক দারুণ চিন্তা থেকে এই গল্প লিখেছেন। গল্পটার ফ্ল্যাপ পড়েই বইয়ের প্রতি আকর্ষিত হয়েছিলাম৷ এখন লেখক কতটা গল্পে কতটা সফল হয়েছেন সেটাই জানানোর চেষ্টা করি বরং।

প্রথমেই যদি গল্পের প্লট নিয়ে বলি তাহলে অসাধারণ একটা প্লট ছিল বলাই যায়। কী নেই এই গল্পে? বন্ধুত্ব, ভালোবাসা, মানুষের শোষিত রূপ, স্বাধীনতার জন্য আকুতি, দেশপ্রেম, একশন, থ্রিল...সবকিছুর মিশেল। এখন কথা হলো সবকিছু নিয়ে লেখক ম্যানেজ করেছে কিভাবে। শুরু থেকে গল্প এমন ভাবে এগোচ্ছিল যেন কোনো সামাজিক গল্প পড়ছি। গল্পের ফাঁকে ফাঁকে লেখক খুবই বিচক্ষণতার সাথে গল্পের প্লটের সাথে আমাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। এরপর যখন গল্প আরেকটু সামনে এগোয় তখন অনেকগুলো চরিত্রের সাথে আমরা পরিচয় হই। একেকটা চরিত্রের ভূমিকা একেকরকম। এরপর এলো বিদ্রোহীদের ইতিহাস, বর্তমান অবস্থা। এগুলোও লেখক সাধারণ ঘটনার মাঝে মাঝে খুবই বিচক্ষণতার সাথে বর্ণনা করেছেন। অর্থাৎ লেখকের বর্ণনাশৈলি ছিল খুবই পরিপাটি ও পরিকল্পিত। পাঠকের সাইকোলজিক্যাল ব্যাপারগুলোর সাথে ম্যাচ করে খুব পরিকল্পিতভাবে বর্ণনা করে গিয়েছেন।

ধরুন আপনি এখন একটা চরিত্রের ফ্ল্যাশব্যাক বা ব্যাকস্টোরি পড়ছেন। যেটা খুবই চমকপ্রদ। যখন গল্পটা একটু ইন্টারেস্টিং পয়েন্টে আসলো তখনই গল্প কাট হয়ে চলে গেল বর্তমান সময়ের একটা একশন বা থ্রিলিং সিনে। এই সিনটাও যথেষ্ট চমকপ্রদ। এই সিনে আবার যখন আপনি একটা ইন্টারেস্টিং পয়েন্টে গেলেন তখনই আবার গল্প কাট হয়ে পূর্বেই সেই পয়েন্টে চলে গেল। এখানে হলো কী? আপনি আগের সিনটা জানার জন্য সামনে এগোচ্ছেন, আবার সামনের সিনটা জানার জন্য পেছনেরটা পড়ছেন। এভাবে আপনি একইসাথে দুইটা চমকপ্রদ জায়গায় ঘুরপাক খাচ্ছেন আর সামনে এগোচ্ছেন। প্রায় সব কৌশলী লেখকগণই এটা করেন কিন্তু আমিনুল ইসলাম এই জায়গায় একটু ভালোই কাজ করেছেন। অন্যদের কথা জানি না কিন্তু আমি লেখকের লেখার লুপের মধ্যে এমনভাবে আটকে গিয়েছিলাম যে ছেড়ে উঠতে পারছিলাম না। একটার পর একটা পৃষ্ঠা পড়ে গিয়েছি হুঁশ হীন মানুষের মতো। গল্প যেন অজানা এক আকর্ষণে সামনে নিচ্ছিল।

