01/03/2026
হে নবীন দেখ তুমি
হে নবীন দেখ তুমি ভাবো নিরন্তর,
কর পরিশ্রম আনো পরিবর্তন।
তোমার পানে বিশ্ব চেয়ে,আছে আর্তনাদ,
রক্তপিপাসুর বিশ্বজুড়ে পরেছে প্রভাব।
দিয়েছে শিকল টেনে,
পড়েছে মানব চক্ষুলজ্জাহীন হয়ে,
হয়েছে আজ বর নীরব।
তুমি কি থাকিবে পশুর মতো হয়ে?
থাকতে যদি চাও বিবেকহীন হয়ে,
কেনই রাখবে মানব অস্তিত্ব দিয়ে দাও উজার করে।
গাজার শিশুর আর্তচিৎকারে শিউরে ওঠে মন,
খাদ্য বস্র, বাসস্থান করেছে হরণ।
নির্বিচারে করেছে গুলি ,করেছ বোমা বর্ষণ।
নরক গহ্বর করেছে গাজার পথ -প্রান্তর।
গাজার মা বোনদের ইজ্জত নিয়ে
করে তারা পশুর আচরণ,
পাখির মতো মানুষ মারে,
করে মৃত্যু খেলার প্রতিযোগিতার আয়োজন।
গোলামের বেশ ধরেছে আজ,
ইতিহাসের সেরা আরব
জ্ঞানে গুণে ছিল শীর্ষ,
আজ তারা ঘুমে অচেতন বেকুব ভন্ড জাতি।
যাদের দাপটে বিশ্ব কাঁপত, আজ তারা উপহাসিত।
যাদের সৈন্যের ভয়ে শত্রুদের অন্তর কেঁপে উঠতো,
আজ তারা সৈন্যহীন,
চলে রক্তপিপাসুদের নিরাপত্তার আশ্রয়ে।
দেখি পত্র পত্রিকায়
বাংলাদেশ কিংবা তুরস্ক গভীর নিন্দা জানাই।
চুপ থাকে আরব যেখানে
ইতালি কিংবা গ্রিসে হয় গাজাবাসীর জন্য বিক্ষোভ।
মানুষ মানুষের জন্য তাও ভুলেছে,
ভুলেছে মুসলিম উম্মাহ রাষ্ট্রের সীমারেখায়।
কাফেরদের সানিধ্ব পেতে উৎ পেতে থাকি,
পরম সুভাগ্য ভেবে।
মুসলিম ভাই দেখে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠি ,
যার কারণে ২০০ কোটি মুসলমানদের করুণ পরিস্থিতি।
শিয়া, সুন্নি অহাবি নামে মুসলিম উম্মাহ আজ শত ভাগ,
বিছিন্ন উম্মার কে দেখা পথ কে করিবে ঐক্য,
এটাই আজ বর মুসলিম উম্মাহর বিপদ।
ইতিহাসের প্রথম সারিতে আছে সালাউদ্দিন,
আছে তার ৬০ হাজার সৈন্য,
যাদের কাছে নত হয়েছিল পুরো ইউরোপ বিশ্ব।
আল আকসায় হয়েছিল ঘন্টার বদলে আজানের ধ্বনি। দেখিয়েছিলেন রক্তপিপাসুদের শান্তির মূর্ত প্রতিক।
কে আনিবে শান্তির ধ্বজা সালাউদ্দীনের ন্যায়,
করবে শান্তি পূর্ণস্থাপন অন্যায়ের বদলে ন্যায়।
গাজাবাসী দেখবে শান্তির সকাল
দেখবে নবীন সূর্য।
বিশ্ব পাবে মহান নেতা, ক্যান্সার মুক্ত বিশ্ব।
ওহে নবীন দেখ তুমি, ভাবো নিরন্তর।
করো পরিশ্রম আনো পরিবর্তন,
তোমার দ্বারা হোক নবীন জাগরণ।
অন্যায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধকে স্বাগত জানাই,
মৃত্যুকে স্বাগত জানাই,
স্বাগত জানাই ভোরের আলোকে
সেই সাথে তোমাকে স্বাগত জানাব Congratulations.
-মো মুক্তাকিন মিয়া
বাংলা বিভাগ ২৪-২৫
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি
(ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাস)