13/01/2026
জঙ্গলের ভেতরে ঢুকতেই অন্ধকার আরও ঘন হয়ে এলো।
গাছের ডালগুলো যেন হাত বাড়িয়ে ধরতে চাইছে।
শোভন দৌড়াচ্ছে, বুক ফেটে যাচ্ছে।
পেছন থেকে শোনা যাচ্ছে—
খটখট… খটখট…
নখের শব্দ… খুব কাছেই।
হঠাৎ সে থেমে যায়।
তার সামনে—
একটা পুরনো পাথরের কুয়া।
চারপাশে লালচে দাগ, শুকনো রক্তের মতো।
কুয়ার পাশে ঝুলছে একটা ভাঙা কাঠের ফলক।
কাঁপা কাঁপা অক্ষরে লেখা—
“যে তাকাবে, সে ডাকা হবে।”
শোভনের মাথার ভেতর ঝাঁকুনি লাগে।
তার মনে পড়ে যায় গ্রামের বুড়োর কথা—
“রেক আসে না… তাকে ডাকা হয়।”
হঠাৎ পেছনে নিঃশ্বাসের শব্দ থেমে যায়।
অস্বাভাবিক নীরবতা।
শোভন ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ায়…
রেক আর জঙ্গলে নেই।
সে দাঁড়িয়ে আছে কুয়ার ধারে।
রেক মাথা নিচু করে ফিসফিস করে বলল,
“তু…মি… দে…খে…ছি…লে…”
হঠাৎ কুয়ার ভেতর থেকে আরেকটা চোখ জ্বলে উঠল।
তারপর আরেকটা…
আরেকটা…
শোভন বুঝে গেল—
রেক একা নয়।
ঠিক তখনই—
তার পেছনে কারো হাত কাঁধে পড়ল।