আমার মতে গল্পের প্রাণ বা হৃদয় হলো চরিত্র। এই হৃদয় যতটা স্বচ্ছ, সুন্দর, গল্প ঠিক ততটাই সুন্দর। এই বইয়ে লেখক সবগুলো চরিত্র নিয়ে কাজ করেছেন। বেশিও না, কমও না। যার জন্য যতটুকু জায়গা প্রয়োজন তাকে ঠিক ততটুকুই জায়গা লেখক দিয়েছেন। সবগুলো চরিত্র যেন নিজের বা আশেপাশের মানুষদের সাথে রিলেট করা যায়। প্রত্যেকটা চরিত্র নিজেদের জায়গায় অনন্য। বইটা যখন শেষ করে উঠবেন তখন দেখবেন যে গল্পের প্রতিটা চরিত্র আপনার মাথায় গেঁথে গিয়েছে। এখানে মূল চরিত্র যে কে, সেটাই হয়তো গল্প শেষে বুঝতে পারবেন না। নির্ঘাত স্পয়েল হবে বলে বেশি এক্সপ্লেইনে যেতে পারছি না৷ নচেৎ হয়তো প্রতিটা চরিত্র নিয়ে আলাদা করে লিখতাম। গল্পের ফ্লো ছিল একদম পারফেক্ট। ২১৬ পৃষ্ঠার মোটামুটি বড় একটা বই হলেও এক বসাতেই পড়ে ফেলা যায়। অনেকদিন পর অনেক তৃপ্তি নিয়ে একটা বই পড়লাম৷

বইয়ের প্রোডাকশন কোয়ালিটি যথেষ্ট ভালো। বেনজিনের বইগুলো এমনিতেই কোয়ালিটিফুল হয়। বানানের কিছু ভুল চোখ পড়েছে। বিশেষ করে 'র' এর জায়গায় 'ও' এর ব্যবহার বেশকিছু জায়গায় পেয়েছি। এছাড়া সব ঠিকঠাক। প্রচ্ছদও যথেষ্ট আকর্ষণীয়। সম্ভবত এ আই দিয়ে করা। সবমিলিয়ে দারুণ।

পরিশেষে, এই গল্প স্বাধীনতার জন্য কারো পরিবার হারানোর গল্প, ভালোবাসা হারানোর গল্প, আবার কারোর প্রাণ হারানোরও গল্প বটে। এই গল্পে রয়েছে ভালোবাসা, অভিমান, বন্ধুত্ব, স্বাধীনতার জন্য আকুতি, ত্যাগ আর আমাদের জন্য স্বাধীনতার সঠিক মূল্য চোখ দিয়ে দেখানো।

📌 ব্যক্তিগত রেটিং : ৪.৭/৫

বই : শ্রাবণের দিন
লেখক : আমিনুল ইসলাম
প্রকাশনী : বেনজিন প্রকাশন
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ২১৭
মুদ্রিত মূল্য : ৪৫০৳ (রেগুলার এডিশন)

06/01/2026

২০২৫ সালে পড়া যে দুইটা বই আমার পরিবর্তনে সাহায্য করেছিল...

বি:দ্র: ভিডিওর শুরুতে ২০২৫ এর জায়গায় ভুল করে ২০২৬ বলে ফেলেছি। 🥲

যেসব জিনিস আমরা খুব সহজেই পেয়ে যাই, তার মর্যাদা আমরা ঠিকঠাক বুঝে উঠতে পারি না। কখনো কখনো কোনো জিনিসের আসল মর্যাদা, আসল স...
05/01/2026

যেসব জিনিস আমরা খুব সহজেই পেয়ে যাই, তার মর্যাদা আমরা ঠিকঠাক বুঝে উঠতে পারি না। কখনো কখনো কোনো জিনিসের আসল মর্যাদা, আসল স্বাদ বুঝতে হলে সেটা থেকে বঞ্চিত থাকতে হয়। ব্যাপারটা কিছুটা ব্যর্থ প্রেমিকের ঐ কথার মতো— এমনিই পায়া গেসিলি দেখে আমার ভালোবাসা বুঝতে পারলি না।

পুষ্প নিতান্তই গ্রাম্য মেয়ে। স্বামীর ঘরে ঠাঁই নেওয়ার পর বহু স্বপ্ন দেখেছিল সে। স্বামী-সন্তান নিয়ে একটা জীবন খুশিখুশি পার করে দিবে বলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছিল। কিন্তু সুখ তার কপালে ছিল না। সন্তান জন্মদানে অক্ষম ছিল বলে সতীনের সংসার হলো তার। তবুও ভিটে কামড়ে পড়ে ছিল সে। কিন্তু স্বামীসংসার তার কপালে জুটলো না। দূর দূর করে তাড়িয়ে দেওয়া হলো তাকে।

গ্রামে এসে বহু তদবিরের পরও যখন দুটো ভাতের জোগাড় হচ্ছিল না, তখন সে আত্মহ*ত্যার পথ বেছে নিল। কিন্তু গ্রাপের নেপাল তাকে বাঁচিয়ে নিয়ে চলে এলো কলকাতা। বহু কষ্টের পর তাকে শেষমেশ ঘৃণ্য পথটাই বেছে নিতে হলো। পতিতাবৃত্তি। এছাড়া আর জীবনধারণের কোনো পথই অবশিষ্ট থাকলো না। তবু তার জীবনটা খুব খারাপ যায়নি। অনঙ্গবাবুর বদৌলতে তাকে খুব বেশি কষ্ট করতে হয়নি। কিন্তু এর মধ্যেই একদিন সে খুঁজে পায় ছোট্ট ভুতুকে। মাতৃহৃদয় যেন ফের ফুটে ওঠে। নিজের সন্তানের অভাবটা ভুতুকে দিয়েই পূরণ করতে চায় সে। অপরদিকে মাতৃস্নেহ থেকে বঞ্চিত ভুতুও সবটা বিলিয়ে দেয় পুষ্পর জন্য। কিন্তু তাদের পরস্পরের ভালোবাসার অল্পদিনেই ইতি ঘটল। অবশ্য এটাকে ইতি বলা ভুল হবে। ইহা তো কেবল শুরু মাত্র— বাকি গল্পখানা জানতে পড়তে হবে “নিশিপদ্ম।”

নিশিপদ্ম নিয়ে ইতিমধ্যে অনেক যুক্তিতর্ক হয়েছে যে এটা আদৌ বিভূতির লেখা কিনা। তবে যেহেতু অনেক প্রকাশনী বিভূতির নাম দিয়েই বের করে ফেলেছে, তাই আমিও ধরে নিচ্ছি এটা প্রকৃতই বিভূতির লেখা। যেহেতু লেখকের এই রিলেটেড লেখা কম এবং আমারও তার লেখা খুব বেশি পড়া হয়নি, তাই ব্যক্তিগত মতামতও দিতে পারছি না। কোনো জায়গায় বিভূতি বিভূতি ফিল পেয়েছি, কোনো জায়গায় পাইনি। তবে গল্প হিসেবে খুবই ভালো লেগেছে।

বহুদিন পর এমন একটা গল্প পড়া হলো। গল্পের পালাবদল খুবই সাধারণ। তবে লেখকের বর্ণনায় তা অসাধারণ হয়ে উঠেছে। গল্পের শেষ পরিণতি হয়তো আপনি আগেই বুঝতে পারবেন কিন্তু তা এতো চমৎকারভাবে হবে, তা বুঝে উঠিনি। ক্যারেক্টারগুলোও খুবই রিয়েল। সমাজের কতকগুলো সাধারণ অথচ অস্বস্তিকর চিত্র ফুটে উঠেছে চমৎকারভাবে। সার্বিক চিন্তার পর এটা প্রকৃতই বিভূতির লেখা বলে মনে হয়েছে। গল্পে বর্ণনাশৈলি, ক্যারেক্টার বিল্ড আপ, প্লট, সবকিছুই অসাধারণ ছিল। ঝরঝরে, মেদহীন লেখা। সহজেই পড়া যায়।

যাইহোক, বিভূতির লেখা নিয়ে বেশি বলার মতো কিছু নেই। তার লেখা সকলের কাছেই অত্যন্ত সুপরিচিত। শুধু এতটুকু বলব, এখন পর্যন্ত এটা আমার পড়া বিভূতির লেখা ব্যতিক্রমধর্মী উপন্যাস। সাধারণত এমন গল্প বিভূতিভূষণ লেখেন না বলেই জানি। প্রকৃতিই তার লেখার প্রধান উপজীব্য। এই গল্পে এটার উপস্থিতি নেই বললেই চলে। তবে সবমিলিয়ে—এনাফ।

◽বই : নিশিপদ্ম
◽লেখক : বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
◽প্রকাশনী : সতীর্থ প্রকাশন
◽পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১৬৮

রিভিউটা যখন লিখছি তখন মাথার ভেতর দি আলকেমিস্ট বইয়ের সেই বিখ্যাত বাক্যটা বারবার মনে পড়ছে— “যখন মানুষ সর্বান্তকরণে কিছু এক...
04/01/2026

রিভিউটা যখন লিখছি তখন মাথার ভেতর দি আলকেমিস্ট বইয়ের সেই বিখ্যাত বাক্যটা বারবার মনে পড়ছে— “যখন মানুষ সর্বান্তকরণে কিছু একটা পেতে চায়, তখন মহাবিশ্বের প্রতিটি কণা সেই চাহিদা মেটাবার যোগসাজশে লেগে পড়ে।”

বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়ের লেখা “আদর্শ হিন্দু হোটেল” পড়েননি, এমন পাঠক খুব কমই পাওয়া যাবে। বহুকাল ধরে এই বই নিয়ে জয়জয়কার শুনেছে পাঠকরা। তাই বইয়ের নাড়িনক্ষত্র বের করার কোনো ইচ্ছে বা দুঃসাহস কোনোটাই আমার নেই। বরং এই বই থেকে আমি কী অর্জন করেছি বা কী শিখতে পেরেছি, এই বই আমার চিন্তার জগতে কীভাবে ছাপ ফেলল বা সাচ্চা পাঠকরা এই বইটার কেন এত প্রশংসা করেন, সেসব জানার চেষ্টা করব।

এই বইয়ের প্রধান চরিত্র হলো হাজারি দেবশর্মা। গ্রাম থেকে বেশ দূরে রাণাঘাটের রেল-বাজারে বেচু চক্কত্তির দোকানে রান্নার কাজ করেন। হাজারি ঠাকুর, এক নামে সবাই চিনবে। হাজারি ঠাকুর রান্নার কাজটা বেশ ভালোই রপ্ত করেছেন। বলতে গেলে হাজারি ঠাকুরের রান্নার জন্যই বেচু চক্কত্তির হোটেল ভালোভাবে চলে। কিন্তু বেচু চক্কত্তি আর হোটেলের পদ্মঝি যেন তার কাজ না দেখেও দেখেন না। বরং উল্টো তার উপরেই সবার সব ক্ষোভ। মাত্র ক'টা টাকায় তার পরিবার চলে না। তবুও হাজারি ঠাকুর তার মালিকের প্রতি কৃতজ্ঞ। তবে তার একটা স্বপ্ন আছে, এই রাণাঘাটের রেল-বাজারেই একটা হোটেল হবে। হাজারি ঠাকুরের নিজের হোটেল। নাম হবে আদর্শ হিন্দু হোটেল। সেখানে খদ্দেরদের সর্বোচ্চ সুবিধা দেওয়া হবে। অন্যান্য হোটেলের মতো সেখানে দুইনাম্বারি কোনো কাজ হবে না। এই স্বপ্নেই হাজারি ঠাকুর বিভোর। চল্লিশের কোঠা পার হলে কী হবে, তার এই স্বপ্ন তাকে বাঁচিয়ে রেখেছে।

আলোচনার সুবিধার্থে ঘটনা সংক্ষেপ সামান্য তুলে ধরলাম। এখানে ফাইন্ডিংসগুলো হলো— এক, হাজারি ঠাকুর তার নিজের কাজে সর্বোচ্চ দক্ষ। দুই, হাজার অপমানিত হলেও সে কখনো মালিকপক্ষের প্রতি অকৃতজ্ঞ ছিল না বরং ধৈর্য্য ধরে তার নিজের স্বপ্নের দিকে এগিয়ে চলেছে। আচ্ছাহ্, বাকিগুলো আস্তে আস্তে জানব। এগুলো নিয়েই আমি বরং আলোচনা করি।

এখান থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টা হলো, প্রত্যেকটা মানুষ, যেই কাজই করুক না কেন, তার নিজের কাজে দক্ষ হতে হবে। হোক সে ঝাড়ুদার কিংবা শিক্ষক। আপনি আপনার কাজে যদি দক্ষতা অর্জন করতে পারেন, বাকিদের থেকে বেশি দক্ষ হতে পারেন, তাহলে আপনার সফলতা সুনিশ্চিত। এরপরেই যেটা আসবে, আপনাকে আপনার স্বপ্নপূরণের রোডম্যাপ রেডি করতে হবে এবং যতই ঝড়ঝাপটা আসুক, সৎ, কৃতজ্ঞ ও বিনয়ী থাকতে হবে।

হাজারি ঠাকুর কিন্তু তার স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছিল। তার স্বপ্নপূরণের পেছনের গল্পটাই মূল। এখানে একটা ছোট্ট উপদেশ যোগ করি, আপনি অনুপ্রেরিত হতে চাইলে সফল মানুষদের সফলতার পেছনের ব্যর্থতার গল্পগুলো জানুন। হাজারি ঠাকুর নিজের কাজে ছিল দক্ষ, ছিল সৎ, কৃতজ্ঞ ও বিনয়ী। কিন্তু এসব দিয়ে তো আর বাজার চলে না। ব্যবসায় নামতে গেলে দরকার পুঁজি, ইনভেস্টমেন্ট। সেখানে হাজারি ঠাকুর সাহায্যপ্রাপ্ত হয়েছিল অন্যদের দ্বারা। আচ্ছা ভাবুন তো, এই সাহায্যপ্রাপ্তির পেছনের মূল কারণ কী? কারণ ঐ আগেরটাই। সে ছিল নিজের কাজে দক্ষ, সৎ, কৃতজ্ঞ ও বিনয়ী। তার উপর অন্যদের ভরসা ছিল। সে তার সর্বোচ্চটুকু দিয়ে চেষ্টা চালিয়েছিল। পোস্টের প্রথম প্যারার বাক্যটা প্রয়োজনে আবার পড়ে আসুন।

হাজারি ঠাকুরের সফলতা কি ঐ হোটেল খুলেই থেমে ছিল? নাহ্। তারপরের কাহিনি না-হয় পাঠক পড়েই জেনে নিবে। সে কি সফল হওয়ার পরও পরিবর্তন হয়েছিল? নাহ্, হয়নি। সে তখনও তার পূর্বের মালিকের প্রতি ছিল কৃতজ্ঞ। সে সবসময় মনে রেখেছে তার সফল হওয়ার পেছনের সামান্য ভূমিকা রাখা প্রতিটা ব্যক্তিকে। তখনও সে ছিল বিনয়ী ও সৎ। এসবকিছুই হাজারি ঠাকুরকে নিয়ে গিয়েছে সফলতার আরো উচ্চ পর্যায়ে।

কিছু বোদ্ধা পাঠকদের বলতে শোনা যায়, ফিকশন পড়ে কি লাভ? জ্ঞান অর্জন করতে হলে, কিছু জানতে হলে নন-ফিকশন পড়তে হবে। ফিকশনে শুধু সময় অপচয়। ইত্যাদি ইত্যাদি। আসলেই কি তাই? বরং এসব ফিকশন পড়ার পর একজন পাঠকের মধ্যে এই জিনিসগুলো সহজেই ঢুকে যায় এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়, যেগুলো নন-ফিকশন বইয়ে কাঠখোট্টা লেখায় পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা ভরা থাকে। ফিকশনের প্রয়োজনীয়তাও ব্যাখ্যাতীত। তার জন্য সত্যিকারের পাঠক হতে হবে। তাহলেই সঠিক বই চিহ্নিত করা সম্ভব।

এসব বই পড়ার পর কিছুক্ষণ চিন্তা করুন। কী শিখলেন, কী পেলেন, এসব ঘটনা কি এমনিই হয়ে গেল, নাকি এর পেছনে জীবন পরিবর্তন করার মতো বার্তা রয়েছে! দেখবেন, এমন অনেককিছুই আছে, যেগুলো আপনাকে সাহস দেবে, সফলতার রাস্তা দেখাবে।

আর হ্যা, রিভিউয়ের চিরাচরিত নিয়ম অনুযায়ী কিছু কথা না বললেই নয়। এই বইয়ে বিভূতির লেখনশৈলি আপনাকে মুগ্ধ করবে বরাবরের মতো। পড়ার সময় বিরক্তবোধ আসার কথা না। ছোট্ট একটা বই, খুব সাবলীল ও প্রাঞ্জল। আশা করি সকলের জন্য বেশ উপভোগ্য হবে। সতীর্থ প্রকাশনীর ভিন্টেজ সেটের বইটার প্রোডাকশন দারুণ হয়েছে। সাইজ ছোটো থাকার কারণে হাতে ধরে পড়তেও দারুণ লাগবে।

পরিশেষে, আদর্শ হিন্দু হোটেল শুধু একজন রাঁধুনির সফল হওয়ার গল্প না। বরং সফলতার রোডম্যাপ। আবারও সেই লাইনটাই মাথায় আসে—“যখন মানুষ সর্বান্তকরণে কিছু একটা পেতে চায়, তখন মহাবিশ্বের প্রতিটি কণা সেই চাহিদা মেটাবার যোগসাজশে লেগে পড়ে।”

বই : আদর্শ হিন্দু হোটেল
লেখক : বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রকাশনী : সতীর্থ প্রকাশন
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ২৩২

আজকের দিনে অনেকের কোনো সমস্যা দেখা দিলে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণভিত্তিক মত নেওয়ার জন্য কোনো আলেমের শরণাপন্ন হয় এবং সেই আলেম অতি ...
03/01/2026

আজকের দিনে অনেকের কোনো সমস্যা দেখা দিলে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণভিত্তিক মত নেওয়ার জন্য কোনো আলেমের শরণাপন্ন হয় এবং সেই আলেম অতি সহজেই তার সুন্দর ব্যাখ্যা ও নির্দেশ দ্বারা আমাদের উপকৃত করেন। এই যে একজন আলেম বা ধর্মগুরু অতি সহজেই আমাদের সমস্যাগুলোর সমাধান দিচ্ছেন, এর উৎসগুলো কিন্তু একদিনেই তৈরি হয়নি। বরং ধীরে ধীরে অতি সূক্ষ্মতার সাথে কয়েক শতাব্দী যাবত এর ভিত্তিমূল গড়ে উঠেছে।

যখন নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেঁচে ছিলেন তখন প্রয়োজনীয় বিষয়াবলি কেউ সংকলন করার প্রয়োজন বোধ করেনি৷ কারণ তখন যেকোনো সমস্যা হলে রাসূল ছিলেন। তাঁর শরণাপন্ন হলেই যেকোনো সমস্যার সর্বোত্তম সমাধান পাওয়া যেত।

রাসূল (সা.) ইহলোক ত্যাগ করলেও তখন বেঁচে ছিলেন উম্মতের শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের সাহাবীগণ। যাদেরকে আল্লাহ নিজ ইচ্ছায় রাসূলের সাথী বানিয়েছেন। তখন পর্যন্তও কোনো সমস্যা ছিল না। মানুষজন যেকোনো সমস্যার সমাধানের জন্য তাঁদের শরণাপন্ন হতেন। কিন্তু এভাবে আর কতদিন? তাঁদেরও তো আল্লাহর ডাকে সাড়া দিতে হবে।

এভাবে একের পর এক প্রজন্ম বিদায় হতে থাকে। স্বাভাবিকভাবেই একসময় রাসূল (সা.) এর বিভিন্ন হাদীস ও ফিকহ সংকলনের প্রয়োজন পড়ে। তখন এই কাজের দায়িত্ব নিতে শুরু করেন তাবিয়ী, তাবে তাবিয়ীরা। তাঁরা পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় সফর করে রাসূল সা. এর হাদীস সংগ্রহ করতে থাকেন। ফিকহ বুঝতে আর টুকতে শুরু করেন। ইলম অর্জনের জন্য যাদের জীবন ছিল উৎসর্গিত।

কখনো গৃহবন্দী, কখনো নির্যাতন, কখনো মাতৃভূমি ত্যাগ, কখনো ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য জিহাদ পর্যন্ত করতে তাঁরা পিছপা হতেন না। তাঁদের জীবন ছিল এক এবং একমাত্র ইলম অর্জনের জন্য। আগামী প্রজন্মে ইসলামের ভিত শক্ত রাখার জন্য। যাঁদের জীবনী পড়লে শরীরে কাঁটা দিয়ে ওঠে, আফসোস হয়। আহ্! যদি সাহাবী, তাবিয়ী, তাবে তাবিয়ীদের ধুলো পেতাম!

এমন তাবিয়ী, তাবে তাবিয়ী অর্থাৎ সালাফদের জীবন নিয়েই রচিত ইমরান রাইহানের “সালাফের জীবন থেকে”। অতি সংক্ষিপ্ত ও প্রাঞ্জল ভাষায় এই বইয়ে মোট বিশজন সালাফের সংক্ষিপ্ত জীবন বর্ণিত হয়েছে। এই বইটি সালাফের জীবন সম্পর্কে আগ্রহী হতে পাঠকদের উদ্বুদ্ধ করার একটি সামান্য প্রয়াস মাত্র, যা লেখক শুরুতেই বলেছেন।

গল্পের ঢঙে বলা এসকল জীবনী পড়ার সময় খুব একটা বিরক্তি আসার কথা নয়। তবুও অনেকদিন পর এমন বই হাতে নেওয়ার কারণে নেহাৎ একটু একটু করে পড়তে হচ্ছিল। সালাফদের জীবনে ঘটা গল্পগুলোর ফাঁকে ফাঁকেই কৌশলে লেখক তাদের ব্যক্তিত্ব, চরিত্র ও প্রয়োজনীয় বিষয়াবলি তুলে ধরেছেন। তাই পড়তে ভালোই লেগেছে।

এখানে তবুও অনেকের মনে প্রশ্ন থেকেই যায় “সালাফ” কারা? বা সালাফের পরিভাষা কী? এসকল উত্তর বইয়ের শেষে “পরিশিষ্ট”-তে বর্ণিত হয়েছে। বিভিন্ন মত পার্থক্যের ভেতর দিয়ে উপরোক্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে। এখানে আমার মত হলো এই পরিশিষ্টটা বইয়ের শুরুতে রাখলেই সবচেয়ে ভালো হত।

এতে পাঠকরা সালাফদের জীবনী জানার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জানত, আর অবশ্যই অবশ্যই পরবর্তী পৃষ্ঠাগুলোতে সালাফের জীবন পড়ার জন্য আগ্রহী হত। তাই শুরুতে আনাই সবচেয়ে ভালো বলে মনে করি। তবে শেষে দেওয়ারও কিছু উপকারিতা আছে বৈকি। সেটা পড়লেই বুঝতে পারবেন। কিন্তু আমার মতে শুরুতে রাখাই সবচেয়ে বেটার।

ইতিহাসপ্রেমী ইমরান রাইহান ইতোমধ্যেই বেশ কিছু ইতিহাস বিষয়ক বই রচনা করেছেন। আমারও ইচ্ছা ছিল তার সব বইগুলো পড়ার। সেই ইচ্ছা থেকেই তার প্রথম বই পড়া। এরপর “ইতিহাস পাঠ : প্রসঙ্গ কথা” বইটি পড়ার ইচ্ছে আছে।

যাইহোক, এই বই লেখার পেছনে লেখকের যে উদ্দেশ্য ছিল তার নব্বই ভাগই সফল হয়েছে বলা যায়। কেননা এই বই পড়ার পর আমি নিজেই অনেক প্রভাবিত হয়েছি এবং অবশ্যই সালাফদের জীবনীর প্রতি আগ্রহ বোধ করেছি। বাকি দশভাগের কথা বললে বলব যে ব্যক্তিগত সন্তুষ্টিতে একটু কমতি রয়ে গেছে। কেন? তা বলা একটু কঠিন হয়ত। তাই ওদিকে আর যাচ্ছি না।

একটা কথা না বললেই নয়। পৃষ্ঠাগুলো আরেকটু ভালো করতে হত প্রকাশনীর। অপর পৃষ্ঠার লেখার হালকা ছাপ পড়ে গিয়েছে পৃষ্ঠাগুলোতে। আমি খানিক আলো আঁধারিতে পড়ার সময় বেশ ডিস্টার্ব ফিল করেছি। তাছাড়া পৃষ্ঠাসজ্জা আর প্রোডাকশন যথেষ্ট ভালো। দুয়েক জায়গায় ওয়ার্ড মিসিং চোখে পড়িছিল।

পরিশেষে, একজন মুসলিম হিসেবে সালাফদের সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি। এঁরাই আমাদের জন্য ভিত তৈরি করে রেখে গিয়েছেন। এখন উনাদের সম্পর্কে নূন্যতম ধারণা না রাখলে তাদের প্রতি অন্যায় করা হয়। স্বল্প পরিসরে প্রাঞ্জল ভাষায় সালাফদের সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার জন্য চমৎকার একটি বই এটি। তাই একবার পড়াই যায়!

🔶 ব্যক্তিগত রেটিং : ৪.৫/৫

বই : সালাফের জীবন থেকে - ১
লেখক : ইমরান রাইহান
প্রকাশনী : উমেদ প্রকাশ
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১৯২
মুদ্রিত মূল্য :২৭২ টাকা

02/01/2026

পুরনো অথচ ছুঁয়ে যায় অন্তর!

#কবিতা

01/01/2026

এটা সেরা! 👌🔥

Aura ∞... 🥶Guess the book!?
01/01/2026

Aura ∞... 🥶

Guess the book!?

এ বছরটাও বিভিন্ন অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে গেল। কতগুলো নতুন নতুন অভিজ্ঞতা ঝুলিতে যুক্ত হয়েছে। ২০২৪ এর সাথে ২০২৫ সম্পূর্ণ আলাদ...
31/12/2025

এ বছরটাও বিভিন্ন অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে গেল। কতগুলো নতুন নতুন অভিজ্ঞতা ঝুলিতে যুক্ত হয়েছে। ২০২৪ এর সাথে ২০২৫ সম্পূর্ণ আলাদা হলেও পঠিত বইয়ের সংখ্যায় খুব একটা পরিবর্তন হয়নি।

এই বছরও ৪০-৪৫ টার মতো বই পড়া হয়েছে। যদিও টার্গেট ছিল ১০০টি পড়ার। তবে যতগুলো পড়েছি, এগুলোই অনেক। সামনে পরীক্ষা, দোয়া করবেন যাতে পরীক্ষায় মনোযোগী হই।

যাহোক, নিম্নে আমার পঠিত বইগুলো উল্লেখ করলাম। কয়েকটা মিসিং থাকতে পারে।

১. মরণের ডঙ্কা বাজে - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
২. জ্বীন-বাড়ির রহস্য - পলাশ পুরকায়স্থ
৩. নিশিপদ্ম - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
৪. অনিল বাগচীর একদিন - হুমায়ুন আহমেদ
৫. আদর্শ হিন্দু হোটেল - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
৬. মিসমিদের কবচ - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
৭. জোড়াতালির সংসার - এনামুল হক ইবনে ইউসুফ
৮. জাপানের অদ্ভুতুড়ে সব গল্প - এদোগাওয়া রেম্পো
৯. বরফ গলা নদী - জহির রায়হান
১০. কুয়াশানগরীর উপাখ্যান - শ্রীজাত
১১. খোঁড়া ভৈরবীর মাঠ - অভীক সরকার
১২. কাউরীবুড়ির মন্দির - অভীক সরকার
১৩. কখনো আরশে কখনো ফরাশে - রবিউল দারবিশ
১৪. ইমাম - লতিফুল ইসলাম শিবলী
১৫. আরেক ফাল্গুন - জহির রায়হান
১৬. দ্য ডিভোশন অব সাসপেক্ট এক্স - কেইগো হিগাশিনো
১৭. পুরাণের সমান্তরালে - এস এম নিয়াজ মওলা
১৮. ১৯৭১ - হুমায়ুন আহমেদ
১৯. বাটিনামা - আখতার মাহমুদ
২০. তৃষ্ণা - জহির রায়হান
২১. ইতিহাস পাঠ : প্রসঙ্গ কথা - ইমরান রাইহান
২২. শ্রাবনের দিন - আমিনুল ইসলাম
২৩. অপেক্ষা - হুমায়ূন আহমেদ
২৪. ফেরা ১ - সিহিন্তা শরিফা
২৫. ফেরা ২ - বিনতু আদিল
২৬. পশ্চিমের হাওয়ায় প্রাণ - মেহেদি ধ্রুব
২৭. শেষ বিকেলের মেয়ে - জহির রায়হান
২৮. খান ফ্যামিলি - জামসেদুর রহমান সজীব
২৯. শোণিত উপাখ্যান : বর্তমান - সৈয়দ অনির্বাণ
৩০. শোণিত উপাখ্যান : অতীত - সৈয়দ অনির্বাণ
৩১. শোণিত উপাখ্যান : অতঃপর - সৈয়দ অনির্বাণ
৩২. শূন্য - হুমায়ুন আহমেদ
৩৩. সালাফের জীবন থেকে - ইমরান রাইহান
৩৪. গৌরিপুর জংশন - হুমায়ুন আহমেদ
৩৫. নিশীথিনী - হুমায়ুন আহমেদ
৩৬. নবরত্ন - দিবাকর দাস

এগুলোর বাইরেও হয়তো দু-একটা ছিল, সেগুলোর নাম মনে পড়ছে না। তাছাড়া অনেকগুলো অডিও বুক শোনা হয়েছে। কিছুদূর পড়ে রেখে দিয়েছি এরকম কিছু বই আছে। সবমিলিয়ে খারাপ না, কী বলেন? বই যে পড়েছি কিছু, এটাই ঢের।

Address

Dhamoirhat

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tasu Tales posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share